অন্যান্য (68 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এডিস (Ades) নামক এক জাতীয় মশা দ্বারা ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়।
- এডিস মশা দেখতে নীলাভ কালো, দেহে সাদা ডোরাকাটা দাগ রয়েছে।
- এডিস ইজিপটাই ও এডিস এলবোপিকটাস এ দুই প্রজাতির স্ত্রী মশা আমাদের দেশে ডেঙ্গু ছড়ায়।
- অন্যদিকে, কিউলেক্স জাতীয় স্ত্রী মশার কামড়ে গোদ রোগ হয়।
- আর স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া রোগ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ছোট, বাদামি রঙের পোকা যা ধানের শিকড় ও পাতার সজীব অংশ থেকে রস চুষে খায়; ফলে পাতার হলুদ হওয়া, ফুলে শুকে পড়া এবং একসময়ে সারিবদ্ধভাবে গাছ শুকে যাওয়া—একে hopperburn বলা হয়।
- ডিমগুলো পাতার আবরণে বা গাছের নিকটে রাখা হয়; অল্প সময়ে বহুগুণ বাড়ে, বিশেষ করে অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার ব্যবহার বা অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহারে আক্রমণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রধান ক্ষতিসাধনের কারণ হলো সরাসরি রসচুষার ফলে গাছ দুর্বল হওয়া এবং কিছু ক্ষেত্রে তারা rice ragged stuntrice grassy stunt নামের ভাইরাস রোগ বাহক হিসেবে কাজ করে, যেটাও উৎপাদন হ্রাস করে।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: পিটুইটারি নির্যাস (pituitary extract)। নিচে সংক্ষিপ্ত এবং বিন্যাসভিত্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

- পিটুইটারি নির্যাস হলো মৎস্য বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর anterior pituitary থেকে প্রাপ্ত এক ধরনের প্রস্তুতকৃত উপাদান যা gonadotropins (GTH) ধারণ করে।
- এই হরমোনগুলি স্ত্রীর ডিমাশয় ও পুরুষের শুক্রাশয়কে সরাসরি উদ্দীপ্ত করে এবং গ্যামেট (ovulation ও spermiation) তৈরি ও মুক্তিতে সহায়তা করে, ফলে induced breeding সফল হয়।
- প্রয়োগপদ্ধতি: সাধারণত carp গোষ্ঠীর মাছের ক্ষেত্রে pituitary powder saline এ গলিয়ে intramuscular বা intraperitoneal ইনজেকশন দেওয়া হয়; প্রয়োজনে priming ও resolving ইনজেকশনের ক্রমে ব্যবহার করা হয় যাতে নির্দিষ্ট সময়ে পূর্ণ পরিপক্কতা ও ডিমত্যাগ নিশ্চিত হয়।
- কেন অন্যান্য অপশনগুলো সঠিক নয়:
- GnRH: GnRH বা তার analogue গুলো শরীরের endogenous gonadotropin নিঃসরণের মাধ্যমে কাজ করে এবং কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য; কিন্তু ঐতিহ্যবাহী ও সরাসরি প্রভাবের কারণে carps-এ pituitary extract সাধারণত বেশি ব্যবহৃত ও কার্যকর।
- অক্সিটোসিন (oxytocin): মূলত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মসৃণপেশীর সংকোচন ও দুধনিষ্কাশনে কাজ করে; মাছের induced breeding-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।
- টেস্টোস্টেরন (testosterone): এটি একটি sex steroid, মূলত পুরুষলিঙ্গীয় বৈশিষ্ট্য ও শুক্র উৎপাদন প্রভাবিত করে; তা spawning induction-এর জন্য ব্যবহার করা হয় না এবং ovulation সৃষ্টিতে সহায়ক নয়।

অতএব carp জাতীয় মাছের induced breeding-এর জন্য কার্যকর ও প্রচলিত ইনজেকশন হলো পিটুইটারি নির্যাস
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Amphioxus-এর ডিম্বাণুতে yolk পরিমাণ কম এবং সমানভাবে বিতরণ থাকে (isolecithal)।
- কম এবং সমান yolk থাকায় ভাঙ্গন (cleavage) পুরো ডিম্বাণুর মধ্য দিয়ে যেতেই পারে — ফলে সম্পূর্ণ ডিভিশন ঘটে; এটিকেই holoblastic cleavage বলা হয়।
- ভাঙ্গনের ফলশ্রুতিতে গঠিত blastomere‑গুলো প্রায় সমান আকারের থাকে, তাই এটিকে equal cleavage বলা হয়।
- Amphioxus‑এ এই প্যাটার্নটি deuterostome বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাধারণত radial ধাঁচেরও হয়, ফলে একটি স্বাভাবিক blastula তৈরি হয় যার মাঝে blastocoel থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পাখির ডিমে কুসুমের পরিমাণ অনেক বেশি, ফলে কুসুম পুরো ডিমে সমভাবে নেই বরং একপাশে জমে থাকে; এ ধরনের বিতরণকে telolecithal বলা হয়।
- কুসুম খুব বেশি থাকার কারণে পারপূর্ন বিভাজন (holoblastic cleavage) সম্ভব হয় না; বিভাজন হয় কুসুমের ওপরের ছোট অংশে  — এটিকে discoidal meroblastic cleavage বলা হয়।
- Mesolecithal ডিমে কুসুম মাঝামাঝি পরিমাণে থাকে (উদাহরণ: amphibians)। Isolecithal ডিমে কুসুম খুব কম থাকে (অনেক স্তন্যপায়ী ও অন্যান্য), এবং alecithal বলতে প্রায় কুসুমহীন ডিম বোঝায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণ প্রক্রিয়ার সরাসরি সূচক হচ্ছে anterior pituitary থেকে স্রাবিত LH এর মাঝ-চক্র (mid-cycle) বড়ো একটি surge। সারাংশ এক প্যারায় এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো আলাদা করে দেওয়া হলো।

ফলিকিউল ডেভেলপমেন্টের সময় ডমিন্যান্ট follicle থেকে উৎপন্ন estradiol (এক ধরনের estrogen) স্তর ধীরে ধীরে বাড়ে; যখন estrogen একটি উচ্চ সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন hypothalamus‑pituitary axis‑এ positive feedback সৃষ্টি হয় এবং anterior pituitary থেকে একটি তীব্র LH surge ঘটে। এই LH surge এর যেসব কার্যকারিতা রয়েছে: oocyte‑এর মিওসিস আরম্ভ করা (প্রথম মেজিওটিক ডিভিশন সম্পন্ন করে দ্বিতীয় এটিন মেয়োটি দূরবস্থা), follicular wall‑এর enzymatic পরিবর্তন এবং cumulus expansion ঘটানো, ফলে follicle ফেটে গিয়ে ovulation ঘটে; একই সঙ্গে granulosa ও theca কোষগুলোর luteinization শুরু হয়ে corpus luteum তৈরি হয় যা পরে progesterone উৎপাদন করে।

- LH — mid‑cycle surge সরাসরি ovulation trigger করে (সঠিক উত্তর)।
- FSH — follicle growth ও granulosa cell proliferation উৎসাহিত করে, কিন্তু ovulation‑এর প্রধান উদ্দীপক নয়।
- Estrogen (estradiol) — সরাসরি ovulation করে না; তবে উচ্চ মাত্রায় থাকলে LH surge উদ্দীপিত করে (positive feedback)।
- Progesterone — ovulation‑এর পর corpus luteum থেকে স্রাবিত হয় এবং gonadotropin‑এ negative feedback প্রয়োগ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো প্রাণীকে endemic বলা হয় যখন সেটি নির্দিষ্ট এক ভূগোলিক অঞ্চলে সীমাবদ্ধভাবে বা স্বাভাবিকভাবে বিদ্যমান থাকে। নিচে প্রতিটি অপশনের সংক্ষিপ্ত তথ্য পয়েন্ট আকারে দেওয়া হল এবং শেষে সিদ্ধান্ত দেখানো আছে।

- ভারতীয় হাতি (Elephas maximus indicus) দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার Indomalayan (প্রাচ্য) অঞ্চলে স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায়; তাই এটি ওই প্রাচ্য/অঞ্জলি অঞ্চলের স্থানীয় (endemic) প্রজাতির প্রতিনিধিত্ব করে।
- ক্যাঙ্গারু মূলত অস্ট্রেলিয়া ও তার আশেপাশের দ্বীপপুঞ্জে সীমাবদ্ধভাবে পাওয়া যায়, এশিয়ায় এটি স্বাভাবিকভাবে অবধারিত নয়।
- জিরাফ আফ্রিকার савান্না ও খোলা ময়দানে বাস করে; এটি এশিয়ার endemic নয়।
- পেঙ্গুইনদের বেশিরভাগ প্রজাতি দক্ষিণ গোলার্ধে (বিশেষ করে অ্যান্টার্কটিকা ও দক্ষিণগত উপকূলীয় অঞ্চলে) পাওয়া যায়; এশিয়ার endemic নয়।

উপরোক্ত কারণে সঠিক উত্তর হল ভারতীয় হাতি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস একটি প্রফেশনাল হিসাবে তার ভ্রমণের আবিষ্কারের জন্য ক্রেডিট পায়। সম্ভবত ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মধ্য দিয়ে ভ্রমণের তথ্য সংগ্রহ করে তার সবচেয়ে সুপরিচিত খোঁজ পাওয়া যায়। এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিসম্পদ অধ্যয়ন করে, ওয়ালেস একটি হাইপোথিসিসের সাথে উঠে আসতে সক্ষম হন যার একটি অংশ ওয়ালেস লাইন নামে পরিচিত।

- ওয়ালেস লাইন একটি কল্পিত সীমা যা অস্ট্রেলিয়া ও এশীয় দ্বীপপুঞ্জ এবং মূল ভূখন্ডের মধ্যে চলছে। এই সীমানা বিন্দু চিহ্নিত করে যেখানে লাইনের উভয় পাশে প্রজাতির পার্থক্য থাকে। লাইনের পশ্চিমে, সমস্ত প্রজাতি একই রকম বা এশিয়ার মূল ভূখন্ডে পাওয়া যায় এমন প্রজাতি থেকে প্রাপ্ত।

- লাইন পূর্ব দিকে, অস্ট্রেলিয়ান বংশদ্ভুতের অনেক প্রজাতি রয়েছে। লাইন বরাবর দুটি মিশ্রণ এবং বেশিরভাগ প্রজাতি সাধারণত এশিয়ার প্রজাতির সংকর এবং আরো বিচ্ছিন্ন অস্ট্রেলিয়ান প্রজাতি।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃথিবীকে zoogeographic/biogeographic realms-এ ভাগ করা হয়; দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে সাধারণত প্রাচ্য (Oriental) বা Indomalayan realm-এ ধরা হয় এবং বাংলাদেশও তাই।
- বাংলাদেশে জলবায়ু ও উৎপত্তি tropical/subtropical; উদ্ভিদ ও প্রাণীর জোট (faunal affinities) ভারতের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া’র সাথে মিলে যায়—উদাহরণ: Bengal tiger, Asian elephant, Indian peafowl, বিভিন্ন passerine পাখি ও রিপটাইলস, এবং Sundarbans-এর mangrove একোসিস্টেম, যা প্রাচ্য (Oriental) বৈশিষ্ট্য বহন করে।

- অন্যান্য option গুলো কেন সঠিক নয়:
- প্যালিয়ার্কটিক (Palaearctic) হচ্ছে ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা ও উদ্ভিদ-জৈবিকভাবে শীতপ্রধান এশিয়ার অংশ; এতে থাকা প্রজাতিগুলো বাংলাদেশে সাধারণত দেখা যায় না।
- নিয়ার্কটিক (Nearctic) হল উত্তর আমেরিকা—ভৌগোলিকভাবে সম্পর্ক নেই।
- অস্ট্রেলিয়ান (Australian) অঞ্চলের প্রাণিবিজ্ঞান marsupial ও monotreme-প্রধান এবং এটিকে Wallace Line আলাদা করে; বাংলাদেশ এই অঞ্চলের ভেতর পড়ে না।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইকো-ট্যুরিজমের মূল ভিত্তি হল পরিবেশগত শিক্ষা ও সংরক্ষণ, কারণ এটি এমনভাবে ভ্রমণকে উৎসাহিত করে যে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষা পায় এবং ভ্রমণকারীদের মধ্যে পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

- পরিবেশগত সংরক্ষণ: প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী ও বাস্তুতন্ত্রকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে দীর্ঘমেয়াদিভাবে বজায় রাখা।
- শিক্ষা ও সচেতনতা: ভ্রমণকারীদের পরিবেশগত মূল্য, পরিবেশগত বিপদ ও টেকসই আচরণ সম্পর্কে শিক্ষিত করা।
- স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও উপকার: স্থানীয়দেরজীবিকার সুযোগ বাড়ায় এবং তাদের ঐতিহ্য ও পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করে, তবে এটি মূল উদ্দেশ্য নয় বরং একটি লক্ষ্য-সম্পর্কিত ফল।
- টেকসই ব্যবস্থাপনা: ভ্রমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশগত প্রভাব কমানো এবং স্থানীয় সম্পদের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা: প্রাকৃতিক পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পারদ — বিশেষত জলের পরিবেশে ইনঅর্গানিক পারদকে মাইক্রোঅর্গানিজম রূপান্তর করে methylmercury তৈরি করে, যা অতি বিষাক্ত।
- উৎস: শিল্পকারখানা থেকে নিষ্কাশিত বর্জ্য (historical example: Chisso ফ্যাক্টরির নিষ্কাশন) মৎস্যজীবী এলাকায় পারদ প্রবেশ করায়।
- প্রক্রিয়া: sediments-এ পারদ methylate হয়ে চলে; তারপর প্ল্যাঙ্কটন ও ছোট মাছ গ্রহন করে মাটিতে জমা হয় — এইভাবে bioaccumulationbiomagnification ঘটে, ফলে বড় মাছ খেয়ে মানুষের শরীরে উচ্চ মাত্রার পারদ জমা হয়।

- উপসর্গসমূহ: প্রধানত স্নায়ুবিক লক্ষণ — হাতে-পায়ে ঝিনঝিন অনুভূতি (paresthesia), সমন্বয়হীনতা (ataxia), শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস, বাক্‌-বুদ্ধি খারাপ (dysarthria, mental disturbance)। গর্ভবতী মায়ের মাধ্যমে ভ্রূণের স্নায়ুতন্ত্রে ব্যাপক ক্ষতি হলে congenital Minamata syndrome (শিরা-চলন ত্রুটি, মানসিক বিকাশহীনতা) হতে পারে।
- চিকিৎসা ও প্রতিরোধ: চিকিৎসা প্রধানত supportive; methylmercury-এর ক্ষেত্রে chelation-এর সীমিত সুবিধা আছে। প্রতিরোধে শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণ, জলে পারদের ব্লকিং, মাছ খাওয়ার সতর্কতা এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ জরুরি।

সারাংশ: পানিতে পারদের (বিশেষত methylmercury) সংক্রমণের ফলেই মিনামাটা রোগ হয় — এটি জৈব-পর্যায়ে বাড়া পারদের কারণে স্নায়ুতন্ত্রকে ক্ষতिग্রস্ত করে এবং প্রধানত মাছ-মাছি ভক্ষণ করে মানুষ আক্রান্ত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সমবৃত্তীয় অঙ্গ হল এমন অঙ্গসমূহ যেগুলো একই কাজ করে (একই কার্য) কিন্তু গঠনে ভিন্ন এবং বিবর্তনগত উৎসও আলাদা (English: analogous organs)। এরা সাধারণত convergent evolution দ্বারা গঠিত হয়।
- বাদুড়ের ডানা একটি স্তন্যপায়ীর পূর্বপদ (forelimb) যা হাড্ডি (humerus, radius, ulna, finger bones) আছে এবং ত্বকের পাত দিয়ে মেলে গড়ে তোলে; অন্যদিকে প্রজাপতির ডানা একটি ইনস্কেলটনের অংশ, চিটিনীয় পাত এবং স্কেল নিয়ে গঠিত—এতে হাড় নেই।
- কাজ একটাই (উড়া), কিন্তু গঠন ও উৎস ভিন্ন হওয়ার কারণে এগুলো একই আদি পূর্বপুরুষ থেকে আগত নয়; তাই এগুলো সমবৃত্তীয় অঙ্গ

এক প্যারায় সংক্ষেপে: বাদুড়ের ডানা এবং প্রজাপতির ডানা একই কাজে ব্যবহৃত হওয়ার পরও গঠন ও বিবর্তনগত উৎপত্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায় সেগুলো সমবৃত্তীয় অঙ্গ (Option 4)। সমজাতীয় অঙ্গ (Option 1) হলে গঠন মিল থাকা উচিত (যেমন মানুষের হাত, তিমির পাখনা, বাদুড়ের ডানা—একই ধরনের হাড়ের বিন্যাস), অবশিষ্ট অঙ্গ (Option 2) হল কাজ হারিয়ে ফেলা অঙ্গ (যেমন appendix), এবং অতিরিক্ত অঙ্গ (Option 3) এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সক্রিপশন হল DNA থেকে mRNA তৈরি করার প্রক্রিয়া।
- এতে RNA polymerase নামক এনজাইম DNA-এর template strand-এ যুক্ত হয়ে complementary RNA সিকোয়েন্স গঠন করে।
- তৈরি হওয়া mRNA-তে থাইমিন (T) থাকে না; তার বদলে ইউরাসিল (U) থাকে।
- ইউক্যারিওটিক কোষে এটি সাধারণত নিউক্লিয়াসে ঘটে; প্রোক্যারিওটের ক্ষেত্রে সাইটোপ্লাজমে ঘটে কারণ আলাদা নিউক্লিয়াস নেই।
- প্রক্রিয়ার ধাপগুলো: initiation (promoter এ binding), elongation (RNA chain synthesis), এবং termination (termination signal এ synthesis থামা)।

উপসংহারে, DNA→mRNA রূপান্তরকে ট্রান্সক্রিপশন বলা হয়—এটি translation (mRNA→protein) বা replication (DNA→DNA) নয়, এবং সাধারণ কথায় "রূপান্তর" কোনো নির্দিষ্ট অণুজৈব প্রক্রিয়ার নাম নয়। তাই সঠিক উত্তর Option 2।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূত্রাশয় (urinary bladder) পাখির শরীরে অনুপস্থিত; কিডনি থেকে তৈরি তাত্ক্ষণিক মূত্র সরাসরি cloaca-তে গিয়ে সঞ্চিত হয় না।
- অগ্ন্যাশয় (pancreas) পাখিদের আছে; সাধারণত duodenum-র পাশে লোব উপস্থিত থেকে পাচক এনজাইম ও হরমোন সরবরাহ করে।
- প্লীহা (spleen) পাখিতে থাকে এবং রক্ত সংশ্লেষণ ও রোগপ্রতিরোধী কাজ করে।
- পিত্তথলি (gall bladder) অনেক পাখিতে থাকে (bile সংরক্ষণ করে), তবে কিছু প্রজাতিতে এটি অনুপস্থিতও হতে পারে।

উপরের অপশনগুলোর মধ্যে সঠিকটি হলো মূত্রাশয়, কারণ পাখির মূত্র থেকে নির্গত বর্জ্য (প্রধানত uric acid) ভেজা মিশ্রণ হিসেবে cloaca-র মাধ্যমে বের হয় এবং কোনো আলাদা bladder-এ জমা হয় না; অন্য তিনটি অঙ্গ (pancreas, spleen এবং সাধারণত gall bladder) পাখিদের দেহে উপস্থিত থাকে (যদিও gall bladder কিছু প্রজাতিতে অনুপস্থিত হতে পারে)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লেজ চ্যাপ্টা ও পাশে চাপা থাকে এমন লেজ সাধারণত সমুদ্রসাপ (sea snakes)–এ দেখা যায়, যার লেজ প্যাডেলের মতো কাজ করে এবং এগুলো সাধারণত শক্তিশালী বিষসম্পন্ন।
- স্থলভিত্তিক বিষধর সাপগুলোর সবগুলোর লেজ চ্যাপ্টা নয়; তাই লেজের এই আকার মূলত জলচলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্য।
- লেজ লম্বাটে ও গোলাকার থাকা সাধারণত স্থলভাগের অ-বিষধর সাপদের বৈশিষ্ট্য হতে পারে।
- সাপের দেহে আঁশ অনুপস্থিত—এটি ভুল, কারণ সব সাপের দেহে আঁশ (scales) থাকে।

এক প্যারাগ্রাফে: লেজের পাশে চাপা ও চ্যাপটা আকৃতি মূলত সাপটি জলে জীবনযাপন করে কি না তার পরিচায়ক; সমুদ্রসাপের লেজ পাশ থেকে চ্যাপটা হয়ে প্যাডেল-বিশেষ গঠন নেয় যা দ্রুত তীরের মধ্যে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। সমুদ্রসাপেরা প্রচুর ক্ষেত্রে শক্তিশালী বিষধর (highly venomous) হওয়ায় উক্ত লেজের ধরনকে এখানে বিষধর সাপের একটি বিশেষ লক্ষণ হিসেবে উত্তরের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যান্য অপশনের কারণগুলো: গলার কাছে আঁশ ছোট থাকা কোনো নির্দিষ্টভাবে বিষধর/অ-বিষধর সাপ আলাদা করে না; লেজ লম্বাটে গোলাকার থাকা অ-বিষধর সাপের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে; আর সাপের দেহে আঁশ অনুপস্থিতি সাযুজ্যহীন বিবৃতি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Ichthyophis হলো একটি caecilian প্রজাতির নাম; এগুলো পেলভ বা পায়ু থাকে না, মাটিতে বা পলিমাটি এলাকায় বাস করে এবং দেহ সরু-লম্বাটে ও আংকের মতো ঝিল্লিযুক্ত।
- ব্যাঙ (frog) ও টড (toad) সাধারণত আক্রমণাত্মকভাবে শিকার ধরে প্রজেক্টাইল টং বা বের করে আনা জিহ্বার মাধ্যমে; অনেক সালাম্যান্ডারও (বিশেষত terrestrial বা plethodontid গোষ্ঠী) টং প্রজেকশন ব্যবহার করে।
- Ichthyophis বা অন্যান্য caecilian-রা সাধারণত শিকার ধরতে টং ব্যবহার করে না; তাদের কাছে টং ছোট বা কম বিকশিত থাকে এবং তারা মূলত চোয়াল ও দাঁত দিয়ে শিকারের উপর কামড়ে ধরে বা সোজা গিলে ফেলে। এছাড়া তারা টাচ ও কেমোরিসেপ্টিভ টেন্টাকলস ব্যবহার করে আশেপাশের শিকার শনাক্ত করে।

সারসংক্ষেপে, ব্যাঙ, টড এবং বেশিরভাগ সালাম্যান্ডার শিকার ধরার জন্য জিহ্বাকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করে (টং প্রজেকশন বা আটকে ধরা), কিন্তু Ichthyophis (caecilian) লোমশ-অবলম্বনে মাটি খোঁড়ার জীবনযাপনের জন্য জিহ্বা বের করে শিকার ধরার উপযোগী নয় — তারা প্রধানত চোয়াল/দাঁত ও দেহগত কৌশলে শিকার ধরে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পিলা (আপেল শামুক) হলো মোলাস্কা পর্বের গ্যাস্ট্রোপড। এদের রেচন অঙ্গ হলো “অর্গান অফ বোজেনাস” (Bojanus organ), যা এক ধরনের কিডনি/নেফ্রিডিয়াম-সদৃশ গঠন।
A) নেফ্রিডিয়া—অ্যানেলিডদের (যেমন কেঁচো) সাধারণ রেচন অঙ্গ।
B) ম্যালপিঘিয়ান টিউবুল—পোকামাকড়ে (ইনসেক্ট) রেচন অঙ্গ।
D) কক্সাল গ্রন্থি—আরাকনিড (যেমন মাকড়সা) ইত্যাদিতে দেখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মশার মুখের প্রধান কাঠামো হচ্ছে একটি লম্বা proboscis যা বাহ্যিকভাবে একটি sheath‑এর মতো labium দ্বারা আবৃত।
- সেই sheath-এর ভিতরে মোট ছয়টি সূক্ষ্ম stylets থাকে — একটি labrum, একটি hypopharynx, জোড়া mandibles এবং জোড়া maxillae — এগুলো মিলে ত্বক কেটে ভিতরে ঢুকতে পারে।
- Labrum থেকে খাবার নেয়ার জন্য একটি food canal তৈরি হয় এবং hypopharynx দিয়ে লালার স্যালাইভা (anticoagulant) প্রয়োগ করা হয়; অর্থাৎ প্রথমে কামড়/বিদ্ধ এবং পরে রক্ত শোষণ করা হয়।
- Lapping (লেহনো) ধরনের মুখোপাঙ্গে এমন সূক্ষ্ম stylets থাকে না; উদাহরণ হিসেবে housefly-এর mouthparts থাকে sponging/lapping ধরনের — তারা তরল খাবারকে ল্যাবেলামের সাহায্যে লেপে বা ল্যাপ করে খায়, ত্বক ভেদ করে রক্ত শোষণ করতে পারে না।

এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে মশার জন্য সঠিক শ্রেণীবিভাগ হচ্ছে Option 4: বিদ্ধকারী ও শোষণোপযোগী (Piercing and sucking type)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Taenia solium সাধারণত pork tapeworm এবং এর প্রকৃত (definitive) পোষক হলো মানুষ; মধ্যবর্তী পোষক (intermediate host) হলো শূকর
- বিবরণগত জীবচক্রের ধাপসমূহ: মানবের মল থেকে বের হওয়া proglottid বা ডিম মাটিতে যায় → শূকর ডিম খেয়ে ফেলে → শূকর-এর অন্ত্রে ডিম থেকে oncosphere বের হয়ে রক্তবাহিরে ছড়িয়ে মাংসের টিস্যুতে গিয়ে cysticercus হিসেবে রূপান্তরিত হয় → মানুষ কাঁচা বা অসমভাবে রান্না করা শূকরের মাংস খেলে সেই cysticercus খেয়ে নিয়ে মানুষের অন্ত্রে বয়স্ক টেপওয়ার্ম হিসেবে বসবাস করে।
- মানুষ কখনো কখনো ভুল করে ডিম খেয়ে cysticercosis হতে পারে; এমন ক্ষেত্রে মানুষই অসংকেত intermediate host হয়ে যায় এবং মস্তিষ্কে গেলে neurocysticercosis হতে পারে।
- Taenia saginata (beef tapeworm)-এর ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী পোষক হলো গরু (গরু এবং শূকরের পার্থক্য মনে রাখুন)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পরিফেরার নালীতন্ত্রের মধ্যে লিউকনয়েড সবচেয়ে জটিল কারণ এবং অন্যান্য দুই ধরণের (asconoid ও syconoid) সঙ্গে তার পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো।

- গঠনগত জটিলতা: লিউকনয়েডে দেহের প্রাচীন সরল গঠনের পরিবর্তে বহু ছোট ছোট ফ্ল্যাজেলেট চেম্বার (choanocyte chambers) সৃষ্টি হয় এবং এসব চেম্বার বিভিন্ন ইনকানাল ও এক্সকানাল দিয়ে সংযুক্ত থাকে।
- স্পঞ্জোকেল (spongocoel): সরল বা বৃহৎ একক স্পঞ্জোকেল থাকে না; কেন্দ্রীয় শূন্যস্থান বহু চেম্বারে বিভক্ত থাকে, ফলে অভ্যন্তরীণ পৃষ্ঠফল বেড়ে যায়।
- পানির সঞ্চালন ও ফিল্টারিং দক্ষতা: পানি ইনকানাল থেকে প্রত্যেক choanocyte chamber দিয়ে দ্রুত ও দক্ষভাবে প্রদাহিত হয় এবং পুষ্টি অণু শোষণের সক্ষমতা বেশি হয়।
- দেহের আকার ও জৈবিক উপযোগিতা: বড় আকারের স্পঞ্জে লিউকনয়েড কায়িক গঠন বজায় রাখতে সুবিধাজনক; এটি জীবনযাপন ও খাদ্য সংগ্রহের জন্য উপযোগী।

সংক্ষেপে, asconoid সবচেয়ে সরল (সোজা স্পঞ্জোকেল ও choanocytes স্পঞ্জোকেলের ভিতরেই), syconoid মাঝারি জটিল (দেয়াল ঘূর্ণায়মান করে radial canals), আর leuconoid সর্বোচ্চ জটিল কারণ এতে বহু চেম্বার ও বিভক্ত নালী ব্যবস্থা থাকায় পৃষ্ঠফল ও ফিল্টারিং কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রফোসাইট (trophozoite) হল সক্রিয়, চলমান ও টিস্যু-আক্রমণকারী ফর্ম যা কোলনের মিউকোসায় আবাস করে।
- এটি galactose-inhibitable lectin-এর মাধ্যমে কোষের উপরে আটকায় (adhesion)।
- টিস্যু ধ্বংসে cysteine proteases, phospholipases ও অন্যান্য সাইটোটক্সিক এঞ্জাইম ও টক্সিন সক্রিয়ভাবে নিঃসৃত করে।
- Phagocytosis করে পরিবেষ্টিত হোস্ট সেল ও বিশেষ করে RBCs খেতে পারে — যা characteristic flask-shaped ulcer সৃষ্টি করে।
- টিস্যুকে প্রবেশ করে ব্লাড সিস্টেমে ছড়িয়ে liver abscess (anchovy‑paste pus) ইত্যাদি এক্সট্রাintestinal রোগও করতে পারে।
- আর cyst ফর্ম হলো পরিবেশে টিকে থাকা infective stage; এটি সংক্রামন ছড়ায় কিন্তু সরাসরি টিস্যু আক্রমণ করে রোগ সৃষ্টি করে না।

ট্রফোসাইট বা magna ফর্মটি সক্রিয়ভাবে আঠসা (adhere), পন্থি ভাঙে ও কোষ ধ্বংস করে — এজন্যই এটি মানুষের দেহে রোগ সৃষ্টি করার মূল কারণ; cyst এবং অন্যান্য অক্ষরূপগুলি প্রধানত সংক্রমণ ছড়ানোর/পরিবেশে টিকে থাকার ভূমিকা রাখে, তারা টিস্যু-আক্রমণে সক্রিয় নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- alpha diversity (আলফা বৈচিত্র্য) হলো একটি নির্দিষ্ট স্থান/কমিউনিটির মধ্যে থাকা প্রজাতির সংখ্যা (species richness) এবং তাদের অনুপাতিক উপস্থিতি (species evenness) পরিমাপ করার সূচক।
- সাধারণভাবে species diversity বলতে প্রজাতির সংখ্যা ও তাদের relative abundance—এই দুইয়ের সংমিশ্রণ বোঝায়।
- alpha diversity পরিমাপে প্রচলিত কিছু সূচক হলো species richness, Shannon index, এবং Simpson index
- beta diversity হল বিভিন্ন সম্প্রদায়/সাইটের মধ্যে প্রজাতির পরিবর্তন বা turnover পরিমাপ; এটা স্থানগুলোর মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করে, একক সাইটের species diversity নয়।
- gamma diversity হলো বৃহত্তর অঞ্চল বা রিজিওনাল স্তরে মোট প্রজাতির সমষ্টিগত বৈচিত্র্য।
- delta diversity কোনো সাধারণভাবে স্বীকৃত প্রধান diversity পর্যায় নয় এবং এখানে প্রযোজ্য নয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0