dump (102 টি প্রশ্ন )

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদের বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গল্প 'হুজুর কেবলা'-য় ধর্মীয় ভণ্ডামি ও শোষণের নির্মম চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের ভণ্ড পীর সাহেব নিজের কামলালসা চরিতার্থ করতে ধর্মীয় বিশ্বাসের অপব্যবহার করেন।
তিনি দাবি করেন যে, তাঁর আধ্যাত্মিক কামালিয়াত অর্জনের জন্য চতুর্থ বিবাহ করা আবশ্যক এবং বেহেশতে তাঁর মুরিদের স্ত্রী কলিমন-এর ছবি তিনি দেখে এসেছেন । পীরের এই চক্রান্তের শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত মুরিদ রজব সমাজ ও পরিবারের চাপে নিজের আদরের স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য হন । পরে পীর সাহেব কলিমনকে বিয়ে করেন । সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো রজব
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদের বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গল্প 'হুজুর কেবলা'-য় পীর সাহেবের প্রধান খলিফা ছিলেন সুফি বদরুদ্দীন
গল্পে তাকে 'সাদুল্লাহ' নামেও চেনা যায়। তিনি ছিলেন পীর সাহেবের প্রধান সহযোগী। মোরাকেবার ভণ্ড আসরে পীর সাহেবের নির্দেশে তিনি নাটকীয়ভাবে অচৈতন্য হয়ে অভিনয় করেন, যেখানে পীর সাহেব তাকে আদর করে 'বদর বাবাজি' বলে ডাকেন। সাধারণ মানুষদের ঠকানোর বুজরুকি আসরে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এই সুফি বদরুদ্দীনের হাত ধরেই মূলত গল্পের কলেজছাত্র এমদাদ পীর সাহেবের কাছে মুরিদ হতে এসেছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদের 'হুজুর কেবলা' গল্পে মুসলমানদের জন্য ধন-দওলত হারাম করার কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
- পার্থিব ধন-দওলত মানুষের আত্মিক বা রুহানিয়ত হাসেলে বাধা সৃষ্টি করে ।
- এটি অন্তরে খোদাভীতির বদলে নফসানিয়ত বা কুপ্রবৃত্তি তৈরি করে ।
- আল্লাহ এই বিত্ত-বৈভবকে শয়তানের প্ররোচনা বা ওয়াস-ওয়াসা বলেছেন ।
তাই রুহের তরক্কি বা আধ্যাত্মিক মুক্তির জন্য দুনিয়াবি লোভ-লালসা ও ধন-সম্পদ ত্যাগ করা উচিত ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদের ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্প 'হুজুর কেবলা'-য় এই প্রসঙ্গের উল্লেখ রয়েছে । সেখানে দেখা যায়, খেলাফত আন্দোলনের সময় স্থানীয় কমিটির অফিসে প্রত্যহ সকাল-বিকালে অনেক মওলানা ও মৌলবি সমবেত হতেন । তাঁরা তৎকালীন রাজনৈতিক অন্ধ বিশ্বাস থেকে কাবুলের আমির কখন ভারত আক্রমণ করবেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ কষতেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদের ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্প হুজুর কেবলা-য় পীর সাহেবের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ বৈপরীত্যের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এমদাদ যখন পীর সাহেবের আস্তানায় যায়, তখন সে লক্ষ্য করে যে তাঁর অন্দরমহলের সব ঘর পাকা বা ইটের তৈরি হলেও তাঁর বৈঠকখানা ঘরটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। বৈঠকখানাটি ছিল অত্যন্ত পরিপাটি এবং তা তৈরি হয়েছিল একটি প্রকাণ্ড খড়ের আটচালা দিয়ে।
এই বৈপরীত্যের মাধ্যমে গল্পে পীর সাহেবের বাহ্যিক সাধারণ রূপ ও ভেতরে বিলাসী মনোভাবকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদ রচিত 'হুজুর কেবলা' গল্পে এমদাদ যখন ধর্মীয় সাধনায় মন বসাতে পারছিল না, তখন তথাকথিত সুফি সাহেব তাকে এই উপদেশ দিয়েছিলেন .
সুফি সাহেব এমদাদকে বলেছিলেন যে, কামেল পীরের আশ্রয় না ধরলে কখনো অন্তরের আলো এবং রুহানিয়ত (আধ্যাত্মিক উন্নতি) হাসিল করা যায় না . তিনি এমদাদের পীর না ধরাকে 'গোড়াতেই গলদ' হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং কামেল পীরের সন্ধান দিয়ে তাকে পীর সাহেবের কাছে নিয়ে যান .

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদের 'হুজুর কেবলা' গল্পের চরিত্র এমদাদ খেলাফত আন্দোলনে জড়িয়ে পুরোপুরি বদলে যায় এবং নামাজে তন্ময় হয়ে পড়ে ।
ধর্মীয় ভাবাদর্শে গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে সে পার্থিব বিলাসিতা বর্জন করে । এরই অংশ হিসেবে সে বাজার থেকে কেনা তসবিহ ব্যবহার না করে, নিজে বাঁশের কঞ্চি কেটে এক ছড়া তসবিহ তৈরি করে । সে এই তসবিহ দিয়ে অনবরত নামজপ করতে থাকে । এমদাদের এই আচরণটি মূলত তার অতি-ভক্তি ও অন্ধ বিশ্বাসের প্রকাশ। তাই সঠিক উত্তর তসবিহ
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0