সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী — চাকরির পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদিনের সাম্প্রতিক খবর, উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ।

মার্কাভা' ট্যাংক কোন দেশের তৈরি? 

উত্তর: ইসরায়েল।

বিশ্বে পামওয়েল উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কোন দেশ? 

উত্তর: মালয়েশিয়া (প্রথম: ইন্দোনেশিয়া)।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সফলভাবে ঝুলন্ত অবতরণ হওয়া রকেটের নাম কী? 

উত্তর: স্টারশিপ।

'লিয়াওনিং' কী? 

উত্তর: চীনের নির্মিত বিমানবাহী রণতরি।

২৩ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক দেশ কোনটি? 

উত্তর: জিম্বাবুয়ে (৩৪৪ রান; বিপক্ষ দল গাম্বিয়া)।

ক্রিকেট বিশ্বে টেস্টের প্রথম দল হিসেবে এক বর্ষপঞ্জিতে ১০০ ছক্কা মারার মাইলফলক অর্জন করে কোন দেশ? 

উত্তর: ভারত।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর নতুন সভাপতি কে? 

উত্তর: তাবিথ আউয়াল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নতুন কোচের নাম কী? 

উত্তর: ফিলিপ ভেরান্ট সিমন্স।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নতুন কোচের নাম কী? 

উত্তর: ফিলিপ ভেরান্ট সিমন্স।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দেশে প্রথমবারের মতো অনলাইন বাস টার্মিনাল কোন জেলায় চালু হয়? 

উত্তর: কক্সবাজার।

ঘূর্ণিঝড় 'দানা' শব্দের অর্থ কী? 

উত্তর: মুক্তো (এটি একটি আরবি শব্দ এবং নামকরণ করে কাতার)।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ পথশিশু রয়েছে কোন শহরে? 

উত্তর: ময়মনসিংহ।

সারাদেশে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (BSCIC) কারখানা রয়েছে কতটি? 

উত্তর: ৪৩৪টি।

৯৭তম অস্কারের 'বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম' বিভাগে বাংলাদেশের কোন ছবিটিকে মনোনিত করা হয়?

উত্তর: বলি। 

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে কোন দেশে? 

উত্তর: সংযুক্ত আরব আমিরাত (দ্বিতীয় পাকিস্তান)।

বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু রয়েছে? 

উত্তর: ১৪৪টি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (ICT) নতুন চেয়ারম্যানের নাম কী? 

উত্তর: বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার।

১ অক্টোবর ২০২৪ আদালত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে কার নাম ঘোষণা করে? 

উত্তর: ডা. শাহাদাত হোসেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতজন নিহত হন? 

উত্তর: ৭৩৫ জন (৭ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত)।

Marine Biodiversity of Areas Beyond National Jurisdiction (BBNJ) চুক্তির নথি বাংলাদেশ জাতিসংঘে কবে জমা দেয়? 

উত্তর: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪।

বর্তমানে Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI) অনুমোদিত পণ্যের সংখ্যা কতটি? 

উত্তর: ২৯৯টি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম নারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান কে? 

উত্তর: ক্যাপ্টেন তাসমিন দোজা।

১৭ অক্টোবর ২০২৪ ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশকীয় কৃষিজাত পণ্য বিক্রির জন্যে কোন অ্যাপ চালু করা হয়? 

উত্তর: ফসল ডট কম।

বড় জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার প্রার্থী-

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়জয়কারের মধ্যে চার বাংলাদেশি- আমেরিকানেরও বিপুল বিজয় হয়েছে। তাঁরা সবাই হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে স্টেট পর্যায়ে সর্বোচ্চ পদমর্যাদায় নির্বাচিত প্রতিনিধি। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি-আমেরিকান ফেডারেল পর্যায়ে (যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সিনেট ও প্রতিনিধি সভা) নির্বাচিত হতে পারেননি। নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেটের রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে সপ্তম মেয়াদের জন্য বিজয়ী হয়েছেন আবুল বি খান (রিপাবলিকান)। এ ছাড়া ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে চতুর্থ মেয়াদের জন্য বিজয়ী হয়েছেন জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর শেখ রহমান। একই স্টেটে সিনেটর হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বিজয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট নাবিলা ইসলাম। কানেকটিকাট স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট-৪ থেকে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বিজয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট মো. মাসুদুর রহমান। পিরোজপুরের সন্তান আবুল খান রকিংহামে গৃহীত ভোটের ৬৭ শতাংশ পেয়েছেন। অন্যদিকে জর্জিয়া স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট-৫ থেকে কিশোরগঞ্জের সন্তান শেখ রহমান ৬৭.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। একই স্টেটের সিনেট ডিস্ট্রিক্ট-৭ থেকে ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন নোয়াখালীর সন্তান নাবিলা ইসলাম। কানেকটিকাট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট-৪ থেকে ৬৪.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন চাঁদপুরের সন্তান মো. মাসুদুর রহমান। এই চার বাংলাদেশি- আমেরিকানের বিজয়ে প্রবাসীরা উল্লাস করছেন। বিজয়ীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ, পেনসিলভানিয়ার মিলবোর্ন সিটির মেয়র মাহবুবুল আলম তৈয়ব, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ, ফোবানার চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, বিশ্ববাংলা টোয়েন্টিফোর টিভির চেয়ারপারসন ও সিইও আলিম খান আকাশ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবদুল কাদের মিয়া ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ফজলুল হক, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দক্ষিণাঞ্চলীয় কমিটির সভাপতি এম ফজলুর রহমান ও সেক্রেটারি ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক, লং আইল্যান্ড চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আকতার হোসেন বাদল, আমেরিকা- বাংলাদেশ অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট এম এ সালাম, বাংলাদেশি-আমেরিকান অ্যাডভোকেসি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জয়নাল আবেদিন, টেক্সাস ডেমোক্রেটিক পার্টির রিফিউজি কাউন্টির চেয়াপারসন রহিম নিহাল প্রমুখ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের ভূমিকা কী

উত্তর: ইলেকটোরাল কলেজ কী?ইলেকটোরাল কলেজ একটি ৫৩৮ সদস্যের সংস্থা যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে। প্রতিটি রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা তার কংগ্রেসনাল ডেলিগেশনের সমান, অর্থাৎ সেই রাজ্যের সেনেটর এবং প্রতিনিধি সংখ্যা মিলিয়ে। কীভাবে কাজ করে?সাধারণ নির্বাচনের পর, প্রতিটি রাজ্য তার ইলেকটরদের নির্বাচন করে। ইলেকটররা ডিসেম্বর মাসে তাদের নিজ নিজ রাজ্যে মিলিত হয়ে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের জন্য ভোট দেন। এই ভোটগুলি পরে কংগ্রেসে পাঠানো হয় এবং জানুয়ারি মাসে গণনা করা হয়। প্রয়োজনীয় ভোট সংখ্যা:প্রেসিডেন্ট হতে হলে একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ২৭০ ইলেকটোরাল ভোট পেতে হয়, যা মোট ৫৩৮ ভোটের অর্ধেকের বেশি। ইলেকটোরাল কলেজের সমালোচনা:ইলেকটোরাল কলেজের কারণে কখনও কখনও এমন হয় যে একজন প্রার্থী জনপ্রিয় ভোটে হারলেও ইলেকটোরাল ভোটে জয়ী হতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প জনপ্রিয় ভোটে হিলারি ক্লিনটনের চেয়ে কম ভোট পেয়েও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ইলেকটোরাল কলেজের পরিবর্তন:ইলেকটোরাল কলেজ প্রক্রিয়াটি মার্কিন সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি পরিবর্তন করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে, যা একটি জটিল প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিস্টেমের একটি অংশ, যা রাজ্যগুলিকে নির্বাচনে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা প্রদান করে এবং শুধুমাত্র জনমতের ভিত্তিতে নয় বরং রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিশ্চিত করে।

মনিরুজ্জামান মনিরের গানের বই ‘সূর্যোদয়ে তুমি’-

উত্তর: প্রথমবার বই প্রকাশ করতে যাচ্ছেন গীতিকার মনিরুজ্জামান মনির। তাঁর লেখা বিখ্যাত গান ‘সূর্যোদয়ে তুমি’র নামেই রাখা হয়েছে বইটির নাম। গত শতাব্দীর সত্তর-আশি ও নব্বইয়ের দশকে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা গান। ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘কী জাদু করিলা পিরিতি শিখাইলা’সহ বহু জনপ্রিয় গান লিখেছেন তিনি।সেই গানের ডালি থেকে বাছাই করা ৩০০টি গান নিয়ে এই বই। মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘গত বছরই বইটি প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম। তবে সম্পাদনা শেষ করতে পারিনি। এবারের বইমেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বইটি প্রকাশ করব। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আধুনিক ও দেশের গান রয়েছে বইয়ে। এখনকার প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানে না গানগুলোর রচয়িতা আমি। তাদের জানানোর জন্যই এই প্রচেষ্টা। আগামী দিনে আমার অন্যান্য গান নিয়েও বই প্রকাশের ইচ্ছা রয়েছে।মনিরুজ্জামান মনির তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি ২০০৪ সালে পেয়েছেন একুশে পদক। এখনো নিয়মিত গান লেখেন মনির। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি অডিওতেও গান করছেন। বলেন, ‘এটাই আমার পেশা। না লিখলে ভালো লাগে না।

APEC এর ৩১তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪-

উত্তর: APEC এর ৩১তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালে পেরুতে অনুষ্ঠিত হবে। এটি পেরুর জন্য তৃতীয়বারের মতো APEC শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন, এর আগে ২০০৮ এবং ২০১৬ সালে পেরু এই সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। ২০২৪ সালের APEC শীর্ষ সম্মেলন ১০ থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ২১টি অর্থনীতির নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।এই বছরের সম্মেলনের মূল থিম হলো "Empower, Include, Grow," যা অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর জোর দেবে। সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ডিজিটালাইজেশন, টেকসই উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পেরু এই সম্মেলনের মাধ্যমে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করবে।এছাড়া, APEC CEO Summit 2024, ১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর লিমাতে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ১,০০০ এরও বেশি সি-লেভেল নির্বাহী, চিন্তাবিদ এবং সরকারী প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এই সম্মেলনের থিম "People, Business, Prosperity" এবং এটি অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলির উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে।

মৃত্যুর ১৩ বছর পরও যে কারণে গাদ্দাফি 'জীবন্ত'-

উত্তর: ২০ অক্টোবর, ২০১১ সালের নিজের জন্মস্থান সির্তে শহর থেকে পালানোর সময় তিনি নিহত হন। শহরটি বিদ্রোহীরা ঘিরে ফেলেছিল। তারা প্রবল আক্রমণ করছিল। পাশাপাশি ন্যাটো বিমান থেকে অবিরাম বোমাবর্ষণ করছিল। ওই সময় শহরটিতে ঢোকা কঠিন ছিল। সেখান থেকে বের হওয়া ছিল প্রায় অসম্ভব। কারণ, গাদ্দাফিকে খুঁজতে তখন সবখানে তল্লাশি চলছিল। পরাশক্তি ড্রোন দিয়ে তাঁকে খুঁজছিল। গাদ্দাফি নিহত হওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর দেহরক্ষী মোহাম্মাদ খলিফা তাঁর সঙ্গেই ছিলেন। গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর খলিফা মিসরে পালিয়ে যান। তিনি এখন সেখানেই বসবাস করছেন। ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়, গাদ্দাফি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সঙ্গীরা ২০১১ সালের জুন মাসের শুরুতে ত্রিপোলি থেকে সির্তে শহরে পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বহুল প্রচলিত ধারণার বিপরীতে গিয়ে মোহাম্মাদ খলিফা বলেছেন, আসলে গাদ্দাফি সির্তে পৌঁছান ওই বছরের ২৩ আগষ্ট।সিতে শহরের ফ্রিল্যান্স ব্যবসায়ী ফারাজ ইব্রাহিম ওই দিনগুলোর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলছিলেন, তিনি ও তাঁর ভাইয়েরা গাদ্দাফির পক্ষ নিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। ওই সময় তাঁর দুই ভাই বিদ্রোহীদের হাতে নিহত হন। তিনি ভাইদের শোকে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন। এ রকম সময় একদিন ভোরে তাঁর এক পরিচিত লোক এসে তাঁকে তাঁর সঙ্গে যেতে বলেন। তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে রওনা হন। কিন্তু তিনি বুঝতে পারছিলেন না তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।ফারাজ বলেন, তাঁকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। ভবনটির তৃতীয় তলায় একটি ফ্ল্যাটে নেওয়ার পর তিনি দেখেন সেখানে স্বয়ং গাদ্দাফি বসে আছেন। ফারাজ উত্তেজিত কণ্ঠে বলছিলেন, 'আমি আমার নেতাকে চোখের সামনে এবং নিরাপদ দেখে যারপরনাই খুশি হয়েছিলাম।' এটি ছিল ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট, অর্থাৎ গাদ্দাফি নিহত হওয়ার প্রায় দুই মাস আগের ঘটনা।ওই বছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যে ফারাজের আপন ৪ ভাই এবং তাঁর ১৫ জন আত্মীয়স্বজন 'লিবিয়া ও শহীদ গাদ্দাফির' পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে বিদ্রোহীদের হাতে নিহত হন।ফারাজের দুই ধরনের ভূমিকা ছিল। প্রথমত, সির্তে ওবানি ওয়ালিদে যোদ্ধাদের কাছে গাদ্দাফির নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া; দ্বিতীয়ত, সরকারি বাহিনীর খাবার, জ্বালানি, ওষুধসহ জরুরি জিনিসপত্রের সরবরাহ নিশ্চিত করা। গাদ্দাফির পাশে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকা এবং আজও তাঁকে সমর্থন করা হাজার হাজার মানুষের মতো ফারাজ তাঁর সিদ্ধান্তের জন্য কোনো অনুশোচনা বোধ করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, তিনি যা করেছেন, তা 'ন্যাটো এবং বিদ্রোহীদের হাত থেকে লিবিয়াকে রক্ষা করার জন্য' করেছেন। ফারাজের মতো মানুষের লিবিয়ার প্রতি গভীর টান এবং বহিরাগত ন্যাটোর আক্রমণ প্রত্যাখ্যানের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় না নিলে গাদ্দাফির প্রতি তাঁদের এই জ্বরের আনুগত্য এবং চূড়ান্ত আগস্বীকারের বিষয়টি সহজে ব্যাখ্যা করা বা বোঝা যাবে না।কায়রোতে স্বেচ্ছায় নির্বাসনের জীবন বেছে নেওয়া ফারাজ আমাকে ফোনে এ কথা বলেছেন। কায়রোতে পৌঁছানোর আগে তিনি মিসরাতায় বিদ্রোহীদের হাতে ছয় বছরের বেশি সময় ধরে বন্দী ছিলেন। সেখানে বিদ্রোহীদের হাতে তিনি চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। আসলে মৃত্যুর ১৩ বছর পরেও গাদ্দাফি লিবিয়ায় একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে রয়ে গেছেন। অনেকের মতে, তিনি দেশটির বিভক্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ।দেখা যায়। তাঁকে ঘিরে জনতার উল্লাস দেখা যায়। লিবিয়ার বিশিষ্ট কবি, গীতিকার এবং সংগীতজ্ঞ আলী আল-কিলানি মনে করেন, গাদ্দাফি 'মারা যাননি'। কারণ, তিনি লিবিয়ার মানুষের মধ্যে সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার ধারণা সৃষ্টি করে গেছেন। মিসরে নির্বাসিত অবস্থায় থাকা আলী আল কিলানি আমাকে টেলিফোনে বলছিলেন, 'লিবিয়া আবার শত শত গাদ্দাফি সৃষ্টি করবে, যারা লিবিয়াকে গাদ্দাফির শাসনামলের মতোই স্বাধীন ও সার্বভৌম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।' এই উদ্যাপনগুলো নতুন প্রজন্মের মধ্যে গাদ্দাফির প্রতি একটি বিশেষ আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।গাদ্দাফির সাবেক সহকারী ও লিবিয়ার সর্বজনশ্রদ্ধেয় প্লাস্টিক সার্জন মুস্তাফা এলজাইদি মনে করেন, 'পশ্চিমারা গাদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়া নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি', তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল গাদ্দাফিকে ক্ষমতা থেকে সরানো এবং এরপর যা-ই ঘটুক, সেটি তাদের কাছে 'ভালো'। তিনি মনে করেন, লিবিয়ায় এখন যে বিভাজন দেখা যাচ্ছে, তার প্রধান কারণ এই বিদেশি হস্তক্ষেপ।২০১৪ সাল থেকে লিবিয়া দুটি প্রশাসনে বিভক্ত হয়ে রয়েছে। একটি ত্রিপোলিতে এবং একটি পূর্বের বেনগাজিতে। এই বিভাজন স্থায়ী রূপ নিতে পারে এবং একসময় একক লিবিয়ার পরিবর্তে দুটি দেশে পরিণত হতে পারে। এখানে বলে রাখি, গাদ্দাফি বিদেশি হস্তক্ষেপ কোনোভাবে বরদাশত করতেন না। এটিও তাঁর মরণোত্তর জনপ্রিয়তার আরেকটি বড় কারণ। এখন এটি স্পষ্ট যে ২০১১ সালের ন্যাটোর হস্তক্ষেপ যদি গাদ্দাফির সবকিছু মুছে ফেলারজন্যই হয়ে থাকে, তাহলে তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে

গ্রাফিতি কি-

উত্তর: গ্রাফিতি হল একটি আর্বান আর্ট ফর্ম যা সাধারণত সার্বজনীন স্থানের দেয়ালে স্প্রে পেইন্ট বা মার্কার দ্বারা সৃষ্ট। এটি ১৯৬০-৭০ দশকে নিউইয়র্কে উদ্ভব হয়। হিপ হপ সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তিগত পরিচয় প্রকাশ ও সামাজিক বার্তা সম্প্রচার। শিল্পীরা তাদের নাম বা ট্যাগ ব্যবহার করে থাকে। বর্তমানে অনেক দেশে এর আইনি মর্যাদা রয়েছে এবং এটি এক ধরনের সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

৪ হাজার বছরের পুরনো শহরের সন্ধান-

উত্তর: প্রশ্ন: আধুনিক কোন দেশের মরূদ্যানে ৪ হাজার বছরের পুরনো সুরক্ষিত শহর আবিষ্কার হয়েছে?উত্তর: সৌদি আরব।প্রশ্ন: শহরটির নাম কী ছিল?উত্তর: আল-নাতাহ।প্রশ্ন: এই প্রাচীন শহরটি কত কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীর দ্বারা ঘেরা ছিল?উত্তর: ১৪.৫ কিলোমিটার।প্রশ্ন: কোন প্রত্নতাত্ত্বিকের নেতৃত্বে এই শহর আবিষ্কৃত হয়েছে?উত্তর: গিলিয়াম শার্লক্স।প্রশ্ন: কোন সময়কালে আল-নাতাহ শহরটি গড়ে উঠেছিল?উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব ২৪০০ অব্দে।