A-ইউনিট (বিজ্ঞান) (825 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানুষের মস্তিষ্কে মোট ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ু (Cranial nerves) থাকে।
- এর মধ্যে দশম (10th) করোটিক স্নায়ুর নাম হলো ভেগাস (Vagus) স্নায়ু।
- এটি মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং বিস্তৃত করোটিক স্নায়ু, যা বুক ও পেটের বিভিন্ন অঙ্গ (যেমন: হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, পাকস্থলী) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ভেগাস স্নায়ু প্রধানত মিশ্র প্রকৃতির (Mixed nerve), অর্থাৎ এটি সংবেদী ও আজ্ঞাবহ উভয় হিসেবেই কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার আলোক নির্ভর পর্যায়ে চক্রীয় এবং অচক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশন ঘটে।
- চক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশনে (Cyclic photophosphorylation) শুধুমাত্র ফটোসিস্টেম-১ (PS-I) অংশগ্রহণ করে।
- এই প্রক্রিয়ায় নির্গত ইলেকট্রন বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে ঘুরে পুনরায় ফটোসিস্টেম-১ এ ফিরে আসে।
- এই চক্রের এক পর্যায়ে ইলেকট্রন যখন সাইটোক্রোম b6 থেকে সাইটোক্রোম f-এ স্থানান্তরিত হয়, তখন যে শক্তি নির্গত হয় তা দিয়ে ১টি ATP তৈরি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উদ্ভিদদেহে ফ্লোয়েম টিস্যুর একটি অন্যতম প্রধান উপাদান হলো সিভনল (Sieve tube)।
- এগুলো দীর্ঘ, নলাকার কোষ যা একটার পর একটা লম্বালম্বিভাবে সজ্জিত থাকে।
- অপরিণত অবস্থায় সিভনল কোষে নিউক্লিয়াস থাকলেও পরিপক্ক পর্যায়ে এই কোষে কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না।
- উদ্ভিদের পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য পরিবহন করাই সিভনল কোষের প্রধান কাজ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মিয়োসিস-১ এর প্রফেজ-১ দশাকে পাঁচটি উপ-পর্যায়ে ভাগ করা যায়: লেপ্টোটিন, জাইগোটিন, প্যাকাইটিন, ডিপ্লোটিন এবং ডায়াকাইনেসিস।
- জাইগোটিন (Zygotene) উপ-পর্যায়ে হোমোলগাস (সমসংস্থ) ক্রোমোজোম জোড় বাঁধে।
- হোমোলগাস ক্রোমোজোমগুলোর জোড় বাঁধার এই প্রক্রিয়াকেই সিন্যাপসিস (Synapsis) বলা হয় এবং সৃষ্ট প্রতিটি জোড়াকে বাইভ্যালেন্ট (Bivalent) বলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্লোরোপ্লাস্ট নামক কোষীয় অঙ্গাণুটি গ্রানাম ধারণ করে, যা উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য।
- ক্লোরোপ্লাস্টের ভেতরের থাইলাকয়েডগুলো স্তরে স্তরে সজ্জিত হয়ে যে গঠন তৈরি করে তাকে গ্রানাম (Granum) বলে।
- ক্লোরোফিল অণুগুলো এই গ্রানাম বা থাইলাকয়েড পর্দার ভেতরে অবস্থান করে এবং সৌরশক্তি শোষণ করে। তাই সালোকসংশ্লেষণের আলোক নির্ভর পর্যায় (Light-dependent phase) গ্রানামে সংঘটিত হয়।
- বিপরীতভাবে, সালোকসংশ্লেষণের আলোক নিরপেক্ষ পর্যায় বা অন্ধকার পর্যায়টি ক্লোরোপ্লাস্টের তরল ধাত্র বা স্ট্রোমা (Stroma)-তে ঘটে।
- অন্যান্য অঙ্গাণুর মধ্যে রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণে, লাইসোসোম কোষীয় পরিপাকে এবং মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Cycas-কে জীবন্ত জীবাশ্ম (Living fossil) বলা হয়।
- সুদূর অতীতের কোনো ভূতাত্ত্বিক যুগে উৎপত্তি লাভ করে যেসব জীব কোনো পরিবর্তন ছাড়াই আজও পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় অন্যান্য জীব বিলুপ্ত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়েছে, তাদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে।
- Cycas যে বর্গের (Cycadales) অন্তর্ভুক্ত, তার অধিকাংশ উদ্ভিদ মেসোজোয়িক যুগে বিলুপ্ত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু Cycas তার আদিম বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে আজও পৃথিবীতে টিকে আছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম হলো অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete dominance)
- যখন একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটে কিন্তু প্রকট জিনটি সম্পূর্ণভাবে প্রকটত্ব প্রকাশ করতে পারে না, তখন হেটারোজাইগাস অবস্থায় দুটি বৈশিষ্ট্যের মাঝামাঝি একটি নতুন বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে।
- এর ফলে মনোহাইব্রিড ক্রসের F2 জনুতে মেন্ডেলের স্বাভাবিক ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১ এর পরিবর্তে ১:২:১ হয়।
- উদাহরণ: সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদে বিশুদ্ধ লাল ও সাদা ফুলের সংকরায়ণে F1 জনুতে গোলাপি ফুল এবং F2 জনুতে লাল, গোলাপি ও সাদা ফুলের অনুপাত ১:২:১ পাওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Malvaceae গোত্রের (যেমন- জবা) উদ্ভিদের একটি অন্যতম প্রধান শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য হলো এদের পুংস্তবক একগুচ্ছক (Monadelphous)
- এক্ষেত্রে অসংখ্য পুংকেশরের পুংদণ্ডগুলো একত্রে মিলিত হয়ে একটি মাত্র পুংকেশরীয় নালী গঠন করে যা গর্ভদণ্ডকে বেষ্টন করে রাখে এবং পরাগধানীগুলো মুক্ত থাকে।
- অন্যান্য অপশনের মধ্যে দ্বিগুচ্ছক পুংস্তবক Fabaceae (মটর) গোত্রে এবং টেট্রাডিনেমাস অবস্থা Brassicaceae (সরিষা) গোত্রে দেখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Pteris (ফার্ন) এর জীবনচক্রে স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে যে সবুজ, চ্যাপ্টা, স্বভোজী এবং হৃদপিণ্ডাকার গ্যামেটোফাইট উদ্ভিদ তৈরি করে তাকে প্রোথ্যালাস (Prothallus) বলা হয়।
- এটি উভলিঙ্গ, অর্থাৎ একই প্রোথ্যালাসে পুংজননাঙ্গ (অ্যান্থেরিডিয়াম) এবং স্ত্রীজননাঙ্গ (আর্কিগোনিয়াম) উৎপন্ন হয়।
- অন্যান্য অপশনের মধ্যে প্রোটোনেমা হলো মস জাতীয় উদ্ভিদের প্রাথমিক দশা এবং স্টোমিয়াম হলো ফার্নের স্পোরাঞ্জিয়ামের প্রাচীরের একটি বিশেষ অংশ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'Species Plantarum' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)
• ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার (Taxonomy) জনক বলা হয়।
• তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলো হলো: Systema Naturae, Genera Plantarum এবং Philosophia Botanica
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Bacillus হলো এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া, যা আদিকোষ (Prokaryotic cell) বা প্রাক-কেন্দ্রিক কোষের একটি আদর্শ উদাহরণ। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও পর্দাঘেরা অঙ্গাণু থাকে না।
অন্যদিকে অপশনে থাকা Saccharomyces (ইস্ট), Penicillium এবং Agaricus (মাশরুম) হলো ছত্রাক, যাদের কোষ প্রকৃত কোষ (Eukaryotic cell) বা সুগঠিত নিউক্লিয়াস যুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি সম্পূর্ণ এবং সংক্রমণক্ষম ভাইরাস কণা-কে Virion (ভিরিয়ন) বলা হয়। এতে নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন আবরণ উভয়ই থাকে, যা অন্য কোষে রোগ ছড়াতে সক্ষম।
অন্যান্য শব্দগুলোর অর্থ:
Capsid: ভাইরাসের বাইরের প্রোটিন আবরণ।
Capsomere: Capsid-এর গঠনগত ছোট ছোট একক।
Nucleocapsid: ভাইরাসের নিউক্লিক এসিড ও ক্যাপসিডকে একত্রে নিউক্লিওক্যাপসিড বলা হয়, তবে এটি সর্বদা সংক্রমণক্ষম নাও হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদ টিস্যু কালচার প্রযুক্তির প্রবর্তক বা জনক হলেন গটলিভ হ্যাবারল্যান্ডট (Gottlieb Haberlandt)
• টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে বিভাজনক্ষম কোষ থেকে তৈরি উদ্ভিদ চারার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা রোগমুক্ত থাকে।
• এই পদ্ধতির অপর নাম In-vitro কালচার
• টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তৈরি ভ্রূণকে Somatic embryo বলা হয়।
অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মধ্যে, মেন্ডেল হলেন জিনতত্ত্বের জনক এবং ল্যামার্ক বিবর্তনবাদের সাথে যুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Jellyfish হলো Cnideria (নিডারিয়া) পর্বের একটি সামুদ্রিক প্রাণি। এদের দেহে নিডোসাইট (Cnidocyte) নামক বিশেষ কোষ থাকে, যা আত্মরক্ষা ও শিকার ধরতে সাহায্য করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে:
Annelida: কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি।
Porifera: সামুদ্রিক স্পঞ্জ।
Arthropoda: পোকামাকড়, কাঁকড়া ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Polysiphonia (পলিসাইফোনিয়া) হলো Rhodophyceae (রোডোফাইসি) বা লোহিত শৈবাল (Red algae) শ্রেণির অন্তর্গত একটি সামুদ্রিক শৈবাল (প্রশ্নে বানানটি Pokysiphonia দেওয়া আছে, যা মূলত Polysiphonia হবে)।
- এই শ্রেণির শৈবালের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য হলো ফ্লোরিডিয়ান স্টার্চ (Floridean starch)
- ফ্লোরিডিয়ান স্টার্চের গঠন অনেকটা গ্লাইকোজেন এবং অ্যামাইলোপেকটিনের মতো।
- অন্যান্য অপশনের মধ্যে: Spirogyra (সবুজ শৈবাল) এর সঞ্চিত খাদ্য স্টার্চ বা শ্বেতসার এবং Sargassum (বাদামি শৈবাল) এর সঞ্চিত খাদ্য ল্যামিনারিন বা ম্যানিটল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রপাইন (Propyne) এর রাসায়নিক সংকেত হলো CH3-C≡CH
- এর গাঠনিক সংকেত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: কার্বন-হাইড্রোজেন (C-H) একক বন্ধন আছে ৪টি এবং কার্বন-কার্বন (C-C) একক বন্ধন আছে ১টি। এই ৫টি বন্ধনই সিগমা (σ) বন্ধন
- কার্বন-কার্বন ত্রিবন্ধনের (C≡C) মধ্যে ১টি সিগমা (σ) এবং ২টি পাই (π) বন্ধন থাকে।
- সুতরাং, প্রপাইনের অণুতে সর্বমোট সিগমা (σ) বন্ধন = ৫ + ১ = ৬টি
- এবং সর্বমোট পাই (π) বন্ধন = ২টি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান, তাদেরকে পরস্পরের আইসোটন (Isotone) বলা হয়।
- নিউট্রন সংখ্যা বের করার সূত্র হলো: নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা - প্রোটন সংখ্যা
- প্রদত্ত সঠিক অপশনে, ফসফরাস (3115P) এর নিউট্রন সংখ্যা = ৩১ - ১৫ = ১৬।
- সালফার (3216S) এর নিউট্রন সংখ্যা = ৩২ - ১৬ = ১৬।
- যেহেতু উভয় পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা (১৬) সমান, তাই এরা পরস্পরের আইসোটন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যে পরমাণুর জারণ সংখ্যা বা মান বৃদ্ধি পায়, তার জারণ ঘটে।
⇒ প্রদত্ত বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক টিন ক্লোরাইড (SnCl2)-এ টিন (Sn)-এর জারণ মান +২।
⇒ বিক্রিয়ার পর উৎপাদে এটি SnCl4 এ পরিণত হয়েছে, যেখানে টিন (Sn)-এর জারণ মান বেড়ে +৪ হয়েছে।
⇒ যেহেতু টিনের (Sn) জারণ মান +২ থেকে বেড়ে +৪ হয়েছে, অর্থাৎ এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করেছে, তাই এখানে Sn জারিত হয়েছে
⇒ অন্যদিকে FeCl3-এ Fe-এর জারণ মান +৩ থেকে কমে FeCl2-এ +২ হয়েছে, অর্থাৎ Fe বিজারিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ঢালাই লৌহ (Cast Iron)-এ কার্বনের পরিমাণ সাধারণত ২.০% থেকে ৪.৫% এর মধ্যে থাকে।
- উচ্চ মাত্রায় কার্বন থাকার কারণে এটি খুব শক্ত হয় এবং এর ক্ষয়রোধ ক্ষমতা বেশি থাকে।
- ঢালাই লৌহ সাধারণত পাইপ, গাড়ির যন্ত্রাংশ এবং মেশিনের ভারী বডি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- তবে, কার্বনের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে এটি তুলনামূলকভাবে ভঙ্গুর (brittle) হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লুকোজের আণবিক ভর 180 g/mol
রক্তের গ্লুকোজের ক্ষেত্রে mmol L⁻¹ একক থেকে mg/dL এককে রূপান্তর করতে মানটিকে 18 দ্বারা গুণ করতে হয়।
সুতরাং, 10 mmol L⁻¹ = (10 × 18) mg/dL = 180 mg/dL

অতিরিক্ত তথ্য:
- মানবদেহে রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা ৮০-১২০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
- রক্তে গ্লুকোজের এই মাত্রা ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন হরমোনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রিত হয়।
- গ্লুকাগন অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ দ্বারা উৎপাদিত পেপ্টাইড হরমোন, যা রক্তপ্রবাহে গ্লুকোজের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রথম ক্রম বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে, হার ধ্রুবক (k) এবং অর্ধায়ু (t₁/₂) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো:
k = 0.693 / t₁/₂
দেওয়া আছে, অর্ধায়ু t₁/₂ = 15 min
তাহলে, k = 0.693 / 15 = 0.0462 min⁻¹
বা, k = 4.62 × 10⁻² min⁻¹
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT হতে পাই,
আয়তন, V = nRT / P
এখানে,
চাপ, P = 1 atm
জলের ভর, W = 1 kg = 1000 g
জলের আণবিক ভর, M = 18 g/mol
মোল সংখ্যা, n = W/M = (1000 / 18) mol
তাপমাত্রা, T = 100°C = (100 + 273) K = 373 K
গ্যাস ধ্রুবক, R = 0.0821 L·atm/(mol·K)
মানগুলো বসালে, V = (1000/18) × 0.0821 × 373 / 1 ≈ 1701 L
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল অ্যালডিহাইডে α-হাইড্রোজেন (alpha-hydrogen) থাকে না, তারা গাঢ় ক্ষারের (যেমন- 50% NaOH) উপস্থিতিতে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। এই বিক্রিয়াকে ক্যানিজারো বিক্রিয়া বলা হয়।
এখানে, HCHO (ফরমালডিহাইড)-এ কোনো α-হাইড্রোজেন নেই। তাই এটি 50% NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে জারিত হয়ে সোডিয়াম ফরমেট (HCOO⁻Na⁺) এবং বিজারিত হয়ে মিথানল (CH₃OH) উৎপন্ন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
H₂O₂ কে MnO₄⁻ দ্বারা জারণ বিক্রিয়ায়, ক্যাথোড হিসেবে MnO₄⁻ এবং অ্যানোড হিসেবে H₂O₂ কাজ করে।
কোষ বিভব, E°cell = E°(ক্যাথোড) - E°(অ্যানোড)
MnO₄⁻ এর প্রমাণ বিজারণ বিভব (+1.51 V) এবং H₂O₂ এর বিভব (+0.68 V) ব্যবহার করলে পাওয়া যায়:
E°cell = 1.51 - 0.68 = +0.83 V
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্রোমিন (Br2) এবং ইথিন (CH2=CH2) এর মধ্যকার বিক্রিয়াটি হলো ইলেক্ট্রগ্রাহী যুত বিক্রিয়া (Electrophilic Addition)
- ইথিনে কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন (π-বন্ধন) থাকায় এটি ইলেক্ট্রন সমৃদ্ধ হয়।
- ব্রোমিন অণু দ্বিবন্ধনের সংস্পর্শে এলে পোলারাইজড হয়ে ইলেক্ট্রনাকর্ষী বা ইলেক্ট্রগ্রাহী (Electrophile) বিকারক হিসেবে প্রথমে দ্বিবন্ধনে আক্রমণ করে এবং যুত বা সংযোজন (Addition) বিক্রিয়ার মাধ্যমে 1,2-ডাইব্রোমোইথেন তৈরি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো হ্যালাইড লবণের সাথে গাঢ় H2SO4 যোগ করে উত্তপ্ত করলে আয়োডাইড (I-) আয়নের ক্ষেত্রে বেগুনি বর্ণের ধোঁয়া (Violet smoke) উৎপন্ন হয়।
- বিক্রিয়ায় প্রথমে HI উৎপন্ন হয়, যা পরবর্তীতে গাঢ় H2SO4 দ্বারা জারিত হয়ে মুক্ত আয়োডিন (I2) গ্যাসে পরিণত হয়।
- এই আয়োডিন (I2) গ্যাসই বেগুনি বর্ণের ধোঁয়া হিসেবে নির্গত হয়।
- উল্লেখ্য, ক্লোরাইড (Cl-) এর ক্ষেত্রে বর্ণহীন এবং ব্রোমাইড (Br-) এর ক্ষেত্রে লালচে-বাদামী ধোঁয়া উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
টেফলন (Teflon) এর রাসায়নিক নাম হলো পলিটেট্রাফ্লুরোইথিলিন (PTFE)
- এটি একটি যুত পলিমার, যার মনোমার হলো টেট্রাফ্লুরোইথিলিন (CF2=CF2)
- অসংখ্য টেট্রাফ্লুরোইথিলিন অণু উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় প্রভাবকের উপস্থিতিতে যুক্ত হয়ে টেফলন তৈরি করে। এটি নন-স্টিক ফ্রাইপ্যানের প্রলেপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিক্রিয়া তাপ বা এনথালপি ($\Delta H_R^\circ$) নির্ণয়ের সূত্র হলো:
$\Delta H_R^\circ = \Sigma$ (বিক্রিয়কের দহন তাপ) - $\Sigma$ (উৎপাদের দহন তাপ)
প্রদত্ত বিক্রিয়াটি হলো: $2C + 3H_2 \rightarrow C_2H_6$
এখানে বিক্রিয়ক হলো কার্বন (C) ও হাইড্রোজেন (H2) এবং উৎপাদ হলো ইথেন (C2H6)।
সুতরাং, $\Delta H_R^\circ = [2 \times \Delta H_C^\circ(C) + 3 \times \Delta H_C^\circ(H_2)] - [\Delta H_C^\circ(C_2H_6)]$
মান বসিয়ে পাই: $\Delta H_R^\circ = (2 \times -394) + (3 \times -286) - (-1561)$
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রভাবক বা অনুঘটক বিক্রিয়ার গতির পরিবর্তন করে কিন্তু বিক্রিয়া শেষে নিজে গঠন ও ভরে অপরিবর্তিত থাকে।
- এটি মূলত বিক্রিয়ার সক্রিয়ন শক্তি (Activation Energy বা Ea) পরিবর্তন করার মাধ্যমে বিক্রিয়ার জন্য একটি নতুন বিকল্প পথ তৈরি করে।
- ধনাত্মক প্রভাবক সক্রিয়ন শক্তি হ্রাস করে এবং ঋণাত্মক প্রভাবক সক্রিয়ন শক্তি বৃদ্ধি করে।
- এটি বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থার বা উৎপাদের পরিমাণের কোনো পরিবর্তন করে না।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বায়ুমণ্ডলের যে সকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত (Infrared) রশ্মি শোষণ করে এবং পুনরায় বিকিরণের মাধ্যমে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস বলে।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো হলো: কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), জলীয় বাষ্প (H₂O), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ওজোন (O₃) এবং ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂) কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। এটি মূলত এসিড বৃষ্টি (Acid rain) সৃষ্টির জন্য দায়ী একটি বায়ুদূষক।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে SO₂ সঠিক উত্তর।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0