'Critique of Practical Reason' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
A ইমানুয়েল কান্ট
B আর্থার শপেনহাউয়ার
C ফ্রিডরিশ নিটশে
D জর্জ হেবার্ট মাইনার্ড
Solution
Correct Answer: Option A
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মানির একজন প্রখ্যাত নীতিবিজ্ঞানী ছিলেন। - নীতিশাস্ত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। - নীতিশাস্ত্রের উপর তার তত্ত্বগুলো আজও নীতিশাস্ত্রের জ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কান্টের নীতিশাস্ত্রের মূল ভিত্তি তিনটি: ১) সৎ ইচ্ছা: কান্টের নীতিশাস্ত্রের মূল ভিত্তি হল "সৎ ইচ্ছা"। তার মতে, "সৎ ইচ্ছা" হলো নৈতিকতার একমাত্র উৎস। "সৎ ইচ্ছা" বলতে তিনি বোঝাতেন - কোন লোভ, লালসা, বা স্বার্থ ছাড়া, কেবল নৈতিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধাবশত কাজ করা।
২) কর্তব্যের খাতিরে কর্তব্য: কান্টের নীতিশাস্ত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল "কর্তব্যের খাতিরে কর্তব্য"। তার মতে, কেবল সুখ বা লাভের জন্য নয়, বরং কর্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধাবশত কাজ করা উচিত।
৩) শর্তহীন আদেশ: কান্ট নীতিশাস্ত্রে "শর্তহীন আদেশ"-এর ধারণাটিও ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, নীতিশাস্ত্রের নীতিগুলো কোনো শর্তের উপর নির্ভরশীল নয়, বরং সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়।
নীতিশাস্ত্রের উপর কান্টের রচিত বই: - Groundwork for Metaphysics of Morals - Critique of Pure Reason - Critique of Practical Reason - Critique of Judgement
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-৫৮
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
পরীক্ষা-৫৬ ও পরীক্ষা-৫৭ এর সিলেবাস থেকে (৫০টি প্রশ্ন)
কোর্স নামঃ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন - লেকচারশীট ভিত্তিক।
টপিকসঃ
বাংলা সাহিত্য বাংলা সাহিত্যর যুগ বিভাগ, চর্যাপদ, মধ্যযুগের গুপূর্ণ লেখক, বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব সাহিত্য, মঙ্গলকাব্য, অনুবাদ সাহিত্য, নাথ সাহিত্য, মার্সিয়া সাহিত্য, লোক সাহিত্য, অবক্ষয় যুগ/যুগসন্ধিক্ষণ।