সুশাসনের উপাদানগুলোকে প্রধানত ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়— প্রাতিষ্ঠানিক উপাদান এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক উপাদান। নিচে এগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
১. প্রাতিষ্ঠানিক উপাদান (Institutional Elements): প্রাতিষ্ঠানিক উপাদান বলতে রাষ্ট্রের সেই সব কাঠামোগত বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বোঝায়, যেগুলো স্বাধীন ও কার্যকরভাবে কাজ করার মাধ্যমে দেশে সুশাসন নিশ্চিত করে। সুশাসনের উল্লেখযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক উপাদানগুলো হলো: * স্বাধীন নির্বাচন কমিশন * কার্যকর সংসদ * সুদক্ষ আমলাতন্ত্র * স্বাধীন বিচার বিভাগ * শক্তিশালী স্থানীয় সরকার * স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন।
২. অপ্রাতিষ্ঠানিক উপাদান (Non-institutional Elements): অপ্রাতিষ্ঠানিক উপাদান বলতে মূলত সমাজের বিভিন্ন নীতি, আদর্শ, চর্চা এবং গুণাবলিকে বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট অবকাঠামো না হলেও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। সোর্সে উল্লিখিত অপ্রাতিষ্ঠানিক উপাদানগুলো হলো: * নৈতিকতা এবং মূল্যবোধ * রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং বৈধ রাজনৈতিক ব্যবস্থা * সফল ও কার্যকর নেতৃত্ব * সরকারের দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা * আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা * বিকেন্দ্রীকরণ এবং সম্পদের সুষম বণ্টন * কার্যকর প্রশাসন * মানবাধিকারের সংরক্ষণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন * সুস্থ শিক্ষা ব্যবস্থা * দুর্নীতির মূলোৎপাটন।
সংক্ষেপে, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক গুণাবলি ও চর্চা—এই উভয়ের সমন্বয়েই মূলত একটি রাষ্ট্রে পূর্ণাঙ্গ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
∎ সুশাসন সম্পর্কিত বিবিধ তথ্যাবলী: # সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ: Good Governance # সুশাসনের ধারণার উদ্ভাবক: বিশ্বব্যাংক (World Bank) # সুশাসনের ধারণা উদ্ভাবিত হয়: ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে # সুশাসনের অর্থ: নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন # সুশাসনের ধারণা হলো: বহুমাত্রিক
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১১৯
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।