- সংবিধান অনুযায়ী উপযুক্ত আদালত কর্তৃক নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা কোনো পদের জন্য যোগ্য হবেন না।
- এছাড়া কোনো ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে নূন্যতম দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা হারান।
- অর্থাৎ, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের অন্যতম প্রধান শাস্তি বা পরিণতি হলো জনপ্রতিনিধি হওয়ার বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্যতা।
- নৈতিক স্খলন বলতে এমন কোনো কাজকে বোঝায় যা নীতি, সততা বা বিবেকের পরিপন্থী, যেমন- ঘুষ গ্রহণ, জালিয়াতি, ধর্ষণ বা হত্যা ইত্যাদি।
- এই অপরাধের কারণে ব্যক্তির সম্মান হানি হয় এবং সামাজিকভাবে তিনি নিগৃহীত হন, তাই পুরস্কার, পদোন্নতি বা সম্মান বৃদ্ধির প্রশ্নই আসে না।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১১৯
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।