ল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহার (192 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পোড়াক্ষতের জ্বালা নিবারণে এবং প্রাথমিক চিকিৎসায় অ্যান্টিসেপটিক মলম হিসেবে বার্ণল (Burnol) ব্যবহার করা হয়।
বার্ণলের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো পিকরিক এসিড (Picric acid), যার রাসায়নিক নাম 2,4,6-ট্রাইনাইট্রোফেনল (2,4,6-Trinitrophenol)
এটি পোড়া স্থানে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করে এবং ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে:
* ক্লোরোফরম: চেতনানাশক বা দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
* মেনথল: ব্যথা উপশম বা ঠান্ডা অনুভূতি প্রদানকারী উপাদান।
* ডাইক্লোরোইথেন: এটি প্রধানত রাসায়নিক দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাইক্রো অ্যানালিটিক্যাল (Micro analytical) পদ্ধতিতে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিমাণ নমুনা নিয়ে কাজ করার জন্য বিশেষ ধরনের সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
এই পদ্ধতিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি হিসেবে NMR, HPLC, IR ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। এছাড়া অন্যান্য যন্ত্রপাতির মধ্যে Capillary tube, Dropping tube, Micro centrifuge tube ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, টেস্টটিউব (Test tube) হলো ম্যাক্রো (Macro) বা সেমি-মাইক্রো (Semi-micro) বিশ্লেষণের সাধারণ হাতিয়ার, যা মাইক্রো অ্যানালিটিক্যাল পদ্ধতির যন্ত্রপাতি নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসায়নিক বিশ্লেষণে ব্যবহৃত নমুনার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে পদ্ধতিগুলো ভিন্ন হয়:
ম্যাক্রো (Macro) পদ্ধতি: সাধারণত 0.5 g থেকে 2.0 g পরিমাণ কঠিন রাসায়নিক দ্রব্য বা নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
সেমিমাইক্রো (Semimicro) পদ্ধতি: 0.05 g থেকে 0.1 g নমুনা ব্যবহার করা হয়।
মাইক্রো (Micro) পদ্ধতি: 0.005 g থেকে 0.01 g নমুনা ব্যবহার করা হয়।
দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে 0.5g - 1.0g পরিমাণটি ম্যাক্রো পদ্ধতির সঠিক পরিসরের অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• সেমিমাইক্রো বিশ্লেষণে ব্যবহৃত বিকারক বা রিএজেন্টগুলো সংরক্ষণের জন্য সাধারণত ছোট আকারের রিএজেন্ট বোতল ব্যবহার করা হয়, যা সেমি মাইক্রো বোতল নামে পরিচিত।
• ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত এই ধরনের সেমি মাইক্রো বোতলগুলোর আয়তন সাধারণত 10 mL থেকে 60 mL পর্যন্ত হয়ে থাকে।
• সুতরাং, সেমি মাইক্রো বোতলের সর্বোচ্চ আয়তন 60 mL
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসায়নিক বিশ্লেষণে নমুনার পরিমাণের ভিত্তিতে পদ্ধতিগুলোকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
ম্যাক্রো (Macro) পদ্ধতি: 0.5 g থেকে 2.0 g
সেমিমাইক্রো (Semimicro) পদ্ধতি: 0.05 g থেকে 0.1 g (বা 50 mg থেকে 100 mg)
মাইক্রো (Micro) পদ্ধতি: 0.005 g থেকে 0.01 g (বা 5 mg থেকে 10 mg)
সুতরাং, সেমিমাইক্রো পদ্ধতির জন্য প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক পরিমাণ হলো 0.05g - 0.1 g
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• রাসায়নিক ল্যাবরেটরিতে কঠিন রাসায়নিক পদার্থকে পাত্র থেকে তোলা এবং স্থানান্তরের জন্য স্প্যাচুলা (Spatula) ব্যবহার করা হয়।
• সাধারণত ব্যালেন্স বা নিক্তিতে কঠিন পদার্থের ভর পরিমাপের সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ রাসায়নিক দ্রব্য নেওয়ার কাজে স্প্যাচুলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি সরঞ্জাম।
• আয়তন, ঘনমাত্রা বা তাপমাত্রা পরিমাপে এটি ব্যবহৃত হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফিউম হুড (Fume Hood), অগ্নিনির্বাপক (Fire Extinguisher) এবং ফার্স্ট এইড বক্স (First Aid Box) হলো ল্যাবরেটরির গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সামগ্রী।
• অন্যদিকে, সেন্ট্রিফিউজ (Centrifuge) কোনো নিরাপত্তা সামগ্রী নয়। এটি একটি ল্যাবরেটরি যন্ত্র, যা ঘূর্ণন বল (Centrifugal force) ব্যবহার করে মিশ্রণ থেকে বিভিন্ন ঘনত্বের পদার্থকে আলাদা করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাইক্রো বিশ্লেষণী (Micro analysis) পদ্ধতিতে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিমাণ নমুনা নিয়ে কাজ করার জন্য বিশেষ ধরনের ছোট যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
এই পদ্ধতিতে সাধারণত Capillary tube, Dropping tube, Micro centrifuge tube, Spot plate ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, TLC (Thin Layer Chromatography) হলো মিশ্রণ পৃথকীকরণের একটি ক্রোম্যাটোগ্রাফিক পদ্ধতি, যা সরাসরি গুণগত বা পরিমাণগত মাইক্রো বিশ্লেষণের সাধারণ হাতিয়ার বা যন্ত্রপাতি হিসেবে পরিগণিত হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্লেষণী রসায়নে ব্যবহৃত নমুনার পরিমাণের ভিত্তিতে পদ্ধতিগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়:
ম্যাক্রো (Macro) পদ্ধতি: 100 mg এর বেশি (সাধারণত 0.5 g - 2 g)
সেমিমাইক্রো (Semimicro) পদ্ধতি: 10 mg থেকে 100 mg (বা 0.01 g - 0.1 g)
মাইক্রো (Micro) পদ্ধতি: 1 mg থেকে 10 mg
সুতরাং, সেমিমাইক্রো পদ্ধতির জন্য সঠিক পরিমাণ হলো (10-100) mg

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সেমিমাইক্রো পদ্ধতিতে বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত H2S গ্যাস সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
এর বিকল্প হিসেবে থায়োঅ্যাসিটামাইড (CH3CSNH2) ব্যবহার করা হয়।
থায়োঅ্যাসিটামাইডকে জলীয় দ্রবণে উত্তপ্ত করলে এটি আর্দ্রবিশ্লেষিত হয়ে ধীরে ধীরে এবং প্রয়োজনীয় মাত্রায় H2S গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পরীক্ষাগারে অনেক বেশি নিরাপদ ও সুবিধাজনক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসায়নিক বিশ্লেষণে নমুনার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে পদ্ধতিগুলো ভিন্ন হয়।
মাইক্রো (Micro) বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে নমুনার পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকে, যার সাধারণ পরিসর 1 mg থেকে 10 mg এর মধ্যে হয়ে থাকে।
দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে 5.0 mg এই পরিসরের অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি মাইক্রো পদ্ধতিতে ব্যবহৃত নমুনার সঠিক পরিমাণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসায়নিক বিশ্লেষণের বিভিন্ন পদ্ধতিতে নমুনার ভরের একটি নির্দিষ্ট পরিসর থাকে।
সেমিমাইক্রো (Semimicro) পদ্ধতিতে ব্যবহৃত নমুনার আদর্শ ভর হলো 10 mg থেকে 100 mg (বা 0.01 g - 0.1 g) এর মধ্যে।
দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে 60 mg এই পরিসরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটিই সেমিমাইক্রো পদ্ধতির জন্য গ্রহণযোগ্য নমুনার ভর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সময় চোখে নির্দিষ্ট কিছু জৈব ক্ষার বা রাসায়নিক পড়লে তা পরিষ্কার করতে বা দ্রবীভূত করে বের করতে দ্রাবক হিসেবে টলুইন (Toluene) ব্যবহৃত হতে পারে।
- এটি একটি জৈব দ্রাবক যা পানিতে অদ্রবণীয় জৈব ক্ষার বা দূষক অপসারণে সাহায্য করে।
- (উল্লেখ্য, সাধারণ অজৈব ক্ষার চোখে পড়লে তা প্রশমিত করতে ৫% বোরিক এসিড ব্যবহৃত হয়, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে জৈব পরিষ্কারক হিসেবে টলুইন সঠিক উত্তর)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (CCl4) একটি অত্যন্ত বিষাক্ত এবং উদ্বায়ী জৈব দ্রাবক।
- এটি শ্বাস-প্রশ্বাস, ত্বক বা গিলে ফেলার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে সরাসরি লিভার (যকৃৎ) এবং কিডনির (বৃক্ক) মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে।
- এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যান্টিফ্রিজ (Antifreeze) (যেমন- ইথিলিন গ্লাইকল) একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ।
- এটি ত্বক দিয়ে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তে মিশে যেতে পারে।
- ত্বকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে এটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের, বিশেষ করে মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড এবং কিডনির মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যানিলিন (Aniline) একটি বিষাক্ত পদার্থ যা শরীরে প্রবেশ করে হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে জটিল যৌগ গঠন করে।
- হিমোগ্লোবিন হলো একটি অক্সিজেনবাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন, যা মেরুদণ্ডী প্রাণিদের লোহিত কণিকার শুষ্ক ওজনের ৯৬-৯৭% গঠন করে।
- এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন দেহের বাকি অংশে নিয়ে যায় এবং কোষীয় ব্যবহারের জন্য অবমুক্ত করে। অ্যানিলিন হিমোগ্লোবিনের এই অক্সিজেন পরিবহন প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, যার ফলে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু ঘটতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেনজিন (Benzene) একটি উদ্বায়ী ও বিষাক্ত জৈব দ্রাবক, যা সহজেই ত্বক দ্বারা শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করতে পারে।
- ত্বক দ্বারা শোষিত হলে এটি দীর্ঘমেয়াদে ব্লাড ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- উল্লেখ্য, কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলে। কর্পূর, আয়োডিন, আর্সেনিক উর্ধ্বপাতিত হলেও বেনজিন উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্ষারীয় পদার্থ শরীরে প্রবেশ করলে বা কোনো স্থানে লাগলে তার প্রতিষেধক (Antidote) হিসেবে মৃদু অম্লীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 7% (w/v) H3PO3 (ফসফরাস এসিড) একটি উত্তম ক্ষার প্রতিষেধক।
- এর কেন্দ্রীয় পরমাণু P এর জারণ মান +3 হওয়ায় এটি একটি মৃদু প্রকৃতির এসিড। ফলে এটি তীব্র ক্ষারকে প্রশমিত করতে সক্ষম হলেও শরীরের জন্য তীব্র এসিডের মতো ক্ষতিকর নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চোখে এসিড ছিটকে পড়লে তা প্রশমিত করার জন্য একটি মৃদু ক্ষারীয় দ্রবণ ব্যবহার করা প্রয়োজন।
- এক্ষেত্রে 2% (w/v) NaHCO3 (সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা বেকিং সোডা) দ্রবণের 2-3 ড্রপ ব্যবহার করা হয়।
- কারণ NaHCO3 একটি মৃদু ক্ষার, যা এসিডকে কার্যকরভাবে প্রশমিত করে কিন্তু চোখের অত্যন্ত সংবেদনশীল টিস্যুর কোনো ক্ষতি করে না।
- অন্যদিকে তীব্র ক্ষার ব্যবহার করলে তা চোখের আরও মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ত্বকে তীব্র ক্ষার লাগলে তা প্রশমিত করার জন্য একটি মৃদু এসিড ব্যবহার করা প্রয়োজন, যাতে ত্বকের কোষের কোনো ক্ষতি না হয়।
- এক্ষেত্রে 2% CH3-COOH (ইথানয়িক বা এসিটিক এসিড) ব্যবহার করা হয়।
- এটি একটি মৃদু জৈব এসিড, যা ক্ষারকে কার্যকরভাবে প্রশমিত করে কিন্তু ত্বকের কোনো ক্ষতি করে না।
- উল্লেখ্য, প্রশমনের জন্য তীব্র এসিড (যেমন- H2SO4) ব্যবহার করলে তা ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পানিতে NO3- (নাইট্রেট) এর মতো রাসায়নিক উপাদানের আধিক্যের কারণে জলজ উদ্ভিদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি (Eutrophication) ঘটে।
- পরবর্তীতে এই জলজ উদ্ভিদগুলো মারা গেলে পানিতে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া ও অণুজীবরা সেই জৈব পদার্থকে ভাঙার বা পচানোর কাজ শুরু করে।
- এই পচন প্রক্রিয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, যা তারা পানি থেকে গ্রহণ করে। এর ফলে পানির Biochemical Oxygen Demand (BOD) বৃদ্ধি পায়।
- ফলে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন বা DO (Dissolved Oxygen) দ্রুত কমতে থাকে এবং শূন্যের কোঠায় নেমে আসতে পারে।
- অক্সিজেনের অভাবে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী শ্বাস নিতে না পেরে মারা যায়, যা জলজ বাস্তুসংস্থানের মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারী ধাতুসমূহ মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
- ক্রোমিয়াম (Cr) একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা পরিবেশে জমা হয়ে খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে।
- শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ পর্যায়ে ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর বিষক্রিয়া স্নায়ুতন্ত্রকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে শিশুদের মানসিক বিকৃতি বা স্নায়বিক প্রতিবন্ধকতা দেখা দিতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সময় তরল ব্রোমিন (Br2) ত্বকের সংস্পর্শে এলে তা মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি করে এবং ত্বক পুড়ে যায়।
⇒ ব্রোমিনে হাত পুড়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে দ্রুত ক্ষতস্থানে গ্লিসারিন (Glycerin) ব্যবহার করা উচিত।
⇒ গ্লিসারিন ব্রোমিনের ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করে এবং ত্বকের জ্বালাপোড়া কমিয়ে স্বস্তি প্রদান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত দায়ী গ্যাস হলো সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) এবং নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ (NOx)।
- বায়ুমণ্ডলের SO2 বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ও সালফিউরাস এসিড (H2SO3) তৈরি করে।
- এই এসিড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়, যা পরিবেশ, জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Pb (লেড বা সিসা) একটি ভারী ধাতু এবং মারাত্মক পরিবেশ দূষক। এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে।
⇒ বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে সিসার বিষক্রিয়ার ফলে তাদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং বুদ্ধি-বিকাশে বাধা সৃষ্টি হয়।
⇒ অন্যদিকে, I2 (আয়োডিন) বরং মস্তিষ্কের বিকাশ ও থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি হলো: H2SO4 + 2Na → Na2SO4 + H2
⇒ এখানে উৎপন্ন গ্যাস [X] হলো হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস।
⇒ হাইড্রোজেন গ্যাস পানিতে প্রায় অদ্রবণীয় এবং বায়ুর চেয়ে অনেক হালকা।
⇒ যেহেতু এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না, তাই পরীক্ষাগারে একে পানির নিম্নমুখী অপসারণের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
HCN (হাইড্রোজেন সায়ানাইড) একটি অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস। এটি শরীরে প্রবেশ করলে কোষের শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়, যার ফলে দ্রুত মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে।
অন্যদিকে,
- O2 (অক্সিজেন): মানুষের শ্বাসকার্যের জন্য অপরিহার্য।
- N2 (নাইট্রোজেন): বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং এটি বিষাক্ত নয়।
- C2H5OH (ইথানল): এটি সাধারণ অ্যালকোহল, যা গ্যাসীয় অবস্থায় প্রাণঘাতী বিষ হিসেবে কাজ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাতাসে SO2 (সালফার ডাই-অক্সাইড) এর উপস্থিতি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এই গ্যাসটি শ্বাসগ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে শ্বাসনালীতে তীব্র জ্বালাপোড়া ও শ্বাসযন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলে হাঁপানি ও ব্রঙ্কাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
এছাড়া এই গ্যাস বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড তৈরি করে, যা এসিড বৃষ্টি হিসেবে ঝরে পড়ে পরিবেশ ও স্থাপত্যের ক্ষতি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত যৌগগুলোর মধ্যে HCHO (ফরমালডিহাইড) একটি বিষাক্ত এবং ক্যান্সার সৃষ্টিকারী (কার্সিনোজেনিক) পদার্থ।
ফরমালডিহাইডের বাষ্প শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে তা কোষের মিউটেশন ঘটাতে পারে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চোখে বা শরীরের কোনো স্থানে এসিড ছিটকে পড়লে তা প্রশমিত করার জন্য একটি মৃদু ক্ষারীয় দ্রবণ ব্যবহার করা প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে 4% NaHCO3 (সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা বেকিং সোডা) দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
কারণ NaHCO3 একটি মৃদু ক্ষার, যা এসিডকে কার্যকরভাবে প্রশমিত করে কিন্তু চোখের বা ত্বকের কোনো ক্ষতি করে না।
অন্যদিকে NaOH বা KOH এর মতো তীব্র ক্ষার ব্যবহার করলে তা চোখের আরও মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0