গুণগত রসায়ন (450 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফিতে দ্রাবক ও দ্রব্যের অতিক্রান্ত দূরত্বের আনুপাতিক হারকে Rf (Retardation factor বা Retention factor) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এটি নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
Rf = (উপাদান বা দ্রব কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব) ÷ (দ্রাবক কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব)।

• ক্রোমাটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় উপাদান (Solute) কখনোই দ্রাবকের (Solvent) চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না। অর্থাৎ, উপাদানের অতিক্রান্ত দূরত্ব সবসময় দ্রাবকের দূরত্বের সমান বা তার চেয়ে কম হয়।
• তাই Rf এর মান কখনোই 1 এর বেশি হতে পারে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফির পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে একে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: অধিশোষণ (Adsorption) এবং বিভাজন বা বন্টন (Partition)

কলাম (Column) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটি মূলত একটি অধিশোষণ ক্রোমাটোগ্রাফি। এখানে মিশ্রণের উপাদানগুলো কঠিন স্থির দশার (Stationary Phase) পৃষ্ঠতলে অধিশোষিত হয়ে পৃথক হয়।
অন্যদিকে,
পেপার (Paper) ক্রোমাটোগ্রাফি এবং গ্যাস (Gas) ক্রোমাটোগ্রাফি হলো বিভাজন বা বন্টন ক্রোমাটোগ্রাফি এর উদাহরণ।

যেহেতু কলাম ক্রোমাটোগ্রাফি অধিশোষণ নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, তাই এটি বিভাজন ক্রোমাটোগ্রাফি নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফিতে স্থির দশা ও সচল দশার ভৌত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে একে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।

স্তম্ভ বা কলাম (Column) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটি মূলত একটি অধিশোষণ ক্রোমাটোগ্রাফি (Adsorption Chromatography)। এতে স্থির দশা হিসেবে কঠিন পদার্থ (যেমন: সিলিকা জেল বা অ্যালুমিনা) এবং সচল দশা হিসেবে তরল দ্রাবক ব্যবহার করা হয়। মিশ্রণের উপাদানগুলো কঠিন স্থির দশার পৃষ্ঠতলে অধিশোষিত হয়ে পৃথক হয়।
অন্যদিকে,
পেপার (Paper) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটি একটি বন্টন বা পার্টিশন (Partition) ক্রোমাটোগ্রাফি।
গ্যাস-তরল (Gas-Liquid) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটিও বন্টন ক্রোমাটোগ্রাফির অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফি (Chromatography)-কে স্থির দশা ও সচল দশার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
পাতলা স্তর (Thin Layer) ক্রোমাটোগ্রাফি
কাগজ বা পেপার (Paper) ক্রোমাটোগ্রাফি
স্তম্ভ বা কলাম (Column) ক্রোমাটোগ্রাফি

কিন্তু কোষীয় ক্রোমাটোগ্রাফি নামে ক্রোমাটোগ্রাফির কোনো শ্রেণিবিভাগ নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফিতে স্থির দশা ও সচল দশার ভৌত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে একে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে একটি হলো অধিশোষণ ক্রোমাটোগ্রাফি (Adsorption Chromatography)

স্তম্ভ বা কলাম (Column) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটি মূলত একটি অধিশোষণ ক্রোমাটোগ্রাফি। এতে স্থির দশা হিসেবে কঠিন পদার্থ (যেমন: সিলিকা জেল বা অ্যালুমিনা) এবং সচল দশা হিসেবে তরল দ্রাবক ব্যবহার করা হয়। মিশ্রণের উপাদানগুলো কঠিন স্থির দশার পৃষ্ঠতলে অধিশোষিত হয়ে পৃথক হয়।
অন্যদিকে,
পেপার (Paper) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটি একটি বন্টন বা পার্টিশন (Partition) ক্রোমাটোগ্রাফি।
গ্যাস-তরল (Gas-Liquid) ক্রোমাটোগ্রাফি: এটিও বন্টন ক্রোমাটোগ্রাফির অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফি (Chromatography) হলো মূলত একাধিক উপাদানের একটি জটিল মিশ্রণ থেকে প্রতিটি উপাদানকে আলাদা করার বা পৃথকীকরণ (Separation) করার একটি ভৌত পদ্ধতি।

ক্রোমাটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় মূলত ২টি দশা থাকে:
স্থির দশা (Stationary Phase): এটি কঠিন বা তরল পদার্থের হতে পারে, যা একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থাকে এবং মিশ্রণের উপাদানগুলোকে অধিশোষণ বা আটকে রাখার কাজ করে।
সচল দশা (Mobile Phase): এটি তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের হতে পারে, যা স্থির দশার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মিশ্রণের উপাদানগুলোকে দ্রবীভূত করে সামনের দিকে নিয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেপার ক্রোমাটোগ্রাফিতে Rf (Retardation factor) নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
Rf = (উপাদান কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব) ÷ (দ্রাবক কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব)।

• ক্রোমাটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় উপাদান কখনোই দ্রাবকের চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না। অর্থাৎ, উপাদানের অতিক্রান্ত দূরত্ব সবসময় দ্রাবকের দূরত্বের সমান বা তার চেয়ে কম হয়।
• যদি কোনো উপাদান স্থির দশায় একেবারেই আটকে না থেকে দ্রাবকের সাথে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে, তখন লব ও হরের মান সমান হয়ে যায়।
• তাই Rf এর মান সর্বোচ্চ 1 হতে পারে। এর বেশি হওয়া গাণিতিক ও তাত্ত্বিকভাবে অসম্ভব। তাই 1.1 মানটি গ্রহণযোগ্য নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যামিনো এসিড ও কার্বোহাইড্রেটের মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণের জন্য কলাম ক্রোমাটোগ্রাফি (Column Chromatography) বা স্তম্ভ ক্রোমাটোগ্রাফি হলো সর্বোত্তম পদ্ধতি।
• এই পদ্ধতিতে একটি কাঁচের নলে স্থির দশা (যেমন- সিলিকা জেল বা অ্যালুমিনা) রাখা হয় এবং মিশ্রণটিকে সচল দশার (দ্রাবক) সাহায্যে এর মধ্য দিয়ে চালনা করা হয়।
• উপাদানগুলোর পোলারিটি এবং স্থির দশার প্রতি আকর্ষণ ভিন্ন হওয়ার কারণে তারা কলামের বিভিন্ন স্তরে পৃথক হয়ে যায়।
• জটিল জৈব যৌগ যেমন অ্যামিনো এসিড, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ইত্যাদি বিশুদ্ধরূপে পৃথক করার জন্য এই পদ্ধতিটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বর্ণালিমিতিক বিশ্লেষণ (Spectroscopic analysis) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে পদার্থ এবং তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণের (Electromagnetic radiation) মধ্যে মিথস্ক্রিয়া পরিমাপ করা হয়।
NMR (Nuclear Magnetic Resonance): এটি একটি বর্ণালিমিতিক পদ্ধতি, যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে অণুর আণবিক গঠন নির্ণয় করে। তাই এটি সঠিক উত্তর।
অন্যদিকে,
HPLC (High-Performance Liquid Chromatography) এবং GPC (Gel Permeation Chromatography) হলো ক্রোমাটোগ্রাফি বা পৃথকীকরণ পদ্ধতি।
TGA (Thermogravimetric Analysis) হলো একটি তাপীয় বিশ্লেষণ (Thermal analysis) পদ্ধতি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেপার ক্রোমাটোগ্রাফিতে Rf (Retardation factor) নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
Rf = (উপাদান কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব) ÷ (দ্রাবক কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব)।

• ক্রোমাটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় উপাদান কখনোই দ্রাবকের চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না। অর্থাৎ, উপাদানের অতিক্রান্ত দূরত্ব সবসময় দ্রাবকের দূরত্বের সমান বা তার চেয়ে কম হয়।
• যদি কোনো উপাদান স্থির দশায় একেবারেই আটকে না থেকে দ্রাবকের সাথে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে, তখন লব ও হরের মান সমান হয়ে যায়।
• তাই Rf এর মান সর্বোচ্চ 1 হতে পারে। এর বেশি হওয়া গাণিতিক ও তাত্ত্বিকভাবে অসম্ভব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফিতে বিভিন্ন মূলকের অধিশোষণ মাত্রা তাদের পোলারিটি (Polarity) বা মেরুপ্রবণতার ওপর নির্ভর করে।

• যে মূলকের পোলারিটি যত বেশি, স্থির দশার (যেমন- সিলিকা জেল) প্রতি তার আসক্তি তত বেশি হয় এবং তা তত দৃঢ়ভাবে অধিশোষিত হয়।
• পোলারিটির ভিত্তিতে মূলকগুলোর অধিশোষণ ক্ষমতার ক্রম হলো: অ্যাসিড > অ্যালকোহল > অ্যামিন > অ্যালডিহাইড
• সে অনুযায়ী সঠিক ক্রমটি হলো: -COOH > -OH > -NH2 > -CHO

কার্বক্সিলিক অ্যাসিড (-COOH) সবচেয়ে বেশি পোলার হওয়ায় এর অধিশোষণ মাত্রা সর্বোচ্চ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Rf (Retardation factor) হলো মিশ্রণের কোনো উপাদান কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব এবং দ্রাবক (সচল দশা) কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্বের অনুপাত।

• যেহেতু উপাদানটি কখনোই দ্রাবকের চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না, তাই Rf এর মান সর্বদা 1 এর সমান বা তার চেয়ে কম হয়।
• অতএব, বাস্তব ক্ষেত্রে Rf এর মান 0 থেকে 1 এর মধ্যে থাকে।

(উল্লেখ্য: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র 0.5 মানটিই 1 এর চেয়ে ছোট, তাই তাত্ত্বিকভাবে এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য মান। 1.5 বা 1 এর বেশি কোনো মান হওয়া গাণিতিকভাবে অসম্ভব)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় মূলত ২টি দশা থাকে।

স্থির দশা (Stationary Phase): এটি কঠিন বা তরল পদার্থের হতে পারে, যা একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থাকে এবং মিশ্রণের উপাদানগুলোকে অধিশোষণ বা আটকে রাখার কাজ করে।
সচল দশা (Mobile Phase): এটি তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের হতে পারে, যা স্থির দশার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মিশ্রণের উপাদানগুলোকে দ্রবীভূত করে সামনের দিকে নিয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রোমাটোগ্রাফি (Chromatography) হলো এমন একটি পৃথকীকরণ পদ্ধতি যেখানে মিশ্রণের উপাদানগুলোকে দুটি দশার (স্থির দশা ও সচল দশা) মধ্যে বন্টিত করে পৃথক করা হয়।

• উপাদানগুলোর অধিশোষণের মাত্রা (Adsorption affinity) এবং সচল দশায় দ্রাব্যতার (Solubility) ভিন্নতার কারণে তারা স্থির দশার ওপর দিয়ে বিভিন্ন গতিতে অগ্রসর হয়।
• যে উপাদানের অধিশোষণ মাত্রা বেশি, সেটি স্থির দশায় বেশি আটকে থাকে এবং ধীরে অগ্রসর হয়।
• অন্যদিকে, যে উপাদানের সচল দশায় দ্রাব্যতা বেশি, সেটি দ্রুত অগ্রসর হয়।

এই গতির ভিন্নতার কারণেই মিশ্রণের উপাদানগুলো পরস্পর থেকে সহজে পৃথক হয়ে যায়। দ্রাবক নিষ্কাশন, আংশিক কেলাসন বা পাতন প্রক্রিয়ায় এই দুটি নীতির একত্রে ব্যবহার হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, তাদের ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে।
অপশনগুলোর মধ্যে মলিবডেনাম একটি কঠিন অবস্থান্তর ধাতু, যা ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।
অন্যদিকে কর্পূর, ন্যাপথলিন এবং বেনজয়িক এসিড হলো ঊর্ধ্বপাতিত বা উদ্বায়ী পদার্থ, যাদেরকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেট্রোলিয়াম বা খনিজ তেল হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের একটি জটিল মিশ্রণ।
একাধিক তরলের মিশ্রণ থেকে উপাদানগুলোকে তাদের স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে আলাদা করার পদ্ধতিকে আংশিক পাতন (Fractional Distillation) বলে।
পেট্রোলিয়াম বিশোধনের ক্ষেত্রে এই আংশিক পাতন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন তাপমাত্রায় পেট্রোল, কেরোসিন, ডিজেল ইত্যাদি প্রয়োজনীয় উপাদান পৃথক করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদ থেকে স্টেরয়েড বা উপক্ষার জাতীয় পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য দ্রাবক নিষ্কাশন (Solvent Extraction) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
এ পদ্ধতিতে উদ্ভিদের নির্যাসকে উপযুক্ত জৈব দ্রাবকে দ্রবীভূত করে কাঙ্ক্ষিত উপাদানটিকে আলাদা করা হয়। যেমন: ধানের তুষ (Rice bran) থেকে ভোজ্য তেল নিষ্কাশনেও এই দ্রাবক নিষ্কাশন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে পানির (H2O) পোলারিটি সবচেয়ে বেশি।
পানির অণুতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার ব্যাপক পার্থক্যের কারণে এটি একটি শক্তিশালী পোলার দ্রাবক হিসেবে কাজ করে।
অন্যদিকে, বেনজিন একটি অপোলার দ্রাবক এবং ক্লোরোফর্ম ও ইথানলের পোলারিটি পানির তুলনায় অনেক কম। কেলাসন প্রক্রিয়ায় পোলার যৌগ দ্রবীভূত করার জন্য পানি একটি উৎকৃষ্ট দ্রাবক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দ্রাবক নিষ্কাশন (Solvent Extraction) প্রক্রিয়ায় নের্নস্টের বণ্টন সূত্র অনুযায়ী, বণ্টন গুণাঙ্ক (Partition Coefficient) Kn এর মান যত বেশি হবে, নিষ্কাশন তত ভালো হবে।
সাধারণত Kn এর মান 100 এর কাছাকাছি হলে দ্রাবক নিষ্কাশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত কার্যকর হয়। এর অর্থ হলো জৈব দ্রাবকে দ্রবের দ্রাব্যতা জলীয় স্তরের তুলনায় অনেক বেশি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দ্রাবক নিষ্কাশন (Solvent extraction) প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জৈব দ্রাবক হলো ইথক্সি ইথেন (Ethoxyethane), যা সাধারণত ডাই-ইথাইল ইথার (Diethyl ether) নামে পরিচিত।
⇒ এটি একটি উৎকৃষ্ট জৈব দ্রাবক এবং এটি পানিতে প্রায় অদ্রবণীয়।
⇒ এর স্ফুটনাঙ্ক অনেক কম (৩৪.৬ °C)। ফলে নিষ্কাশন শেষে খুব সহজেই সামান্য তাপ প্রয়োগ করে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে ইথারকে কাঙ্ক্ষিত জৈব যৌগ থেকে আলাদা করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অবিশুদ্ধ বেনজয়িক এসিড (Benzoic acid) বিশোধনের জন্য ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
⇒ যেসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় এবং ঠান্ডা করলে পুনরায় কঠিন অবস্থায় ফিরে আসে, তাদের ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে।
⇒ বেনজয়িক এসিড একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ। তাই মিশ্রণে তাপ প্রয়োগ করলে এটি সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়ে অন্যান্য অনুদ্বায়ী অবিশুদ্ধি থেকে পৃথক হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কেলাসন প্রক্রিয়ার শুরুতে অবিশুদ্ধ দ্রবণকে সক্রিয় কার্বন (Activated Carbon) বা অস্থিজ কয়লা সহযোগে উত্তপ্ত করা হয়।
⇒ এর প্রধান কারণ হলো দ্রবণে উপস্থিত রঙিন অবিশুদ্ধি বা অপদ্রব্যগুলো দূর করা
⇒ সক্রিয় কার্বনের পৃষ্ঠতলে অধিশোষণ (adsorption) ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। তাই এটি দ্রবণের রঙিন ময়লা বা অন্যান্য জৈব অবিশুদ্ধি শোষণ করে দ্রবণকে বর্ণহীন ও পরিষ্কার করে, যা বিশুদ্ধ কেলাস গঠনে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) এবং নাইট্রিক এসিড (HNO₃)-এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বেরিয়াম নাইট্রেট [Ba(NO₃)₂] দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
⇒ H₂SO₄ এর জলীয় দ্রবণে বেরিয়াম নাইট্রেট যোগ করলে বেরিয়াম সালফেটের (BaSO₄) সাদা অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয়।
⇒ বিক্রিয়া: H₂SO₄ + Ba(NO₃)₂ → BaSO₄(s) ↓ + 2HNO₃
⇒ অন্যদিকে, নাইট্রিক এসিড (HNO₃) বেরিয়াম নাইট্রেটের সাথে কোনো বিক্রিয়া করে না, ফলে কোনো অধঃক্ষেপ সৃষ্টি হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
খাদ্য লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)-এর জলীয় দ্রবণ থেকে বিশুদ্ধ কেলাস তৈরি করতে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) গ্যাস বা গাঢ় HCl এসিড ব্যবহৃত হয়।
⇒ এটি সম-আয়ন প্রভাব (Common ion effect)-এর কারণে ঘটে। NaCl এবং HCl উভয়ের মধ্যেই ক্লোরাইড (Cl⁻) আয়ন রয়েছে।
⇒ দ্রবণে HCl গ্যাস চালনা করলে ক্লোরাইড আয়নের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বিশুদ্ধ NaCl কেলাসিত হয়ে নিচে জমা হয় এবং অবিশুদ্ধিগুলো (যেমন- CaCl₂, MgCl₂) দ্রবণে থেকে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আর্দ্র কেলাস বা রাসায়নিক পদার্থকে শুষ্ক করার জন্য এবং শুষ্ক পদার্থকে পরিবেশের আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করার জন্য ডেসিকেটর (Desiccator) নামক কাচযন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
• ডেসিকেটরের নিচের অংশে একটি শুষ্ককারক পদার্থ (Desiccant) যেমন: অনাদ্র ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড (CaCl2) বা সিলিকা জেল রাখা হয়, যা আর্দ্র কেলাস থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে তাকে সম্পূর্ণরূপে শুষ্ক করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পরস্পর মিশ্রণীয় একাধিক তরল পদার্থের মিশ্রণ থেকে উপাদানগুলোকে পৃথক করার জন্য আংশিক পাতন (Fractional Distillation) ব্যবহৃত হয়।
• যখন তরল মিশ্রণের উপাদানগুলোর স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য 40ºC এর কম হয়, তখন সাধারণ পাতনের পরিবর্তে আংশিক পাতন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
• স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য 40ºC এর বেশি হলে উপাদানগুলোকে সাধারণ পাতন (Distillation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই পৃথক করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আয়োডিন (I2) একটি উদ্বায়ী বা ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ, যা তাপ দিলে সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে বাষ্পে পরিণত হয়।
• অন্যদিকে NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড) একটি অনুদ্বায়ী পদার্থ, যা স্বাভাবিক তাপে বাষ্পীভূত হয় না।
• এই মিশ্রণকে তাপ দিলে I2 বাষ্পীভূত হয়ে যায় এবং ঠান্ডা করলে পুনরায় কঠিন আয়োডিন হিসেবে জমা হয়, কিন্তু অনুদ্বায়ী NaCl পাত্রেই থেকে যায়।
• অতএব, মিশ্রণটি পৃথক করার জন্য ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation) প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি অনুদ্বায়ী পদার্থ।
• মিশ্রণে থাকা অ্যামোনিয়াম মূলক যুক্ত যৌগ একটি উদ্বায়ী বা ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ, যা তাপ প্রয়োগে তরল না হয়ে সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে বাষ্পে পরিণত হয়।
• মিশ্রণটিকে তাপ দিলে উদ্বায়ী উপাদানটি বাষ্পীভূত হয়ে আলাদা হয়ে যায় এবং পাত্রে অনুদ্বায়ী NaCl অবশিষ্ট থাকে।
• তাই এই ধরনের মিশ্রণ পৃথকীকরণে ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কর্পূর একটি উদ্বায়ী বা ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ, যা তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে বাষ্পে পরিণত হয়।
• অন্যদিকে বালি একটি অনুদ্বায়ী পদার্থ
• মিশ্রণটিতে তাপ দিলে কর্পূর বাষ্পীভূত হয়ে যায় এবং ঠান্ডা করলে পুনরায় কঠিন কর্পূর হিসেবে জমা হয়, কিন্তু অনুদ্বায়ী বালি পাত্রেই থেকে যায়।
• তাই বালি ও কর্পূরের মিশ্রণ পৃথক করতে ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation) প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।
• অন্যান্য ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ: আয়োডিন, ন্যাপথালিন, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, তাদের ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে।
অপশনগুলোর মধ্যে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) (যাকে নিশাদলও বলা হয়) একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ।
তাই একে ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় বিশোধন করা যায়।
অন্যদিকে সোডিয়াম ক্লোরাইড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড এবং চিনি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0