জৈব রসায়ন (318 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পলিথিনের মনোমার হলো ইথিলিন (Ethylene)
  • উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অসংখ্য ইথিলিন (CH2=CH2) অণু যুক্ত হয়ে যে বৃহৎ অণু গঠন করে তাকে পলিথিন বলা হয়।
  • পলিথিন একটি জটিল যৌগ, যা মাটি বা পানির সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না। অপচনশীল হওয়ার কারণে এটি পরিবেশের জন্য অনেক ক্ষতিকর।
  • অন্যান্য অপশনের মধ্যে ভিনাইল ক্লোরাইড হলো পিভিসি (PVC)-এর মনোমার এবং স্ট্যারিন হলো পলিস্ট্যারিনের মনোমার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে মেলামাইন উৎপাদনের সময় অনুঘটক বা প্রভাবক হিসেবে TiO2 (টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড) ব্যবহার করা হয়।
  • মেলামাইন তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো ইউরিয়া
  • এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ তাপমাত্রায় (প্রায় ৪০০°C) ইউরিয়া বিযোজিত হয়ে মেলামাইন (C3H6N6), অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন করে।
  • বিক্রিয়াটির গতি ত্বরান্বিত করতে TiO2 অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পলিমার সাধারণত দুই প্রকার: প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম।
  • প্রাকৃতিক পলিমার: উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে প্রাপ্ত পলিমার। যেমন- গাটাপার্চা, প্রাকৃতিক রাবার (Latex), স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি।
  • কৃত্রিম পলিমার: পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার। যেমন- পলিথিন, নাইলন, ব্যাকেলাইট, পিভিসি (PVC) ইত্যাদি।
সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে গাটাপার্চা হলো একটি প্রাকৃতিক পলিমার এবং বাকিগুলো কৃত্রিম পলিমার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রোটিন বা আমিষ গঠনের মূল একক হলো অ্যামাইনো এসিড (Amino acid)
- প্রোটিন অণুর মধ্যে একাধিক অ্যামাইনো এসিডের অণুসমূহ একে অপরের সাথে Peptide bond (পেপটাইড বন্ধন) দ্বারা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ পলিমার চেইন বা পলিপেপটাইড গঠন করে।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন—এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে প্রোটিন তৈরি হয়।
- মানবদেহে প্রোটিন পরিপাক হওয়ার পর তা পুনরায় অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Bakelite (ব্যাকেলাইট) হলো সর্বপ্রথম তৈরিকৃত সম্পূর্ণ কৃত্রিম প্লাস্টিক বা পলিমার।
- এটি Phenol (ফেনল) এবং Formaldehyde (ফরমালডিহাইড) এর মধ্যে বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
- এই বিক্রিয়াটি হলো 'ঘনীভবন পলিমারকরণ' (Condensation polymerization)।
- ঘনীভবন বিক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন মনোমার যুক্ত হওয়ার সময় ক্ষুদ্র অণু অপসারিত হয়। এখানে ফেনল ও ফরমালডিহাইড যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল গঠনের সময় পানির অণু (H2O) বের হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রাকৃতিক রাবার (Natural Rubber) হলো আইসোপ্রিনের পলিমার, যার রাসায়নিক গঠনে অসংখ্য কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন (C=C বন্ধন) উপস্থিত থাকে।
- রাবার সাধারণত পানি, এসিড বা দুর্বল ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন এবং ওজোন (O3) দ্বারা সহজেই আক্রান্ত হয়।
- ওজোন গ্যাস রাবারের পলিমার চেইনে থাকা C=C দ্বিবন্ধন ভেঙে ওজোনোলাইসিস (Ozonolysis) বিক্রিয়া ঘটায়।
- এর ফলে রাবারের দীর্ঘ চেইন ভেঙে যায় এবং রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
PVC (Polyvinyl Chloride) হলো বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত এবং বৃহত্তম একটি প্লাস্টিক পণ্য।
- এটি তুলনামূলক সস্তা এবং বিভিন্ন পাইপ ও প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- PVC পলিমারটি তৈরি হয় এর মনোমার Vinyl Chloride (ভিনাইল ক্লোরাইড) থেকে, যার রাসায়নিক সংকেত CH2=CHCl বা CH2CHCl
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
PVA (Polyvinyl Acetate) হলো একটি পলিমার, যার মনোমার বা মূল গঠনকারী উপাদান হলো Vinyl Acetate (ভিনাইল অ্যাসিটেট)
- এর রাসায়নিক সংকেত হলো CH3COO-CH=CH2
- এটি আঠা (glue), পেইন্ট এবং প্যাকেজিং উপকরণ তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল পলিমারকে উত্তপ্ত করলে গলে নরম হয় এবং ঠান্ডা করলে পুনরায় কঠিন আকার ধারণ করে, তাদেরকে থার্মোপ্লাস্টিক (Thermoplastic) পলিমার বলে।

বিশ্লেষণ:
পিভিসি (PVC): ভিনাইল ক্লোরাইড মনোমার দ্বারা গঠিত একটি থার্মোপ্লাস্টিক পলিমার।
পলিস্টাইরিন (Polystyrene): এটিও থার্মোপ্লাস্টিক, যা প্লাস্টিকের পাত্র বা খেলনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
পলিপ্রোপিন (Polypropene): এটিও থার্মোপ্লাস্টিক পলিমার, যা দড়ি বা প্লাস্টিকের বোতল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

যেহেতু উল্লেখিত তিনটি পলিমারই থার্মোপ্লাস্টিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, তাই সঠিক উত্তর সবগুলো

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভিনাইল ক্লোরাইড (Vinyl chloride) এর আণবিক সংকেত হলো C2H3Cl, যার গাঠনিক সংকেত CH2=CHCl

গঠন: ইথিন (C2H4) এর একটি হাইড্রোজেন পরমাণু একটি ক্লোরিন (Cl) পরমাণু দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে ভিনাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন হয়। এটি PVC (Polyvinyl Chloride) পলিমার তৈরির প্রধান মনোমার।

অন্যান্য অপশনগুলোর পরিচয়:
C2H5Cl: ইথাইল ক্লোরাইড।
C2H4Cl2: ডাইক্লোরোইথেন।
C2H2Cl2: ডাইক্লোরোইথিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিনের টারশিয়ারি (Tertiary) বা ত্রিমাত্রিক (3D) গঠনে পলিপেপটাইড চেইনগুলো নিজেদের মধ্যে ভাঁজ হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট গ্লোবিউলার বা বর্তুলাকার রূপ ধারণ করে।

বন্ধনসমূহ: প্রোটিনের এই স্তরকে স্থিতিশীল রাখতে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রধান সমযোজী বন্ধন হিসেবে ডাইসালফাইড বন্ধন (-S-S-) উপস্থিত থাকে। এটি দুটি সিস্টেইন (Cysteine) অ্যামিনো এসিডের মধ্যে গঠিত হয়।

(উল্লেখ্য, এই স্তরে হাইড্রোজেন বন্ধন, সল্ট ব্রিজ এবং হাইড্রোফোবিক মিথস্ক্রিয়াও থাকতে পারে, তবে প্রধান সুদৃঢ় বন্ধন হিসেবে ডাইসালফাইড উল্লেখযোগ্য)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্যারাসিটামল (Paracetamol) এর রাসায়নিক নাম হলো N-অ্যাসিটাইল-p-অ্যামিনোফেনল। এর আণবিক গঠনে একটি -NHCOCH3 (অ্যামাইড বা অ্যাসিটামাইড) মূলক এবং একটি -OH (ফেনোলিক হাইড্রোক্সিল) মূলক থাকে।

গঠনগত দিক: বেনজিন বলয়ের প্যারা (p-) অবস্থানে -OH মূলক এবং -NHCOCH3 মূলক যুক্ত থাকে। এই -NHCOCH3 মূলকের নাইট্রোজেন পরমাণুতে মুক্তজোড় ইলেকট্রন থাকায় এটি রেজোন্যান্সের মাধ্যমে বেনজিন বলয়ে ইলেকট্রন প্রদান করে এবং বলয় সক্রিয়কারী (Activating group) বা অর্থো-প্যারা নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেইনকোট, গামবুট, পানির পাইপ ইত্যাদি তৈরিতে PVC (Polyvinyl Chloride) ব্যবহৃত হয়।

মূল কারণ: PVC হলো জলরোধী (waterproof) এবং অত্যন্ত টেকসই একটি প্লাস্টিক পলিমার। ভিনাইল ক্লোরাইড (Vinyl chloride) নামক মনোমারের পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায় এটি তৈরি হয়, যা পানি প্রতিরোধে কার্যকরী।

অন্যান্য অপশন:
টেফলন: নন-স্টিক রান্নার পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
পলিস্টারিন: প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট, খেলনা ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
PVC (Polyvinyl Chloride) উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল হলো ইথাইন (Ethyne), যা সাধারণত অ্যাসিটিলিন নামে পরিচিত।

মূল কারণ: ইথাইন বা অ্যাসিটিলিন গ্যাসের সাথে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) এর সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ভিনাইল ক্লোরাইড (Vinyl chloride) উৎপন্ন হয়। পরবর্তীতে এই ভিনাইল ক্লোরাইড মনোমারগুলোর পলিমারকরণ প্রক্রিয়ায় PVC তৈরি হয়।

অন্যান্য অপশন কেন সঠিক নয়:
ইথিন: এটি পলিথিন (Polythene) উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল।
বেনজিন ও ইথেন: এগুলো PVC উৎপাদনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
PVC (Polyvinyl Chloride) হলো একটি হোমোপলিমার (Homopolymer)

মূল কারণ: যে পলিমার চেইন শুধুমাত্র এক ধরনের মনোমার অণু বারবার যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, তাকে হোমোপলিমার বলে। PVC শুধুমাত্র ভিনাইল ক্লোরাইড (Vinyl chloride) নামক একটিমাত্র মনোমারের পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।

অন্যান্য অপশন কেন সঠিক নয়:
নাইলন 6:6: এটি একটি কো-পলিমার, যা হেক্সামিথিলিন ডাইঅ্যামিন এবং অ্যাডিপিক এসিড নামক দুটি ভিন্ন মনোমার দ্বারা গঠিত।
পলিঅ্যামাইড ও পলিকার্বনেট: এগুলোও সাধারণত ভিন্ন ভিন্ন মনোমারের ঘনীভবন পলিমারকরণে সৃষ্ট কো-পলিমার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুক্রোজ একটি অবিজারক বা নন-রিডিউসিং শর্করা।
- যেসব শর্করার মুক্ত অ্যালডিহাইড (-CHO) বা কিটোন (>C=O) মূলক থাকে না এবং যারা ফেলিং দ্রবণ বা বেনেডিক্ট দ্রবণকে বিজারিত করতে পারে না, তাদেরকে অবিজারক শর্করা বলে।
- সুক্রোজ গঠনে গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজের মুক্ত মূলকগুলো গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তাই এর কোনো মুক্ত বিজারক মূলক থাকে না।
- অন্যদিকে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং ম্যালটোজ হলো বিজারক শর্করা কারণ এদের মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন মূলক থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুক্রোজ (Sucrose) হলো একটি ডাইস্যাকারাইড, যা এক অণু গ্লুকোজ এবং এক অণু ফ্রুক্টোজ মিলে গঠিত হয়।
- অন্যদিকে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং রাইবোজ হলো মনোস্যাকারাইড, যা কার্বোহাইড্রেটের মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম একক। এদেরকে আর্দ্রবিশ্লেষণ করে আর কোনো সরল শর্করা পাওয়া যায় না।
- সুক্রোজকে আর্দ্রবিশ্লেষণ করলে দুটি মনোস্যাকারাইড পাওয়া যায় বলে এটি মনোস্যাকারাইড নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চর্বি এবং তৈল হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের গ্লিসারাইড বা ট্রাইগ্লিসারাইড।
- গ্লিসারিনের সাথে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের (যেমন: স্টিয়ারিক এসিড, পামিটিক এসিড) এস্টারিফিকেশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে চর্বি বা তৈল উৎপন্ন হয়।
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেগুলো কঠিন অবস্থায় থাকে তাদের চর্বি (Fat) এবং যেগুলো তরল অবস্থায় থাকে তাদের তৈল (Oil) বলা হয়।
- ফ্যাটি এসিডের Na/K-লবণ মূলত সাবান হিসেবে পরিচিত এবং অ্যালকাইল বেনজিন সালফোনিক এসিডের Na/K লবণ ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মেলাডুর (Meladur) হলো একটি শক্ত এবং তাপসহনীয় থার্মোসেটিং পলিমার বা রেজিন।
• এটি মেলামাইন এবং ফরমালডিহাইড-এর ঘনীভবন পলিমারাইজেশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।
• এর রাসায়নিক নাম মেলামাইন-ফরমালডিহাইড রেজিন।
• এটি সাধারণত মেলামাইনের থালা-বাসন, কাপ, প্লেট, ট্রে এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• তাপীয় আচরণের ওপর ভিত্তি করে প্লাস্টিক বা পলিমার প্রধানত দুই প্রকার: থার্মোপ্লাস্টিক এবং থার্মোসেটিং।
• যেসব পলিমারকে একবার নির্দিষ্ট আকারে ছাঁচে ঢালাই করার পর পুনরায় তাপ দিলে আর গলে না বা নরম হয় না, তাদের থার্মোসেটিং পলিমার বলে।
ব্যাকেলাইট (Bakelite) হলো একটি থার্মোসেটিং প্লাস্টিকের চমৎকার উদাহরণ, যা ফেনল ও ফরমালডিহাইডের বিক্রিয়ায় তৈরি হয়। এটি বৈদ্যুতিক সুইচ, প্লাগ ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
• অন্যদিকে, পলিথিন এবং পলিস্টাইরিন হলো থার্মোপ্লাস্টিক, যা তাপ দিলে গলে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• নাইলন একটি কৃত্রিম পলিমার যা ল্যাবরেটরিতে বা শিল্পকারখানায় রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।
• এটি প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় না এবং সম্পূর্ণ কৃত্রিম উপায়ে প্রস্তুত করা হয়।
• এটি মূলত একটি পলিঅ্যামাইড পলিমার এবং সাধারণত তন্তু, দড়ি, ব্রাশ, কাপড়, মাছ ধরার জাল ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
• উল্লেখ্য, সেলুলোজ, রাবার এবং প্রোটিন হলো প্রাকৃতিক পলিমারের উদাহরণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নাইলন 6:6 (Nylon 6,6) একটি বহুল ব্যবহৃত পলিঅ্যামাইড বা পলিমার।
• এটি হেক্সামিথিলিন ডাইঅ্যামিন এবং অ্যাডিপিক অ্যাসিডের ঘনীভবন পলিমারাইজেশনের মাধ্যমে তৈরি হয়।
• এর নামের 6:6 সংখ্যা দুটি নির্দেশ করে যে, এটি তৈরি করতে ব্যবহৃত দুটি মনোমারের প্রতিটিতেই ৬টি করে কার্বন পরমাণু রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিনের গঠন প্রধানত চারটি স্তরে বিভক্ত: প্রাইমারি, সেকেন্ডারি, টারসিয়ারি এবং কোয়াটারনারি।
টারসিয়ারি গঠন হলো প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক (3D) গঠন।
• এই স্তরে পলিপেপটাইড চেইনগুলো নিজেদের মধ্যে ভাঁজ হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট গ্লোবিউলার (globular) বা বর্তুলাকার রূপ ধারণ করে।
• এনজাইম, হরমোন এবং অ্যান্টিবডি হলো গ্লোবিউলার প্রোটিনের উদাহরণ, যা মূলত টারসিয়ারি গঠনের কারণেই এমন আকৃতি পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা DNA হলো অসংখ্য নিউক্লিওটাইডের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ পলিমার বা ম্যাক্রোমলিকিউল। এটি জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে।

গঠন: প্রতিটি নিউক্লিওটাইড ডিঅক্সিরাইবোজ সুগার, ফসফেট গ্রুপ এবং নাইট্রোজেনাস বেস নিয়ে গঠিত, যা পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়ে পলিমার শৃঙ্খল তৈরি করে।
✔ কোষে DNA-এর প্রধান কাজ দীর্ঘকালের জন্য বংশগতির তথ্য সংরক্ষণ করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Sucrose (সুক্রোজ) একটি নন-রিডিউসিং বা অবিজারক শর্করা। কারণ এতে কোনো মুক্ত অ্যালডিহাইড (-CHO) বা কিটোন (>C=O) মূলক থাকে না, তাই এটি ফেলিং দ্রবণটলেন বিকারককে বিজারিত করতে পারে না।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
Glucose, Fructose এবং Maltose: এরা বিজারক বা রিডিউসিং শর্করা। এদের মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন মূলক থাকায় এরা সহজেই ফেলিং দ্রবণ ও টলেন বিকারককে বিজারিত করতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লাইকোজেন হলো প্রাণিদেহে সঞ্চিত প্রধান পলিস্যাকারাইড। গ্লাইকোজেনে অসংখ্য গ্লুকোজ অণু C1-C4 α-গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন (সরল শৃঙ্খলে) দ্বারা পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে।

গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন: এটি এক ধরণের সমযোজী বন্ধন, যা একাধিক শর্করা অণুকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে ডাইস্যাকারাইড বা পলিস্যাকারাইড গঠন করে।
✔ অন্যদিকে, প্রোটিন গঠনে অ্যামিনো এসিডসমূহ পেপটাইড বন্ধন দ্বারা এবং লিপিড গঠনে এস্টার বন্ধন দেখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুক্রোজ হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ডাইস্যাকারাইড, যা এক অণু গ্লুকোজ এবং এক অণু ফ্রুক্টোজ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। এর রাসায়নিক সংকেত C12H22O11

অন্যান্য সংকেতগুলোর পরিচিতি:
- C6H12O6: মনোস্যাকারাইডের (যেমন: গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ) সংকেত।
- C6H10O5: পলিস্যাকারাইডের (যেমন: স্টার্চ, সেলুলোজ) সাধারণ সংকেত (C6H10O5)n এর মনোমার অংশ।
- C5H10O5: পেন্টোজ সুগারের (যেমন: রাইবোজ) সংকেত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাইমেজ (Zymase) নামক এনজাইমের প্রভাবে গ্লুকোজ বা ফ্রুক্টোজ গাজন বা Fermentation প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভেঙে ইথানল (C2H5OH) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
ম্যাল্টেজ (Maltase): মল্টোজকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে।
ডায়াস্টেজ (Diastase): স্টার্চকে ভেঙে মল্টোজে পরিণত করে।
ইউরিয়েজ (Urease): ইউরিয়াকে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিউক্লিক এসিডের (যেমন: DNA) দ্বিহেলিক্স বা ডাবল-হেলিক্স মডেলে দুটি পলিনিউক্লিওটাইড চেইনের নাইট্রোজেনাস ক্ষারকগুলো (Base pairs) পরস্পরের সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন (Hydrogen bond) দ্বারা যুক্ত থাকে।
⇒ DNA-তে অ্যাডেনিন (A)থাইমিন (T) দুটি হাইড্রোজেন বন্ধন (A=T) দ্বারা এবং গুয়ানিন (G)সাইটোসিন (C) তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধন (G≡C) দ্বারা যুক্ত থাকে।
⇒ হাইড্রোজেন বন্ধন গঠনের প্রধান শর্ত হলো হাইড্রোজেন পরমাণুকে অবশ্যই অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক এবং ছোট আকার বিশিষ্ট পরমাণুর (যেমন- F, O বা N) সাথে সরাসরি যুক্ত থাকতে হবে। এখানে ক্ষারকগুলোর নাইট্রোজেন (N) এবং অক্সিজেন (O) পরমাণুর সাথে হাইড্রোজেন যুক্ত হয়ে এই বন্ধন গঠন করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লুকোজ (Glucose) হলো একটি অ্যালডোহেক্সোজ (Aldohexose), যার রাসায়নিক সংকেত C6H12O6
⇒ এর আণবিক গঠনে একটি অ্যালডিহাইড মূলক (-CHO) এবং ৫টি অ্যালকোহলীয় বা হাইড্রোক্সিল (-OH) মূলক বিদ্যমান থাকে।
⇒ রিং বা বলয় কাঠামোর গ্লুকোজে ১নং কার্বনে হাইড্রোক্সিল (-OH) গ্রুপের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে গ্লুকোজকে দুটি আইসোমারে ভাগ করা হয়:
- α-গ্লুকোজ (Alpha Glucose): এর ১নং কার্বনের নিচে -OH গ্রুপ যুক্ত থাকে।
- β-গ্লুকোজ (Beta Glucose): এর ১নং কার্বনের উপরে -OH গ্রুপ যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0