পরিমাণগত রসায়ন (213 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত টাইট্রেশনটি হলো একটি তীব্র অম্ল (HCl) এবং মৃদু ক্ষার (Na2CO3) এর মধ্যকার বিক্রিয়া।

• তীব্র অম্ল ও মৃদু ক্ষারের টাইট্রেশনে উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ সামান্য অম্লীয় প্রকৃতির হয়।
• এ ধরনের টাইট্রেশনের প্রশমন বিন্দু বা তুল্যতা বিন্দু pH 3.0 থেকে 4.5 এর কাছাকাছি থাকে।
মিথাইল অরেঞ্জ এর বর্ণ পরিবর্তনের pH পরিসর হলো ৩.১ - ৪.৪, যা এই টাইট্রেশনের তুল্যতা বিন্দুর সাথে মিলে যায়।
• তাই Na2CO3 এবং HCl এর টাইট্রেশনে উপযুক্ত নির্দেশক হলো মিথাইল অরেঞ্জ। অন্যদিকে, ফেনলফথ্যালিন (pH ৮.২ - ১০.০) এক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মৃদু এসিড (যেমন: ইথানয়িক এসিড) এবং সবল বা তীব্র ক্ষার (যেমন: সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড) এর টাইট্রেশনে উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়।

• এই টাইট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রসমন বিন্দু বা তুল্যতা বিন্দুতে দ্রবণের pH মান ৮.০ থেকে ১০.০ এর মধ্যে খুব দ্রুত বা আকস্মিকভাবে পরিবর্তিত হয়।
ফেনলফথ্যালিন নির্দেশকের বর্ণ পরিবর্তনের pH পরিসর হলো ৮.২ থেকে ১০.০, যা এই টাইট্রেশনের pH পরিবর্তনের পরিসরের সাথে হুবহু মিলে যায়।
• তাই সঠিক প্রসমন বিন্দু নির্ণয়ের জন্য মৃদু এসিড ও সবল ক্ষারের টাইট্রেশনে ফেনলফথ্যালিন হলো সবচেয়ে উপযুক্ত নির্দেশক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্পেক্ট্রোফটোমেট্রিতে অ্যাবজরবেন্স বা শোষণমাত্রা (A) এবং ট্রান্সমিট্যান্স (T) এর মধ্যকার সঠিক সম্পর্কটি হলো A = -log T বা A = log (1/T)। সুতরাং, log T = A সম্পর্কটি সঠিক নহে।

• স্পেক্ট্রোফটোমেট্রির অন্যান্য সঠিক সম্পর্কগুলো হলো:
- A = log(I0/I) (যেখানে I0 আপতিত আলোর তীব্রতা এবং I নির্গত আলোর তীব্রতা)।
- বিয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্রানুসারে, A = εcl (যেখানে ε = মোলার শোষণ সহগ, c = ঘনমাত্রা এবং l = কোষের দৈর্ঘ্য)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিয়ার-ল্যাম্বার্ট (Beer-Lambert) সূত্র মূলত লঘু দ্রবণের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রযোজ্য।
দ্রবণের ঘনমাত্রা বেশি হলে (সাধারণত > 0.01 M) শোষক কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বা বিকর্ষণ শুরু হয়, যা আলোর শোষণে প্রভাব ফেলে এবং সূত্রের বিচ্যুতি ঘটায়।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে লঘু দ্রবণ অর্থাৎ 0.01 মোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে এই সূত্রটি অধিক প্রযোজ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিয়ার-ল্যাম্বার্ট (Beer-Lambert) সূত্র অনুসারে, A = εcl সমীকরণটির পদগুলোর অর্থ হলো:
A = শোষণাঙ্ক বা অ্যাবজর্বেন্স (Absorbance)
ε (এপসাইলন) = মোলার শোষণ সহগ (Molar absorptivity)
c = দ্রবণের মোলার ঘনমাত্রা (Concentration)
l = দ্রবণ স্তরের বা সেলের পুরুত্ব (Path length of cell)
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে l = সেলের পুরুত্ব সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিভিন্ন এসিড-ক্ষার নির্দেশক একটি নির্দিষ্ট pH পরিসরে তাদের বর্ণ পরিবর্তন করে। ফেনফথ্যালিন (Phenolphthalein) নির্দেশকের বর্ণ পরিবর্তনের সঠিক pH পরিসর হলো 8.3 - 10.0

অন্যান্য কয়েকটি নির্দেশকের pH পরিসর নিচে দেওয়া হলো:
- মিথাইল অরেঞ্জ: 3.1 - 4.4
- মিথাইল রেড: 4.2 - 6.3
- ফেনল রেড: 6.8 - 8.4
- থাইমল ব্লু (এসিড): 1.2 - 2.8
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেনফথ্যালিন (Phenolphthalein) নির্দেশকের বর্ণ পরিবর্তনের সঠিক pH পরিসর হলো 8.3-10.0
এটি অম্লীয় মাধ্যমে বর্ণহীন এবং ক্ষারীয় মাধ্যমে গোলাপি বর্ণ ধারণ করে।
অপশনগুলোর মধ্যে NaOH (সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড) একটি তীব্র ক্ষার (pH > 7)। তাই NaOH দ্রবণে ফেনফথ্যালিন গোলাপি বর্ণ ধারণ করে। অন্যদিকে HCl ও H2SO4 এসিড এবং NaCl নিরপেক্ষ লবণ হওয়ায় এগুলোতে এটি বর্ণহীন থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেনফথ্যালিন (Phenolphthalein) একটি এসিড-ক্ষার নির্দেশক।
অম্লীয় মাধ্যমে (যেমন- HCl বা হাইড্রোক্লোরিক এসিড দ্রবণে) এর বর্ণ বর্ণহীন (Colorless) থাকে।
ক্ষারীয় মাধ্যমে (pH 8.3-10.0) এটি গোলাপি বর্ণ ধারণ করে। যেহেতু HCl একটি তীব্র এসিড, তাই এতে ফেনফথ্যালিন যোগ করলে দ্রবণটি বর্ণহীন হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিভিন্ন এসিড-ক্ষার নির্দেশক একটি নির্দিষ্ট pH পরিসরে তাদের বর্ণ পরিবর্তন করে।
ফেনল রেড (Phenol Red) নির্দেশকের বর্ণ পরিবর্তনের সঠিক pH পরিসর হলো ৬.৮ - ৮.৪
• এই পরিসরের নিচে (অম্লীয় মাধ্যমে) এটি হলুদ এবং উপরে (ক্ষারীয় মাধ্যমে) লাল বর্ণ ধারণ করে।

অন্যান্য কয়েকটি নির্দেশকের pH পরিসর:
- মিথাইল রেড: ৪.২ - ৬.৩
- ফেনফথ্যালিন: ৮.৩ - ১০.০
- মিথাইল অরেঞ্জ: ৩.১ - ৪.৪
- থাইমল ব্লু (এসিড): ১.২ - ২.৮

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেনফথ্যালিন (Phenolphthalein) হলো একটি বহুল ব্যবহৃত এসিড-ক্ষার নির্দেশক।
• অম্লীয় মাধ্যমে (pH < 8.3) ফেনফথ্যালিন বর্ণহীন (Colorless) থাকে।
• ক্ষারীয় মাধ্যমে (pH > 8.3) এটি বর্ণ পরিবর্তন করে গোলাপি বা লালচে-গোলাপি (Pink) বর্ণ ধারণ করে।
• এর বর্ণ পরিবর্তনের সঠিক pH পরিসর হলো ৮.৩ - ১০.০। তাই তীব্র অম্ল ও তীব্র ক্ষার বা মৃদু অম্ল ও তীব্র ক্ষারের টাইট্রেশনে এটি নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত টাইট্রেশনটি হলো একটি তীব্র অম্ল (HCl) এবং মৃদু ক্ষার (NH3) এর মধ্যকার বিক্রিয়া।
• তীব্র অম্ল ও মৃদু ক্ষারের টাইট্রেশনে উৎপন্ন লবণের (NH4Cl) জলীয় দ্রবণ সামান্য অম্লীয় প্রকৃতির হয়।
• এ ধরনের টাইট্রেশনের প্রশমন বিন্দু বা তুল্যতা বিন্দু pH 4.0 থেকে 6.0 এর কাছাকাছি থাকে।
মিথাইল রেড এর বর্ণ পরিবর্তনের pH পরিসর হলো ৪.২ - ৬.৩, যা এই টাইট্রেশনের তুল্যতা বিন্দুর সাথে মিলে যায়।
• তাই তীব্র অম্ল ও মৃদু ক্ষারের টাইট্রেশনে মিথাইল রেড উপযুক্ত নির্দেশক। অন্যদিকে, ফেনফথ্যালিন (pH ৮.৩ - ১০.০) এক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
pH এর পরিবর্তনের সাথে যে সব পদার্থ বর্ণ পরিবর্তন করে, তাদের এসিড-ক্ষার নির্দেশক বলে।
• প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ফেনল রেড এবং মিথাইল ভায়োলেট সুপরিচিত এসিড-ক্ষার নির্দেশক।
• অন্যদিকে নিউট্রাল রেড (Neutral Red) মূলত একটি বায়োলজিক্যাল স্টেইন (biological stain) বা রঞ্জক পদার্থ হিসেবে কোষবিদ্যায় (যেমন: জীবিত কোষকে রঙিন করতে) ব্যবহৃত হয়। সাধারণ রাসায়নিক বিশ্লেষণে এটি প্রাথমিক এসিড-ক্ষার নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থ নিজেদের বর্ণ পরিবর্তনের মাধ্যমে কোনো একটি দ্রবণ অম্লীয় না ক্ষারীয় তা নির্দেশ করে, তাদেরকে নির্দেশক (Indicator) বলে।
• মিথাইল অরেঞ্জ একটি বহুল ব্যবহৃত এসিড-ক্ষার নির্দেশক।
• সাধারণত মিথাইল অরেঞ্জ এর অম্লীয় বর্ণ লাল বা গোলাপি (Pink) এবং ক্ষারীয় বর্ণ হলুদ
• এর বর্ণ পরিবর্তনের pH পরিসর হলো ৩.১ - ৪.৪। ৩.১ এর নিচে অম্লীয় মাধ্যমে এটি তীব্র গোলাপি বা লাল বর্ণ ধারণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শক্তিশালী এসিড (যেমন: HCl) এবং দুর্বল ক্ষারের (যেমন: NH4OH) টাইট্রেশনে উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির হয়।
• এই টাইট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রসমন বিন্দু বা তুল্যতা বিন্দুতে দ্রবণের pH মান ৭.০ থেকে ৩.০ এর দিকে খুব দ্রুত বা আকস্মিকভাবে পরিবর্তিত হয়।
মিথাইল অরেঞ্জ নির্দেশকের বর্ণ পরিবর্তনের pH পরিসর হলো ৩.১ থেকে ৪.৪, যা এই অম্লীয় পরিবর্তনের পরিসরের মাঝে অবস্থান করে।
• তাই শক্তিশালী এসিড ও দুর্বল ক্ষারের টাইট্রেশনে সঠিক প্রসমন বিন্দু নির্ণয়ের জন্য মিথাইল অরেঞ্জ উপযুক্ত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মিথাইল অরেঞ্জ এর বর্ণ পরিবর্তনের সঠিক pH পরিসর হলো ৩.১ থেকে ৪.৪
• প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৩.০-৫.০ পরিসরটি এর সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশকের pH পরিসর:
- ফেনফথ্যালিন: 8.3 - 10.0
- মিথাইল রেড: 4.2 - 6.3
- থাইমল ব্লু: 1.2 - 2.8
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইথানোয়িক এসিড (CH3COOH) হলো একটি মৃদু এসিড এবং NaOH হলো একটি তীব্র ক্ষার
• মৃদু এসিড ও তীব্র ক্ষারের টাইট্রেশনে উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়।
• এই টাইট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রসমন বিন্দু বা তুল্যতা বিন্দুতে দ্রবণের pH মান ৮.০ থেকে ১০.০ এর মধ্যে খুব দ্রুত বা আকস্মিকভাবে পরিবর্তিত হয়।
ফেনফথ্যালিন নির্দেশকের বর্ণ পরিবর্তনের pH পরিসর হলো ৮.২ থেকে ১০.০, যা এই টাইট্রেশনের pH পরিবর্তনের পরিসরের সাথে হুবহু মিলে যায়।
• তাই সঠিক প্রসমন বিন্দু নির্ণয়ের জন্য ফেনফথ্যালিন হলো সবচেয়ে উপযুক্ত নির্দেশক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মিথাইল রেড একটি এসিড-ক্ষার নির্দেশক। এর বর্ণ পরিবর্তনের সঠিক pH পরিসর হলো ৪.২ থেকে ৬.৩
• প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৭-৪ পরিসরটি (বা ৪.২-৬.৩ এর সবচেয়ে কাছাকাছি) মিথাইল রেডের বর্ণ পরিবর্তনের সীমাকে নির্দেশ করে।

বিভিন্ন নির্দেশকের pH পরিসর:
- ফেনফথ্যালিন: 8.3 - 10.0
- মিথাইল রেড: 4.2 - 6.3
- মিথাইল অরেঞ্জ: 3.1 - 4.4
- থাইমল ব্লু (এসিড): 1.2 - 2.8
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
H2O2 (হাইড্রোজেন পারক্সাইড) একটি পারক্সাইড যৌগ।
• পারক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ মান -1 হয়।
• এখানে, দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর মোট জারণ মান = +1 × 2 = +2।
• সুতরাং, দুটি অক্সিজেন পরমাণুর মোট জারণ মান হবে -2, অর্থাৎ প্রতিটি অক্সিজেনের জারণ মান -1
• উল্লেখ্য, সাধারণ অক্সাইডে (যেমন: H2O) অক্সিজেনের জারণ মান -2 এবং সুপার অক্সাইডে (যেমন: KO2) -1/2 হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আয়োডিন (I2) এর সাথে থায়োসালফেট আয়নের (S2O32-) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় থায়োসালফেট জারিত হয়ে টেট্রাথায়োনেট আয়ন (S4O62-) উৎপন্ন করে।

- একইসাথে আয়োডিন বিজারিত হয়ে আয়োডাইড আয়নে (I-) পরিণত হয়।
- বিক্রিয়া: 2S2O32- + I2 → S4O62- + 2I-

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ প্রদত্ত অম্লীয় মাধ্যমের বিক্রিয়াটিতে KMnO4 হলো জারক এবং C2O42- (অক্সালেট আয়ন) হলো বিজারক (FeC2O4 এর অক্সালেট অংশ বিবেচনা করে)।
⇒ জারক MnO4- আয়নে Mn-এর জারণ মান +7 থেকে +2 হয়, অর্থাৎ এটি 5টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
⇒ বিজারক C2O42- আয়নে কার্বনের জারণ মান +3 থেকে +4 হয়, এবং একটি আয়ন মোট 2টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
⇒ ইলেকট্রন আদান-প্রদান সমতা করার জন্য জারকের অর্ধ-বিক্রিয়াকে 2 দিয়ে এবং বিজারকের অর্ধ-বিক্রিয়াকে 5 দিয়ে গুণ করতে হয়।
⇒ সমতাকৃত বিক্রিয়া: 2MnO4- + 5C2O42- + 16H+ → 2Mn2+ + 10CO2 + 8H2O
⇒ সুতরাং, বিক্রিয়াটিতে জারক ও বিজারকের মোল সংখ্যার অনুপাত হলো 2:5
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ অম্লীয় মাধ্যমে পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট (K2Cr2O7) বিজারিত হয়ে Cr3+ আয়নে পরিণত হয়।
⇒ প্রথমে K2Cr2O7 যৌগে Cr এর জারণ মান নির্ণয় করি: (+1)×2 + 2x + (-2)×7 = 0 ⇒ 2x = 12 ⇒ x = +6
⇒ জারণ মান +6 থেকে +3 এ পরিণত হতে প্রতিটি Cr6+ আয়ন 3টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
⇒ অর্ধ-বিক্রিয়াটি হলো: Cr2O72- + 14H+ + 6e- → 2Cr3+ + 7H2O (যেখানে ২টি Cr পরমাণু মোট 6টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে, অর্থাৎ প্রতিটি Cr 3টি করে ইলেকট্রন গ্রহণ করে)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অম্লীয় মাধ্যমে KMnO4 একটি তীব্র জারক হিসেবে কাজ করে এবং বিজারক পদার্থকে জারিত করে।

- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে H2S একটি বিজারক। এতে সালফারের জারণ মান -2, যা জারিত হয়ে মুক্ত সালফার (S) গঠন করে (জারণ মান 0)।
- বিক্রিয়া: 2KMnO4 + 3H2SO4 + 5H2S → K2SO4 + 2MnSO4 + 5S + 8H2O
- অন্যদিকে, PbO2 নিজে একটি জারক এবং FeCl3-এ Fe এর জারণ মান +3 (সর্বোচ্চ জারণ অবস্থা), তাই এরা আর জারিত হতে পারে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
HNO3 (নাইট্রিক এসিড) একটি তীব্র জারক (Oxidizing agent) হিসেবে কাজ করে।

- HNO3-এ নাইট্রোজেনের জারণ মান +5, যা তার সর্বোচ্চ জারণ মান। এটি আর ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে না, বরং ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। তাই এটি শুধুমাত্র জারক হিসেবে কাজ করে।
- অন্যদিকে, অপশনগুলোর মধ্যে LiAlH4 এবং NH2-NH2 (হাইড্রাজিন) তীব্র বিজারক (Reducing agent) হিসেবে কাজ করে।
- NaOH একটি ক্ষার, যা সাধারণত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
NaBH4 (সোডিয়াম বোরোহাইড্রাইড) একটি শক্তিশালী বিজারক পদার্থ। এটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় হাইড্রাইড আয়ন (H-) প্রদান করে অন্য পদার্থকে বিজারিত করে।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে:
HNO3 (নাইট্রিক এসিড) এবং KMnO4 (পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট) হলো শক্তিশালী জারক পদার্থ।
CH3OH (মিথানল) হলো একটি অ্যালকোহল, যা সাধারণত এই ধরনের বিজারক হিসেবে কাজ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
টিন (Sn) এর দুটি সাধারণ জারণ অবস্থা হলো +2 এবং +4
যখন Sn এর জারণ অবস্থা +2 থাকে (যেমন: SnCl2 যৌগে), তখন এটি আরও ইলেকট্রন ত্যাগ করে তার সর্বোচ্চ জারণ অবস্থা +4 এ উন্নীত হতে পারে (যেমন: SnCl4)।
যেহেতু Sn2+ ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিজে জারিত হতে পারে এবং অন্যকে বিজারিত করে, তাই এটি +2 জারণ অবস্থায় একটি বিজারক হিসেবে কাজ করে।
অন্যদিকে, +4 জারণ অবস্থায় Sn তার সর্বোচ্চ জারণ স্তরে থাকায় এটি শুধুমাত্র জারক হিসেবে কাজ করতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পটাশ এলাম (Potash alum) এর রাসায়নিক সংকেত হলো K2SO4·Al2(SO4)3·24H2O
এই যৌগে সালফার (S) মূলত সালফেট (SO42-) যৌগমূলক হিসেবে থাকে।
ধরি, SO42- আয়নে S এর জারণ সংখ্যা = x
আমরা জানি, O এর জারণ সংখ্যা = -2
যেহেতু এটি একটি আয়নিত যৌগমূলক, তাই পরমাণুসমূহের জারণ সংখ্যার যোগফল এর আধানের (-2) সমান হবে।
∴ x + 4(-2) = -2
⇒ x - 8 = -2
⇒ x = +8 - 2
⇒ x = +6
অতএব, পটাশ এলাম এ সালফারের (S) জারণ সংখ্যা +6
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো আধানবিহীন বা নিরপেক্ষ অণুতে উপস্থিত সকল পরমাণুর জারণ সংখ্যার বীজগাণিতিক যোগফল সর্বদা 0 (শূন্য) হয়।
কারণ, একটি নিরপেক্ষ অণুতে মোট ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধান পরস্পর সমান থাকে, ফলে সামগ্রিক আধান বা চার্জ শূন্য হয়।
উদাহরণস্বরূপ: H2O যৌগে H এর জারণ সংখ্যা +1 এবং O এর -2।
মোট জারণ সংখ্যা = 2(+1) + (-2) = +2 - 2 = 0
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিক্রিয়াটিতে পরমাণুর জারণ সংখ্যার পরিবর্তন লক্ষ্য করি:
2KNO3 → 2KNO2 + O2
• KNO3 যৌগে N এর জারণ সংখ্যা +5 এবং O এর জারণ সংখ্যা -2
• উৎপাদে KNO2 এ N এর জারণ সংখ্যা +3 এবং O2 গ্যাসে O এর জারণ সংখ্যা 0
এখানে, অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -2 থেকে বৃদ্ধি পেয়ে 0 হয়েছে, অর্থাৎ এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করেছে, তাই oxygen জারিত হয়েছে।
অন্যদিকে, নাইট্রোজেনের জারণ সংখ্যা +5 থেকে হ্রাস পেয়ে +3 হয়েছে, অর্থাৎ এটি ইলেকট্রন গ্রহণ করেছে, তাই nitrogen বিজারিত হয়েছে।
সুতরাং, জারিত ও বিজারিত মৌল যথাক্রমে oxygen and nitrogen
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয় (অর্থাৎ ইলেকট্রন ত্যাগ করে), তাদেরকে বিজারক (Reducing agent) বলে।
H2S (হাইড্রোজেন সালফাইড) একটি শক্তিশালী বিজারক। এতে কেন্দ্রীয় সালফার (S) পরমাণুর জারণ সংখ্যা -2 (সর্বনিম্ন), তাই এটি আর ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে না, কেবল ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
• অন্যদিকে, KMnO4 এবং HNO3 হলো শক্তিশালী জারক (Oxidizing agent), কারণ এখানে Mn এবং N তাদের সর্বোচ্চ জারণ অবস্থায় (+7 এবং +5) থাকে।
I2 সাধারণত জারক হিসেবে কাজ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণত যৌগসমূহে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা ঋণাত্মক (-2, -1, বা -1/2) হয়। কিন্তু OF2 (Oxygen difluoride) যৌগে অক্সিজেন ধনাত্মক জারণ অবস্থা প্রদর্শন করে। এর কারণ হলো, ফ্লোরিন (F) অক্সিজেনের চেয়ে অনেক বেশি তড়িৎ ঋণাত্মক (Electronegative) মৌল।

OF2 যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা নির্ণয়:
ধরি, অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা = x
ফ্লোরিনের জারণ সংখ্যা সর্বদা = -1
সুতরাং, x + 2(-1) = 0
⇒ x - 2 = 0
⇒ x = +2

অন্যদিকে, H2O2 এবং Na2O2 (পারক্সাইড) এ অক্সিজেনের জারণ মান -1 এবং KO2 (সুপার অক্সাইড) এ অক্সিজেনের জারণ মান -1/2
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0