তড়িৎ রসায়ন (210 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• প্রদত্ত গ্যালভানিক সেলগুলোর মধ্যে লিথিয়াম আয়ন সেল (Lithium-ion cell)-এর কোষ বিভব (Cell potential) সবচেয়ে বেশি।
• সাধারণত একটি লিথিয়াম আয়ন সেলের বিভব ৩.০ থেকে ৩.৭ ভোল্ট (3.0 - 3.7 V) হয়ে থাকে।
• অন্যান্য সেলগুলোর বিভব তুলনামূলক কম: ড্রাই সেল ১.৫ V, লেড-এসিড সেল ২.০ V (প্রতিটি কোষে) এবং হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলের তাত্ত্বিক বিভব ১.২৩ V।
• লিথিয়ামের প্রমাণ জারণ বিভব অত্যন্ত বেশি হওয়ার কারণে এটি উচ্চ কোষ বিভব তৈরি করতে সক্ষম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জ্বালানি (Fuel) হলো এমন পদার্থ যা দহনের ফলে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে। যেমন: H2 (হাইড্রোজেন), CH4 (মিথেন) এবং C (কার্বন বা কয়লা)।
O2 (অক্সিজেন) নিজে কোনো জ্বালানি নয়, বরং এটি দহনে সাহায্যকারী একটি গ্যাস বা জারক।
• যেকোনো সাধারণ দহন বিক্রিয়া বা ফুয়েল সেলে জ্বালানিকে জারিত করার কাজে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• গলিত কার্বনেট ফুয়েল সেল (Molten Carbonate Fuel Cell বা MCFC)-এ ইলেকট্রোলাইট হিসেবে ক্ষারীয় ধাতুর কার্বনেট লবণের গলিত মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
• সাধারণত এতে গলিত লিথিয়াম এবং পটাশিয়াম কার্বনেট (Lithium Potassium Carbonate) বা লিথিয়াম এবং সোডিয়াম কার্বনেট-এর মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়।
• এই ফুয়েল সেলটি সাধারণত ৬৫০°C এর মতো উচ্চ তাপমাত্রায় কাজ করে, যা কার্বনেট লবণকে গলিত অবস্থায় রাখে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• প্রোটন বিনিময় মেমব্রেন ফুয়েল সেলে (PEMFC) জ্বালানি হিসেবে মিথানল বা হাইড্রোকার্বন-ভিত্তিক পদার্থ (যেমন: Direct Methanol Fuel Cell) ব্যবহার করলে অ্যানোড-এ জারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে CO2 (কার্বন ডাইঅক্সাইড) উৎপন্ন হয়।
• বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন গ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে উপজাত হিসেবে কেবল পানি (H2O) পাওয়া যায়।
• যেহেতু অপশনে CO2 সঠিক উত্তর হিসেবে দেওয়া আছে, তাই এটি কার্বন-ভিত্তিক ফুয়েল সেলের অ্যানোডের বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• কঠিন অক্সাইড ফুয়েল সেল (Solid Oxide Fuel Cell বা SOFC) হলো এক ধরনের উচ্চ তাপমাত্রার ফুয়েল সেল।
• এই সেলে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কঠিন সিরামিক উপাদান (যেমন: জিরকোনিয়াম ডাইঅক্সাইড) ব্যবহৃত হয়।
• এই সেলটির বিক্রিয়া সাধারণত ৮০০-১০০০°C (800-1000°C) তাপমাত্রায় পরিচালিত হয়।
• উচ্চ তাপমাত্রার কারণে এতে প্লাটিনামের মতো দামি প্রভাবকের প্রয়োজন হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফুয়েল সেল (Fuel Cell) হচ্ছে এমন একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ যেখানে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এই কোষে অ্যানোডে হাইড্রোজেন গ্যাস জারিত হয় এবং ক্যাথোডে অক্সিজেন গ্যাস বিজারিত হয়।
- সম্পূর্ণ বিক্রিয়ার ফলে এর বাই-প্রোডাক্ট বা উপজাত হিসেবে শুধুমাত্র পানি (H2O) এবং তাপ উৎপন্ন হয়।
- অন্যান্য সাধারণ ব্যাটারির মতো এটি পরিবেশ দূষণ করে না, তাই এটি অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লেড ডাইঅক্সাইড (PbO2) পানিতে অদ্রবণীয় এবং এটি একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ।
- একে দ্রবীভূত করতে সাধারণত গরম ও গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) ব্যবহার করা হয়।
- গাঢ় H2SO4 এর সাথে বিক্রিয়ায় এটি লেড সালফেট (PbSO4), পানি এবং অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন করে দ্রবীভূত হয়।
- বিক্রিয়া: 2PbO2 + 2H2SO4 → 2PbSO4 + 2H2O + O2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন-অক্সিজেন ফুয়েল সেলে উপজাত হিসেবে কেবল পানি (H2O) পাওয়া যায়।
- তবে অনেক ক্ষেত্রে ফুয়েল সেলে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হাইড্রোজেন প্রাকৃতিক গ্যাস বা হাইড্রোকার্বন থেকে রিফর্মিং প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হয়।
- এছাড়া কার্বন-ভিত্তিক ফুয়েল সেলে বিক্রিয়ার ফলে পানি (H2O) এর পাশাপাশি কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) সহউৎপাদ হিসেবে নির্গত হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ক্ষতিকর গ্যাস (SO2, NO2) বিহীন একমাত্র বিকল্পটি হলো H2O,CO2, যা ফুয়েল সেলের সাধারণ সহউৎপাদ হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ক্ষারীয় ফুয়েল সেলে (Alkaline Fuel Cell বা AFC) তড়িৎবিশ্লেষ্য বা ইলেকট্রোলাইট হিসেবে জলীয় KOH বা NaOH ব্যবহৃত হয়।
- এই জলীয় দ্রবণে অ্যানোড ও ক্যাথোড হিসেবে ছিদ্রযুক্ত কার্বন দণ্ড আংশিক নিমজ্জিত থাকে, যেখানে প্রভাবক হিসেবে প্লাটিনাম (Pt) বা প্যালাডিয়াম (Pd) মেশানো থাকে।
- জলীয় KOH এর উপস্থিতিতে কোষে জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন এবং জারক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস চালনা করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিউটেন-অক্সিজেন ফুয়েল সেল মূলত সলিড অক্সাইড ফুয়েল সেল (SOFC) বা গলিত কার্বনেট ফুয়েল সেলের (MCFC) অন্তর্ভুক্ত।
- এই ধরনের ফুয়েল সেলগুলো কাজ করার জন্য অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় (সাধারণত ৬০০°C থেকে ১০০০°C বা তার বেশি)।
- তাই বিউটেন-অক্সিজেন ফুয়েল সেল হলো একটি অতি উচ্চ তাপমাত্রার ফুয়েল সেল
- উচ্চ তাপমাত্রার কারণে এই সেলে হাইড্রোকার্বন (যেমন- বিউটেন) সরাসরি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ অটোমোবাইল (যেমন: গাড়ি, ট্রাক, বাস) বা যানবাহনের ইঞ্জিন স্টার্ট করার জন্য উচ্চ বিদ্যুৎ প্রবাহের প্রয়োজন হয়, যাকে SLI (Starting, Lighting, and Ignition) বলা হয়।
⇒ এই কাজের জন্য লেড স্টোরেজ ব্যাটারি (Lead-acid battery) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
⇒ এটি একটি সেকেন্ডারি বা রিচার্জেবল ব্যাটারি, যেখানে অ্যানোড হিসেবে স্পঞ্জি লেড (Pb) এবং ক্যাথোড হিসেবে লেড ডাই-অক্সাইড (PbO2) ব্যবহৃত হয়।
⇒ যদিও বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়িতে (EV) লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহৃত হচ্ছে, তবে সাধারণ ইঞ্জিনচালিত অটোমোবাইলে লেড স্টোরেজ ব্যাটারিই প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ ক্ষারীয় হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে (Alkaline Fuel Cell) তড়িৎবিশ্লেষ্য হিসেবে KOH বা NaOH এর জলীয় দ্রবণ ব্যবহৃত হয়।
ক্যাথোডে অক্সিজেন গ্যাস ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়।
⇒ ক্যাথোড বিক্রিয়া: 1/2O2 + H2O + 2e- → 2OH-
⇒ অন্যদিকে অ্যানোডে হাইড্রোজেন গ্যাস জারিত হয় (H2 + 2OH- → 2H2O + 2e-)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ ড্রাইসেল বা শুষ্ক কোষে অ্যানোড হিসেবে দস্তার (Zinc) পাত্র ব্যবহার করা হয়।
⇒ কোষটি যখন বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, তখন অ্যানোডে জারণ বিক্রিয়া ঘটে (Zn → Zn2+ + 2e-)।
⇒ ক্রমাগত অ্যানোড জারিত হওয়ার ফলে দস্তার পাত্রটি ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত ও ছিদ্রযুক্ত হয়ে যায়।
⇒ এর ফলে ব্যাটারির ভেতরে থাকা পেস্ট বা তরল পদার্থ (অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ও জিংক ক্লোরাইডের পেস্ট) সেই ছিদ্র দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি একটি সেকেন্ডারি বা রিচার্জেবল কোষ, যা মোবাইল বা ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়।
⇒ এই ব্যাটারির ক্যাথোড হিসেবে সাধারণত লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড (LiCoO2) ব্যবহৃত হয়।
⇒ ডিসচার্জ অবস্থায় বা স্বাভাবিক অবস্থায় কোবাল্টের জারণ মান থাকে +3
⇒ যখন ব্যাটারি চার্জ করা হয়, তখন ক্যাথোড থেকে লিথিয়াম আয়ন (Li+) এবং ইলেকট্রন (e-) বেরিয়ে যায়। এর ফলে ক্যাথোডের উপাদানটি CoO2-তে পরিণত হয়, যেখানে কোবাল্ট এর জারণ মান পরিবর্তিত হয়ে +4 হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে দুটি তড়িৎদ্বার থাকে: অ্যানোড এবং ক্যাথোড।
অ্যানোড-এ জ্বালানি হিসেবে H2 (হাইড্রোজেন) গ্যাস চালনা করা হয়, যা জারিত হয়।
ক্যাথোড-এ জারক হিসেবে O2 (অক্সিজেন) গ্যাস চালনা করা হয়, যা বিজারিত হয়।
⇒ সামগ্রিক বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন মিলে বিদ্যুৎ ও পানি উৎপন্ন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফুয়েল সেল (Fuel Cell) হচ্ছে এমন একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ যেখানে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এর বাই-প্রোডাক্ট বা উপজাত হিসেবে শুধুমাত্র পানি (H2O) এবং তাপ উৎপন্ন হয়, যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।
- অন্যদিকে, লেড সঞ্চয়ী কোষ বা ক্যাডমিয়াম ব্যাটারিতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর ভারী ধাতু (যেমন- Pb, Cd) এবং এসিড মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
- তাই অন্যান্য সাধারণ তড়িৎ কোষের তুলনায় ফুয়েল সেল সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে (H-Fuel cell) জ্বালানি হিসেবে অ্যানোডে হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস এবং ক্যাথোডে অক্সিজেন (O2) গ্যাস চালনা করা হয়।
- অ্যানোডে হাইড্রোজেন গ্যাস জারিত হয়ে ইলেকট্রন এবং প্রোটন (H+) উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন ইলেকট্রনগুলো বহিস্থ বর্তনীর মধ্য দিয়ে ক্যাথোডে প্রবাহিত হয় এবং বৈদ্যুতিক শক্তি সৃষ্টি করে।
- উৎপন্ন H+ আয়নগুলো তড়িৎ বিশ্লেষ্যের (যেমন- প্রোটন এক্সচেঞ্জ মেমব্রেন) মধ্য দিয়ে ক্যাথোডে পৌঁছায়।
- ক্যাথোডে H+ আয়ন, ইলেকট্রন এবং অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় পানি (H2O) উৎপন্ন হয়।
(নোট: তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে মূলত H+ প্রবাহিত হয়, তবে কোষে জ্বালানি হিসেবে H2 সরবরাহ করা হয় বলে অনেক সময় একেই মূল প্রবাহ ধরা হয়)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লেড সঞ্চয়ী বা লেড-এসিড ব্যাটারিতে তড়িৎবিশ্লেষ্য হিসেবে সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এর জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
- ব্যাটারি চার্জ বা ডিসচার্জ হওয়ার সময় কোষের ভেতরের পানি বাষ্পীভূত হয় এবং তড়িৎবিশ্লেষণের কারণে পানির পরিমাণ কমে যায়।
- পানি কমে গেলে H2SO4 এর ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং এর আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific gravity) পরিবর্তিত হয়, যা ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
- তাই H2SO4 এর ঘনত্ব এবং আপেক্ষিক গুরুত্ব সঠিক (সাধারণত ১.২৮) রাখতে মাঝে মাঝে পাতিত পানি (Distilled water) যোগ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ ব্যাটারি বা কোষ প্রধানত দুই ধরণের হয়: প্রাইমারি কোষ এবং সেকেন্ডারি কোষ।
প্রাইমারি কোষ (যেমন: শুষ্ক কোষ বা সাধারণ লিথিয়াম ব্যাটারি) একবার চার্জ শেষ হয়ে গেলে আর ব্যবহার করা যায় না।
সেকেন্ডারি কোষ হলো সেই সব ব্যাটারি, যেগুলোকে বিদ্যুতের সাহায্যে পুনরায় চার্জ দিয়ে বারবার ব্যবহার করা যায়।
LIB (Lithium-ion Battery বা লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি) আমরা মোবাইল বা ল্যাপটপে ব্যবহার করি, যা চার্জ শেষ হলে আবার চার্জ দেওয়া যায়।
⇒ এই কোষগুলোতে রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী হয়, তাই এটি সেকেন্ডারি বা রিচার্জেবল কোষ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত তড়িৎ রাসায়নিক কোষটি হলো: Pt, Cl2(g) | Cl-(aq) ।। Fe3+(aq), Fe2+(aq) | Pt (এখানে Fe3+.Fe3+ এর স্থলে Fe3+, Fe2+ হবে)।
- কোষ লেখার নিয়ম অনুযায়ী, বাম পাশে অ্যানোড (জারণ অর্ধকোষ) এবং ডান পাশে ক্যাথোড (বিজারণ অর্ধকোষ) লেখা হয়।
- বাম পাশে অ্যানোডে Cl- জারিত হয়ে Cl2 গ্যাসে পরিণত হয়।
- অ্যানোড বিক্রিয়া (জারণ): 2Cl- → Cl2 + 2e-
- ডান পাশে ক্যাথোডে Fe3+ বিজারিত হয়ে Fe2+ আয়নে পরিণত হয়।
- ক্যাথোড বিক্রিয়া (বিজারণ): 2Fe3+ + e- → Fe2+
- দুটি অর্ধ-বিক্রিয়া যোগ করলে (ইলেকট্রন সমতা করে) সম্পূর্ণ কোষ বিক্রিয়াটি পাওয়া যায়:
2Fe3+ + 2Cl- → 2Fe2+ + Cl2
(নোট: প্রশ্নে দেওয়া সঠিক উত্তরটিতে টাইপো রয়েছে, তড়িৎ রাসায়নিক নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিক্রিয়াটি অপশন 1 এর অনুরূপ হবে)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি গ্যালভানিক বা তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী:
• বাম পাশে অ্যানোড (জারণ অর্ধকোষ) এবং ডান পাশে ক্যাথোড (বিজারণ অর্ধকোষ) লেখা হয়।
• ড্যানিয়েল কোষে জিংক (Zn) অ্যানোডে জারিত হয়: Zn(s) → Zn²⁺(aq) + 2e⁻
• কপার (Cu) ক্যাথোডে বিজারিত হয়: Cu²⁺(aq) + 2e⁻ → Cu(s)
• সুতরাং, সঠিক কোষ সংকেতটি হলো: Zn(s)/Zn²⁺(aq) || Cu²⁺(aq)/Cu(s)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে তড়িৎ রাসায়নিক অর্ধকোষকে প্রধানত ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ধাতু-ধাতুর আয়ন অর্ধকোষ (Metal-metal ion half-cell)
২. গ্যাস অর্ধকোষ (Gas half-cell)
৩. জারণ-বিজারণ অর্ধকোষ (Redox half-cell)
৪. ধাতু-অদ্রবণীয় লবণ-অ্যানায়ন অর্ধকোষ (Metal-insoluble salt half-cell)
৫. অ্যামালগাম বা সংকর ধাতুর অর্ধকোষ (Amalgam half-cell)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একাধিক অর্ধকোষের মধ্যে যার জারণ বিভব সবচেয়ে বেশি (বা বিজারণ বিভব সবচেয়ে কম), সেটি অ্যানোড হিসেবে কাজ করে।
- প্রদত্ত ধাতুগুলোর প্রমাণ বিজারণ বিভবের মান: Mg (-2.37 V), Zn (-0.76 V), Fe (-0.44 V) এবং Cu (+0.34 V)।
- যেহেতু Mg/Mg²⁺ এর বিজারণ বিভবের মান সবচেয়ে কম (অর্থাৎ জারণ বিভব সবচেয়ে বেশি), তাই এটি অন্যান্য অর্ধকোষের সাথে যুক্ত হলে সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যানোড হিসেবে ক্রিয়া করবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দুটি তড়িৎদ্বারের মধ্যে যার বিজারণ বিভবের মান বেশি, সেটি ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে এবং অপরটি অ্যানোড হিসেবে কাজ করে।
- প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বারের (Pt, H₂/H⁺) বিজারণ বিভব 0.00 V
- অপশনগুলোর মধ্যে Ag⁺/Ag এর প্রমাণ বিজারণ বিভব (+0.80 V) সবচেয়ে বেশি এবং এটি হাইড্রোজেনের চেয়ে ধনাত্মক।
- তাই Pt, H₂/H⁺ কে Ag⁺/Ag এর সাথে যুক্ত করলে Ag⁺/Ag ক্যাথোড হিসেবে এবং Pt, H₂/H⁺ অ্যানোড হিসেবে কাজ করবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Pt, H₂/H⁺ হলো একটি প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার, যা মূলত একটি গ্যাস অর্ধকোষ
- এই অর্ধকোষে প্লাটিনাম (Pt) পাতের মাধ্যমে ১ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে হাইড্রোজেন গ্যাস (H₂) একটি অম্লীয় দ্রবণে (H⁺) চালনা করা হয়।
- যেহেতু এখানে একটি গ্যাসীয় উপাদান তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে, তাই একে গ্যাস অর্ধকোষ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জারণ-বিজারণ অর্ধকোষে (Redox half-cell) একটি নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বার (যেমন- Pt) এমন একটি দ্রবণে নিমজ্জিত থাকে যেখানে একই মৌলের দুটি ভিন্ন জারণ অবস্থার আয়ন উপস্থিত থাকে।
- Pt/Fe2+, Fe3+ হলো একটি জারণ-বিজারণ অর্ধকোষ, কারণ এখানে আয়রন (Fe) এর দুটি ভিন্ন জারণ অবস্থার আয়ন (Fe2+ এবং Fe3+) একই দ্রবণে থাকে এবং প্লাটিনাম (Pt) তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে।
- অন্যান্য তড়িৎদ্বারগুলো:
• Pt, Cl2/Cl- হলো গ্যাস তড়িৎদ্বার।
• Ag, AgCl/Cl- হলো ধাতু-অদ্রবণীয় ধাতব লবণ তড়িৎদ্বার।
• Na-Hg/Na+ হলো অ্যামালগাম তড়িৎদ্বার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গ্যালভানিক কোষে দুটি তড়িৎদ্বারের মধ্যে যার জারণ বিভবের (Oxidation potential) মান বেশি সেটি অ্যানোড হিসেবে কাজ করে এবং যার জারণ বিভবের মান কম সেটি ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে।
- প্রদত্ত প্রশ্নে Zn/Zn2+ এর জারণ বিভব E° = +0.76 V।
- জিঙ্ককে (Zn) অ্যানোড হিসেবে কাজ করতে হলে, ক্যাথোড হিসেবে এমন ধাতু ব্যবহার করতে হবে যার জারণ বিভব +0.76 V এর চেয়ে কম।
- অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Co/Co2+ (E° = +0.28 V) এর জারণ বিভব Zn এর চেয়ে কম।
- তাই Co/Co2+ কে ক্যাথোডরূপে ব্যবহার করা যাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গ্যালভানিক কোষে দুটি তড়িৎদ্বারের মধ্যে যার জারণ বিভবের (Oxidation potential) মান বেশি সেটি অ্যানোড হিসেবে কাজ করে এবং যার জারণ বিভবের মান কম সেটি ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে।
- প্রদত্ত প্রশ্নে Zn/Zn2+ এর জারণ বিভব E° = +0.76 V।
- জিঙ্ককে (Zn) অ্যানোড হিসেবে কাজ করতে হলে, ক্যাথোড হিসেবে এমন ধাতু ব্যবহার করতে হবে যার জারণ বিভব +0.76 V এর চেয়ে কম।
- অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Fe/Fe2+ (E° = +0.44 V) এর জারণ বিভব Zn এর চেয়ে কম।
- তাই Fe/Fe2+ কে ক্যাথোডরূপে ব্যবহার করা যাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার (SHE) গঠনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট প্রমাণ অবস্থা (Standard conditions) বজায় রাখতে হয়।
- সঠিক শর্তসমূহ:
• দ্রবণে H+ আয়নের ঘনমাত্রা 1.0 M হতে হবে।
1 atm চাপে বিশুদ্ধ H2 গ্যাস চালনা করতে হবে।
• প্লাটিনাম (Pt) তড়িৎদ্বার দ্রবণে নিমজ্জিত থাকে।
• প্রমাণ তাপমাত্রা হিসেবে 298 K বা 25°C ব্যবহৃত হয়।
- তাই, দ্রবণে তাপমাত্রা 273 K উক্তিটি সঠিক নয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার (Standard Hydrogen Electrode) হলো একটি প্রাইমারি বা মুখ্য নির্দেশক তড়িৎদ্বার।
- আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে যেকোনো তাপমাত্রায় প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বারের প্রমাণ বিভব মান শূন্য (0.0 V) ধরা হয়।
- এই তড়িৎদ্বারকে প্রামাণিক ধরে অন্যান্য তড়িৎদ্বারের প্রমাণ বিভব নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0