সংবিধান (35 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্রিটিশ সংবিধান মূলত অলিখিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট লিখিত দলিল নয়, বরং দীর্ঘদিনের গড়ে ওঠা বিভিন্ন প্রথা বা কনভেনশনের সমষ্টি।
- জন স্টুয়ার্ট মিল এই প্রথা বা রীতিনীতিগুলোকেই 'সংবিধানের অলিখিত নীতি' বা 'Unwritten maxims of the constitution' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- এই প্রথাগুলো কোথাও লিখিত না থাকলেও ব্রিটিশ শাসনব্যবস্থায় এগুলো আইনের মতোই কঠোরভাবে মান্য করা হয়। একটি দেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো কীভাবে পরিচালিত হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে এই অলিখিত প্রথাগুলোর ওপর।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের পরিচালনার সর্বোচ্চ দলিল। বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক গার্নার সংবিধানকে 'প্রকৃত' এবং 'আনুষ্ঠানিক' এই দুটি অর্থে ভাগ করেছেন।
- আনুষ্ঠানিক সংবিধান: বলতে মূলত কাগজে লিখিত আইন বা ধারাগুলোকে বোঝায়, যা দাপ্তরিকভাবে স্বীকৃত।
- প্রকৃত সংবিধান: বলতে সমাজের সেই সব অলিখিত রীতিনীতি, প্রথা ও ঐতিহ্যকে বোঝায়, যা দীর্ঘদিন ধরে মানুষ মেনে চলছে।
গার্নারের মতে, কেবল লিখিত আইন নয়, বরং যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথাগুলোই একটি রাষ্ট্রের আসল বা প্রকৃত সংবিধান হিসেবে কাজ করে।

সোর্স: সাধারণ জ্ঞান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কে. সি. হুইয়ার ছিলেন একজন বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ। তিনি মনে করতেন, একটি আদর্শ সংবিধানে কেবল রাষ্ট্রের মূল কাঠামো ও মৌলিক নীতিগুলো থাকা উচিত। সংবিধান কেন সংক্ষিপ্ত হওয়া প্রয়োজন? - সংবিধানে শুধু মূল নিয়মকানুন লেখা থাকে, অপ্রয়োজনীয় বিস্তারিত আইন থাকে না। - সংবিধান সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট হলে সাধারণ মানুষের বুঝতে সুবিধা হয়। - সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এটি সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়। এ কারণেই তিনি সংক্ষিপ্ততা-কে একটি উত্তম সংবিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি উত্তম সংবিধান হতে হবে এমন যা খুব সহজে পরিবর্তন করা যাবে না, আবার প্রয়োজনে পরিবর্তন করাও একেবারে অসম্ভব হবে না।
- দুষ্পরিবর্তনীয়তা (Rigidity): এর ফলে ক্ষমতাসীন দল চাইলেই নিজেদের স্বার্থে সংবিধান বদলাতে পারে না, যা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
- নমনীয়তা (Flexibility): যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এবং মানুষের নতুন চাহিদা মেটাতে সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার সুযোগ থাকা দরকার।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ডব্লিউ. এফ. উইলোবি মনে করতেন, এই দুটি বিপরীতমুখী বৈশিষ্ট্যের সঠিক ভারসাম্যই একটি সংবিধানকে শ্রেষ্ঠ করে তোলে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের লিখিত বা অলিখিত নিয়ম-কানুনের সর্বোচ্চ দলিল। বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সি. এফ. স্ট্রং সংবিধানের এই প্রামাণ্য সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন। তাঁর মতে, সংবিধান প্রধানত তিনটি বিষয় নিশ্চিত করে:
- সরকারের ক্ষমতা: সরকার কী করতে পারবে বা পারবে না, তার নির্দিষ্ট আইনি সীমা।
- নাগরিক অধিকার: দেশের সাধারণ জনগণ বা শাসিতদের মৌলিক অধিকার।
- পারস্পরিক সম্পর্ক: সরকার ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের শক্ত ভিত্তি।
অর্থাৎ, একটি রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এই নিয়মগুলোর সমষ্টিই হলো সংবিধান।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে সংবিধান সাধারণ আইনের মতো সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না, তাকে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলে ।
- বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করার জন্য জাতীয় সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় ।
- এই বিশেষ ও কঠিন প্রক্রিয়ার কারণেই বাংলাদেশের সংবিধানকে একটি দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলা হয় ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্টিফেন লিককের আধুনিক সরকারের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী, আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্কের ভিত্তিতে সরকারকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: পার্লামেন্ট শাসিত এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- ব্রিটেন: এটি পার্লামেন্ট বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার। এখানে শাসন বিভাগ (প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা) তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের (পার্লামেন্ট) কাছে সরাসরি জবাবদিহি করে।
- যুক্তরাষ্ট্র: এটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। এখানে শাসন বিভাগের প্রধান (রাষ্ট্রপতি) আইন বিভাগের (কংগ্রেস) কাছে জবাবদিহি করেন না এবং দুটি বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করে।
তাই আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্কের ভিত্তিতে সঠিক উত্তরটি হলো অপশন ২। সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ষড়রস
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লর্ড ব্রাইস সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে সংবিধানকে সুপরিবর্তনীয় এবং দুষ্পরিবর্তনীয়—এই দুই ভাগে ভাগ করেছেন।
- সুপরিবর্তনীয় সংবিধান: এই ধরনের সংবিধান সাধারণ আইন পাসের মতোই খুব সহজে আইনসভায় পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়। যেমন: যুক্তরাজ্যের সংবিধান।
- দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান: এই সংবিধান পরিবর্তন করতে বিশেষ ও জটিল পদ্ধতির প্রয়োজন হয়। সাধারণ আইনের মতো এটি সহজে পরিবর্তন করা যায় না, যেমন সংশোধন করতে সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। উদাহরণ: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সংবিধান।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানগুলো দীর্ঘদিনের বিবর্তনের মাধ্যমে আপনাআপনি তৈরি হয়নি, বরং এগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গণপরিষদ বা বিশেষ কমিটির মাধ্যমে লিখিত ও গৃহীত হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক গেটেল সংবিধান প্রণয়নের কয়েকটি পদ্ধতির কথা বলেছেন, যার মধ্যে এটি অন্যতম।
- এই পদ্ধতিতে দেশের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ও লিখিত সংবিধান তৈরি করেন।
- বাংলাদেশ, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান মানুষের সচেতন চেষ্টার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রণীত হয়েছে বিধায় এটি ইচ্ছাকৃত রচনা হিসেবে পরিচিত।
সোর্সঃ নিজস্ব জ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ৮নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো সম্পর্কে বলা হয়েছে । একটি রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে, তার ভিত্তি হলো এই মূলনীতিগুলো। আমাদের সংবিধানে মোট ৪টি মূলনীতির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে ।
এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গণতন্ত্র
- ধর্মনিরপেক্ষতা
রাষ্ট্রের সকল আইন তৈরি এবং বাস্তবায়নের ভিত্তি হিসেবে এই চারটি নীতি কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর অপশন ৪।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া প্রথম উত্থাপিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে এটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত বা পাশ হয়, তাই এ দিনটিকে 'সংবিধান দিবস' বলা হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিজয় দিবস অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল থেকে এই সংবিধানটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর বা বলবৎ হয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ দলিল হলো সংবিধান। এটি তৈরির জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১২ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখে সংবিধানের খসড়াটি প্রথম গণপরিষদে উত্থাপন করা হয়।
- এরপর বিস্তারিত আলোচনার পর ৪ নভেম্বর ১৯৭২ তারিখে এটি গণপরিষদ কর্তৃক চূড়ান্তভাবে গৃহীত বা পাস হয়।
- পরবর্তীতে বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ তারিখ থেকে এই সংবিধান সারা দেশে কার্যকর করা হয়।
যেহেতু ৪ নভেম্বর এটি গৃহীত হয়, তাই এই দিনটিকে বাংলাদেশে 'সংবিধান দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারতের মূল সংবিধানে শুরুতে 'ধর্মনিরপেক্ষ' বা Secular শব্দটি ছিল না। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে ৪২তম সংবিধান সংশোধনী-এর মাধ্যমে এটি যুক্ত করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে প্রস্তাবনায় ৩টি নতুন শব্দ যুক্ত হয়: সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ এবং অখণ্ডতা
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী-এর শাসনামলে জরুরি অবস্থা চলাকালীন এই পরিবর্তন আনা হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানে এত ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছিল যে, একে ভারতের 'মিনি সংবিধান' বা ক্ষুদ্র সংবিধানও বলা হয়।
সোর্সঃ সাধারণ জ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারতের সংবিধানের ৩৬৮ নম্বর ধারায় বা অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা ও পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে দেশের আইন ও নিয়মনীতি আপডেট করার প্রয়োজন হয়, যাকে সংবিধান সংশোধন বলে।
- এই ধারার মাধ্যমে ভারতীয় পার্লামেন্ট বা সংসদ বিশেষ ভোটাভুটির মাধ্যমে সংবিধানের বিভিন্ন নিয়মে বা আইনে পরিবর্তন, সংযোজন বা বাতিল করতে পারে।
- ভারতের সংবিধানে এই সংশোধনী প্রক্রিয়াটি মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার সংবিধান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যুক্ত করা হয়েছে।
তাই ভারতের সংবিধান সংশোধনের মূল ভিত্তি হলো ৩৬৮ নম্বর ধারা।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারতের বিখ্যাত কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরালা রাজ্য (১৯৭৩) মামলাটি সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই মামলার ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট 'মৌলিক কাঠামো তত্ত্ব' (Basic Structure Doctrine) প্রদান করেন।
- এই রায় অনুযায়ী, পার্লামেন্ট চাইলে সংবিধানের যেকোনো অংশ সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারবে।
- তবে সংবিধানের মূল ভিত্তি বা মৌলিক কাঠামো কোনোভাবেই পরিবর্তন বা ধ্বংস করা যাবে না।
সংবিধানের এই মৌলিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ইত্যাদি, যা মূলত একটি রাষ্ট্রের সংবিধানের মূল প্রাণ বা ভিত্তি।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারতের সংবিধানের তৃতীয় অংশে বা অধ্যায়ে (Part III) নাগরিকদের মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
- সংবিধানে ১২ থেকে ৩৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মধ্যে এই অধিকারগুলো লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- মূল সংবিধানে ৭টি মৌলিক অধিকার থাকলেও বর্তমানে নাগরিকদের ৬টি মৌলিক অধিকার রয়েছে (যেমন- সাম্যের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার, শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার ইত্যাদি)।
- এই মৌলিক অধিকারের ধারণাটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান থেকে গ্রহণ করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রের যেকোনো বৈষম্য থেকে নাগরিকদের আইনি সুরক্ষা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করে।
উৎস: সাধারণ জ্ঞান (নিজস্ব অভিজ্ঞতা)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারতের সংবিধান হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান । এটি সম্পর্কে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচে দেওয়া হলো:
- এই সংবিধানটি কার্যকর হয় ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখে ।
- এই সংবিধান কার্যকরের মাধ্যমেই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ।
- ঐতিহাসিক এই দিনটিকে স্মরণ রাখতেই ভারতে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি তারিখে 'প্রজাতন্ত্র দিবস' পালন করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভারতের সংবিধান প্রণয়নের জন্য ড. বি. আর. আম্বেদকরের নেতৃত্বে একটি খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
- এই কমিটি দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ সালে ভারতের সংবিধান চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করে।
- তবে এই সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয় ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে
- কার্যকর হওয়ার এই দিনটিকেই ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অবিভক্ত ভারতের গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন মূলত ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাই প্রশ্নে দেওয়া '৯ আগস্ট' তথ্যটি ঐতিহাসিকভাবে সঠিক নয়।
- এই ঐতিহাসিক অধিবেশনটি দিল্লির বর্তমান সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে বসেছিল।
- প্রথম দিনের অধিবেশনে অস্থায়ী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রবীণ সদস্য ড. সচ্চিদানন্দ সিনহা
- পরবর্তীতে ১১ ডিসেম্বর ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ গণপরিষদের স্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের কারণে ভারত ও পাকিস্তানের জন্য পৃথক গণপরিষদ গঠন করা হয়।
এই অবিভক্ত গণপরিষদই মূলত এই উপমহাদেশের সংবিধান রচনার প্রথম ও প্রধান ভিত্তি ছিল।

সোর্স: নিজস্ব অভিজ্ঞতা

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন করা বেশ কঠিন একটি প্রক্রিয়া। সংবিধানে কোনো নতুন নিয়ম বা সংশোধনী আনতে হলে দুটি প্রধান ধাপে অনুমোদন লাগে:
- প্রথমত, মার্কিন আইনসভা বা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে (উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস) উপস্থিত সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে এর পক্ষে সম্মতি জানাতে হয়।
- দ্বিতীয়ত, কংগ্রেসের অনুমোদনের পর চূড়ান্তভাবে কার্যকর করার জন্য মোট অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে অন্তত তিন-চতুর্থাংশের (৩/৪ অংশ) অনুমোদন বা সম্মতি প্রয়োজন হয়।
এই কঠোর নিয়মের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান খুব সহজে পরিবর্তন করা যায় না।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবিধানে রাষ্ট্রের সব নিয়মকানুন লেখা থাকে। কিন্তু অনেক সময় আইনের ভাষায় জটিলতা থাকে, যার সঠিক অর্থ সহজে বোঝা যায় না।
- আইনের ব্যাখ্যা দেওয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা থাকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের হাতে।
- তাঁরা সংবিধানের যে ব্যাখ্যা দেন, সেটিই চূড়ান্ত আইন বা সংবিধান হিসেবে কাজ করে।
তাই মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চার্লস ইভান্স হিউজেস এই উক্তিটির মাধ্যমে মূলত আদালতের Judicial Review বা বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতাকে বুঝিয়েছেন।
সোর্সঃ নিজস্ব জ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবিধানের প্রস্তাবনা মূলত একটি ঘোষণা। এতে সংবিধানের মূল নীতিমালা, জনগণের অঙ্গীকার ও রাষ্ট্রের লক্ষ্যের উল্লেখ থাকে। ১৭৮৭ সালে প্রণীত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান হলো বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান। এই সংবিধানেই সর্বপ্রথম একটি প্রস্তাবনা যুক্ত করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশ এই ধারণাটি গ্রহণ করে।
- প্রস্তাবনাকে সংবিধানের দর্পণ বা আয়না বলা হয়, যা পড়লে পুরো সংবিধানের মূল সুর বোঝা যায়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের শুরুতেও একটি চমৎকার প্রস্তাবনা রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত 'The Spirit of Laws' গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির ধারণা দেন। এর মূল কথা হলো সরকারের তিনটি বিভাগের (আইন, শাসন ও বিচার) কাজকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা, যাতে কেউ একচেটিয়া ক্ষমতার অধিকারী না হয় ।
- এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান রচিত হয়।
- মার্কিন সংবিধানে এর পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য (Checks and Balances) নীতি যুক্ত করা হয়, যেন এক বিভাগ অন্য বিভাগের ক্ষমতার অপব্যবহার রুখতে পারে। সাধারণ ইতিহাস থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম সংবিধানে এই নীতির সফল প্রয়োগ করেছিল।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান হলো পৃথিবীর প্রথম ও প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান ।
- এটি আকারে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট লিখিত সংবিধান, যাতে মাত্র ১টি প্রস্তাবনা ও ৭টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ১৭৮৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৭৮৯ সালের ৪ মার্চ থেকে কার্যকর হয় ।
- এই ঐতিহাসিক সংবিধানের রচয়িতা হলেন জেমস ম্যাডিসন

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান হলো পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান। চলো এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জেনে নিই:
- ১৭৮৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এই সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
- সংবিধানটি অনুমোদন পায় ২১ জুন, ১৭৮৮ সালে।
- এরপর ৪ মার্চ, ১৭৮৯ সাল থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- এই ঐতিহাসিক সংবিধানের রচয়িতা হলেন জেমস ম্যাডিসন
যেহেতু ১৭৮৯ সালে এটি কার্যকর হয়েছিল, তাই সঠিক উত্তর এটিই হবে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমেরিকার সংবিধান প্রণয়নের জন্য ১৭৮৭ সালে জর্জ ওয়াশিংটনের সভাপতিত্বে ফিলাডেলফিয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই সিদ্ধান্ত হয় যে আমেরিকার একটি শক্তিশালী ও লিখিত সংবিধান প্রয়োজন।
এ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান
- এটি ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় ।
- এটি কার্যকর হয় ৪ মার্চ, ১৭৮৯ সালে ।
- এই সংবিধানের রচয়িতা হলেন জেমস ম্যাডিসন
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট: হাউস অব কমন্স (নিম্নকক্ষ) এবং হাউস অব লর্ডস (উচ্চকক্ষ) । প্রাচীনকালে লর্ড সভার ক্ষমতা অনেক বেশি ছিল। তবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও কার্যকরী ও শক্তিশালী করতে ১৯১১ এবং ১৯৪৯ সালের পার্লামেন্ট অ্যাক্ট পাস করা হয়।
- এই আইনগুলোর মাধ্যমে লর্ড সভার ক্ষমতা ব্যাপকভাবে কমানো হয়।
- বিশেষ করে অর্থ বিলে (Money Bill) লর্ড সভার হস্তক্ষেপের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করা হয়।
এর ফলে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হাউস অব কমন্সই পার্লামেন্টের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়, যা ব্রিটিশ সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন।
সোর্সঃ বেসিক ভিউ ও নিজস্ব জ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্রিটিশ সংবিধান মূলত অলিখিত। এটি বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল, প্রথা ও বিচারবিভাগীয় সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- অ্যাক্ট অব সেটেলমেন্ট (১৭০১): ব্রিটিশ রাজসিংহাসনে প্রোটেস্ট্যান্ট উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে এই আইনটি প্রণীত হয়, যা ব্রিটিশ সংবিধানের অন্যতম প্রধান উৎস ।
প্রশ্নের অন্যান্য সালগুলোতেও ব্রিটিশ সংবিধানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল প্রণীত হয়েছে, যা তোমাদের জেনে রাখা প্রয়োজন : - ১২১৫ খ্রিস্টাব্দ: ম্যাগনাকার্টা (Magna Carta) বা মহাসনদ স্বাক্ষরিত হয়। - ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দ: পিটিশন অব রাইটস (Petition of Rights) প্রণীত হয়। - ১৬৮৯ খ্রিস্টাব্দ: বিল অব রাইটস (Bill of Rights) পাস হয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্রিটিশ সাংবিধানিক ইতিহাসে ম্যাগনাকার্টা (Magna Carta) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দলিল, যা Great Charter নামেও সুপরিচিত ।
- এই ঐতিহাসিক মহাসনদটি ১৫ জুন, ১২১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল ।
- এটি মূলত এমন একটি চুক্তি ছিল যার মাধ্যমে সর্বপ্রথম রাজার ক্ষমতাকে আইনের অধীনে আনা হয় এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
যেহেতু প্রশ্নটিতে স্বাক্ষরের সাল জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হবে ১২১৫ সাল।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইংল্যান্ডের কোনো একক লিখিত সংবিধান নেই, এটি মূলত দীর্ঘ বিবর্তনের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।
- এই সংবিধানের একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে কমন ল' বা প্রথাগত আইন।
- শত শত বছর ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালতের রায় বা বিচারকদের দেওয়া সিদ্ধান্তগুলোই দেশটিতে আইন বা সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
এ কারণেই বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজ্ঞ এ. ভি. ডাইসি ইংল্যান্ডের এই শাসনব্যবস্থার দিকে লক্ষ রেখে যথার্থই বলেছেন যে, এটি একটি বিচারকদের দ্বারা তৈরি সংবিধান বা Judge-made constitution।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0