সরকারের প্রকারভেদ/ধরন (40 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সকল ক্ষমতার উৎস হলো জনগণ, তাই কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই এ ধরনের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হতে পারে ।
- আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, দল ব্যতীত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা কল্পনাও করা যায় না এবং এটি গণতন্ত্রের প্রাণস্বরূপ ।
- রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যকলাপ আবর্তিত হয় এবং রাজনৈতিক দল ও জনমত উভয়েই সরকারের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে সুনিশ্চিত করে ।
- আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে জনমত কার্যকরী প্রভাব বিস্তার করে থাকে, যে কারণে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যে সরকার জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তারা বেশি গণতান্ত্রিক হিসেবে বিবেচিত হয় ।
- সুতরাং, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের আদর্শ ও কর্মসূচির পক্ষে জনমত গঠনের মাধ্যমেই জনগণের সমর্থন লাভ করে এবং রাষ্ট্রক্ষমতায় তাদের রাজনৈতিক চর্চা ও প্রভাব অব্যাহত রাখে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা হলো এমন এক ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতা একজন ব্যক্তি বা একটি বিশেষ দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে ।
- এই শাসনব্যবস্থায় সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর মতামতের কোনো স্থান নেই এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জনমত কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারে না ।
- একনায়কতন্ত্রে জনগণের স্বাধীনতা অবরুদ্ধ থাকে এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা ও স্বাধীন চিন্তাধারা প্রকাশের অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করা হয় ।
- এই ব্যবস্থায় শাসনকার্য জনগণের সম্মতির পরিবর্তে শাসকের একক ইচ্ছায় পরিচালিত হয় বলে জনগণের মতামতের কোনো মূল্য দেওয়া হয় না এবং তা সম্পূর্ণ উপেক্ষিত থাকে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনমত গঠন এবং প্রকাশের অন্যতম প্রধান মাধ্যম বা বাহন হলো গণমাধ্যম
- একটি রাষ্ট্রে জনমত কীভাবে প্রকাশ পায়, তার একটি প্রধান উত্তর হলো গণমাধ্যম ও নির্বাচন
- সংবাদপত্র ও অন্যান্য গণমাধ্যমগুলো জনমত প্রকাশের শক্তিশালী বাহন হিসেবে কাজ করে থাকে ।
- গণতন্ত্রের অন্যতম একটি প্রধান স্তম্ভই হলো স্বাধীন ও সতর্ক গণমাধ্যম, যা ছাড়া নাগরিকদের মত প্রকাশ এবং জনমত গঠন প্রায় অসম্ভব ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলতে সেই সরকারকে বোঝায় যেখানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা শাসন কার্য পরিচালনা করে ।
- এই ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী রাজনৈতিক দল মন্ত্রিসভা বা সরকার গঠন করে
- নির্বাচনে যে দল আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে, রাষ্ট্রপ্রধান সেই দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণে আমন্ত্রণ জানান ।
- পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপ্রধান অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ করেন এবং এভাবেই একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা বা সরকার গঠিত হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একনায়কতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতা একটি ব্যক্তি অথবা একটি রাজনৈতিক দলের হাতে ন্যস্ত থাকে ।
- এই শাসনব্যবস্থায় একটি রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না ।
- একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলগুলির অস্তিত্ব সম্পূর্ণরূপে লোপ করা হয়, কারণ শাসক গোষ্ঠী অন্য কোনো মতাদর্শ বা রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণকে বরদাস্ত করে না ।
- উদাহরণস্বরূপ, একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর জার্মানিতে হিটলার এবং ইতালিতে মুসোলিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। আবার সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টিই ছিল রাষ্ট্রের একমাত্র রাজনৈতিক দল
- যেহেতু এই ব্যবস্থায় বিরোধী দলের কোনো স্থান নেই এবং সকল ক্ষমতা একক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে, তাই একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের কাঠামো সর্বদা একদলীয় শাসনব্যবস্থার রূপ পরিগ্রহ করে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাজনৈতিক দল হলো আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের প্রাণস্বরূপ ।
- বর্তমান গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রীয় যাবতীয় কার্যকলাপ আবর্তিত হয় ।
- রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী ব্যতীত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ করা এক প্রকার অসম্ভব
- রাজনৈতিক দলব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্রের অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একটি রাজনৈতিক দল জনমত গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক চর্চা করে থাকে এবং সুসংহত ও সক্রিয় রাজনৈতিক দল না থাকলে রাষ্ট্রে একনায়কতন্ত্রের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়
- তাই আধুনিক গণতান্ত্রিক ও সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আয়তন এবং জনসংখ্যা বিশাল হওয়ার কারণে নাগরিকদের পক্ষে প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয় না ।
- এই অবস্থায় শাসনকার্য পরিচালনার জন্য নাগরিকগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে থাকেন ।
- মূলত যেসব নাগরিক ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করার আইনগত অধিকার ভোগ করেন, তাদের সমষ্টিকেই নির্বাচকমণ্ডলী (Electorate) বলা হয় ।
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচকমণ্ডলী তাদের এই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেই সরকার গঠন বা পরিবর্তন করে থাকেন, যা তাদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার মূলত সকল নাগরিকের সম্মতিক্রমে গঠিত হয় এবং নির্বাচকমণ্ডলী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সরকার গঠন বা পরিবর্তন করে থাকে
- এই শাসনব্যবস্থায় জনগণ জানে যে প্রয়োজন হলে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পরিবর্তন করে নূতন সরকার গঠন করা সম্ভব ।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচকমণ্ডলী কার্যত সরকারের একটি স্বতন্ত্র ও অত্যন্ত প্রভাবশালী শাখা হিসেবে কাজ করে, কারণ তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে সরকার পরিচালনার চূড়ান্ত ক্ষমতা নির্ধারণ করে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক এবং গভীর বোঝাপড়া থাকে।
- এই শাসন ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ তার যেকোনো কাজের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে এবং আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় আইন প্রণয়ন ও শাসন ক্ষমতা একই ব্যক্তিমণ্ডলীর (মন্ত্রিসভা) হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, কারণ মন্ত্রীগণ একইসাথে আইনসভারও সদস্য হয়ে থাকেন।
- শাসন বিভাগ এবং আইন বিভাগ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকার কারণে এই সরকার ব্যবস্থায় ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ বা পৃথকীকরণ নীতি আদৌ প্রয়োগ করা হয় না।
- অধ্যাপক ডাইসির মতে, সংসদীয় শাসনব্যবস্থা মূলত শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের ক্ষমতা একত্রীকরণের ভিত্তিতেই গড়ে ওঠে।
- অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির পূর্ণ প্রয়োগ থাকে, যেখানে আইন ও শাসন বিভাগ পরস্পর স্বাধীন ও স্বতন্ত্র থেকে নিজ নিজ কাজ সম্পাদন করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি হলো সরকারের এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে সরকারের তিনটি বিভাগ—আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ—পরস্পর স্বাধীন থেকে নিজ নিজ কাজ সম্পাদন করে
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার মূলত আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগের মধ্যে পূর্ণ ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের নীতির ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- এই শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার সদস্য হন না এবং তারা তাদের শাসনকার্যের জন্য আইনসভার নিকট দায়ীও থাকেন না
- এই ব্যবস্থায় ক্ষমতা পৃথকীকরণ ও ভারসাম্যের নীতির প্রয়োগ থাকায় সরকারের কোনো বিভাগ স্বৈরাচারী হতে পারে না এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে ।
- অন্যদিকে, সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারে শাসনবিভাগ ও আইনবিভাগের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক থাকে এবং শাসনবিভাগ আইনবিভাগের নিকট দায়ী থাকে, ফলে সেখানে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি কার্যকর থাকে না । তাই ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অধ্যাপক নিউম্যান (Newman)-এর মতে, "একনায়কতন্ত্র বলতে আমরা এমন এক ধরনের শাসনকে বুঝি যেখানে এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং বাধাহীন ও একচেটিয়াভাবে তা প্রয়োগ করে থাকেন" ।
- একনায়কতন্ত্র হলো গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্রের সমস্ত ক্ষমতা এক ব্যক্তি বা একনায়কের হাতে কুক্ষিগত থাকে ।
- এই ধরনের শাসনব্যবস্থায় সংবাদপত্রের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয় এবং একনায়কের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার সমালোচনা সহ্য করা হয় না ।
- সাধারণ অর্থে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় কোনো প্রকার আইনের শাসন থাকে না, বরং একনায়কের আদেশই চূড়ান্ত আইন হিসেবে বিবেচিত হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম। সংবিধানে উল্লেখিত আইন অনুযায়ী অপরাধীকে শাস্তি প্রদান এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এই বিভাগের অন্যতম প্রধান কাজ ।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- সংবিধানে উল্লেখিত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব মূলত বিচার বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে । কোনো কারণে নাগরিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারে এবং বিচার বিভাগ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেই অধিকার রক্ষা করে ।
- স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে । তাই এই বিভাগকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও অধিকার সংরক্ষণের শেষ ভরসা বা আশ্রয়স্থল বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণতন্ত্র (Democracy) শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Demos' (জনগণ) এবং 'Kratos' (ক্ষমতা) থেকে এসেছে, যার অর্থ জনগণের ক্ষমতা বা শাসন ।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সি. এফ. স্ট্রং (C. F. Strong) গণতন্ত্রের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, "যে শাসনব্যবস্থা শাসিতের সক্রিয় সম্মতির ওপর ভিত্তিশীল তাকে গণতন্ত্র বলে" ।
- এই সংজ্ঞার মূল কথা হলো, গণতান্ত্রিক সরকার মূলত জনগণের আস্থাশীল সরকার এবং এটি সম্পূর্ণরূপে জনগণের সম্মতির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- প্রাসঙ্গিকভাবে জেনে রাখা ভালো, আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের মতে গণতন্ত্র হলো "জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য সরকার" (Government of the people, by the people and for the people) ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু হলো সচিবালয়, যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত ।
- একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধানত দুটি দিক থাকে। মন্ত্রী হলেন মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক নির্বাহী প্রধান এবং সচিব হলেন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অরাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রধান
- মন্ত্রীদের অধীনে রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রশাসন হিসেবে সচিবগণ দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁরাই হলেন বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সর্বোচ্চ অরাজনৈতিক প্রশাসনিক প্রধান ।
- সচিব একটি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক প্রশাসন, নিয়ম-শৃঙ্খলা এবং এর উপর ন্যস্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও তদারকি করে থাকেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় এর সকল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়
- এই সচিবালয়ের মাধ্যমেই দেশের যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে ।
- সচিবালয় হলো দেশের গোটা প্রশাসন ও সরকারি কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং এখানেই সরকারের অধিকাংশ নীতি-নির্ধারণী সংস্থাগুলো প্রতিস্থাপিত থাকে ।
- প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ, যে কারণে একে দেশের সামগ্রিক শাসন ব্যবস্থার মূল প্রাণকেন্দ্র বা কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো প্রধানত কেন্দ্র এবং মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসন এই দুই ভাগে বিভক্ত ।
- সরকারি নীতি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে, যেগুলো হলো: বিভাগ, জেলা ও উপজেলা
- বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রের পরেই বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বিভাগের পর গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো জেলা প্রশাসন এবং জেলার পর মূলত প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ বা সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) হলেন উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যিনি সরাসরি সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তদারকি করে থাকেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের আইনসভা বা সংসদ প্রয়োজনে বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে ।
- রাষ্ট্রপতি যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন, তবে সংসদ তাঁর অভিশংসন বা ইমপিচমেন্ট করতে পারে ।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির এই অভিশংসন প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হয় ।
- রাষ্ট্রবিরুদ্ধ কোনো কর্মকাণ্ডের অভিযোগেও সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মুখোমুখি করতে পারে ।
- রাষ্ট্রপতি একটি নির্ধারিত মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত অভিশংসন পদ্ধতি ছাড়া তাঁকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করা যায় না ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সরকার ও শাসন কাঠামো অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক
- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্থল, জল ও আকাশ পথে আক্রমণের ক্ষেত্রে তিনি তা প্রতিরক্ষার জন্য এই সকল সশস্ত্র বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন ।
- রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের যাবতীয় কার্যাবলি রাষ্ট্রপতির নামেই সম্পাদিত হয় এবং তিনিই সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ প্রদান করেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে ।
- সংবিধানে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন ও অন্যান্য বিধানসমূহ চতুর্থ অংশের ৪৮ থেকে ৫৪ অনুচ্ছেদে বিস্তারিতভাবে সন্নিবেশিত করা হয়েছে ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার শীর্ষে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, যা দেশের সর্বোচ্চ আদালত ।
- সংবিধানের ৯৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত ।
- শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতার অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দান করে থাকেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন করার জন্য একটি বিশেষ ও অপেক্ষাকৃত জটিল পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয় ।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কোনো সাধারণ আইন প্রণয়নের জন্য সংসদ সদস্যদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হয়, কিন্তু সংবিধানে কোনো সংশোধনী আনতে হলে মোট সংসদ সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয় ।
- এই বিশেষ নিয়মের কারণে বাংলাদেশের সংবিধানকে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান (Rigid Constitution) হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যা সাধারণ আইনের মতো সহজে পরিবর্তন করা যায় না ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান ।
- বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Chief Executive) ।
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে এবং সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।
- তিনি মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে অবস্থান করেন এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গঠিত মন্ত্রিসভা তাদের কার্যাবলির জন্য যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে ।
- অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান, যার নামে রাষ্ট্রের সকল শাসনকাজ পরিচালিত হলেও প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম ভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ।
- এই পঞ্চম ভাগে উল্লিখিত আইনানুসারে বাংলাদেশের আইনসভা হিসেবে জাতীয় সংসদকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে ।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত থাকে ।
- সারা দেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশের এই এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বা জাতীয় সংসদ গঠিত হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত ।
- এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকেই সমগ্র দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয় , ।
- অন্যদিকে, সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ বা মন্ত্রিপরিষদ তাদের কাজের জন্য আইনসভা বা জাতীয় সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকে , ।
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের আলংকারিক বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার ব্যবস্থার প্রধান বা প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী , ।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান (১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে গৃহীত) বাংলাদেশকে একটি এককেন্দ্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও সংসদীয় গণতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেছিল ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একনায়কতন্ত্রে সীমাহীন দুর্নীতির জন্ম হয়, কারণ এই শাসনব্যবস্থায় একনায়ককে কারও নিকট জবাবদিহি করতে হয় না ।
- জবাবদিহিতার অভাবে একনায়ক চরম দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন ।
- একনায়কতন্ত্রের এই ত্রুটি বোঝাতেই লর্ড অ্যাকটন (Lord Acton) যথার্থই বলেছেন, "Power tends to corrupt, and absolute power corrupts absolutely" অর্থাৎ ক্ষমতা মানুষকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে, আর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা মানুষকে চরমভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত করে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বর্তমানকালে আদর্শগতভাবে গণতন্ত্রকে সর্বোৎকৃষ্ট শাসন ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, বাস্তবে এই শাসন ব্যবস্থা কার্যকর ও টেকসই করা অত্যন্ত কষ্টকর ।
- গণতন্ত্রের সাফল্যের শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েই প্রখ্যাত পণ্ডিত হেনরি মেইন (Henry Maine) মন্তব্য করেন যে, "সকল ধরনের সরকারের মধ্যে গণতন্ত্র সবচেয়ে কঠিন" ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অধ্যাপক সিলি (Professor Seeley) গণতন্ত্রের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন, "গণতন্ত্র এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেকেরই অংশগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে" (Democracy is a government in which everyone has a share)
- তাঁর এই উক্তির মূল অর্থ হলো, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শাসনকার্যে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে ।
- অপশনে উল্লেখিত অন্যান্যদের মধ্যে আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে জনপ্রিয় সংজ্ঞা দিয়েছেন। তাঁর মতে, "গণতন্ত্র হলো জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারা, জনগণের শাসন" (Government of the People, by the People and for the People)
- লর্ড ব্রাইস (Lord Bryce) মনে করেন গণতন্ত্র হলো এমন এক শাসন ব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির পরিবর্তে সমগ্র সম্প্রদায়ের সদস্যদের হাতে ন্যস্ত থাকে ।
- জন স্টুয়ার্ট মিল (J. S. Mill) প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে আদর্শ সরকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন যেখানে জনগণ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে একনায়কতান্ত্রিক আদর্শ নাৎসিবাদ বা ন্যাৎসীবাদ-এর গোড়াপত্তন ঘটে, তিনিই নাৎসিবাদের জনক ।
- নাৎসিবাদ মূলত ফ্যাসিস্ট একনায়কতন্ত্রের একটি বিশেষ রূপ, যা শান্তিবাদ, সমাজতন্ত্রবাদ এবং গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে ।
- জার্মান ভাষায় একনায়ককে 'ফুবার' বলা হয়ে থাকে ।
- হিটলার জার্মানিতে নাৎসি দল গঠন করে বিরোধীদের অস্তিত্ব সম্পূর্ণরূপে লোপ করে দেন এবং "নিরবচ্ছিন্ন যুদ্ধ অর্থনীতি" (Perpetual war economy) অনুসরণ করে জার্মানিতে একনায়কতন্ত্র সুসংহত করেন ।
- অন্যদিকে অপশনে থাকা বেনিতো মুসোলিনির অধীনে ইতালিতে ফ্যাসিস্ট একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে একনায়ককে 'ডুচে' বলা হতো ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফ্যাসিবাদের জনক বলা হয় ইতালির একনায়ক মুসোলিনিকে
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালিতে মুসোলিনির অধীনস্থ যে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তা ফ্যাসিস্ট একনায়কতন্ত্র নামে পরিচিত ।
- মুসোলিনির মতে, ফ্যাসিবাদ মূলত শান্তিনীতি, গণতন্ত্র, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সমাজতন্ত্রবাদকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে ।
- এই মতাদর্শটি চরম যুদ্ধবাদী। মুসোলিনির ভাষায়, "আন্তর্জাতিক শান্তি কাপুরুষের স্বপ্ন—সাম্রাজ্যবাদ হইল জীবনের চিরন্তন এবং অপরিবর্তনীয় বিধি"
- অপশনের অন্যান্য ব্যক্তিদের মধ্যে হিটলার জার্মানিতে ন্যাৎসিবাদের (ফ্যাসিবাদেরই একটি বিশেষ রূপ) নেতৃত্ব দেন । অন্যদিকে, কার্ল মার্কস হলেন আধুনিক রাষ্ট্রনৈতিক ও অর্থনৈতিক চিন্তাজগতে সমাজতন্ত্রের অন্যতম প্রবক্তা এবং লেনিন রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ও সাম্যবাদী একনায়কতন্ত্রের রূপকার ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক শাসক এবং প্রকৃত শাসকের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় ।
- এই শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাজা, রাণী বা রাষ্ট্রপতি সাধারণত নামমাত্র বা আলংকারিক শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হলেও বাস্তবে তাঁর ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত [1-3]।
- কিন্তু রাষ্ট্রের প্রকৃত বা বাস্তব নির্বাহী ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিপরিষদ বা মন্ত্রিসভার হাতে ।
- প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সকল সদস্য তাঁদের শাসনকার্যের জন্য যৌথভাবে আইনসভা বা সংসদের নিকট দায়ী থাকেন
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0