বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (হিসাবরক্ষক) - ২১.০৮.২০২৬ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ত্রিভুজের দুইটি বাহু সমান তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলা হয়।
অপশনে দেওয়া ত্রিভুজগুলোর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
- সমবাহু ত্রিভুজ: যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই পরস্পর সমান তাকে সমবাহু ত্রিভুজ বলে।
- বিষমবাহু ত্রিভুজ: যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই পরস্পর অসমান তাকে বিষমবাহু ত্রিভুজ বলে।
- সমকোণী ত্রিভুজ: যে ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা \(90^\circ\) তাকে সমকোণী ত্রিভুজ বলে।
যেহেতু প্রশ্নোক্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি হবে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ এবং এটি প্রথম তিনটি অপশনের কোনোটিতেই দেওয়া নেই।
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো অপশন ৪: কোনটিই না
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: কোনটিই না
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, ক্ষেত্রফল পরিমাপের একক অনুযায়ী ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
আমাদের ১ একরের \(৫\%\) এর মান বর্গগজে বের করতে হবে ।
সুতরাং, নির্ণেয় মানটি হবে:
\[4840 \text{ এর } 5\%\]
শতকরাকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই:
\[= 4840 \times \frac{5}{100}\]
লঘুকরণ করার পর:
\[= 4840 \times \frac{1}{20}\]
\[= \frac{4840}{20}\]
\[= 242 \text{ বর্গগজ}\]
অতএব, এক একরের \(৫\%\) হলো ২৪২ বর্গগজ
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: ২৪২

সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিনিময় হার হ্রাস বা মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে বিদেশী মুদ্রার বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার মূল্যমান কমে যায়।
এর ফলে বিদেশী ক্রেতারা কম দামে আমাদের দেশের পণ্য কিনতে পারেন এবং আমাদের পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট হন।
এতে করে বিদেশে দেশীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে এবং দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পায়
অন্য দিকে, দেশীয় মুদ্রা দুর্বল হওয়ার কারণে বিদেশী পণ্য আমদানির খরচ বৃদ্ধি পায়, ফলে আমদানি হ্রাস পায়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মুদ্রাস্ফীতি বা বাজারে অতিরিক্ত অর্থ প্রবাহ রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেয় । কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ দেয়, তাকে ব্যাংক হার (Bank Rate) বলে ।
ব্যাংক হার বাড়ালে:
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয় ।
- ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও গ্রাহকদের ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেয় ।
- সুদের হার বাড়ায় সাধারণ মানুষ ঋণ নেওয়া কমিয়ে দেয় ।
এর ফলে বাজারে অর্থ সরবরাহ বা টাকার প্রবাহ কমে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
* 'Blue Chip' (ব্লু চিপ) শব্দটি মূলত শেয়ার বাজার (Stock Market)-এর ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
* শেয়ার বাজারে আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, সুপ্রতিষ্ঠিত, নির্ভরযোগ্য এবং নিয়মিত লভ্যাংশ (Dividend) প্রদানকারী শীর্ষস্থানীয় বৃহৎ কোম্পানিগুলোর শেয়ারকে Blue Chip Stock বা ব্লু চিপ শেয়ার বলা হয়।
* পোকার (Poker) বা ক্যাসিনো খেলায় ব্যবহৃত নীল রঙের চিপের (Blue Chip) মূল্য সবচেয়ে বেশি থাকত; সেখান থেকেই ১৯২০-এর দশকে অলিভার গিংগোল্ড (Oliver Gingold) নামের এক অর্থনীতিবিদ শেয়ার বাজারের দামি ও নির্ভরযোগ্য শেয়ার বোঝাতে প্রথম এই শব্দটির প্রচলন করেন।
* অর্থনৈতিক মন্দার সময়েও এসব কোম্পানি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো রাজস্ব। এই রাজস্ব আয়ের সিংহভাগ আসে বিভিন্ন ধরণের কর বা ট্যাক্স থেকে। করগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা আয় হয় মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax বা VAT) থেকে । এটি মূলত একটি পরোক্ষ কর, যা ক্রেতারা যেকোনো জিনিসপত্র বা সেবা কেনার সময় বিক্রেতার মাধ্যমে সরকারকে দিয়ে থাকেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাব মতে, ভ্যাট খাত থেকেই প্রতি বছর সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে । উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রথম ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে এই ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, ভাজক \(d = ১০\), ভাগফল \(q = ১০\) এবং ভাগশেষ \(r = ১\)।
আমরা জানি, ভাজ্য (\(D\)) নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: \[D = d \times q + r\]
এখন সূত্রে মানগুলো বসিয়ে পাই:
\[D = ১০ \times ১০ + ১\]
সরলীকরণ-এর নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে গুণের কাজ করতে হবে:
\[D = ১০০ + ১\]
এরপর যোগের কাজ সম্পন্ন করে পাই:
\[D = ১০১\]
অতএব, নির্ণেয় ভাজ্য হলো \(১০১\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: \(১০১\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, দুটি রাশির অনুপাত \(৫ : ১১\) এবং উত্তর রাশি \(৯৯\)।
অনুপাতের প্রথম পদটিকে পূর্ব রাশি এবং দ্বিতীয় পদটিকে উত্তর রাশি বলা হয়।
ধরি, রাশি দুটি যথাক্রমে \(৫x\) এবং \(১১x\)।
শর্তানুসারে, সমীকরণটি হলো:
\[১১x = ৯৯\]
সমীকরণটি সমাধান করে পাই:
\[x = \frac{৯৯}{১১}\]
বা, \[x = ৯\]
অতএব, নির্ণেয় পূর্ব রাশি হবে:
\[৫x = ৫ \times ৯ = ৪৫\]
- বিকল্প নিয়ম:
অনুপাত অনুযায়ী, উত্তর রাশি \(১১\) অংশ এবং পূর্ব রাশি \(৫\) অংশ।
এখানে, উত্তর রাশি \(১১\) অংশ = \(৯৯\)
সুতরাং, \(১\) অংশ = \(৯৯ \div ১১ = ৯\)
অতএব, পূর্ব রাশি \(৫\) অংশ = \(৫ \times ৯ = ৪৫\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: \(৪৫\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
* বন্ড (Bond) হলো একটি দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্র (Debt Instrument), যা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বহির্দায় (Long-term Liability) হিসেবে গণ্য হয়। বন্ডহোল্ডাররা কোম্পানির পাওনাদার (Creditor), তারা কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানের মালিক নন।
* মালিকানা স্বত্ব (Owner's Equity/Stockholders' Equity) বলতে ব্যবসায়ে মালিক বা শেয়ারহোল্ডারদের মোট দাবিকে বোঝায়, যার মূল উপাদান হলো শেয়ার মূলধন, রিটেইন্ড আর্নিংস এবং বিভিন্ন সঞ্চিতি ও উদ্বৃত্ত।
* মূলধন রিজার্ভ (Capital Reserve), শেয়ার প্রিমিয়াম (Share Premium/Additional Paid-in Capital) এবং সাধারণ রিজার্ভ (General Reserve)—এই তিনটিই প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত মুনাফা বা মূলধনী উদ্বৃত্তের অংশ, যা সরাসরি মালিকানা স্বত্বের অন্তর্ভুক্ত থাকে।
* অতএব, বন্ড মালিকানা স্বত্বের অংশ নয় বরং এটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
* চুক্তি (Agreement/Contract) হলো অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি (Cornerstone/Essence)
* ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের (Partnership Act, 1932) ৪ ধারা অনুযায়ী, চুক্তির ফলেই অংশীদারি সম্পর্কের সৃষ্টি হয়; পদমর্যাদা, উত্তরাধিকার বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এটি সৃষ্টি হয় না।
* অংশীদারি চুক্তিপত্রকে (Partnership Deed) অংশীদারি ব্যবসায়ের সংবিধান বা দিকনির্দেশনা হিসেবে গণ্য করা হয়, যা অংশীদারদের অধিকার, দায়িত্ব ও লভ্যাংশ বণ্টনের নিয়ম নির্ধারণ করে।
* চুক্তি মৌখিক, লিখিত বা নিবন্ধিত হতে পারে; তবে ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে লিখিত ও নিবন্ধিত চুক্তি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
* পারস্পারিক আস্থা ও বিশ্বাস ব্যবসায়ের সহায়ক উপাদান হলেও আইনের দৃষ্টিতে বৈধ চুক্তিই অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আপনার নির্বাচিত সোর্স ফাইলগুলোতে **হিসাববিজ্ঞান, ক্রয় ফেরত বা ডেবিট নোট** সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপনার সোর্সগুলো মূলত বাংলাদেশের ইতিহাস, ভূগোল, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, প্রশাসন এবং সাধারণ জ্ঞান সংক্রান্ত বিষয়াবলি কভার করে। আমি কি ওয়েব রিসার্চ করে **ক্রয় ফেরত এবং ডেবিট নোট** সংক্রান্ত সঠিক ও বিস্তারিত ব্যাখ্যাটি আপনার জন্য খুঁজে বের করব?
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে, দেওয়া আছে:
আসল, \(P = ৪২৫\) টাকা
সময়, \(n = ৪\) বছর
মোট সুদ, \(I = ৮৫\) টাকা
আমরা জানি, সরল সুদের হার নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: \[r = \frac{I \times ১০০}{P \times n}\%\]
এখানে, \(r\) হলো বার্ষিক সুদের হার
এখন সমীকরণে মানগুলো বসিয়ে পাই:
\[r = \frac{৮৫ \times ১০০}{৪২৫ \times ৪}\%\]
ধাপে ধাপে হিসাব করি:
- নিচে আসল ও সময়ের গুণফল: \(৪২৫ \times ৪ = ১৭০০\)
- উপরে মোট সুদ ও ১০০ এর গুণফল: \(৮৫ \times ১০০ = ৮৫০০\)
সুতরাং, সুদের হার হবে: \[r = \frac{৮৫০০}{১৭০০}\%\]
ভাগ করলে আমরা পাই:
\[r = ৫\%\]
অতএব, বার্ষিক সুদের হার হলো ৫%
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: ৫%
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, আহসানের আগের বেতন ছিল \(x\) টাকা।
বেতন ৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বেতনের পরিমাণ হয় ৬০০০ টাকা।
প্রশ্নমতে, আগের বেতনের ৫% হলো ৬০০০ টাকা।
অর্থাৎ সমীকরণটি হবে:
\[x \times \frac{5}{100} = 6000\]
বা, \[x \times \frac{1}{20} = 6000\]
বা, \[x = 6000 \times 20\]
অতএব, \[x = 120000\]
সুতরাং, আহসানের আগের বেতন ছিল ১২০০০০ টাকা

ঐকিক নিয়মে বিকল্প সমাধান:
৫% বেতন বৃদ্ধির অর্থ হলো পূর্বের বেতন ১০০ টাকা হলে বেতন বৃদ্ধি পায় ৫ টাকা।
অর্থাৎ, বেতন ৫ টাকা বৃদ্ধি পেলে আগের বেতন ছিল ১০০ টাকা।
- বেতন ১ টাকা বৃদ্ধি পেলে আগের বেতন ছিল \(\frac{100}{5}\) টাকা।
- অতএব, বেতন ৬০০০ টাকা বৃদ্ধি পেলে আগের বেতন ছিল:
\[\frac{100 \times 6000}{5}\] টাকা
\[= 20 \times 6000\] টাকা
\[= 120000\] টাকা।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: ১২০০০০ টাকা
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, গাণিতিক সমস্যাটি হলো: \[০.০১ \times \frac{২}{৫}\]
এই দশমিক ভগ্নাংশের গুণ সম্পর্কিত সমস্যাটি আমরা দুইটি সহজ উপায়ে সমাধান করতে পারি।

প্রথম নিয়ম (দশমিকে রূপান্তর):
- প্রথমে সাধারণ ভগ্নাংশ \(\frac{২}{৫}\)-কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করি।
- এর জন্য ভগ্নাংশটির লব ও হরকে \(২\) দিয়ে গুণ করে হরকে \(১০\)-এ রূপান্তর করি: \[\frac{২}{৫} = \frac{২ \times ২}{৫ \times ২} = \frac{৪}{১০} = ০.৪\]
- এখন প্রাপ্ত দশমিক মান দুটি গুণ করি: \[০.০১ \times ০.৪\]
- এখানে দশমিকের পর মোট ঘর আছে \(২ + ১ = ৩\)টি। তাই সরাসরি গুণফল হবে: \[০.০১ \times ০.৪ = ০.০০৪\]

দ্বিতীয় নিয়ম (সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর):
- দশমিক সংখ্যা \(০.০১\)-কে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই: \[০.০১ = \frac{১}{১০০}\]
- এখন ভগ্নাংশ দুটির গুণফল বের করি: \[\frac{১}{১০০} \times \frac{২}{৫} = \frac{২}{৫০০}\]
- ভগ্নাংশটির হরকে \(১০০০\)-এ রূপান্তর করার জন্য লব ও হরকে \(২\) দিয়ে গুণ করি: \[\frac{২ \times ২}{৫০০ \times ২} = \frac{৪}{১০০০} = ০.০০৪\]
অতএব, নির্ণেয় মান হলো \(০.০০৪\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: \(০.০০৪\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, বর্গাকৃতি ক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য \(a\) মিটার।
আমরা জানি, ৪টি সমান বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে বর্গক্ষেত্র বলে।
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: \[পরিসীমা = 4a\]
প্রশ্নমতে,
\[4a = 44\]
বা, \[a = \frac{44}{4}\]
বা, \[a = 11\]
সুতরাং, বর্গাকৃতি ক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য \(11\) মিটার।
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: \[ক্ষেত্রফল = a^2\]
মান বসিয়ে পাই:
\[ক্ষেত্রফল = 11^2 = 121\] বর্গমিটার।
অতএব, বর্গাকৃতি ক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ১২১ ব.মি.
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: ১২১ ব.মি.
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা সিএ (CA) ডিগ্রি প্রদান করে ICAB (Institute of Chartered Accountants of Bangladesh) । ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বাংলাদেশের পেশাজীবী হিসাববিজ্ঞানীদের জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ।
বিকল্পগুলোর পরিচিতি:
- ICMAB: কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (CMA) ডিগ্রি প্রদান করে ।
- SEC: বর্তমানে BSEC (Bangladesh Securities and Exchange Commission), যা শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ।
- BIBM: ব্যাংক কর্মকর্তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণ ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ICMAB-এর পূর্ণরূপ হলো The Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh
এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান । দেশের কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পেশাকে নিয়মতান্ত্রিক করতে ১৯৭৭ সালে এটি গঠিত হয় ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হলো :
- EPB (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
- TCB (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ)
- ICAB (চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস প্রতিষ্ঠান)
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিকাশ ঘর (Clearing House) হলো এমন একটি ব্যবস্থা বা স্থান যেখানে আন্তঃব্যাংক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়।
- এটি সাধারণত দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (যেমন: বাংলাদেশে বাংলাদেশ ব্যাংক) দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- যেসব এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো শাখা নেই, সেখানে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সোনালী ব্যাংক নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের পারস্পরিক চেক বা ড্রাফটের পাওনা সহজে ও নিরাপদে সমন্বয় করতে পারে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় দুই ধরনের নোট রয়েছে: সরকারি নোটব্যাংক নোট
- ১, ২ এবং ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এই নোটগুলো সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে ।
- ১০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নোটগুলো হলো ব্যাংক নোট। এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যু করে এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে ।
যেহেতু ৫ টাকার নোটটি সরকারি নোট, তাই এটি অর্থসচিবের স্বাক্ষরে ইস্যু হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের ব্যাংক নোট ও ডাকটিকিট তৈরির প্রধান ছাপাখানা হলো The Security Printing Corporation (Bangladesh) Ltd. । এটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত । এটি সাধারণ মানুষের কাছে 'টাকশাল' নামে পরিচিত ।
এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- এটি ১৯৮৮ সালে গঠিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ।
- এটি সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয় ।
- এখানে ব্যাংক নোট ছাড়াও ডাকটিকিট ও অন্যান্য নিরাপত্তা দলিল ছাপা হয় ।

সোর্স: বেসিক ভিউ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত ওয়াল স্ট্রিট (Wall Street) বিশ্বজুড়ে মূলত তার বিশাল শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের জন্য বিখ্যাত । এটি বিশ্বের বৃহত্তম দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ—'নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ' এবং 'ন্যাশডাক'-এর প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। ১৯২৯ সালে এই মার্কিন শেয়ারবাজারে (ওয়াল স্ট্রিট) ভয়াবহ ধস নামার মাধ্যমেই বিশ্বব্যাপী 'গ্রেট ডিপ্রেশন' বা মহামন্দার সূত্রপাত ঘটেছিল । বিশ্ব অর্থনীতি ও শেয়ার বাজারের সব বড় বড় সিদ্ধান্ত এবং লেনদেন এখান থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয় বলে একে বিশ্ব অর্থনীতির হৃদপিণ্ড বলা হয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিটকয়েন হলো ইন্টারনেটে ব্যবহৃত এক ধরনের ইলেকট্রনিক মুদ্রা বা ভার্চুয়াল কারেন্সি । এটি কোনো দেশের সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে এটি পাঠানো যায়। এর কোনো শারীরিক বা ধাতব অস্তিত্ব নেই।
সোর্সঃ ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্বে প্রথম ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় চীন দেশে। প্রাচীনকালে চীনে সর্বপ্রথম কাগজের মুদ্রা এবং আমানত ও ঋণ আদান-প্রদানের ধারণা শুরু হয়েছিল। এই ধারাবাহিকতায় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আদি রূপ চীনেই প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন কোনো বাজেটে সরকারের সম্ভাব্য আয়ের তুলনায় ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হয়, তখন তাকে ঘাটতি বাজেট বা Deficit Budget বলা হয়।
সহজ কথায়, আয় কম কিন্তু ব্যয় বেশি। এই ধরনের বাজেটে ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারকে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বা বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নিতে হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে সাধারণত এই ধরনের বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস
দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সিংহভাগ চাহিদা এই গ্যাস থেকেই মেটানো হয় । এই গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH4), যা প্রায় ৮০-৯০% পর্যন্ত থাকে । ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে মোট গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে ২৯টি । এর মধ্যে বর্তমানে ২০টি ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে ।
সোর্স: বেসিক ভিউ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে ।
এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রথমে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পায় ।
- জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ।
- সদস্যপদ পাওয়ার পর ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের চিংড়ি মাছকে 'সাদা সোনা' বা 'White Gold' বলা হয় ।
এর কারণগুলো হলো:
- বৈদেশিক মুদ্রা: চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয় ।
- অর্থনৈতিক অবদান: বিশ্ববাজারে চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মূল্যের কারণে এটি অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে ।
- অন্যান্য তথ্য: অন্যদিকে, ইলিশকে জলের রূপালি শস্য এবং পাটকে সোনালী আঁশ বা 'Golden Fiber' বলা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দায়মুক্তি হলো এমন এক বিশেষ আইনি সুবিধা, যার ফলে রাষ্ট্রপতি তাঁর পদে দায়িত্ব পালনকালে কোনো কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। এমনকি তাঁর মেয়াদকালে কোনো আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও করা যাবে না।
সংবিধানে এমন ৩টি দায়মুক্তি রয়েছে:
- অনুচ্ছেদ ৪৬: সরকারি কর্মচারীদের দায়মুক্তি
- অনুচ্ছেদ ৫১: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
- অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি
সোর্সঃ বেসিক ভিউ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুলতানা রাজিয়া ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম মুসলিম নারী শাসক । তিনি ছিলেন দিল্লির বিখ্যাত সুলতান শামস উদ্দিন ইলতুতমিশের কন্যা । মধ্যযুগের ইতিহাসে প্রথম কোনো মুসলিম নারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করার মাধ্যমে তিনি এক অনন্য ও সাহসী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0