বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল) - ০৩.০৮.২০২৬ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কষ্টকর শ্বাস-প্রক্রিয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Dyspnea বলা হয়।
অন্যান্য পরিভাষাগুলোর অর্থ:
- Tachypnea: অস্বাভাবিক দ্রুত শ্বাস নেওয়া।
- Apnea: সাময়িকভাবে শ্বাসক্রিয়া বন্ধ থাকা।
- Orthopnea: শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট হওয়া এবং উঠে বসলে উপশম হওয়া।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
MI বা Myocardial Infarction হলো হার্ট অ্যাটাক।
- হৃদপিণ্ডে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হলে হৃদপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- এর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো বুকে তীব্র ব্যথা বা Severe central chest pain
- এই ব্যথা বুকের মাঝখানে শুরু হয়ে চোয়াল বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালনের সময় ধমনীর মধ্য দিয়ে যে স্পন্দন প্রবাহিত হয়, তাকে পালস বা নাড়ীস্পন্দন বলে।
মানুষের হাঁটুর ঠিক পেছনে পপলিটিয়াল ধমনী (Popliteal artery) অবস্থিত। এই ধমনী থেকে যে স্পন্দন পাওয়া যায়, তাকেই পপলিটিয়াল পালস বলা হয়। তাই নার্স এই স্পন্দন পরীক্ষা করতে হাঁটুর পেছনের অংশে হাত দিয়ে চাপ অনুভব করেন।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে অক্সিজেনের স্বাভাবিক মাত্রা বা SPO₂ হলো ৯৫-১০০%
রক্তে এই স্যাচুরেশনের মাধ্যমে শরীরের ফুসফুস ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সুস্থতা বোঝা যায়। অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫% এর নিচে নেমে গেলে কোষে অক্সিজেনের ঘাটতি বা হাইপোক্সিয়া ঘটে এবং রোগীকে বাইরে থেকে অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমাদের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও সাধারণ স্থান হলো কনুইয়ের ভেতরের দিকে অবস্থিত Median cubital vein
এই শিরাটি ত্বকের বেশ কাছাকাছি এবং আকারে বড় হওয়ায় সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। এখান থেকে সুচ ফুটিয়ে রক্ত নিলে ব্যথা কম লাগে এবং এটি সহজে নড়ে না।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চিকুনগুনিয়া একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাসজনিত রোগ।
ডেঙ্গু ও জিকার মতো এই রোগও মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
এডিস মশার দুটি প্রজাতি—এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) ও এডিস অ্যালবোপিকটাস এই ভাইরাসের প্রধান বাহক।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশি দুর্বল, শক্ত বা বড় হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে Cardiomyopathy বলে। এর ফলে হৃৎপিণ্ডের রক্ত পাম্প করার স্বাভাবিক ক্ষমতা কমে যায় এবং ফুসফুস ও শরীরে পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছাতে পারে না। হৃৎপেশির এই স্থায়ী দুর্বলতাই শেষ পর্যন্ত heart failure বা হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ ঘটায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মেরাসমাস (Marasmus) হলো আমিষের তীব্র অভাবজনিত রোগ।
- এই রোগে পেশী ও চর্বি মারাত্মক ক্ষয় পায়, যা severe muscle wasting
- ওডিমা (Oedema) ও মুন ফেস (Moon face) কোয়াশিয়রকর রোগের লক্ষণ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রজেস্টেরন ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্ত্রী হরমোন । এটি জরায়ুর প্রাচীর বা এন্ডোমেট্রিয়ামকে উন্নত করে গর্ভধারণের উপযোগী করে তোলে। গর্ভাবস্থায় জরায়ুর সংকোচন প্রতিরোধ করে ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখাই এর প্রধান কাজ। তাই গর্ভাবস্থা বজায় রাখতে এই হরমোনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমাদের যকৃতে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া তৈরি হয়।
যকৃতে তৈরি হওয়ার পর এই ইউরিয়া হেপাটিক ভেইন বা যকৃৎ শিরার মাধ্যমে রক্তে মিশে হৃৎপিণ্ডে ফিরে যায়।
যেহেতু যকৃৎ ইউরিয়া তৈরির মূল অঙ্গ, তাই যকৃৎ থেকে বের হওয়া রক্তে অর্থাৎ হেপাটিক ভেইনে ইউরিয়ার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দীর্ঘ অস্থির শেষ প্রান্তে যে নরম ও স্থিতিস্থাপক আবরণ থাকে, তাকে হায়ালিন তরুণাস্থি (Hyaline Cartilage) বলে।
এর কাজগুলো হলো:
- এটি সংযোগস্থলে অস্থির মধ্যকার ঘর্ষণ হ্রাস করে সহজে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে।
- হাঁটাচলার সময় শক শোষক হিসেবে কাজ করে অস্থিকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিশুর বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য থিয়ামিন (ভিটামিন বি-১) অত্যন্ত জরুরি।
নবজাতকের জন্য থিয়ামিনের প্রধান ও প্রাকৃতিক উৎস হলো মায়ের বুকের দুধ (Human milk)। মায়ের দুধে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ভিটামিন সঠিক মাত্রায় থাকে।
- এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- এটি খুব সহজেই হজম হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের স্বাভাবিক পালস রেট প্রতি মিনিটে ৬০-৯০ বার
পালস রেট প্রতি মিনিটে ১০০ বার বা তার বেশি হলে তাকে Tachycardia বলে ।
- Bradycardia: হৃদস্পন্দন বা পালস রেট মিনিটে ৬০ বারের কম হওয়া।
- Tachypnoea: অস্বাভাবিক দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যকৃতের বা লিভারের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত বা সিরোসিস সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ (Alcohol abuse)
অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে যকৃতের স্বাভাবিক কোষগুলো ধ্বংস হয়ে সেখানে ক্ষত তৈরি হয়। এছাড়া হেপাটাইটিস ভাইরাসের দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ফলেও লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সার হতে পারে ।
সোর্স: এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ হচ্ছে বৃক্ক । এই বৃক্কের গঠন ও কাজের একককে নেফ্রন (Nephron) বলা হয় । বৃক্কের মাধ্যমে শরীরে তৈরি হওয়া নাইট্রোজেনজাতীয় বর্জ্য পদার্থ অপসারিত বা রেচিত হয় ।
সোর্স: এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কিডনিতে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে যে কিডনি বিকল হয়, তাকে প্রি-রেনাল বা Pre-renal AKI বলে। Volume depletion বা শরীরে তরল বা রক্ত হ্রাস পেলে কিডনিতে রক্ত চলাচল কমে যায় এবং কিডনি অকেজো হয়ে পড়ে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাথাব্যথা, অবসন্নতা, ব্যথা ও বমি বমি ভাব হলো রোগীর নিজস্ব অনুভূতি, যা অন্য কেউ বাইরে থেকে পরিমাপ করতে পারে না।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোগীর এমন অনুভবযোগ্য বিষয়গুলোকে Symptoms বা উপসর্গ বলা হয়।
অন্যদিকে, চিকিৎসকের চোখে ধরা পড়া বাহ্যিক প্রমাণ বা লক্ষণগুলোকে Signs বা চিহ্ন বলা হয়ে থাকে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হৃদপিণ্ডের স্পন্দন বা হার্টবিট সৃষ্টির ব্যাখ্যা:
- এটি হৃদপিণ্ডের ডান অলিন্দে অবস্থিত SA Node থেকে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়।
- এটিকে হৃদপিণ্ডের প্রাকৃতিক পেসমেকার বলা হয়।
- এখান থেকে উৎপন্ন স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমেই হৃদপেশি সংকুচিত ও প্রসারিত হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্তন্যপায়ী গ্রন্থির প্রদাহকে Mastitis বা স্তনপ্রদাহ বলে। স্তনদানকারী মায়েদের দুগ্ধনালী বন্ধ হলে বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এটি হয়। এর অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো স্তনে একটি লালচে, wedge-shaped (ত্রিকোণাকার বা কীলকাকার) শক্ত ও বেদনাদায়ক অংশ তৈরি হওয়া।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রত্যক্ষ সংস্পর্শের (direct contact) মাধ্যমে রোগ ছড়ানোর অন্যতম বাহক হলো আক্রান্ত হাত (infected hands)
- রোগীর শরীর বা কোনো জীবাণুযুক্ত বস্তু স্পর্শ করলে রোগজীবাণু সরাসরি হাতে লেগে যায়।
- এরপর ওই হাত দিয়ে চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করলে জীবাণু সুস্থ দেহে প্রবেশ করে ক্রস ইনফেকশন ঘটায়।
ড্রপলেট বা খাদ্য-পানি হলো পরোক্ষ মাধ্যম।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আপনার প্রদানকৃত সোর্সগুলোতে পূর্ণকালীন গর্ভাবস্থার স্বাভাবিক সময়কাল (normal duration of full-term pregnancy) ৩৭-৪০ সপ্তাহ হওয়ার কারণ বা এর কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে আপনার সোর্সগুলোতে গর্ভকালীন মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে: - **গর্ভকালীন সময়ে উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতাকে এক্লাম্পসিয়া (eclampsia) বলে** । - **গর্ভকালীন সময়ের অন্যতম বিপদ চিহ্ন হলো পায়ে পানি আসা** । - **দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য গর্ভবতী মায়েদের টিটি (TT) টিকার ৫টি ডোজের সময়সূচী** । আপনার এই প্রশ্নের সঠিক ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানার জন্য আমি কি ওয়েব সার্চ করতে পারি?
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
টাইফয়েড জ্বর Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
- আক্রান্ত হওয়ার ২য় সপ্তাহে পেটের উপরে গোলাপী রঙের Rose spot বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ষড়রস
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমাদের দেহে মজবুত হাড় ও দাঁত গঠনে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে ক্যালসিয়াম অত্যন্ত প্রয়োজন। এছাড়া হৃদপিণ্ড ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ সচল রাখতেও এটি ভূমিকা রাখে। এই শারীরবৃত্তীয় চাহিদা পূরণের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন প্রায় ১০০০ মি.গ্রা. থেকে ১২০০ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা প্রয়োজন, যা তার হাড়ের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গর্ভাবস্থায় শরীরে ইস্ট্রোজেনপ্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা তীব্রভাবে ওঠানামা করে।
এই হরমোনগুলো মস্তিষ্কের মেজাজ নিয়ন্ত্রণকারী রাসায়নিক পদার্থ বা নিউরোট্রান্সমিটারকে প্রভাবিত করে।
এর ফলেই গর্ভবতী মায়েদের মেজাজ দ্রুত পরিবর্তিত হয় বা মুড সুইং ঘটে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার অত্যন্ত প্রতিরোধী স্পোর (Spore) ধ্বংস করার জন্য অটোক্লেভিং (Autoclaving) সবচেয়ে সেরা পদ্ধতি । সাধারণ ফুটন্ত পানিতে বা তাপে এই স্পোর মরে না। কিন্তু অটোক্লেভ পদ্ধতিতে উচ্চ চাপ এবং ১২১° সে. তাপমাত্রার আর্দ্র বাষ্প ব্যবহার করে সব ধরনের অণুজীব ও তাদের স্পোর সম্পূর্ণ ধ্বংস করা যায়। তাই এটি জীবাণুমুক্তকরণের সর্বোত্তম উপায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতি গ্রাম খাদ্য উপাদান থেকে প্রাপ্ত শক্তি বা ক্যালরির পরিমাণ হলো:
- প্রোটিন = প্রায় ৪ কিলোক্যালরি
- কার্বোহাইড্রেট = প্রায় ৪ কিলোক্যালরি (অপশনে ৯ দেওয়া)।
- ফ্যাট = প্রায় ৯ কিলোক্যালরি (অপশনে ৪ দেওয়া)।
মিনারেল শক্তি দেয় না। তাই Protein = 4 সঠিক।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Lymphadenitis হলো লসিকা গ্রন্থি বা লিম্ফ নোডের প্রদাহ। লসিকা গ্রন্থি মানুষের লসিকা তন্ত্রের (Lymphatic system) একটি প্রধান অংশ। ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণে লসিকা গ্রন্থি ফুলে গেলে ও ব্যথা হলে তাকে লিম্ফ্যাডেনাইটিস বলে। যেহেতু এটি লসিকা গ্রন্থির রোগ, তাই এটি একটি লিম্ফ্যাটিক ডিসঅর্ডার বা লসিকা রোগ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রোগী পরীক্ষার ৪টি প্রধান পদ্ধতির মধ্যে কেবল Inspection বা পরিদর্শনে চোখ বা দর্শনেন্দ্রিয় ব্যবহার করে রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
অন্যান্য পদ্ধতিগুলোর কাজ আলাদা:
- Palpation: স্পর্শের মাধ্যমে পরীক্ষা।
- Auscultation: শব্দ শোনার মাধ্যমে পরীক্ষা।
- Percussion: টোকা দিয়ে পরীক্ষা।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ এবং প্রস্রাবে প্রোটিনের উপস্থিতি প্রি-ক্ল্যাম্পসিয়া (Pre-eclampsia) নির্দেশ করে।
- এটি সাধারণত গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পর দেখা দেয়।
- সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি পরবর্তীতে মারাত্মক ক্ল্যাম্পসিয়া (Eclampsia) বা খিঁচুনি রোগে রূপ নিতে পারে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Gerontological শব্দের অর্থ বার্ধক্যবিদ্যা বা বয়োবৃদ্ধদের সেবা সংক্রান্ত বিষয়।
বৃদ্ধ বয়সে মানুষের শারীরিক ও মানসিক নানা সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।
তাই রোগীদের কষ্ট সঠিকভাবে বুঝতে এবং তাদের সেবা দিতে একজন নার্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো Good communicator বা দক্ষ যোগাযোগকারী হওয়া।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0