Solution
Correct Answer: Option D
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড ব্যবহার করে তৈরি একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং পদ্ধতি।
- ১৬ বিট ব্যবহার করে মোট ২¹⁶ বা ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় কোড তৈরি করা সম্ভব।
- এই এনকোডিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষার বর্ণ, গাণিতিক চিহ্ন এবং বিশেষ অক্ষরগুলোকে কম্পিউটারে প্রকাশ করা যায়।
- ইউনিকোডের এই বিশাল ধারণক্ষমতার কারণে চীনা, জাপানি ও কোরিয়ান ভাষার অসংখ্য চিত্রলিপিকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, বর্তমানে ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড এর পরিধি আরও বাড়িয়েছে (২১ বিট পর্যন্ত), তবে প্রচলিত অর্থে ১৬ বিটের ৬৫,৫৩৬ সংখ্যাটিকেই প্রাথমিক ইউনিকোড চার্টের মোট কোড সংখ্যা হিসেবে ধরা হয় যা 'বেসিক মাল্টিলিঙ্গুয়াল প্লেন' নামে পরিচিত।