কম্পিউটার পেরিফেরালস (28 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

একটি কম্পিউটারকে সাইবার আক্রমণ ও ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখতে বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটি টুল ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নের চারটি অপশনই কম্পিউটার সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

XDR (Extended Detection and Response)
XDR হলো একটি উন্নত সিকিউরিটি সিস্টেম যা বিভিন্ন নিরাপত্তা স্তরের (ইমেইল, নেটওয়ার্ক, এন্ডপয়েন্ট ইত্যাদি) তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে এবং সমন্বিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

EDR (Endpoint Detection and Response)
EDR মূলত এন্ডপয়েন্ট ডিভাইসগুলোর (যেমন: ল্যাপটপ, ডেস্কটপ) সিকিউরিটি মনিটর করে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এটি ম্যালওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার, ও জিরো-ডে আক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকর।

Antivirus
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারে থাকা ম্যালওয়্যার, ভাইরাস, ট্রোজান ও অন্যান্য ক্ষতিকারক ফাইল চিহ্নিত করে এবং সেগুলো অপসারণ করে। এটি সাইবার নিরাপত্তার একটি মৌলিক স্তর।

সবগুলো (D)
যেহেতু XDR, EDR এবং অ্যান্টিভাইরাস প্রত্যেকটি বিভিন্ন স্তরে সুরক্ষা প্রদান করে, তাই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনটি প্রযুক্তিই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সঠিক উত্তর হলো D) সবগুলো।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নতুন প্রজন্মের USB 4 (Thunderbolt 4) পোর্টের সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফার স্পিড হল 40 Gbps (গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড)। এটি পূর্ববর্তী USB 3.2 Gen 2x2 (20 Gbps) এর তুলনায় দ্বিগুণ দ্রুত। এই উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার স্পিড বিভিন্ন কাজে সুবিধা দেয়, যেমন - 4K/8K মনিটর সাপোর্ট, এক্সটার্নাল GPU কানেক্টিভিটি, দ্রুত ডেটা ব্যাকআপ এবং বড় ফাইল ট্রান্সফার। USB 4 পোর্ট পাওয়ার ডেলিভারিও সাপোর্ট করে যা 100W পর্যন্ত পাওয়ার সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া এটি ব্যাকওয়ার্ড কম্প্যাটিবল, অর্থাৎ পুরনো USB ডিভাইসগুলোও এতে কাজ করবে। বর্তমানে হাই-এন্ড ল্যাপটপ, ডেস্কটপ এবং এক্সটার্নাল স্টোরেজ ডিভাইসে USB 4 পোর্ট ব্যবহার করা হচ্ছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
OLED (Organic Light Emitting Diode) ডিসপ্লে টেকনোলজি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে কারণ এটি অন্যান্য ডিসপ্লে টেকনোলজির তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে। OLED প্যানেলে প্রতিটি পিক্সেল নিজে থেকে আলো তৈরি করতে পারে, ফলে ব্যাকলাইটের প্রয়োজন হয় না। এর ফলে পারফেক্ট ব্ল্যাক লেভেল এবং অসীম কনট্রাস্ট রেশিও পাওয়া যায়। LCD এবং LED এর তুলনায় OLED স্ক্রিনে ইমেজ কোয়ালিটি, ভিউইং এঙ্গেল এবং রিফ্রেশ রেট অনেক ভালো। AMOLED হল OLED এরই একটি ভেরিয়েন্ট। স্মার্টফোন, টিভি, ল্যাপটপ থেকে শুরু করে স্মার্টওয়াচ পর্যন্ত সব ধরনের ডিভাইসে OLED ডিসপ্লে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া OLED প্যানেল পাতলা এবং ফ্লেক্সিবল হওয়ায় ফোল্ডেবল ডিভাইস তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় বায়োমেট্রিক ইনপুট ডিভাইস হিসেবে বিবেচিত হয়। এর প্রধান কারণ হল এর ব্যবহারের সহজলভ্যতা এবং নিরাপত্তার সমন্বয়। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। Apple এর Face ID এবং Android ফোনগুলোতে ব্যবহৃত ফেস আনলক ফিচার এর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারের তুলনায় এটি বেশি সুবিধাজনক কারণ ব্যবহারকারীকে ডিভাইস স্পর্শ করতে হয় না, শুধু ক্যামেরার দিকে তাকালেই হয়। আইরিস স্ক্যানার বা ভয়েস রিকগনাইজারের চেয়েও এটি বেশি নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত কাজ করে। COVID-19 মহামারীর সময় মাস্ক পরা অবস্থায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, যা ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-কম্পিউটার মাউস হচ্ছে এক প্রকার ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে মনিটরের স্ক্রীনের কোন টেক্সট,আইকন,ফাইল অথবা ফোল্ডারকে সিলেক্ট করা যায়,ফাইল অথবা ফোল্ডারকে সিলেক্ট করা যায় এবং GUI (Graphical User Interface)কে কন্ট্রোল করা যায়।

-১৯৬৩ সালে ডগলাস এঞ্জেলবার্ট PARC এ কাজ করার সময় মাউস আবিষ্কার করেন।

-সাধারণত তিন ধরনের মাউস ডিভাইস রয়েছে -
১।মেকানিক্যাল
২।অপটোমেকানিক্যাল এবং
৩।অপটিক্যাল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• কম্পিউটারের সাহায্যে কোন কাজ সম্পন্ন করতে হলে প্রথমে কম্পিউটারকে ঐ কাজের তথ্য প্রদান করতে হয়। Computer-কে দেয়া এ তথ্যই হচ্ছে Input. Computer-কে তথ্য প্রদান করার জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে    Input device বলে। কয়েকটি Input device হলো: Keyboard, Mouse, Scanner, OMR, OCR, MICR, Microphone, Light pen etc.
• Input থেকে প্রাপ্ত ফলাফলকে Output বলে। আর যে সকল যন্ত্রের সাহায্যে Input এর Output পাওয়া যায় তাকে Output device বলে। কয়েকটি Output device হলো Projector, Monitor, Printer ও Speaker.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অপটিক্যাল মাউস আলোর প্রতিফলন (Reflection) নীতি ব্যবহার করে কাজ করে।
- এই মাউসের নিচে একটি আলোক উৎস হিসেবে এলইডি (LED) বা লেজার লাইট থাকে।
- এই লাইট বা আলো মাউসের নিচের পৃষ্ঠ বা সারফেসের উপর পড়ে এবং সেখান থেকে প্রতিফলিত হয়ে একটি সেন্সরে ধরা পড়ে।
- মাউসটিকে যখন কোনো তলের উপর নাড়াচাড়া করা হয়, তখন সেন্সরটি প্রতিফলিত আলোর ইমেজ বা ছবি তোলে এবং এই ছবির পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে মাউসের গতিবিধি নির্ণয় করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্মার্ট ফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, নেটওয়ার্ক কার্ড ইত্যাদি ডিভাইসের মতো টাচস্ক্রিনও একটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস।
অন্যদিকে মাউস ও মাইক্রোফোন এবং প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস।
অপরদিকে visual display unit হল শুধু আউটপুট ডিভাইস।
 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। যেমন প্রিন্টার, মনিটর, স্পীকার ইতাদি।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রিন্টার সাধারণত দুই প্রকার-
১।ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার- ইমপ্যাক্ট প্রিন্টারে হেডটি আউটপুট প্রকাশের জন্য কাগজকে স্পর্শ করে এবং চাপ প্রয়োগ করে ফলে ঘর্ষনের জন্য শব্দ সৃষ্টি হয়।এই প্রিন্টারের উন্নত ধরনের গ্রাফিক্স যুক্ত ছবি,টেক্সট বা তথ্য সুন্দর ভাবে প্রিন্ট করা সম্ভব নয়। সাধারণত তিন ধরনের ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার দেখা যায়।সেগুলি হলো-ডট ম্যাট্রিক্স,লাইন ও ডেইজি হুইজি প্রিন্টার।

২।নন ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার-যে প্রিন্টারে কাগজের ওপরে কোনো লেখা বা ছবির প্রিন্ট নেওয়ার সময় প্রিন্টারের হেডটি কাগজ কে স্পর্শ করে না, তাকে নন ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার বলে। এই ধরনের প্রিন্টারে শব্দের সৃষ্টি হয় না এবং প্রিন্টিং কোয়ালিটি উন্নতমানের অর্থাৎ লেখা বা ছবির প্রিন্ট আউটপুট পরিস্কার আসে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্পিউটার ওয়ার্ম ( Warm) হল একটি স্বাধীন ম্যালওয়্যার কম্পিউটার যা নিজেকে নকল বা কপি করতে পারে যাতে তা অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রায়শই এটি ছড়িয়ে পড়ার কাজে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং অন্য কম্পিউটার নিরাপত্তা ব্যর্থতার সুযোগ নেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• MICR বা Magnetic Ink Character Recognition এর মাধ্যমে কোন বর্ণ পড়া হচ্ছে তা বোঝা যায়। তফসিলি ব্যাংকসমূহে চৌম্বক কালিতে লিখিত MICR চেকের ব্যবহার দেখা যায়।

• এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইগুলো হল Graphics Tablets; Cameras; video capture ; Trackballs; Barcode reader; Gamepad ; Keyboard; Microphone ;MIDI keyboard ; Mouse; Scanner; Webcam; Touchpads; pen input; OMR; OCR; MICR
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Modem শব্দটি হয়েছে Modulator ও Demodulator এর সমন্বয়ে ।
মডেম কম্পিউটারের ভাষাকে (ডিজিটাল ) টেলিফোনের ভাষাতে (এনালগ) এবং টেলিফোনের ভাষাকে কম্পিউটারের ভাষায় রুপান্তরিত করে।
মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
When used in all capital letters, WORM is an acronym for write once, read many, an optical disk technology that allows you to write data onto a disk just once. After that, the data is permanent and can be read any number of times.

আরেকেটি Worm হলো ম্যালওয়ারের একটি ফর্ম যে নিজের অনুলিপি তৈরি করতে পারে এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। মানে এটি কম্পিউটার এর এক ধরনের ভাইরাস। 

পরীক্ষায় হলে এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
যদি বড় হাতের অক্ষরে লেখা থাকে তাহলে write once, read many, হবে
অন্যথায় এটি ম্যালওয়ার হবে। 
 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
♉ mpeg (or . mpg) file extension is a MPEG video file format, Other popular video file format:

✔ MP4. MP4 (MPEG-4 Part 14) is the most common type of video file format
✔ MOV. MOV (QuickTime Movie) stores high-quality video, audio, and effects, but these files tend to be quite large.
✔ WMV.
✔ AVI. 
✔ AVCHD
✔ FLV, F4V, and SWF.

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে মেশিন Magnetic Ink Character Recognition (MICR) লেখা পড়তে পারে ,তাকে MICR Reader বলে ।চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালির সাহায্যে MICR লেখা হয়।MICR দ্বারা ব্যাংকের চেক নম্বর পড়া ও লেখা হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- টাইপরাইটারে কালিযুক্ত ফিতা বা রিবন ব্যবহার করা হয়, যা লেখার ছাপ কাগজে ফুটিয়ে তোলে।
- টাইপরাইটারের কী বা বাটনগুলোতে চাপ দিলে তা রিবনের ওপর আঘাত করে এবং রিবনের কালির ছাপ কাগজে অক্ষরের আকৃতি তৈরি করে।
- আধুনিক প্রিন্টারের মধ্যে ডটকে মেট্রিক্স প্রিন্টারেও রিবনের ব্যবহার দেখা যায়।
- তবে কী-বোর্ড, লেজার প্রিন্টার কিংবা প্লটারে সাধারণত এই ধরনের কালির রিবন ব্যবহৃত হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মনিটরের কাজ হচ্ছে লেখা ও ছবি দেখানো
- কপিউটারের আরও অন্যান্য আউটপুট ডিভাইস সমূহঃ প্রিন্টার, স্পিকার, প্লটার, প্রজেক্টর, হেডফোন ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইনফ্রারেড ডিভাইসগুলি দৃশ্যমান আলোর বাইরে অবস্থিত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই বিকিরণের দৈর্ঘ্য 700 থেকে 1 মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- এগুলো সাধারণত অল্প দূরত্বে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়, যেমন টিভি রিমোট কন্ট্রোল, হাইব্রিড গাড়ির হেডলাইট এবং কার পার্কিং সেন্সর।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- OCR (Optical Character Recognition) হলো এমন তার প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি বা ডকুমেন্ট থেকে লেখা টেক্সটকে এডিটেবল বা সম্পাদনযোগ্য টেক্সট-এ রূপান্তর করে।
- অন্যদিকে, Image Scanner কেবল কোনো লেখা বা ছবিকে হুবহু ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে, যা সরাসরি এডিট করা যায় না।
- OMR (Optical Mark Recognition) প্রযুক্তিটি নির্দিষ্ট বৃত্ত ভরাট বা দাগানো চিহ্ন (যেমন- এমসিকিউ পরীক্ষার উত্তরপত্র) শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Touch Screen হলো একটি ডিসপ্লে যা ব্যবহারকারীর স্পর্শ বা চাপ শনাক্ত করে ইনপুট গ্রহণ করে, এটি টেক্সট রূপান্তরের সাথে সম্পর্কিত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘পৃষ্ঠা সজ্জা’ বা পেজ মেকআপের জন্য যে বিশেষ সফটওয়্যারগুলো ব্যবহৃত হয় (যেমন- Adobe InDesign, QuarkXPress, MS Word), সেগুলো মূলত 'এ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার' এর অন্তর্ভুক্ত।
- ব্যবহারকারীর বিশেষ কোনো কাজ করার জন্য তৈরি সফটওয়্যারকে এ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার বলা হয়, যা অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে চলে।
- অন্যদিকে, স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম (যেমন: Excel) হিসাব-নিকাশের জন্য এবং গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম (যেমন: Photoshop) ছবি সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম (যেমন: Windows, Linux) কম্পিউটার পরিচালনার মূল ভিত্তি হলেও তা সরাসরি পৃষ্ঠা সজ্জার কাজ করে না।
- তাই পৃষ্ঠা সজ্জার কাজ সুনির্দিষ্টভাবে ডেস্কটপ পাবলিশিং (DTP) বা ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়, যা অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যারেরই একটি ধরণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Dual Core কোনো প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়, বরং এটি কম্পিউটার প্রসেসর বা সিপিইউ (CPU)-এর একটি ধরন।
- একটি প্রসেসরে যখন একই সময়ে কাজ করার জন্য দুটি পৃথক প্রসেসিং ইউনিট বা 'কোর' থাকে, তখন তাকে Dual Core প্রসেসর বলা হয়।
- অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লিখিত বাকি তিনটি অপশনই (Laser, Dot Matrix, Ink Jet) বিভিন্ন ধরণের প্রিন্টারের নাম।
- লেজার প্রিন্টার (Laser Printer): লেজার রশ্মির সাহায্যে এবং টোনার ব্যবহার করে অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করতে পারে।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot Matrix Printer): পিনের সাহায্যে কালির ফিতার ওপর আঘাত করে ডট বা বিন্দুর মাধ্যমে লেখা ফুটিয়ে তোলে, যা সাধারণত রসিদ ছাপাতে দেখা যায়।
- ইংকজেট প্রিন্টার (Ink Jet Printer): নজেলের মাধ্যমে তরল কালি স্প্রে করে বা ছিটিয়ে কাগজে প্রিন্ট করে, যা রঙিন ছবি ছাপার জন্য বেশ জনপ্রিয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্যাংকিং শিল্পে এম আই সি আর (MICR) স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়।

কারণ:
- MICR স্ক্যানার চেকের নিচের অংশে থাকা MICR লাইন পড়তে পারে।
- MICR লাইনে চেকের বিভিন্ন তথ্য থাকে, যেমন:চেকের নম্বর, ব্যাংকের কোড, অ্যাকাউন্ট নম্বর, পরিমাণ।

MICR স্ক্যানার ব্যবহারের সুবিধা:

- দ্রুত এবং সঠিকভাবে চেক প্রক্রিয়া করা
- জালিয়াতি রোধ করা
- মানবিক ত্রুটি হ্রাস করা

অন্যদিকে,
- OCR স্ক্যানার: পাঠ্য স্ক্যান করতে ব্যবহৃত হয়।
- OMR স্ক্যানার: চিহ্নিত বৃত্ত বা বাক্স স্ক্যান করতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিন্টার একটি আউটপুট ডিভাইস। এটি কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল তথ্যকে (যেমন টেক্সট বা ছবি) কাগজে মুদ্রণ করে একটি ভৌত কপি তৈরি করে। এটি কোনো তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায় না।

- কীবোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ব্যবহারকারীকে অক্ষর, সংখ্যা এবং প্রতীক টাইপ করে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করাতে সাহায্য করে।

- মাউস (Mouse): মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি স্ক্রিনে কার্সার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং বিভিন্ন আইটেম নির্বাচন করতে ব্যবহৃত হয়, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ দেয়।

- স্ক্যানার (Scanner): স্ক্যানার একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ভৌত ডকুমেন্ট বা ছবিকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের যে অংশগুলো প্রসেসিংয়ের ফলাফল বা তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে, তাকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- মনিটর কম্পিউটারের প্রসেস করা তথ্য বা ফলাফল আমাদের স্ক্রিনে দেখার সুযোগ করে দেয়, তাই এটি একটি প্রধান আউটপুট ডিভাইস।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মাইক্রোফোন এবং জয়স্টিক হলো ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ পাঠানো হয়।
- সিডি ড্রাইভ মূলত একটি স্টোরেজ ডিভাইস বা ইনপুট-আউটপুট উভয় কাজেই ব্যবহৃত হতে পারে, তবে এটি শুধু আউটপুট দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট নয়।
- অন্যান্য কিছু জনপ্রিয় আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ হলো— প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার এবং প্রজেক্টর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিন্টারের আউটপুটের মান বা গুণাগুণ নির্ভর করে এর রেজুলেশনের (Resolution) ওপর।
- এই রেজুলেশন পরিমাপের একক হলো DPI বা Dots Per Inch
- প্রতি এক ইঞ্চি জায়গায় প্রিন্টার কতগুলো কালির বিন্দু (Dot) বসাতে পারে, তা এই ডিপিআই (DPI) দ্বারা নির্ধারণ করা হয়।
- ডিপিআই (DPI) যত বেশি হয়, প্রিন্টের স্বচ্ছতা এবং তীক্ষ্ণতা তত বেশি হয় অর্থাৎ প্রিন্টের মান তত ভালো হয়।
- সাধারণত লেজার প্রিন্টার বা ইনকজেট প্রিন্টারের ক্ষেত্রে এই মান যাচাইয়ের জন্য ডিপিআই (DPI) এককটি ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কী-বোর্ড (Keyboard) হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।
- এটি কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ প্রদান করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান যন্ত্র।
- অপরপক্ষে সিআরটি মনিটর, স্পিকার এবং প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে ফলাফল প্রদর্শন করে বা শব্দ শোনায়।
- ইনপুট ডিভাইসের আরও কিছু উদাহরণ হলো: মাউস, স্ক্যানার ও ওয়েবক্যাম
- এছাড়াও জয়স্টিক, লাইটপেন, ওসিআর (OCR), ওএমআর (OMR) এবং বারকোড রিডারও ইনপুট ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বারকোড (Bar Code) হলো এক ধরনের মেশিন-রিডেবল ডেটা বা তথ্য যা সমান্তরাল লাইনের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা বস্তুর গায়ে লাগানো থাকে।
- মূলত সুপারশপ বা সুপারমার্কেটগুলোতে পণ্যের গায়ে থাকা এই বারকোড দ্রুত স্ক্যান করে দাম ও তথ্যাদি বের করতে এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যবহারের ফলে বিক্রেতাদের প্রতিটি পণ্যের দাম মুখস্থ রাখার প্রয়োজন হয় না এবং পণ্যের বিল তৈরি ও ইনভেন্টরি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁত হয়।
- সুপারমার্কেট ছাড়াও লাইব্রেরি, হাসপাতাল এবং কুরিয়ার সার্ভিসে ট্র্যাকিংয়ের জন্য বারকোড ব্যবহৃত হয়, তবে দৈনন্দিন কেনাকাটায় এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0