‘Bluetooth’ নিচের কোন প্রযু্ক্তি ব্যবহার করে?

A Magnetic

B Optical

C Laser

D Radio Frequency

Solution

Correct Answer: Option D

ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য 'রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি' (Radio Frequency) বা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। এটি স্বল্প দূরত্বের মধ্যে তারবিহীন বা ওয়ারলেস যোগাযোগ রক্ষা করতে সক্ষম। সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (2.4 GHz) সীমার আল্ট্রা হাই ফ্রিকোয়েন্সি (UHF) রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে এটি কাজ করে। এর ফলে দুটি ডিভাইসের মধ্যে কোনো ফিজিক্যাল বা তারের সংযোগ ছাড়াই ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হয়।
ভুল অপশনগুলো কেন হল না:
-A) Magnetic: চৌম্বকীয় প্রযুক্তি সাধারণত এনএফসি (NFC) বা বৈদ্যুতিক আবেশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ডেটা ট্রান্সফারের মূল মাধ্যম হিসেবে ব্লুটুথে নয়।
-B) Optical এবং C) Laser: এই দুটি অপশনই আলোক বা লাইট প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত (যেমন- ফাইবার অপটিক্স বা ইনফ্রারেড)। আলো সাধারণত কোনো অস্বচ্ছ বাধার (যেমন- দেয়াল) মধ্য দিয়ে যেতে পারে না, কিন্তু ব্লুটুথ সিগন্যাল বাধার ভেতর দিয়েও কাজ করতে পারে।
অতিরিক্ত তথ্য (চাকরি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ): স্ট্যান্ডার্ড: ব্লুটুথ IEEE 802.15.1 স্ট্যান্ডার্ড বা প্রোটোকল মেনে চলে। নেটওয়ার্ক: এটি দিয়ে তৈরি নেটওয়ার্ককে 'পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক' (PAN) বা WPAN বলা হয়। নামকরণ: দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের ভাইকিং রাজা 'হ্যারাল্ড ব্লুটুথ' (Harald Bluetooth)-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। পিকোনেট: ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে যে ক্ষুদ্র নেটওয়ার্ক স্থাপিত হয়, তাকে কারিগরি ভাষায় 'পিকোনেট' (Piconet) বলে।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions