Solution
Correct Answer: Option D
- এই মাধ্যমে সিগন্যাল ফোটন/আলো হিসেবে প্রেরণ করা হয়, ফলে তথ্যের গতি প্রায় আলোর গতির সমীপে থাকে।
- এতে উচ্চ ব্যান্ডউইথ আছে — সাধারণত গিগাবিট থেকে টেরাবিট/সেকেন্ড পর্যায়ের ডেটা রেট সমর্থন করা যায়, যা টুইস্ট পেয়ার, কোক্সিয়াল বা ক্যাট-5-এর চেয়ে অনেক বেশি।
- সিগন্যালের অ্যাটেনুয়েশন খুব কম, তাই দীর্ঘদূরত্বে রিপিটার বা বুস্টারের প্রয়োজন কম পড়ে এবং গতি বজায় থাকে।
- এটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফেরেন্স‑প্রতিরোধী, ফলে পরিবহনকালে সিগন্যাল বিড়ম্বনা কম পায় এবং ট্রান্সমিশন আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য হয়।