Solution
Correct Answer: Option A
টেলিযোগাযোগ বা সিগন্যাল প্রসেসিংয়ের ভাষায় ব্যান্ডউইথ বলতে কোনো নির্দিষ্ট সিগন্যালের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কম্পাঙ্কের (Frequency) পার্থক্যকে বোঝায়। অর্থাৎ, একটি ট্রান্সমিশন মিডিয়াম বা চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যে পরিসীমার ফ্রিকোয়েন্সি পার হতে পারে, সেটিই হলো 'Range of frequencies'। অ্যানালগ সিগন্যালের ক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথকে সরাসরি ফ্রিকোয়েন্সির এই পরিসীমা বা রেঞ্জ হিসেবেই সংজ্ঞায়িত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি টেলিফোন লাইনের ব্যান্ডউইথ হলো ভয়েস সিগন্যালের উচ্চ ও নিম্ন কম্পাঙ্কের মধ্যকার ব্যবধান।
ভুল অপশনগুলো কেন হল না:
-Bit per second (bps): এটি মূলত ডিজিটাল ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড বা গতির একক। যদিও কম্পিউটারের ভাষায় একেও ডিজিটাল ব্যান্ডউইথ বলা হয়, কিন্তু প্রশ্নের অপশনে 'Range of frequencies' থাকায় মৌলিক সংজ্ঞানুযায়ী সেটিই সঠিক।
-Cycle per second: এটি হলো কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সির সংজ্ঞা (যাকে হার্জ বা Hz বলা হয়), কিন্তু এটি ফ্রিকোয়েন্সির পরিসীমা বা রেঞ্জ নয়।
-Bit per minute: ডেটা ট্রান্সমিশনে এই এককের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রামাণিক ব্যবহার নেই।
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (BCS/Job Exam):
ডেটা স্থানান্তরের গতির ওপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়: ১. ন্যারোব্যান্ড (Narrowband): গতি ৪৫-৩০০ bps (টেলিগ্রাফিতে ব্যবহৃত হতো)। ২. ভয়েসব্যান্ড (Voiceband): গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত (টেলিফোনে ব্যবহৃত হয়)। ৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband): উচ্চগতি সম্পন্ন, সাধারণত ১ Mbps বা তার বেশি (ফাইবার অপটিক বা বর্তমানে ইন্টারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়)। অ্যানালগ সিগন্যালে ব্যান্ডউইথ মাপা হয় Hz (Hertz) এ এবং ডিজিটাল সিগন্যালে মাপা হয় bps (bits per second) এ।