Solution
Correct Answer: Option B
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ফাইবার অপটিক ক্যাবল হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক মাধ্যম। এটি কাচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের তৈরি অত্যন্ত সরু তন্তু দিয়ে তৈরি। এই ক্যাবলে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে আলোক সংকেত বা লাইট পালস ব্যবহার করা হয়। আলোর গতির ন্যায় দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বলে এর ব্যান্ডউইথ ও গতি সবচেয়ে বেশি।
ভুল অপশনগুলো কেন হল না:
-Coaxial cable: এটি তামার তার দিয়ে তৈরি এবং এতে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়, যা আলোর গতির চেয়ে ধীর।
-Twisted pair cable: এটি সাধারণ ইথারনেট বা টেলিফোন লাইনে ব্যবহৃত তামার তার; এর গতি এবং দূরত্ব অতিক্রম করার ক্ষমতা ফাইবার অপটিকের তুলনায় অনেক কম।
-Wi-Fi: এটি তারবিহীন বা অবেতার মাধ্যম; বাতাসের বাধা, দূরত্ব এবং পরিবেশগত কারণে এর গতি ফাইবার অপটিকের চেয়ে সাধারণত কম হয়।
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (BCS/Job Exam):
ফাইবার অপটিক ক্যাবল আলোর 'পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন' (Total Internal Reflection) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এর প্রধান তিনটি অংশ থাকে: ১. কোর (Core - ভেতরের অংশ), ২. ক্ল্যাডিং (Cladding - কাচের আবরণ), এবং ৩. জ্যাকেট (Jacket - বাইরের প্লাস্টিক আবরণ)। ফাইবার অপটিক ক্যাবল EMI (Electromagnetic Interference) বা তড়িৎচৌম্বকীয় প্রভাব মুক্ত, তাই ডেটা নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না। বাংলাদেশের সাবমেরিন ক্যাবল (যেমন: SEA-ME-WE-4 এবং SEA-ME-WE-5) মূলত ফাইবার অপটিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত।