কোনটি বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করতে সাহায্য করে?

A বুলিয়ান

B হেক্সাডেসিমাল

C অক্টাল

D ডেসিমাল

Solution

Correct Answer: Option B

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি বিট (০ বা ১) আলাদাভাবে অবস্থান করে, ফলে বড় কোনো সংখ্যা লিখতে গেলে তা অনেক দীর্ঘ হয়ে যায়। হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে এই দীর্ঘ বাইনারি সংখ্যাগুলোকে খুব সহজেই সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা যায়।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬। এই পদ্ধতিতে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০টি অঙ্ক এবং A থেকে F পর্যন্ত ৬টি ইংরেজি বর্ণ মিলিয়ে মোট ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়

এখানে, A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14 এবং F = 15।
বাইনারি সংখ্যার ৪ টি বিটকে (4-bit) একত্রে একটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক দ্বারা প্রকাশ করা যায়। যেমন:
বাইনারি সংখ্যা: $$(11111111)_2$$
এই সংখ্যাটি বেশ বড় এবং মনে রাখা কঠিন। একে ৪ বিট করে ভাগ করলে পাই:
$$1111$$ এবং $$1111$$

আমরা জানি, $$(1111)_2$$ = $$(15)_{10}$$ = F (হেক্সাডেসিমালে)
সুতরাং, $$(11111111)_2 = (\text{FF})_{16}$$
দেখা যাচ্ছে, ৮টি বাইনারি বিটকে মাত্র ২টি হেক্সাডেসিমাল ক্যারেক্টার দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব হলো। এই সুবিধার কারণে কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এবং কালার কোডিং-এ হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য, অক্টাল পদ্ধতিতেও বাইনারি সংখ্যাকে ছোট করা যায় (৩ বিট করে), কিন্তু আধুনিক কম্পিউটিং-এ হেক্সাডেসিমাল (৪ বিট বা ১ নিবল) বেশি সুবিধাজনক এবং সর্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হয়।

শর্টকাট টেকনিক:
* মনে রাখার উপায়: হেক্সাডেসিমাল মানেই হলো '৪ বিটের গ্রুপ'
* অনেক বড় বাইনারি সংখ্যা দেখলে তাকে ছোট করার জন্য সবসময় ডানদিক থেকে ৪টি করে সংখ্যা নিয়ে গ্রুপ করবেন। প্রতিটি গ্রুপের মান একটি হেক্সাডেসিমাল ডিজিট দিয়ে লিখলেই সংখ্যাটি ছোট বা সংক্ষিপ্ত হয়ে যাবে।
* যেমন: 10101100 $\rightarrow$ 1010 | 1100 $\rightarrow$ A | C $\rightarrow$ AC
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
Exam - 72
কোর্স নামঃ ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (২৭৬ দিন)
টপিকসঃ
Bangla
বাক্য প্রকরণ, বাক্য সংকোচন।
এই রুটিনের সাথে ৩ বার ভোকাবুলারি রিভিশন।
রুটিন দেখুন
পরীক্ষা-৫৭
কোর্স নামঃ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
সাধারণ বিজ্ঞান
মানবদেহঃ রক্ত সংবহনতন্ত্র, রক্তের কাজ, হৃদপিণ্ড, রক্ত বাহিকা, হৃদরোগ, লসিকা, শ্বসনতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্রের, পৌষ্টিকতন্ত্র, পুষ্টি ও পরিপাক, ডায়রিয়া, গ্রন্থি, রেচনতন্ত্র। প্রজননতন্ত্র, জন্ম নিয়ন্ত্রণ, গর্ভবর্তী মায়ের পরিচর্যা, কঙ্কালতন্ত্র, অস্থি, অস্থিসন্ধি, পঞ্চইন্দ্রিয়, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, চিকিৎসা বিজ্ঞান, চিকিৎসা পরিভাষা, সুষম খাদ্য, জাঙ্ক ফুড, শর্করা, আমিষ, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, খনিজ লবণ, পানি, Body Mass, খাদ্য সংরক্ষণ।
পরিবেশঃ বাস্তুসংস্থান, ভূতত্ত্ব বা ভূবিদ্যা, পৃথিবীর গঠন উপাদান, পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন, খনিজ, শিলা, মাটি, বায়ুমণ্ডল, আবহাওয়া ও জলবায়ুঃ বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত, সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ, সমুদ্রস্রোত, জোয়ার - ভাটা, পরিবেশ দূষণ।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রুটিন দেখুন

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions