কম্পিউটার আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে এর প্রযুক্তিগত উন্নতি,কাজের গতি এবং আকৃতিগত পরিবর্তন বা বিবর্তন ঘটতে থাকে।কম্পিউটারের বিবর্তন ও বিকাশের এক একটি ধাপকে প্রজন্ম বলে।কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথাঃ ১৯৫১ - ৫৯ =১ম প্রজন্ম ১৯৫৯-৬৫=২য় প্রজন্ম ১৯৬৫-৭১ = ৩য় প্রজন্ম ১৯৭১-বর্তমান=৪র্থ প্রজন্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম=৫ম প্রজন্ম
অনেকগুলাে ট্রানসিস্টর এবং তান্যান্য উপকরণ মিলিয়ে একীভূত সার্কিট (Integrated Circuit) তৈরি করে ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের উপর স্থাপন করার মাধ্যমে এরূপ সার্কিট তৈরির কাজ শুরু হয় ১৯৫৫ সালে । উইলিয়াম শকলে (William Shockley) স্থাপিত শকলে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিতে এ সার্কিট তৈরির কাজ শুরু হয়। - সমন্বিত সার্কিট ব্যবহার করে তৈরি করা হয় তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার । ফলে কম্পিউটারের আকার আরও ছােট হয়ে আসে। -আইবিএম ৩৬০ ও ৩৭০ ও পিডিপি-৮ ও ১১ এবং জিই-৬০০ ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলাের বৈশিষ্ট্যগুলাে হচ্ছে (Features 3rd generation computer) - আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার - সেমিকন্ডাক্টর মেমােরির ব্যবহার - হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজের ব্যবহার - আউটপুটের জন্য ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (VDU) এবং লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা – ৩৬
কোর্স নামঃ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন - লেকচারশীট ভিত্তিক।
টপিকসঃ
রিভিশন টেস্ট বিগত পরীক্ষা - ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ এর উপর রিভিশন পরীক্ষা