ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: - সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS): - ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2). ২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure. ৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS): - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: Google Docs.
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১১৯
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।