প্রাইভেসি সেটিংস দরকার কারণ এগুলো ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ও ডাটাকে সুরক্ষিত রাখে এবং ডাটা শেয়ারিং নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- ডাটা শেয়ারিং নিয়ন্ত্রণ: ব্যবহারকারী নিজে নির্ধারণ করতে পারেন কার সঙ্গে তাদের তথ্য শেয়ার হবে এবং কার সঙ্গে হবে না। - নিরাপত্তা: প্রাইভেসি সেটিংস থাকার ফলে ব্যক্তিগত তথ্য ফিল্টার করা যায়, যা অপব্যবহার থেকে রক্ষা করে। - ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা: ব্যবহারকারী তার তথ্য ও ডাটা কীভাবে ব্যবহৃত হবে তা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ফলে সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশাধিকার বা তথ্য লीक হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
সুতরাং, প্রাইভেসি সেটিংসের মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ডাটা শেয়ারিংয়ের উপরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। অতএব, “ডাটা শেয়ারিং নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা” অপশনটি সঠিক।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১১৯
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।