জ্যোতির্বিজ্ঞান (125 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ওপেনহাইমার-ভলকফ সীমা (Oppenheimer-Volkoff limit) হলো একটি নিউট্রন নক্ষত্রের (Neutron Star) সর্বোচ্চ ভরের তাত্ত্বিক সীমা।
- সুপারনোভা (Supernova) বিস্ফোরণের পর নক্ষত্রের অবশিষ্ট ভর যদি এই সীমার নিচে থাকে, তবে তা নিউট্রন নক্ষত্রে পরিণত হয়। আর অবশিষ্ট ভর এই সীমার বেশি হলে তা ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং প্রচলিত পাঠ্যবইয়ের তথ্যমতে, ওপেনহাইমার-ভলকফ সীমার মান সূর্যের ভরের প্রায় ৩.২ গুণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্যাটেলাইট এন্টেনা বা রেডিও টেলিস্কোপ মূলত মহাকাশ থেকে আগত তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যেমন: রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ) গ্রহণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- মহাকাশের বিভিন্ন উৎস থেকে আসা দুর্বল সিগন্যালগুলো এন্টেনায় আপতিত হলে, এটি সেই তরঙ্গের শক্তিকে শোষণ (absorb) করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- যেহেতু এটি তরঙ্গ বিকিরণ না করে মূলত তা গ্রহণ বা সংগ্রহ করে, তাই রেডিও টেলিস্কোপ হিসেবে কাজ করার সময় এন্টেনাটি একটি শোষক হিসেবে আচরণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রতিফলন দূরবীক্ষণ যন্ত্রে লেন্সের পরিবর্তে দর্পণ (mirror) ব্যবহার করে আলো সংগ্রহ করা হয়।
- দর্পণে বর্ণ ত্রুটি (chromatic aberration) থাকে না, তাই এতে বড় ব্যাসের দর্পণ সহজে ব্যবহার করা যায়।
- বড় দর্পণ থাকার অর্থ হলো বড় উন্মেষ (large aperture), যা মহাকাশের দূরবর্তী বস্তু থেকে বেশি আলো সংগ্রহ ও ভালো রেজল্যুশনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
- সমআকারের প্রতিসারক (refractor) টেলিস্কোপের চেয়ে এর নির্মাণ খরচ অপেক্ষাকৃত কম হয়।
- তাই প্রতিফলক দূরবীক্ষণ যন্ত্রের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে বড় উন্মেষের দর্পণ ব্যবহৃত হয়
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহাকাশ পর্যবেক্ষণে রেডিও, গামা-রে এবং অপটিক্যাল টেলিস্কোপ—সবগুলোই ব্যবহৃত হয়।

- অপটিক্যাল টেলিস্কোপ: দৃশ্যমান আলো ব্যবহার করে মহাকাশের ছবি তোলে (যেমন- হাবল টেলিস্কোপ)।
- রেডিও টেলিস্কোপ: বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে মহাজাগতিক বস্তু পর্যবেক্ষণ করে।
- গামা-রে টেলিস্কোপ: মহাকাশের উচ্চ-শক্তির গামা রশ্মি শনাক্ত করে।

বি.দ্র.: অপটিক্যাল টেলিস্কোপ মহাকাশ পর্যবেক্ষণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে 'ম্যাগনেটিভ টেলিস্কোপ' নামে প্রচলিত কোনো মহাকাশ পর্যবেক্ষণ টেলিস্কোপ নেই। প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে 'অপটিক্যাল টেলিস্কোপ' দেওয়া হলেও, এটি তথ্যগতভাবে বিভ্রান্তিকর; কারণ আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে অপটিক্যাল টেলিস্কোপ একটি অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। যৌক্তিকভাবে 'ম্যাগনেটিভ টেলিস্কোপ' সঠিক উত্তর হওয়া বেশি যুক্তিযুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেডিও টেলিস্কোপ মূলত প্রতিফলক (Reflector) প্রকৃতির হয়ে থাকে।

কারণ:
- রেডিও টেলিস্কোপে একটি বিশাল প্যারাবোলিক ডিশ বা অ্যান্টেনা থাকে, যা মহাকাশ থেকে আসা দুর্বল বেতার তরঙ্গকে প্রতিফলিত করে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে বা রিসিভারে (Receiver) কেন্দ্রীভূত করে।
- প্রতিফলক পৃষ্ঠটি সাধারণত ধাতু (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম বা ইস্পাত) দিয়ে তৈরি হয়।
- প্রতিসারক (লেন্স) ব্যবহার করে এত বড় আকারের টেলিস্কোপ তৈরি করা সম্ভব নয় এবং রেডিও তরঙ্গের জন্য লেন্স কার্যকর নয়, তাই প্রতিফলক পদ্ধতিই ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহাকাশ থেকে আসা বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ওয়েভ পর্যবেক্ষণের জন্য রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহৃত হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মহাজাগতিক বস্তু (যেমন- পালসার, গ্যালাক্সি, ব্ল্যাকহোল) থেকে আসা অদৃশ্য রেডিও তরঙ্গ শনাক্ত করতে এই টেলিস্কোপ ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত একটি বিশাল ডিশ অ্যান্টেনার মতো কাজ করে যা রেডিও তরঙ্গকে প্রতিফলিত করে একটি কেন্দ্রে (receiver) কেন্দ্রীভূত করে।
- অপটিক্যাল টেলিস্কোপের মতো এটি দৃশ্যমান আলোর ওপর নির্ভর করে না, তাই মেঘলা আকাশ বা দিনের আলোতেও এটি ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ (Hubble Space Telescope) হলো মহাকাশে স্থাপিত একটি অপটিক্যাল টেলিস্কোপ বা আলোক দূরবীন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ১৯৯০ সালে এটি মহাকাশে প্রেরণ করা হয়।
- এটি দৃশ্যমান আলো, অতিবেগুনি (Ultraviolet) এবং ইনফ্রারেড (Infrared) রশ্মি ধারণ করতে পারে, তবে এটি মূলত এর উচ্চ রেজোলিউশনের অপটিক্যাল (দৃশ্যমান আলো) পর্যবেক্ষণের জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে থাকায় এটি বায়ুমণ্ডলীয় বিকৃতি ছাড়াই মহাকাশের অত্যন্ত স্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম।
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) হাবলের উত্তরসূরি হিসেবে কাজ করছে, যা মূলত ইনফ্রারেড পর্যবেক্ষণে সক্ষম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল পৃথিবীর আহ্নিক গতির (নিজ অক্ষের ওপর একবার ঘুরতে যে সময় লাগে, অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা) সমান, তাকে ভূস্থির উপগ্রহ বা Geostationary satellite বলে।

গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে এই উপগ্রহের দূরত্ব প্রায় 42,000 km। কিন্তু ভূপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা (h) নির্ণয় করতে হলে, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ (R ≈ 6,400 km) বাদ দিতে হয়।

অতএব, h = 42,000 km - 6,400 km = 35,600 km, যা প্রায় 36,000 km এর সমান।

মূল বিষয়: ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 36,000 কিলোমিটার উঁচুতে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর সাথে সমান বেগে ঘোরে, তাই পৃথিবী থেকে একে স্থির মনে হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতিসরণ দূরবীক্ষণ (Refracting telescope) যন্ত্রে লেন্স দিয়ে আলো প্রতিসৃত (refraction) করে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।
ভূ-দূরবীক্ষণ যন্ত্র (Terrestrial telescope) সাধারণত অবজেক্টিভ লেন্স ও আইপিস (eyepiece) এবং সোজা প্রতিবিম্ব পাওয়ার জন্য ইরেক্টিং লেন্স (erecting lens) ব্যবহার করে। অর্থাৎ, এটি একটি প্রতিসরণ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
• অন্যদিকে, নিউটনের (Newton), হারসেলের (Herschel) এবং গ্রেগরির (Gregorian) দূরবীক্ষণ যন্ত্রগুলোতে আয়না (mirror) ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো হলো প্রতিফলন (Reflecting) দূরবীক্ষণ যন্ত্র।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্ট্রিং তত্ত্ব (String theory) হলো তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের একটি মডেল, যা অনুযায়ী মহাবিশ্বের মৌলিক কণাগুলো বিন্দুর মতো নয়, বরং একমাত্রিক তন্তু বা 'স্ট্রিং'-এর মতো।
• এই তত্ত্ব অনুসারে, পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যে তন্তু বা স্ট্রিং দিয়ে গঠিত তার গড় দৈর্ঘ্য প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্য (Planck length)-এর কাছাকাছি হয়।
• প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যের মান প্রায় 1.6 × 10-35 m বা 10-33 cm এর কাছাকাছি।
• তাই স্ট্রিং তত্ত্ব অনুযায়ী এই তন্তুর দৈর্ঘ্য 10-33 cm
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লেপটন (Lepton) হলো এমন এক ধরনের মৌলিক কণা যা সবল নিউক্লীয় বলের দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
• প্রকৃতিতে মোট ৬ ধরনের লেপটন পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ইলেকট্রন, মিউওন এবং টাউ কণার বৈদ্যুতিক চার্জ হলো -e (অর্থাৎ ঋণাত্মক)।
• অন্যদিকে, এদের সাথে সম্পর্কিত তিনটি নিউট্রিনো (ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউওন নিউট্রিনো এবং টাউ নিউট্রিনো) কণার কোনো চার্জ নেই, অর্থাৎ এদের চার্জ 0
• সুতরাং, লেপটনের চার্জ সাধারণত 0 বা -e হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোয়ার্ক (Quark) হলো পদার্থের মৌলিক কণা, যাদের চার্জ ভগ্নাংশিক (যেমন: +2/3e বা -1/3e) এবং এদের প্রত্যেকের বেরিয়ন সংখ্যা (Baryon number) হলো 1/3।
• প্রকৃতিতে কোয়ার্ক কখনো স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না; এরা দল বেঁধে হ্যাড্রন (Hadron) গঠন করে।
• হ্যাড্রন মূলত দুই প্রকার: বেরিয়ন (তিনটি কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত, যেমন প্রোটন বা নিউট্রন) এবং মেসন (একটি কোয়ার্ক ও একটি অ্যান্টিকোয়ার্ক দিয়ে গঠিত)।
• এরা এমনভাবে যুক্ত হয় যাতে গঠিত কণাটির মোট চার্জ এবং মোট বেরিয়ন সংখ্যা সবসময় একটি পূর্ণসংখ্যা অর্থাৎ 0 বা 1 হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic force) হলো প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি, যা বৈদ্যুতিকভাবে আধানযুক্ত কণাগুলোর মধ্যে কাজ করে।
• এই বলের জন্য দায়ী বাহক কণা (Carrier particle) হলো ফোটন (Photon)
• যখন দুটি আধানযুক্ত কণা পরস্পরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে, তখন তারা ফোটন বিনিময়ের মাধ্যমে বলের আদানপ্রদান করে এবং শক্তি ও গতির পরিবর্তন ঘটায়।
অতিরিক্ত তথ্য: মহাকর্ষ বলের বাহক কণা গ্র্যাভিটন (ধারণাকৃত), সবল নিউক্লীয় বলের গ্লুয়ন এবং দুর্বল নিউক্লীয় বলের বাহক হলো ডব্লিউ ও জেড বোসন (W & Z boson)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পজিট্রন (Positron) হলো ইলেকট্রনের অ্যান্টিপার্টিকেল বা প্রতিকণা।
• একটি পজিট্রনের ভর ইলেকট্রনের ভরের ঠিক সমান (৯.১১ × ১০⁻³¹ কেজি)।
• এদের মধ্যে পার্থক্য শুধু আধানে; ইলেকট্রনের চার্জ ঋণাত্মক (-1e) হলেও পজিট্রনের চার্জ ধনাত্মক (+1e)।
• ভরের এই সামঞ্জস্যের কারণে পজিট্রনকে অনেক সময় ধনাত্মক ইলেকট্রনও বলা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লেপটন (Lepton) কণাগুলোকে ভর এবং বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তিনটি জেনারেশন (Generations) বা প্রজন্মে ভাগ করা হয় এবং মোট লেপটন কণার সংখ্যা ছয়টি

এই তিন জেনারেশনের ছয়টি লেপটন কণাগুলো হলো:
১. প্রথম জেনারেশন: ইলেকট্রন (Electron) এবং ইলেকট্রন নিউট্রিনো।
২. দ্বিতীয় জেনারেশন: মিউয়ন (Muon) এবং মিউয়ন নিউট্রিনো।
৩. তৃতীয় জেনারেশন: টাউ (Tau) এবং টাউ নিউট্রিনো।

• এদের মধ্যে ইলেকট্রন সবচেয়ে হালকা এবং টাউ সবচেয়ে ভারী কণা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোয়ান্টাম ক্রোমোডায়নামিক্স (QCD) তত্ত্ব অনুযায়ী, কোয়ার্ক (Quark) কণাগুলোর একটি বিশেষ ধর্ম রয়েছে যাকে 'কালার চার্জ (Color charge)' বলা হয়।

কোয়ার্কের এই বর্ণ বা কালার চার্জ মূলত তিনটি হয়ে থাকে:
লাল (Red)
সবুজ (Green)
নীল (Blue)

এই তিনটি কালার চার্জ মিলে একটি বর্ণহীন (colorless) কণা তৈরি করে, যেমনটি প্রোটন বা নিউট্রনের ক্ষেত্রে ঘটে। এটি আমাদের পরিচিত সাধারণ রঙের মতো নয়, বরং কণা পদার্থবিজ্ঞানের একটি সাংকেতিক নাম মাত্র।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোয়ার্ক (Quark) কণাগুলোকে ভর এবং বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তিনটি জেনারেশন (Generations) বা প্রজন্মে ভাগ করা হয়, যার প্রতিটিতে দুটি করে মোট ছয়টি কোয়ার্ক থাকে।
এই ছয়টি কোয়ার্ক হলো:
১. প্রথম জেনারেশন: আপ (Up) এবং ডাউন (Down)
২. দ্বিতীয় জেনারেশন: চার্ম (Charm) এবং স্ট্রেঞ্জ (Strange)
৩. তৃতীয় জেনারেশন: টপ (Top) এবং বটম (Bottom)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটন, নিউট্রন, মেসন ইত্যাদি হলো হ্যাড্রন (Hadron) শ্রেণির কণা, যা কোয়ার্ক (Quark) সমন্বয়ে গঠিত।
• তিনটি কোয়ার্ক মিলে ব্যারিওন (যেমন: প্রোটন ও নিউট্রন) গঠিত হয়।
• একটি কোয়ার্ক এবং একটি অ্যান্টিকোয়ার্ক মিলে মেসন গঠিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ গ্রাভিটন (Graviton) হলো মহাকর্ষ বলের বাহক একটি তাত্ত্বিক মৌলিক কণা।
গ্রাভিটনের স্পিন সংখ্যা ২
✔ স্পিন ২ হওয়ার কারণে এটি একটি বোসন কণা।
✔ অন্যান্য মৌলিক বল বহনকারী কণাগুলোর (গেজ বোসন) স্পিন সাধারণত ১ হয় (যেমন: ফোটন, গ্লুয়ন)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ মেসন ও বেরিয়নকে একত্রে হ্যাড্রন (Hadron) বলা হয়।
✔ হ্যাড্রন হলো এমন এক ধরনের অতিপারমাণবিক কণা যা কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত এবং সবল নিউক্লিয় বলের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
✔ হ্যাড্রন কণাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
- বেরিয়ন: তিনটি কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত (যেমন: প্রোটন ও নিউট্রন)।
- মেসন: একটি কোয়ার্ক ও একটি অ্যান্টিকোয়ার্ক দ্বারা গঠিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় ৮৩% হলো গুপ্ত পদার্থ (Dark matter)
✔ মহাবিশ্বের মোট ভর-শক্তির হিসেব করলে গুপ্ত পদার্থের পরিমাণ প্রায় ২৭% এবং ডার্ক এনার্জি বা গুপ্ত শক্তির পরিমাণ প্রায় ৬৮%।
✔ আর সাধারণ বা দৃশ্যমান পদার্থ (যথা: গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা ইত্যাদি) মহাবিশ্বের মোট পদার্থের মাত্র প্রায় ১৭% গঠন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ তাত্ত্বিকভাবে নির্ধারিত কিন্তু সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয় এরূপ পদার্থকে গুপ্ত পদার্থ (Dark matter) বলে।
✔ এরা আলো বা অন্য কোনো বিদ্যুৎচৌম্বকীয় বিকিরণ নির্গত বা শোষণ করে না, ফলে এদের সরাসরি দেখা যায় না।
✔ মহাবিশ্বের ভরের একটি বিশাল অংশ এই গুপ্ত পদার্থ দিয়ে গঠিত বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন। এর অস্তিত্ব কেবল মহাকর্ষীয় প্রভাবের মাধ্যমে অনুধাবন করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে বেরিয়ন বলা হয়।
✔ যেসব হ্যাড্রন কণা তিনটি কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত, তাদের বেরিয়ন বলে।
✔ প্রোটন এবং নিউট্রন উভয়েই তিনটি করে কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত হওয়ায় এরা বেরিয়ন পরিবারের সদস্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটন (Proton) হলো একটি ব্যারিয়ন কণা যা তিনটি কোয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
দুটি আপ কোয়ার্ক (up quark) এবং একটি ডাউন কোয়ার্ক (down quark) মিলে একটি প্রোটন তৈরি করে (uud)।
• আপ কোয়ার্কের চার্জ +২/৩ এবং ডাউন কোয়ার্কের চার্জ -১/৩। তাই প্রোটনের মোট চার্জ = (+২/৩) + (+২/৩) + (-১/৩) = +১।
অতিরিক্ত তথ্য: একটি আপ কোয়ার্ক এবং দুটি ডাউন কোয়ার্ক (udd) মিলে একটি নিউট্রন তৈরি করে যার মোট চার্জ শূন্য (০)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Higgs প্রক্রিয়া (Higgs mechanism) হলো মূলত ভর তৈরির প্রক্রিয়া

• কণা পদার্থবিজ্ঞানের প্রমিত মডেল (Standard Model) অনুযায়ী, মহাবিশ্বের প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক কণাগুলো ভরহীন ছিল।
• পরবর্তীতে হিগস ফিল্ডের (Higgs field) সাথে মিথস্ক্রিয়ার (interaction) মাধ্যমে মৌলিক কণাগুলো (যেমন- ইলেকট্রন, কোয়ার্ক) তাদের নিজস্ব ভর (Mass) লাভ করে।
• যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কণাগুলো হিগস বোসন কণার সাথে যুক্ত হয়ে ভর অর্জন করে, তাকেই পদার্থবিজ্ঞানে Higgs প্রক্রিয়া বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোয়ার্ক (Quark) হলো এক ধরণের ফার্মিয়ন (Fermion) শ্রেণির মৌলিক কণা।
• পাউলির বর্জন নীতি অনুযায়ী, সকল ফার্মিয়ন কণার স্পিন একটি অর্ধ-পূর্ণসংখ্যা (Half-integer) হয়ে থাকে।
• তাই কোয়ার্কের স্পিন হলো ১/২ (1/2) এবং কোয়ার্কের ব্যারিয়ন সংখ্যা হলো ১/৩ (1/3)
অতিরিক্ত তথ্য: বোসন শ্রেণির মৌলিক কণাগুলোর (যেমন- ফোটন, গ্লুয়ন) স্পিন পূর্ণসংখ্যা (০, ১, ২) হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পজিট্রন (Positron) হলো ইলেকট্রনের অ্যান্টিপার্টিকেল বা প্রতিকণা।
• একটি পজিট্রনের ভর ইলেকট্রনের ভরের ঠিক সমান (৯.১১ × ১০⁻³¹ কেজি)।
• এদের মধ্যে পার্থক্য শুধু আধানে; ইলেকট্রনের চার্জ ঋণাত্মক (-1e) হলেও পজিট্রনের চার্জ ধনাত্মক (+1e)।
• ভরের এই সামঞ্জস্যের কারণে পজিট্রনকে অনেক সময় ধনাত্মক ইলেকট্রনও বলা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে মূলত প্রোটন এবং নিউট্রন অবস্থান করে।
• এই প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে 'নিউক্লিয়ন' (Nucleon) বলা হয়।
• নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে সবল নিউক্লীয় বল (Strong nuclear force) প্রোটন ও নিউট্রনদের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী আকর্ষণ সৃষ্টি করে, যা তাদের নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ রাখে।
• অন্যদিকে, গ্রাভিটন হলো মহাকর্ষ বলের বাহক কণা এবং আয়ন হলো চার্জযুক্ত পরমাণু বা অণু।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফোটন (Photon) কণার কোনো আলাদা প্রতিকণা বা অ্যান্টিপার্টিকেল (Antiparticle) নেই, কারণ ফোটন নিজেই নিজের প্রতিকণা।

ফোটনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:
• ফোটন হলো আলো বা তাড়িতচৌম্বক বিকিরণের মৌলিক কণা বা কোয়ান্টাম।
• এটি সর্বদা আলোর বেগে (c) চলাচল করে।
• আলোর বেগে চলার কারণে আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে এর নিশ্চল ভর (Rest mass) শূন্য হয়।
• ফোটনের কোনো বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জ নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ আধানবিশিষ্ট।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লেপটন (Lepton) হলো এমন এক ধরনের মৌলিক কণা যা সবল নিউক্লীয় বল দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
• প্রকৃতিতে মোট ৬টি লেপটন কণা পাওয়া যায়। এগুলো হলো: ইলেকট্রন, মিউয়ন, টাউ এবং এদের তিনটি নিউট্রিনো (ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউয়ন নিউট্রিনো, টাউ নিউট্রিনো)।
• অন্যদিকে প্রোটন ও নিউট্রন হলো হ্যাড্রন (ব্যারিওন) শ্রেণির এবং পাইয়ন হলো হ্যাড্রন (মেসন) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
• সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন হলো লেপটন শ্রেণির কণা।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0