তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব (155 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রতি আচরণের ওপর ভিত্তি করে পদার্থগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
- ফেরোচৌম্বক পদার্থ: চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং স্থায়ী চুম্বকে পরিণত করা যায়। যেমন: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট
- প্যারাচৌম্বক পদার্থ: চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে আকৃষ্ট হয়। যেমন: প্লাটিনাম, অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম।
- ডায়াচৌম্বক পদার্থ: চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয়। যেমন: অ্যান্টিমনি, বিসমাথ, তামা, পানি।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য: বৈজ্ঞানিক তথ্যমতে 'কোবাল্ট' হলো ফেরোচুম্বক পদার্থ এবং 'অ্যান্টিমনি' হলো ডায়াচুম্বক পদার্থ। তাই প্রশ্নের অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কোবাল্ট হওয়া যৌক্তিক।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নরম লোহার (Soft iron) চৌম্বক ধারণ ক্ষমতা ও সহনশীলতা কম কিন্তু চৌম্বক প্রবণতা অনেক বেশি।
- এর ভেতর দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে এটি দ্রুত শক্তিশালী চুম্বকে পরিণত হয় এবং প্রবাহ বন্ধ করলে দ্রুত চুম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে।
- সহজে চুম্বকায়িত ও অচুম্বকায়িত হওয়ার এই বৈশিষ্ট্যের কারণে নরম লোহা তড়িৎ চুম্বক (Electromagnet) তৈরিতে সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
- কলিং বেল, ট্রান্সফরমারের মজ্জা, ডায়নামো প্রভৃতিতে তড়িৎ চুম্বক তৈরি করতে কাঁচা বা নরম লোহা ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্থায়ী চুম্বক নির্মাণে এমন পদার্থ ব্যবহার করা হয় যাদের চৌম্বক ধারণ ক্ষমতা (Retentivity) এবং চৌম্বক সহনশীলতা (Coercivity) উভয়ই উচ্চ
- উচ্চ চৌম্বক ধারণ ক্ষমতা: এর ফলে পদার্থটি দীর্ঘকাল ধরে শক্তিশালী চৌম্বকত্ব বজায় রাখতে পারে।
- উচ্চ চৌম্বক সহনশীলতা: এর ফলে সহজে অন্য কোনো বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র বা আঘাতের কারণে পদার্থটির চুম্বকত্ব নষ্ট হয় না।
- ইস্পাত (Steel)-এর এই দুটি গুণই উচ্চ হওয়ায় এটি স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে বেশি উপযোগী। অন্যদিকে কাঁচা বা নরম লোহার চৌম্বক ধারণ ক্ষমতা কম হওয়ায় তা অস্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাউডস্পিকারে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়, অস্থায়ী চুম্বক নয়। কারণ লাউডস্পিকারে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন করার জন্য স্থায়ী চুম্বকের চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে তড়িৎ প্রবাহযুক্ত কয়েলের মিথস্ক্রিয়া প্রয়োজন, যা কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করে।
অন্যদিকে জেনারেটর, বৈদ্যুতিক মোটর এবং কলিং বেল-এ অস্থায়ী চুম্বক বা তড়িৎ চুম্বক ব্যবহার করা হয়। কারণ এই ডিভাইসগুলিতে তড়িৎ প্রবাহের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি বা বন্ধ করার প্রয়োজন হয়, যা অস্থায়ী চুম্বক দিয়েই সম্ভব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থ: এদের শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করলে অল্প চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় কিন্তু চুম্বকায়ন মাত্রার দিক প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের বিপরীত দিকে হয়।
প্যারাচৌম্বক (Paramagnetic) পদার্থ: এদের শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করলে অল্প চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং চুম্বকায়ন মাত্রার দিক প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের দিকে হয়।
ফেরোচৌম্বক (Ferromagnetic) পদার্থ: এদের চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করলে প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের দিকে তীব্রভাবে চুম্বকত্ব লাভ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেরোচৌম্বক (Ferromagnetic) পদার্থের চৌম্বক প্রবেশ্যতা খুব বেশি হয়।
• এদের আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা (Relative permeability), μr ≫ 1 (প্রায় 102 থেকে 105 পর্যন্ত হতে পারে)।
• এর ফলে এরা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়।
উদাহরণ: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থের চৌম্বক প্রবেশ্যতা শূন্যস্থানের প্রবেশ্যতার চেয়ে কম হয়।
• এদের আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা (Relative permeability), μr < 1।
প্যারাচৌম্বক পদার্থ: এদের আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা শূন্যস্থানের চেয়ে সামান্য বেশি (μr > 1)।
ফেরোচৌম্বক পদার্থ: এদের আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা শূন্যস্থানের চেয়ে অনেক বেশি (μr ≫ 1)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাইকেল ফ্যারাডে (Michael Faraday)-কে তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের (Electromagnetic induction) জনক বলা হয়।
• ১৮৩১ সালে তিনি প্রথম আবিষ্কার করেন যে, একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র একটি বদ্ধ বর্তনীতে তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি করতে পারে।
অন্যান্য বিজ্ঞানীদের অবদান:
ওয়েরস্টেড: তড়িৎপ্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
লেঞ্জ: আবিষ্ট তড়িৎপ্রবাহের দিক নির্ণয়ের সূত্র প্রদান করেন।
অ্যাম্পিয়ার: তড়িৎগতিবিদ্যার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চুম্বকের মেরু শক্তির (Magnetic pole strength) একক হলো A.m (অ্যাম্পিয়ার-মিটার)
• চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক (Magnetic dipole moment), M = মেরু শক্তি (m) × চৌম্বক দৈর্ঘ্য (2l)।
• যেহেতু চৌম্বক ভ্রামকের একক A.m2 এবং দৈর্ঘ্যের একক m, তাই মেরু শক্তির একক হবে A.m

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়।
এদেরকে বাহ্যিক কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে এরা চুম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে।
কয়েকটি ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ: বিসমাথ, তামা, পানি, সোনা, রূপা, অ্যান্টিমনি ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কঠিন অবস্থায় লোহা এবং নিকেল ফেরোচৌম্বক (Ferromagnetic) পদার্থ হলেও, এদের লবণের দ্রবণ প্যারাচৌম্বক (Paramagnetic) পদার্থ হিসেবে আচরণ করে।
কারণ দ্রবণে এদের আয়নগুলো মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং ফেরোচুম্বকত্বের জন্য প্রয়োজনীয় ডোমেন (Domain) গঠন করতে পারে না। ফলে এগুলো চুম্বক দ্বারা কেবল ক্ষীণভাবে আকর্ষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে আকর্ষিত হয় তাদেরকে প্যারাচৌম্বক (Paramagnetic) পদার্থ বলে।
অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
অন্যদিকে, তামা (Copper) হলো একটি ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থ, যা শক্তিশালী চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেরোচুম্বকত্ব হলো সেই ভৌত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট বস্তু স্থায়ী চুম্বক তৈরি করে বা কোনো চুম্বক কর্তৃক প্রবলভাবে আকর্ষিত হয়।
লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং এদের সংকর ধাতুসমূহ হলো ফেরোচৌম্বকীয় (Ferromagnetic) পদার্থের উদাহরণ।
অন্যদিকে, বিসমাথ একটি ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থ। এটি একটি সাদা, রূপালী-গোলাপী রঙের ভঙ্গুর ধাতু, যার উপর প্রায়শই হলুদ থেকে নীল বিভিন্ন রঙের আভাযুক্ত অক্সাইডের আবরণ পড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে 'পাউন্ড' শব্দটি ভুলবশত ব্যবহৃত হয়েছে, সঠিক শব্দটি হবে 'গাউস' (Gauss)। কারণ টেসলা (Tesla) হলো চৌম্বক ক্ষেত্রের (Magnetic Flux Density) একক, অন্যদিকে পাউন্ড হলো ভরের একক।

চৌম্বক ক্ষেত্রের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিচে দেওয়া হলো:
- SI পদ্ধতিতে চৌম্বক ক্ষেত্রের একক: টেসলা (Tesla, T)
- CGS পদ্ধতিতে চৌম্বক ক্ষেত্রের একক: গাউস (Gauss, G)

টেসলা এবং গাউসের মধ্যকার গাণিতিক সম্পর্ক:
আমরা জানি,
1 Tesla (T) = 10,000 Gauss (G) = 104 Gauss

সুতরাং, ঐকিক নিয়মে পাই,
1 Gauss = 1 / 104 Tesla
1 Gauss = 10-4 Tesla

অতএব, 1 গাউস সমান 10-4 T (Tesla)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
1 বোর ম্যাগনেটন (Bohr magneton) হলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে চৌম্বক ভ্রামকের একটি ভৌত ধ্রুবক এবং একক।
এর গাণিতিক মান হলো 9.27×10-24 Am2 (বা J/T)।
পারমাণবিক ও উপপারমাণবিক স্তরে ইলেকট্রনের চৌম্বক ভ্রামক প্রকাশের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়, তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে।
এখানে, সোনা (Gold) হলো একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
* কোবাল্ট: ফেরোচৌম্বক পদার্থ।
* প্লাটিনাম ও তরল অক্সিজেন: প্যারাচৌম্বক পদার্থ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেরোচুম্বকত্ব হলো সেই ভৌত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট বস্তু স্থায়ী চুম্বক তৈরি করে বা কোনো চুম্বক কর্তৃক প্রবলভাবে আকর্ষিত হয়।
লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট হলো শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোচৌম্বকীয় পদার্থের উদাহরণ।
অন্যদিকে, বিসমাথ একটি সাদা, রূপালী-গোলাপী রঙের ভঙ্গুর ধাতু, যা চৌম্বক পদার্থ নয় (এটি মূলত একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ যা চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয়)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো ফেরোচৌম্বক পদার্থ তার চুম্বকত্ব বা ফেরোচৌম্বকীয় ধর্ম হারিয়ে প্যারাচৌম্বক পদার্থে পরিণত হয়, তাকে কুরি তাপমাত্রা (Curie Temperature) বা কুরি বিন্দু বলা হয়।
যেমন: লোহার কুরি তাপমাত্রা হলো ৭৭০°C (বা ১০৪৩ K)। এই তাপমাত্রার উপরে লোহা প্যারাচৌম্বক পদার্থ হিসেবে আচরণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থের পরমাণু বা অণুগুলোতে ইলেকট্রনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে এবং এদের স্পিন বিপরীতমুখী হয়।
বিপরীতমুখী স্পিনের কারণে এরা একে অপরের চৌম্বক ভ্রামককে বাতিল করে দেয়। ফলে এই পদার্থের অণু বা পরমাণুর কোনো স্থায়ী বা নিট চৌম্বক মোমেন্ট (Magnetic moment) থাকে না
অন্যদিকে প্যারাচৌম্বক এবং ফেরোচৌম্বক পদার্থের স্থায়ী চৌম্বক মোমেন্ট থাকে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্যারাচৌম্বক (Paramagnetic) পদার্থ: এদের শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করলে অল্প চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং চুম্বকায়ন মাত্রার দিক প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের দিকে হয়।
ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থ: এদের শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করলে অল্প চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় কিন্তু চুম্বকায়ন মাত্রার দিক প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের বিপরীত দিকে হয়।
যেহেতু প্রথম ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব চৌম্বকক্ষেত্রের দিকে এবং দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বিপরীত দিকে, তাই বস্তু দুটি যথাক্রমে প্যারাচৌম্বক ও ডায়াচৌম্বক
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো দণ্ড চুম্বকের চৌম্বক মোমেন্ট (M) হলো এর মেরুশক্তি (m) এবং চৌম্বক দৈর্ঘ্যের (2l) গুণফল। অর্থাৎ, M = m × 2l
চুম্বকটিকে সমান দু'ভাগে ভাগ করা হলে (দৈর্ঘ্য বরাবর বা প্রস্থ বরাবর যেভাবেই কাটা হোক না কেন), প্রতিটি অংশের চৌম্বক মোমেন্ট পূর্বের অর্ধেক হয়ে যায়।
দৈর্ঘ্য বরাবর কাটলে: মেরুশক্তি অর্ধেক (m/2) হয়, কিন্তু দৈর্ঘ্য (2l) একই থাকে। ফলে নতুন মোমেন্ট = (m/2) × 2l = M/2
প্রস্থ বরাবর কাটলে: মেরুশক্তি (m) একই থাকে, কিন্তু দৈর্ঘ্য অর্ধেক (l) হয়। ফলে নতুন মোমেন্ট = m × l = M/2
সুতরাং, প্রতিটি অংশের চৌম্বক মোমেন্ট হবে M/2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, ভূ-চুম্বকত্বের অনুভূমিক উপাংশ H এবং উল্লম্ব উপাংশ V
প্রশ্নমতে, H = √3 V
আমরা জানি, বিনতি কোণ θ হলে,
tanθ = V / H
⇒ tanθ = V / (√3 V)
⇒ tanθ = 1 / √3
⇒ tanθ = tan(30º)
θ = 30º
সুতরাং, ঐ স্থানে বিনতি কোণ 30º।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্যারাচৌম্বক পদার্থের ক্ষেত্রে চৌম্বক প্রবণতা (χ) এবং পরম উষ্ণতা (T) এর মধ্যকার সম্পর্কটি কুরির সূত্র (Curie's Law) দ্বারা সংজ্ঞায়িত।
কুরির সূত্রানুসারে, কোনো প্যারাচৌম্বক পদার্থের চৌম্বক প্রবণতা এর পরম তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে চৌম্বক প্রবণতা হ্রাস পায়।
গাণিতিকভাবে, χ ∝ 1/T বা χ = C/T (যেখানে C হলো কুরি ধ্রুবক)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয়, তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ (Diamagnetic material) বলে। বিসমাথ (Bismuth) একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ, তাই এটি চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয়।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চৌম্বক পদার্থ:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ (বিকর্ষিত হয়): বিসমাথ, তামা, সোনা, রূপা, দস্তা, পানি, পারদ ইত্যাদি।
প্যারাচৌম্বক পদার্থ (সামান্য আকৃষ্ট হয়): অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, সোডিয়াম, অক্সিজেন ইত্যাদি।
ফেরোচৌম্বক পদার্থ (প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়): লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেরোচৌম্বক পদার্থের নির্দিষ্ট কুরি বিন্দু থাকে। কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা হলো সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, যার উপরে কোনো ফেরোচৌম্বক পদার্থ তার চুম্বকত্ব হারিয়ে প্যারাচৌম্বক পদার্থে পরিণত হয়।
ফেরোচৌম্বক পদার্থের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য:
• এসব পদার্থ কঠিন ও স্ফটিকাকার হয়।
• এদের চৌম্বক ধারকত্ব (Retentivity) ধর্ম আছে।
• এদের চৌম্বক প্রবণতা (Magnetic Susceptibility) ধনাত্মক এবং এর মান অনেক বেশি হয়।
তাই নির্দিষ্ট কুরি বিন্দু নেই উক্তিটি সঠিক নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে তাপমাত্রায় ফেরোচৌম্বক পদার্থ তার চৌম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে, তাকে কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা বলে।
কোবাল্টের (Cobalt) কুরি বিন্দু হলো ১১০০ºC
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কুরি বিন্দু:
• লোহা: ৭৭০ºC
• নিকেল: ৩৫৮ºC
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফেরোচৌম্বক পদার্থের (Ferromagnetic material) ক্ষেত্রে আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতা (μ) ১ এর চেয়ে অনেক বেশি হয়।
• অর্থাৎ, এদের ক্ষেত্রে μ >> 1 হয়।
এ ধরনের পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকর্ষিত হয় এবং এদের চৌম্বক প্রবণতাও ধনাত্মক ও অনেক বড় হয়। উদাহরণ: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে আকর্ষিত হয়, তাদের প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে।
দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে প্লাটিনাম একটি প্যারাচৌম্বক পদার্থ।
অন্যান্য অপশনের ক্ষেত্রে:
সোনা ও রূপা: ডায়াচৌম্বক পদার্থ।
নিকেল: ফেরোচৌম্বক পদার্থ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডায়াচৌম্বক পদার্থ (Diamagnetic material) হলো সেই সব পদার্থ যাদের চৌম্বক প্রবণতা (K) ঋণাত্মক এবং আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতা (μ) ১ এর চেয়ে কম।
• আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতা: μ < 1
• চৌম্বক প্রবণতা: K < 0 (অর্থাৎ ঋণাত্মক)
উদাহরণ: তামা, সোনা, রূপা, পানি ইত্যাদি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে তাপমাত্রায় একটি চুম্বকের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত বা নষ্ট হয়ে যায়, তাকে উক্ত চুম্বকের কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা বলে।
যেমন: লোহার কুরি বিন্দু ৭৭০ºC বা ১০৪৩ K
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0