সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স (200 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
USB-এর পূর্ণরূপ হলো Universal Serial Bus
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে ইন্টারফেস, যা কম্পিউটার এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসের (যেমন- কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ, প্রিন্টার ইত্যাদি) মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কানেকশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
URL- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Uniform Resource Locator
কোনো ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইটের বা রিসোর্সের একটি একক ঠিকানা।
প্রতিটি URL-এ সাধারণত ওয়েব প্রটোকল (যেমন- http/https), ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন), সার্ভারের ডিরেক্টরি বা ফোল্ডারের নাম এবং নির্দিষ্ট ফাইলের নাম যুক্ত থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বুলিয়ান অ্যালজেবরার নিয়ম অনুযায়ী ফাংশনটির সরলীকরণ:
F = (A+B)(A+C)
= A.A + A.C + A.B + B.C
= A + AC + AB + BC (যেহেতু A.A = A)
= A(1 + C + B) + BC
= A.1 + BC (যেহেতু 1 + যেকোনো চলক = 1)
= A + BC
বিকল্পভাবে, এটি বুলিয়ান অ্যালজেবরার একটি সরাসরি বণ্টন সূত্র বা Distributive Law।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লজিক গেটের ক্ষেত্রে:
X-OR গেট: ইনপুট দুটি ভিন্ন (যেমন: 0,1 বা 1,0) হলে আউটপুট 1 (High) হয় এবং ইনপুট দুটি একই (0,0 বা 1,1) হলে আউটপুট 0 (Low) হয়।
যেহেতু LED-এর ক্যাথোড 0V (গ্রাউন্ড)-এ যুক্ত আছে, তাই LED টি জ্বলে ওঠার জন্য এর অন্য প্রান্তে বা আউটপুটে 1 (High) ভোল্টেজ প্রয়োজন।
সুতরাং, ইনপুট 0 এবং 1 হলে X-OR গেটের আউটপুট 1 হবে এবং LED টি জ্বলে উঠবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
X-OR (Exclusive OR) গেইটকে অনেক সময় 'বিজোড় ফাংশন' (Odd Function) বা 'অড-প্যারিটি জেনারেটর' বলা হয়।

বুলিয়ান অ্যালজেবরার নিয়ম অনুযায়ী, X-OR গেইটের ইনপুটগুলোতে বিজোড় সংখ্যক 1 (Odd number of 1s) থাকলে আউটপুট 1 (High) হয়। আর জোড় সংখ্যক 1 থাকলে বা সবগুলো 0 থাকলে আউটপুট 0 (Low) হয়।

অন্যদিকে:
১. X-NOR গেইট: ইনপুটে জোড় সংখ্যক 1 (বা সমান ইনপুট) থাকলে আউটপুট 1 হয়।
২. AND গেইট: সবগুলো ইনপুট 1 হলেই কেবল আউটপুট 1 হয়।
৩. NOT গেইট: এটি একটি ইনভার্টার, ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হয়।

অতএব, X-OR গেইটের ইনপুটে বিজোড় সংখ্যক 1 হলে আউটপুট 1 হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
X-OR (Exclusive OR) গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুটগুলো অসমান (বিজোড় সংখ্যক 1) হলে আউটপুট 1 হয় এবং ইনপুটগুলো সমান (যেমন: সবগুলো 0 বা সবগুলো 1) হলে আউটপুট 0 হয়।

২-ইনপুট বিশিষ্ট গেইটগুলোর সত্যক সারণি (Truth Table) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
১. AND গেইট: সকল ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়।
২. OR গেইট: যেকোনো একটি বা সকল ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়।
৩. X-NOR গেইট: সকল ইনপুট একই (সব 0 বা সব 1) হলে আউটপুট 1 হয়।
৪. X-OR গেইট: সকল ইনপুট একই (সব 0 বা সব 1) হলে আউটপুট 0 হয়।

তাই, X-OR গেইটের সকল ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে না (0 হবে)।

শর্টকাট মনে রাখার উপায়:
X-OR গেইটের ক্ষেত্রে "একই ইনপুটে 0, ভিন্ন ইনপুটে 1"। অর্থাৎ ইনপুট দুটি 1 (একই) হলে আউটপুট 0 হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে লজিক গেইটের সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) অন্যান্য যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সর্বজনীন গেইট (Universal Gate) বলে।

লজিক গেইটগুলোর প্রকারভেদ:
১. মৌলিক গেইট (Basic Gate): AND, OR, NOT
২. সর্বজনীন গেইট (Universal Gate): NAND এবং NOR
৩. বিশেষ গেইট (Special Gate): XOR এবং XNOR

এখানে অপশনগুলোর মধ্যে NOT এবং OR হলো মৌলিক গেইট এবং X-OR হলো বিশেষ গেইট। শুধুমাত্র NAND হলো সর্বজনীন গেইট যা AND ও NOT গেইটের সমন্বয়ে গঠিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লজিক্যাল অপারেশনের ওপর ভিত্তি করে লজিক গেইটগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ১. মৌলিক লজিক গেইট এবং ২. যৌগিক লজিক গেইট।
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় তিনটি মৌলিক অপারেশন রয়েছে- যোগ, গুণ ও পূরক। এই তিনটি অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত গেইটগুলোই মৌলিক লজিক গেইট।

মৌলিক লজিক গেইট ৩টি:
১. OR Gate (যৌক্তিক যোগ)
২. AND Gate (যৌক্তিক গুণ)
৩. NOT Gate (যৌক্তিক পূরক)

অন্যদিকে, একাধিক মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে তৈরি গেইটকে যৌগিক গেইট বলে।
যৌগিক লজিক গেইটগুলো হলো:
১. সর্বজনীন গেইট (Universal Gate): NAND এবং NOR
২. বিশেষ গেইট (Special Gate): XOR এবং XNOR

যেহেতু NAND গেইটটি AND এবং NOT গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সর্বজনীন গেইট, তাই এটি কোনো মৌলিক লজিক গেইট নয়। অন্যদিকে AND, OR এবং NOT হলো মৌলিক গেইট।

শর্টকাট মনে রাখার উপায়:
মৌলিক গেইট মাত্র ৩টি: AND, OR, NOT। এই তিনটি নামের বাইরে থাকা অন্যান্য গেইটগুলো (যেমন: NAND, NOR, XOR, XNOR) মৌলিক লজিক গেইট নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, NOR গেইট হলো OR গেইট এবং NOT গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক গেইট। বুলিয়ান অ্যালজেবরা অনুযায়ী, OR গেইটের আউটপুটকে NOT গেইটের মধ্য দিয়ে চালনা করলেই NOR গেইট পাওয়া যায়।
যেকোনো ইনপুট A এবং B এর জন্য NOR গেইটের বুলিয়ান সমীকরণটি হলো:
Y = (A + B)'
সত্যক সারণি (Truth Table) বিশ্লেষণ করে পাই:
১. যখন A = 0, B = 0; তখন Y = (0 + 0)' = 1
২. যখন A = 0, B = 1; তখন Y = (0 + 1)' = 0
৩. যখন A = 1, B = 0; তখন Y = (1 + 0)' = 0
৪. যখন A = 1, B = 1; তখন Y = (1 + 1)' = 0
উপরের সত্যক সারণি থেকে দেখা যাচ্ছে, যখন যেকোনো একটি ইনপুট 1 অথবা দুটি ইনপুটই 1 হয়, তখন আউটপুট '0' হয়। একমাত্র যখন সকল ইনপুট '0' হয়, তখনই আউটপুট '1' হয়।

শর্টকাট মনে রাখার উপায়:
NOR মানে হলো "Not OR"। OR গেইটে যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়। তাই NOR গেইটে এর ঠিক উল্টোটি ঘটবে। অর্থাৎ, যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হবে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে লজিক গেটের সাহায্যে মৌলিক গেটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেট (Universal Gate) বলে।
- NAND ও NOR গেটকে সার্বজনীন গেট বলা হয়।
- কারণ শুধুমাত্র NAND গেট বা শুধুমাত্র NOR গেট দিয়ে মৌলিক গেটসহ যেকোনো লজিক সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
- সার্বজনীন গেট তৈরিতে খরচ কম বিধায় ডিজিটাল সার্কিটে এই গেটগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
NOR গেট মূলত OR এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক গেট।
- OR গেটের আউটপুটের সাথে একটি NOT গেট যুক্ত করে NOR গেট তৈরি করা হয় (NOR = OR + NOT)।
- অন্যদিকে, NAND গেট তৈরি হয় AND এবং NOT গেটের সমন্বয়ে (NAND = AND + NOT)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডিজিটাল লজিক সার্কিটে মৌলিক গেট (Basic Gates) হলো তিনটি: AND, OR এবং NOT গেট।
- NOR গেট একটি যৌগিক গেট (Universal gate), যা OR এবং NOT গেটের সমন্বয়ে তৈরি হয়। তাই এটি মৌলিক গেট নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
AND গেট মূলত যৌক্তিক গুণের (Logical Multiplication) কাজ করে।
- এই গেটের সকল ইনপুট 1 হলেই কেবল আউটপুট 1 হয়।
- যেকোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়ে যায়।
অন্যান্য গেট:
- NOR গেট: সকল ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হয়।
- X-OR গেট: ইনপুটগুলো অসমান বা ভিন্ন হলে আউটপুট 1 হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
NOT gate-কে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়। এর একটি মাত্র ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে।
- এর ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয় এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হয়।
অন্যান্য গেটের ক্ষেত্রে:
- X-NOR গেট: ইনপুট দুটি একই (0,0 বা 1,1) হলে আউটপুট 1 হয় এবং ভিন্ন (0,1 বা 1,0) হলে 0 হয়।
- X-OR গেট: ইনপুট দুটি ভিন্ন হলে আউটপুট 1 হয় এবং একই হলে 0 হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- AND গেইট ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় NAND গেইট।
- অর্থাৎ, AND Gate + NOT Gate = NAND Gate

অন্যান্য গেইটসমূহ:
- OR Gate + NOT Gate = NOR Gate
- NAND ও NOR গেইটকে যৌগিক গেইট এবং সার্বজনীন গেইট (Universal Gate) বলা হয়।
- এছাড়া X-OR ও X-NOR গেইট দুটিকে বিশেষ গেইট (Special Gate) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
এমিটার কারেন্ট, IE = 0.83 mA
বেস কারেন্ট, IB = 0.03 mA

আমরা জানি, কালেক্টর কারেন্ট IC = IE - IB
IC = 0.83 - 0.03 = 0.80 mA

সাধারণ বেস সংযোগে (Common Base Configuration) কারেন্ট গেইন বা কারেন্ট এমপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর,
α = IC / IE
α = 0.80 / 0.83 = 0.9638... ≈ 0.97
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় AND গেইট মূলত যৌক্তিক গুণের (Logical Multiplication) কাজ করে।

অন্যান্য বেসিক গেইটের কাজ:
- OR গেইট: যৌক্তিক যোগের (Logical Addition) জন্য ব্যবহৃত হয়।
- NOT গেইট: যৌক্তিক পূরকের (Logical Complement বা Inversion) জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় AND গেইট মূলত যৌক্তিক গুণের (Logical Multiplication) কাজ করে।

অন্যান্য বেসিক গেইটের কাজ:
- OR গেইট: যৌক্তিক যোগের (Logical Addition) জন্য ব্যবহৃত হয়।
- NOT গেইট: যৌক্তিক পূরকের (Logical Complement বা Inversion) জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ট্রানজিস্টরের কারেন্ট সম্পর্ক:
- IE (এমিটার কারেন্ট) = IC (কালেক্টর কারেন্ট) + IB (বেস কারেন্ট)
- সুতরাং সমীকরণটি দাঁড়ায়, IE - IB = IC

কারণ:
- কিরচফের কারেন্ট ল অনুযায়ী, যে কোন জংশনে প্রবেশকারী কারেন্টের যোগফল এবং বহির্গামী কারেন্টের যোগফল সমান।
- এমিটার থেকে প্রবেশকৃত কারেন্ট দুটি ভাগে বিভক্ত হয়।

কারেন্টের প্রবাহ:
- প্রধান অংশ কালেক্টরে যায় (IC)।
- অল্প একটি অংশ বেসে যায় (IB)।

অনুপাত:
- সাধারণত IC >> IB
- IE ≈ IC (কারণ IB খুব ছোট)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 2 এবং শুধুমাত্র 0 ও 1 ব্যবহার করে সকল সংখ্যা লেখা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। যেহেতু এতে মোট ২টি অঙ্ক ব্যবহৃত হয়, তাই এর বেইজ 2।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে ছোট সংখ্যা (1001) থেকে বড় সংখ্যা (1011) বিয়োগ করতে বলা হয়েছে।
বীজগণিতের নিয়ম অনুযায়ী, ছোট সংখ্যা থেকে বড় সংখ্যা বিয়োগ করার ক্ষেত্রে বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যাটি বিয়োগ করে ফলের আগে একটি ঋণাত্মক (-) চিহ্ন বসাতে হয়।

দশমিক সমতুল্য মান দিয়ে যাচাই:
1001 এর দশমিক মান = 8 + 1 = 9
1011 এর দশমিক মান = 8 + 2 + 1 = 11
এখন, 9 - 11 = -2

বাইনারি বিয়োগ:
বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যাটি বিয়োগ করি:
  1011
- 1001
---------
  0010 (যার দশমিক মান 2)

যেহেতু প্রথম সংখ্যাটি ছোট, তাই বিয়োগফলের আগে একটি ঋণাত্মক চিহ্ন বসবে।
সুতরাং, নির্ণেয় বিয়োগফল: -0010
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেস (Base) হলো সেই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মোট মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্কের সংখ্যা।

হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে মোট ১৬টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
চিহ্নগুলো হচ্ছে-- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F

যেহেতু এখানে মোট ১৬টি অঙ্ক বা প্রতীক রয়েছে, তাই হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে কোনো সংখ্যার পরের সংখ্যা বের করতে হলে তার সাথে ১ যোগ করতে হয়।

প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো: (99)16
এখানে, ডানদিকের অঙ্কটি হলো 9
হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে 9 এর ঠিক পরের অঙ্কটি হলো A (যেহেতু 9 এর পর 10 আসে এবং হেক্সাডেসিমালে 10 কে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়)।

সুতরাং, 99 এর সাথে 1 যোগ করলে:
  99
+  1
----
  9A

অতএব, (99)16 এর পরের সংখ্যাটি হবে (9A)16
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাইনারি বিয়োগের নিয়ম অনুযায়ী:
0 - 0 = 0
1 - 0 = 1
1 - 1 = 0
0 - 1 = 1 (এখানে ধার বা borrow 1 থাকে)

প্রদত্ত সংখ্যার বিয়োগফল:
  11001
- 01010 (অঙ্ক সংখ্যা সমান করতে বামে 0 বসানো হলো)
---------
  01111 বা 1111

ধাপে ধাপে বিয়োগ:
১ম বিট (ডানদিক থেকে): 1 - 0 = 1
২য় বিট: 0 - 1 = 1 (ধার 1 থাকে)
৩য় বিট: 0 - 0 - 1 (ধার) = 0 - 1 = 1 (ধার 1 থাকে)
৪র্থ বিট: 1 - 1 - 1 (ধার) = 0 - 1 = 1 (ধার 1 থাকে)
৫ম বিট: 1 - 0 - 1 (ধার) = 1 - 1 = 0

সুতরাং, সঠিক উত্তর: 1111
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দশমিক সংখ্যা ১৫-কে অক্টাল এবং হেক্সাডেসিমেল-এ রূপান্তর করতে হবে।

অক্টালে রূপান্তর: দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
১. ১৫ কে ৮ দিয়ে ভাগ করলে: ১৫ ÷ ৮ = ১ (ভাগশেষ )
২. ১ কে ৮ দিয়ে ভাগ করলে: ১ ÷ ৮ = ০ (ভাগশেষ )
নিচ থেকে উপরের দিকে সাজিয়ে লিখলে পাওয়া যায়: (17)8

হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর: দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
১. ১৫ কে ১৬ দিয়ে ভাগ করলে: ১৫ ÷ ১৬ = ০ (ভাগশেষ ১৫)
২. হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে প্রকাশ করা হয় (A=10, B=11, C=12, D=13, E=14, F=15)।
সুতরাং, ১৫ এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান: F

অতএব, সঠিক উত্তর: 17 এবং F
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো: 0 থেকে 9 এবং A থেকে F পর্যন্ত। এখানে ইংরেজি বর্ণগুলো দিয়ে 10 থেকে 15 পর্যন্ত মান বোঝানো হয়।

হেক্সাডেসিমেল বর্ণের ডেসিমেল মান:
• A = 10
• B = 11
C = 12
• D = 13
• E = 14
• F = 15

সুতরাং, হেক্সাডেসিমেল 'C' এর ডেসিমেল মান হলো 12। এখন 12 কে 4-বিটের বাইনারিতে রূপান্তর করতে হবে।

বাইনারিতে রূপান্তর:
12 ÷ 2 = 6, ভাগশেষ 0
6 ÷ 2 = 3, ভাগশেষ 0
3 ÷ 2 = 1, ভাগশেষ 1
1 ÷ 2 = 0, ভাগশেষ 1

ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে ওপরের দিকে সাজালে পাই: 1100

শর্টকাট পদ্ধতি (8-4-2-1 কোড):
C বা 12 বানাতে 8 এবং 4 যোগ করতে হয় (8 + 4 = 12)।
তাই 8 এবং 4 এর ঘরে 1 বসবে এবং বাকি ঘরে 0 বসবে।
অর্থাৎ, 8 → 1, 4 → 1, 2 → 0, 1 → 0।
অতএব, নির্ণেয় বাইনারি মান: 1100
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো অক্টাল সংখ্যাকে ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটির প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অর্থাৎ 8^n দ্বারা গুণ করতে হয় (যেখানে n হলো অঙ্কের অবস্থান, যা পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে ডানদিক থেকে ০ দিয়ে শুরু হয়)।

ধাপে ধাপে সমাধান:
প্রদত্ত অক্টাল সংখ্যা = (206)₈

এখানে ডানদিক থেকে হিসাব করলে:
• 6 এর অবস্থান 0
• 0 এর অবস্থান 1
• 2 এর অবস্থান 2

এখন সূত্র অনুযায়ী মান বসিয়ে পাই:
= (2 × 8²) + (0 × 8¹) + (6 × 8⁰)
= (2 × 64) + (0 × 8) + (6 × 1) [যেহেতু 8⁰ = 1]
= 128 + 0 + 6
= 134

সুতরাং, (206)₈ এর সমতুল্য ডেসিমেল মান হলো 134
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাইনারি (Binary) পদ্ধতিতে মোট দুটি লজিক অবস্থা বা বিট ব্যবহার করা হয়। এই লজিক অবস্থা দুটি হলো ০ (শূন্য) এবং ১ (এক)

লজিক অবস্থার ব্যবহার:
ডিজিটাল সার্কিট বা কম্পিউটারে এই দুটি অবস্থাকে বিভিন্নভাবে প্রকাশ করা হয়:
লজিক ১: এর অর্থ হলো অন (ON), সত্য (True), হাই (High) বা বিদ্যুতের উপস্থিতি।
লজিক ০: এর অর্থ হলো অফ (OFF), মিথ্যা (False), লো (Low) বা বিদ্যুতের অনুপস্থিতি।

যেহেতু বাইনারি সিস্টেমে কেবল এই দুটি মৌলিক অবস্থা থাকে, তাই ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো n-বিট বাইনারি সংখ্যা দিয়ে মোট 2^n টি ভিন্ন ভিন্ন মান বা সংখ্যা প্রকাশ করা যায়।
এখানে বিট সংখ্যা, n = 4
সুতরাং, ৪ বিট দিয়ে মোট 2⁴ = 16 টি ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা বা অবস্থা গঠন করা যাবে।

অতিরিক্ত তথ্য:
• ৪ বিট দিয়ে গঠিত সংখ্যাগুলো ডেসিমেল বা দশমিকে ০ থেকে ১৫ পর্যন্ত হতে পারে।
• এর মধ্যে সর্বনিম্ন সংখ্যাটি হলো 0000 (ডেসিমেল ০) এবং সর্বোচ্চ মানের সংখ্যাটি হলো 1111 (ডেসিমেল ১৫)।
• যেহেতু ০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মোট ১৬টি অবস্থা তৈরি হয়, তাই ৪ বিটের সাহায্যে সর্বোচ্চ ১৬টি সংখ্যা প্রকাশ করা সম্ভব।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১০টি ডিজিট বা অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। অঙ্কগুলো হলো: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9।
যেহেতু এই পদ্ধতিতে মোট ১০টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করে গণনা করা হয়, তাই ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো ১০

অন্যান্য সংখ্যা পদ্ধতির ডিজিট ও ভিত্তি:
বাইনারি: ডিজিট ০ এবং ১ (মোট ২টি), ভিত্তি
অক্টাল: ডিজিট ০ থেকে ৭ পর্যন্ত (মোট ৮টি), ভিত্তি
হেক্সাডেসিমাল: ডিজিট ০-৯ এবং A-F (মোট ১৬টি), ভিত্তি ১৬

মনে রাখার উপায়:
ডেসিমেল (Decimal) শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'decem' থেকে এসেছে, যার অর্থ দশ। তাই এর ডিজিট সংখ্যা ১০টি।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0