স্থির তড়িৎ (143 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমীকরণটি স্থির তড়িৎবিদ্যার গাউসের সূত্র (Gauss's Law) নির্দেশ করে।

গাউসের সূত্র:
কোনো বদ্ধ তলের ভেতর দিয়ে অতিক্রান্ত মোট তড়িৎ ফ্লাক্স (Electric flux), ঐ তল দ্বারা বেষ্টিত মোট চার্জের 1/ε0 গুণের সমান।
গাণিতিকভাবে: ∫ E.ds = q/ε0

এখানে,
- E = তড়িৎক্ষেত্রের প্রাবল্য
- ds = ক্ষেত্রফলের ক্ষুদ্র অংশ
- q = বদ্ধ তলের ভেতরের মোট চার্জ
- ε0 = শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতা (Permittivity of free space)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো চার্জিত ধারকে (Capacitor) সঞ্চিত শক্তির সমীকরণগুলো হলো:
- U = 1/2 QV
- U = 1/2 CV2
- U = Q2 / 2C

এখানে, Q হলো চার্জ বা আধান, V হলো বিভব পার্থক্য এবং C হলো ধারকত্ব।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক রাশিমালা হলো U = 1/2 QV
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্বয়ংক্রিয় গণনাকারী যন্ত্রে বা অটোমেটিক কাউন্টারে আলোক তড়িৎ কোষ (Photoelectric cell) ব্যবহৃত হয়।

মূল কারণ:
অডিটোরিয়ামের প্রবেশদ্বারে একটি আলোক উৎস এবং একটি আলোক তড়িৎ কোষ মুখোমুখি বসানো থাকে। আলো যখন কোষের ওপর পড়ে, তখন একটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রবাহ চলতে থাকে। যখন কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করেন, তখন আলোর পথে বাধা তৈরি হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এই পরিবর্তনটিকে কাজে লাগিয়ে যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে দর্শক সংখ্যা গণনা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমান্তরাল পাত ধারকের একক আয়তনে সঞ্চিত স্থিতিশক্তিকে শক্তির ঘনত্ব (Energy density) বলা হয়।

সাধারণত শক্তির ঘনত্বের একক হলো joule/m3

তবে একে মাত্রাগতভাবে অন্য উপায়েও প্রকাশ করা যায়:
আমরা জানি, 1 joule = 1 N·m (নিউটন-মিটার)
তাহলে, একক আয়তনে শক্তি = joule/m3 = (N·m)/m3 = N/m2

সুতরাং, শক্তির ঘনত্বের একক হিসেবে joule/m3 এবং N/m2 উভয়ই সমতুল্য এবং সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, একাধিক ধারক সিরিজে (Series) যুক্ত থাকলে সমতুল্য ধারকত্বের (Cs) সূত্রটি হলো,
1/Cs = 1/C1 + 1/C2 + 1/C3 + 1/C4

এখানে প্রতিটি ধারকের মান সমান, অর্থাৎ C = 4 μF।
মান বসিয়ে পাই,
1/Cs = 1/4 + 1/4 + 1/4 + 1/4
বা, 1/Cs = 4/4
বা, 1/Cs = 1
Cs = 1 μF

শর্টকাট টেকনিক: যদি একই মানের n সংখ্যক ধারক সিরিজে যুক্ত থাকে, তবে সমতুল্য ধারকত্ব Cs = C / n
এখানে, 4 μF এর 4টি ধারক, তাই Cs = 4 / 4 = 1 μF।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গাউসের সূত্র (Gauss's Law) অনুসারে, কোনো বদ্ধ তলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত মোট তড়িৎ ফ্লাক্স বা মোট অভিলম্ব আবেশ (Total normal induction) ওই তল দ্বারা বেষ্টিত মোট চার্জের 1/εº গুণের সমান।

গাণিতিকভাবে,
মোট অভিলম্ব আবেশ, Dn = q/εº

এখানে,
- q = বদ্ধ তল দ্বারা বেষ্টিত মোট চার্জ
- εº = শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতা (Permittivity of free space)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কাছাকাছি স্থাপিত দুটি পরিবাহীর মধ্যবর্তী স্থানে অন্তরক মাধ্যম (Dielectric medium) রেখে তড়িৎ আধান বা শক্তি সঞ্চয় করে রাখার যান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধারক (Capacitor) বলা হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর সম্পর্কে:
- তড়িৎকোষ (Cell/Battery): রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্র।
- জেনারেটর (Generator): যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্র।
- আইপিএস (IPS): তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করার একটি ব্যবস্থা (Instant Power Supply)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধারকের ধারকত্বের SI একক হলো ফ্যারাড (Farad) বা ফ্যারাডে। এর প্রতীক 'F'।

অন্যান্য অপশনগুলোর সম্পর্কে:
- জুল (Joule): কাজ বা শক্তির একক।
- ভোল্ট (Volt): তড়িৎ বিভব বা পটেনশিয়াল পার্থক্যের একক।
- হেনরি (Henry): আবেশাঙ্ক বা ইন্ডাকট্যান্সের একক।

ফ্যারাড একক ব্যবহারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
১ ফ্যারাড অনেক বড় একক, তাই বাস্তব ক্ষেত্রে ছোট একক ব্যবহৃত হয়:
- মাইক্রোফ্যারাড (μF) = 10⁻⁶ F
- ন্যানোফ্যারাড (nF) = 10⁻⁹ F
- পিকোফ্যারাড (pF) = 10⁻¹² F
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোনো একটি মাধ্যম এবং শূন্য মাধ্যমের ভেদনযোগ্যতার অনুপাতকে ওই মাধ্যমের পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক (Dielectric constant, K) বলে।
- এর সমীকরণ হলো: K = ε / ε0 (যেখানে ε = মাধ্যমের ভেদনযোগ্যতা এবং ε0 = শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতা)।
- শূন্যস্থানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমটি শূন্যস্থান হওয়ায় ε = ε0 হয়।
- অতএব, K = ε0 / ε0 = 1
- অতিরিক্ত তথ্য: পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবকের কোনো একক নেই। বায়ু মাধ্যমে এর মান 1.0005 এবং কাঁচের ক্ষেত্রে প্রায় 7।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ব্যাটারি খুলে ফেললে ধারকের আধান (Q) স্থির বা ধ্রুবক থাকে।
- সমান্তরাল পাত ধারকের ধারকত্ব, C = ε0A / d
- অর্থাৎ, C ∝ 1/d। পাত দুটির দূরত্ব (d) দ্বিগুণ করা হলে, নতুন ধারকত্ব C' = C / 2 হবে।
- ধারকে সঞ্চিত শক্তি, Uº = Q2 / 2C
- যেহেতু Q স্থির এবং C অর্ধেক হয়ে গেছে, তাই নতুন সঞ্চিত শক্তি:
U' = Q2 / 2(C/2) = 2 × (Q2 / 2C) = 2Uº
- (নোট: যদি ধারকটিকে ব্যাটারির সাথে যুক্ত রাখা হতো, তবে বিভব পার্থক্য V স্থির থাকত। সেক্ষেত্রে নতুন শক্তি হতো U = 1/2 (C/2) V2 = Uº/2। যেহেতু ব্যাটারি খোলা হয়েছে, তাই তাত্ত্বিকভাবে শক্তি 2Uº হবে।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূল ধারণা: গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্বের সূত্র হলো, C = 4πε0R
- দেওয়া আছে:
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, R = 6.4 × 108 cm = 6.4 × 106 m
শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতা, ε0 = 8.854 × 10-12 F m-1
- হিসাব:
C = 4 × 3.1416 × 8.854 × 10-12 × 6.4 × 106 F
C ≈ 711.7 × 10-6 F
C = 711.7 μF
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি ধারক বা ক্যাপাসিটরে সঞ্চিত শক্তির সাধারণ সমীকরণ হলো: U = 1/2 CV2
- আবার, চার্জের সূত্র হতে আমরা জানি, Q = CV বা V = Q/C
- প্রথম সমীকরণে V = Q/C বসালে পাই: U = 1/2 C(Q/C)2 = Q2 / 2C = 1/2 Q2/C
- আবার, সমীকরণে C = Q/V বসালে পাই: U = 1/2 (Q/V)V2 = 1/2 QV
- সুতরাং, ধারকের শক্তির সঠিক সমীকরণগুলো হলো: 1/2 CV2, 1/2 QV এবং 1/2 Q2/C
- তাই 1/2 Q/C2 ধারকের শক্তির কোনো সমীকরণ নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ধরি, প্রতিটি ধারকের ধারকত্ব = C
- ৪টি ধারক শ্রেণি সমবায়ে (Series combination) যুক্ত থাকলে তুল্য ধারকত্ব (Cs) হবে:
1/Cs = 1/C + 1/C + 1/C + 1/C = 4/C
সুতরাং, Cs = C/4
- আবার, ৪টি ধারক সমান্তরাল সমবায়ে (Parallel combination) যুক্ত থাকলে তুল্য ধারকত্ব (Cp) হবে:
Cp = C + C + C + C = 4C
- এখন, Cs এবং Cp এর অনুপাত:
Cs / Cp = (C/4) / 4C = 1/16
- অর্থাৎ, শ্রেণি সমবায়ের তুল্য ধারকত্ব সমান্তরাল সমবায়ের তুল্য ধারকত্বের 1/16 গুণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূল ধারণা: একাধিক ধারক শ্রেণিসমবায়ে (Series combination) যুক্ত থাকলে তাদের তুল্য ধারকত্বের (Cs) বিপরীত রাশি, প্রতিটি ধারকত্বের বিপরীত রাশির যোগফলের সমান হয়।
- দেওয়া আছে:
C1 = 1 μF
C2 = 2 μF
C3 = 3 μF
- হিসাব:
বর্তনীটির তুল্য ধারকত্ব Cs হলে,
1 / Cs = 1 / C1 + 1 / C2 + 1 / C3
বা, 1 / Cs = 1/1 + 1/2 + 1/3
বা, 1 / Cs = (6 + 3 + 2) / 6
বা, 1 / Cs = 11 / 6
সুতরাং, Cs = 6/11 μF
- সুতরাং সঠিক উত্তর: 6/11 μF।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূল ধারণা: গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্বের সূত্র হলো, C = 4πε0R, যেখানে R হলো পরিবাহীর ব্যাসার্ধ।
- দেওয়া আছে:
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, R = 6400 km = 6.4 × 106 m
আমরা জানি, 1 / (4πε0) = 9 × 109 N m2 C-2
সুতরাং, 4πε0 = 1 / (9 × 109)
- হিসাব:
C = (1 / 9 × 109) × (6.4 × 106) F
C = (6.4 / 9) × 10-3 F
C ≈ 0.711 × 10-3 F
C = 711 × 10-6 F = 711 μF
- সুতরাং সঠিক উত্তর: 711 μF।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি সমান্তরাল পাত ধারকের ধারকত্ব (C) মূলত তিনটি ভৌত বিষয়ের উপর নির্ভর করে:
১. পাতদ্বয়ের ক্ষেত্রফল (A): ধারকত্ব ক্ষেত্রফলের সমানুপাতিক।
২. পাতদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব (d): ধারকত্ব দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক।
৩. মধ্যবর্তী পরাবৈদ্যুতিক মাধ্যম (k): মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
- গাণিতিকভাবে সমান্তরাল পাত ধারকের ধারকত্বের সূত্রটি হলো: C = kε0(A/d)
- একটি নির্দিষ্ট ধারকের ধারকত্ব সম্পূর্ণভাবে এর জ্যামিতিক আকার ও মধ্যবর্তী মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল। তাই এটি পাতদ্বয়ের মধ্যে বিভব পার্থক্যের উপর নির্ভর করে না
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূল ধারণা: সমান্তরাল পাত ধারকের ধারকত্ব, C = (ε0A) / d। অর্থাৎ, ধারকত্ব পাতের মধ্যবর্তী দূরত্বের (d) ব্যস্তানুপাতিক। ধারককে আহিত করার পর ব্যাটারি সরিয়ে নিলে এর চার্জ (Q) স্থির থাকে। তখন বিভব পার্থক্য V = Q / C।
- দেওয়া আছে:
প্রাথমিক বিভব, V1 = 500 V
প্রাথমিক দূরত্ব = d1
পরিবর্তিত দূরত্ব, d2 = d1 / 2
- হিসাব:
যেহেতু দূরত্ব অর্ধেক করা হয়েছে, তাই নতুন ধারকত্ব দ্বিগুণ হবে, অর্থাৎ C2 = 2C1
চার্জ (Q) অপরিবর্তিত থাকায়, Q = C1V1 = C2V2
বা, C1V1 = (2C1)V2
বা, V2 = V1 / 2
V2 = 500 / 2 = 250 V
- সুতরাং পরিবর্তিত বিভব: 250 V।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূল ধারণা: একটি আহিত ধারকে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ তার ধারকত্ব এবং বিভব পার্থক্যের উপর নির্ভর করে। সঞ্চিত শক্তি, U = ½CV2
- দেওয়া আছে:
ধারকত্ব, C = 4 μF = 4 × 10-6 F
বিভব পার্থক্য, V = 9.0 V
- হিসাব:
সঞ্চিত শক্তি, U = ½CV2
U = ½ × (4 × 10-6) × (9.0)2 J
U = 2 × 10-6 × 81 J
U = 162 × 10-6 J
U = 1.62 × 10-4 J
- সুতরাং সঠিক উত্তর: 1.62 × 10-4 J।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রথমে, C মানের তিনটি ধারক শ্রেণি সমবায়ে (Series combination) যুক্ত করা হলো।
- শ্রেণি সমবায়ে তুল্য ধারকত্ব (Cs) হলে: 1/Cs = 1/C + 1/C + 1/C = 3/C
- সুতরাং, Cs = C/3
- এরপর, এই সমবায়টিকে অপর একটি C মানের ধারকের সাথে সমান্তরাল সমবায়ে (Parallel combination) যুক্ত করা হলো।
- সমান্তরাল সমবায়ে তুল্য ধারকত্ব (Cp) হলে: Cp = Cs + C
- মান বসিয়ে পাই, Cp = C/3 + C = 4C/3
- সুতরাং, সমগ্র সমবায়ের তুল্য ধারকত্ব হবে 4C/3

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমরা জানি, শূন্য মাধ্যমে r ব্যাসার্ধের একটি গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্ব, C = 4πε0r
- এই সমীকরণটি একটি মূলবিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ y = mx এর সাথে তুলনীয়, যেখানে y অক্ষে ধারকত্ব (C) এবং x অক্ষে ব্যাসার্ধ (r)।
- এখানে m হলো সরলরেখার ঢাল বা নতি (Gradient)। সমীকরণদ্বয় তুলনা করে পাই, নতি m = 4πε0
- সুতরাং, গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্ব বনাম ব্যাসার্ধ লেখচিত্রের গ্রেডিয়েন্ট বা নতি হবে 4πε0
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোনো চার্জিত ধারকের (Capacitor) একক আয়তনে সঞ্চিত শক্তিকে তার শক্তি ঘনত্ব (Energy density) বলা হয়।
- শূন্য মাধ্যমে একটি সমান্তরাল পাত ধারকের শক্তি ঘনত্বের সমীকরণ হলো: U = 1/2 ε0E2
- এখানে, ε0 হলো শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতা (Permittivity of free space) এবং E হলো তড়িৎক্ষেত্রের প্রাবল্য (Electric field intensity)।
- শক্তি ঘনত্বের এসআই (SI) একক হলো J/m3
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমরা জানি, একটি ধারক বা ক্যাপাসিটরের সঞ্চিত শক্তির সাধারণ সমীকরণ হলো: W = 1/2 CV2
- আবার, চার্জের সূত্র হতে জানি, Q = CV
- সমীকরণে V = Q/C বসালে পাই: W = 1/2 C(Q/C)2 = Q2 / 2C
- সমীকরণে C = Q/V বসালে পাই: W = 1/2 (Q/V)V2 = 1/2 QV
- সুতরাং, ধারকের সঞ্চিত শক্তির সঠিক সমীকরণগুলো হলো: 1/2 CV2, 1/2 QV এবং Q2 / 2C
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে W = 1/2 CV2 হলো সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডাই-ইলেকট্রিক ধ্রুবক (Dielectric constant) বা পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক হলো কোনো মাধ্যমের ভেদনযোগ্যতা এবং শূন্য মাধ্যমের ভেদনযোগ্যতার অনুপাত।
- কাঁচের উপাদানের উপর ভিত্তি করে এর ডাই-ইলেকট্রিক ধ্রুবকের মান সাধারণত ৫ থেকে ১০ এর মধ্যে হয়ে থাকে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কাঁচের ডাই-ইলেকট্রিক ধ্রুবকের মান হিসেবে 5.10 সঠিক।
- উল্লেখ্য, শূন্য মাধ্যমের ডাই-ইলেকট্রিক ধ্রুবকের মান 1 এবং বায়ুর ক্ষেত্রে এটি প্রায় 1.00059।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কম জায়গায় বেশি তড়িৎ বা চার্জ সঞ্চয় করার জন্য ইলেকট্রোলাইটিক ধারক (Electrolytic Capacitor) ব্যবহৃত হয়।
- এই ধারকে পরিবাহী প্লেটের মাঝে ডাই-ইলেকট্রিক হিসেবে একটি অত্যন্ত পাতলা অক্সাইড স্তর এবং পরিবাহী তরল (ইলেকট্রোলাইট) ব্যবহার করা হয়।
- ডাই-ইলেকট্রিক স্তরটি খুব পাতলা হওয়ার কারণে এর ক্যাপাসিট্যান্স বা ধারকত্বের মান অনেক বৃদ্ধি পায়, ফলে এটি আকারে ছোট হলেও উচ্চ ক্যাপাসিট্যান্স ধারণ করতে সক্ষম।
- অন্যদিকে অভ্র, সিরামিক বা পরিবর্তনশীল বায়ু ধারকগুলোর ধারকত্ব তুলনামূলকভাবে কম হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৃত্তের কেন্দ্রে রাখা Q আধানের জন্য এর পরিধি বরাবর একটি সমবিভব তল (Equipotential surface) তৈরি হয়।
- সমবিভব তলের যেকোনো দুটি বিন্দুর বিভব পার্থক্য শূন্য। তাই পরিধি বরাবর একটি আধান q-কে সম্পূর্ণ একবার ঘুরিয়ে আনতে কোনো কাজ করতে হয় না, অর্থাৎ কৃতকাজ 0 (শূন্য) হয়।
- বিঃদ্রঃ প্রদত্ত সঠিক উত্তরে যে মানটি দেওয়া হয়েছে (qQ/4πε0r2), তা মূলত আধান দুটির মধ্যবর্তী স্থির তড়িৎ বলের মান, কৃতকাজ নয়। পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রানুসারে প্রকৃত সঠিক উত্তর হবে 0।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি আহিত ধারকে (Charged capacitor) শক্তি তড়িৎক্ষেত্র হিসেবে সঞ্চিত থাকে।
- ধারকের দুটি প্লেটের একটিতে ধনাত্মক এবং অন্যটিতে সমপরিমাণ ঋণাত্মক আধান দেওয়া হলে, প্লেট দুটির মধ্যবর্তী স্থানে একটি সুষম তড়িৎক্ষেত্রের (Electric field) সৃষ্টি হয়।
- ধারকের সঞ্চিত শক্তি মূলত এই প্লেট দুটির মধ্যবর্তী তড়িৎক্ষেত্রেই অবস্থান করে।
- এই সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ হলো U = ½CV2 বা U = Q2/2C।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্বের সূত্রানুসারে, শূন্য মাধ্যমে গোলকের ধারকত্ব, C = 4πε0r
- এখানে, ধারকত্ব C = 1 F
- আমরা জানি, 1 / 4πε0 = 9 × 109 N·m2·C-2
- সুতরাং, গোলকের ব্যাসার্ধ r = C / 4πε0 = 1 × 9 × 109 m
- একে সেন্টিমিটারে প্রকাশ করলে: r = 9 × 109 × 100 cm = 9 × 1011 cm
তাই 1F ধারকত্ব বিশিষ্ট গোলকের ব্যাসার্ধ হবে 9 × 1011 cm।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই বিদ্যুৎ বা তাপ চলাচল করতে পারে না, তাদের অন্তরক (Insulator) বলা হয়।
- সিরামিক একটি চমৎকার অন্তরক পদার্থ, কারণ এর যোজন ব্যান্ড পূর্ণ ও পরিবাহী ব্যান্ড সম্পূর্ণ খালি থাকে এবং এদের মধ্যবর্তী নিষিদ্ধ শক্তির ব্যবধান অনেক বেশি হয়।
- প্রদত্ত অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে লোহা ও বিসমাথ হলো পরিবাহী এবং সিলিকন হলো অর্ধপরিবাহী
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফিউজ তার (Fuse Wire): বৈদ্যুতিক সার্কিটকে অতিরিক্ত কারেন্ট বা শর্ট সার্কিটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ফিউজ ব্যবহার করা হয়।


ফিউজ তারের প্রধান বৈশিষ্ট্য:
  • কম গলনাঙ্ক (Low Melting Point): সার্কিটে অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহিত হলে এটি যেন দ্রুত গলে গিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে, সেজন্য এর গলনাঙ্ক কম হওয়া আবশ্যক। সাধারণত সীসা ও টিনের সংকর ধাতু দিয়ে এটি তৈরি হয়।
  • কম রোধ (Low Resistance): ফিউজ তারটি মূল সার্কিটের সাথে সিরিজে (শ্রেণি সমবায়ে) যুক্ত থাকে। এর রোধ বেশি হলে এটি স্বাভাবিক অবস্থাতেই প্রচুর তাপ উৎপন্ন করবে এবং ভোল্টেজ ড্রপ ঘটাবে। তাই স্বাভাবিক বিদ্যুৎ চলাচলে যেন কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য এর রোধ কম হওয়া প্রয়োজন।

অতএব, ফিউজ তারের বৈশিষ্ট্য হলো কম রোধ এবং কম গলনাঙ্ক

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
  • ইলেকট্রোলাইটিক ধারক (Electrolytic Capacitor): এই ধরনের ধারকে দুটি পাতলা অ্যালুমিনিয়াম পাতের সমন্বয় থাকে।
  • পাত দুটির মাঝখানে ডাই-ইলেকট্রিক বা অন্তরক মাধ্যম হিসেবে সাধারণত অ্যামোনিয়াম বোরেট (Ammonium Borate) দ্রবণ বা বোরিক এসিডের দ্রবণ ভেজানো কাগজ ব্যবহার করা হয়।
  • বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে অ্যানোড পাতের গায়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের একটি অতি পাতলা স্তর তৈরি হয়, যা প্রকৃত ডাই-ইলেকট্রিক হিসেবে কাজ করে। তবে পাত দুটির মধ্যবর্তী মাধ্যম হিসেবে বোরেট দ্রবণই দেয়া থাকে।
  • এই ধারকগুলো সাধারণত উচ্চ ধারকত্ব (High capacitance) পাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0