চল তড়িৎ (144 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হুইটস্টোন ব্রিজ (Wheatstone Bridge) হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক বর্তনী যার সাহায্যে অজানা রোধ (Resistance) অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা যায়।

অন্যান্য অপশনগুলোর পরিমাপক যন্ত্র:
প্রবাহ: অ্যামিটার বা গ্যালভানোমিটার।
বিভব পার্থক্য ও তড়িচ্চালক শক্তি: ভোল্টমিটার বা পটেনশিওমিটার।

হুইটস্টোন ব্রিজে চারটি রোধ (P, Q, R, S) যুক্ত করে একটি চতুর্ভুজ আকৃতির বর্তনী তৈরি করা হয় এবং সাম্যাবস্থার শর্ত (P/Q = R/S) ব্যবহার করে অজানা রোধ নির্ণয় করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
গ্যালভানোমিটারের রোধ, G = 100 Ω
ধরি, মোট তড়িৎপ্রবাহ = I
শান্টের মধ্যে দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ, Is = 99% of I = 0.99 I
গ্যালভানোমিটারের মধ্যে দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ, Ig = I - 0.99 I = 0.01 I
শান্টের রোধ, S = ?

আমরা জানি,
Ig × G = Is × S
⇒ S = (Ig × G) / Is
⇒ S = (0.01 I × 100) / 0.99 I
⇒ S = 1 / 0.99
S ≈ 1.01 Ω

সুতরাং, তড়িৎ প্রবাহমাত্রার 99% শান্টের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার জন্য 1.01 Ω মানের শান্ট যুক্ত করতে হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শান্ট (Shunt) হলো একটি স্বল্প মানের রোধ যা গ্যালভানোমিটার বা অন্যান্য সুবেদী যন্ত্রের সাথে সমান্তরালে যুক্ত করা হয়। এর মূল কাজ হলো যন্ত্রের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- শান্টের রোধ খুব কম হওয়ায়, মূল বিদ্যুৎ প্রবাহের বেশিরভাগ অংশ শান্টের মধ্য দিয়ে বিকল্প পথে প্রবাহিত হয়।
- এর ফলে গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না এবং যন্ত্রটি পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
- শান্ট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্যালভানোমিটারকে সহজেই অ্যামিটার-এ রূপান্তরিত করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
গ্যালভানোমিটারের রোধ, G = 20 Ω
গ্যালভানোমিটারের তড়িৎপ্রবাহ, Ig = 0.01 A
মোট তড়িৎপ্রবাহ, I = 1 A
শান্টের রোধ, S = ?

আমরা জানি,
S = (Ig × G) / (I - Ig)
⇒ S = (0.01 × 20) / (1 - 0.01)
⇒ S = 0.2 / 0.99
S ≈ 0.2 Ω

সুতরাং, 1A তড়িৎ প্রবাহিত করার জন্য 0.2 Ω রোধের শান্ট প্রয়োজন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গাণিতিক সমস্যাটি শান্টের সূত্র ব্যবহার করে সমাধান করা যায়।

দেওয়া আছে,
গ্যালভানোমিটারের রোধ, G = 100 Ω
গ্যালভানোমিটারের তড়িৎপ্রবাহ, Ig = 10 mA = 0.01 A
মোট তড়িৎপ্রবাহ, I = 10 A
শান্টের রোধ, S = ?

আমরা জানি,
S = (Ig × G) / (I - Ig)
⇒ S = (0.01 × 100) / (10 - 0.01)
⇒ S = 1 / 9.99
S ≈ 0.1 Ω

সুতরাং, 10A তড়িৎপ্রবাহ মাপার জন্য 0.1 Ω রোধের শান্ট সমান্তরালে যুক্ত করতে হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হুইটস্টোন ব্রিজ যখন সাম্যাবস্থায় (Balanced condition) থাকে, তখন এর গ্যালভানোমিটার যুক্ত দুটি বিন্দুর মধ্যে কোনো বিভব পার্থক্য থাকে না।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বিভব পার্থক্য শূন্য হওয়ায় গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িতের মান শূন্য (0) হয়।
- এই অবস্থায় গ্যালভানোমিটার কোনো বিক্ষেপ দেয় না, যাকে 'নাল পয়েন্ট' (Null point) বলা হয়।
- সাম্যাবস্থার শর্তটি হলো: P/Q = R/S (যেখানে P, Q, R এবং S হলো ব্রিজের চারটি বাহুর রোধ)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হুইটস্টোন ব্রিজের (Wheatstone bridge) নীতি কির্শফের সূত্রের (Kirchhoff's Laws) ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কির্শফের কারেন্ট সূত্র (KCL) এবং ভোল্টেজ সূত্র (KVL) ব্যবহার করে হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্যাবস্থার সমীকরণ (P/Q = R/S) প্রতিপাদন করা হয়।
- হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি অনুসারে, চারটি রোধের একটি সাম্যাবস্থায় থাকলে, গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে কোনো তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই মিটার ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে, যার সাহায্যে কোনো পরিবাহীর অজানা রোধ অত্যন্ত নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কির্শফের (Kirchhoff's) বৈদ্যুতিক বর্তনী সংক্রান্ত দুটি সূত্র রয়েছে।
- প্রথম সূত্র (KCL - Current Law): এটি তড়িৎ বর্তনীর কোনো বিন্দুতে মিলিত তড়িৎ প্রবাহগুলোর বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য হওয়ার শর্ত, যা আধান সংরক্ষণ (Conservation of Charge) নীতি নির্দেশ করে।
- দ্বিতীয় সূত্র (KVL - Voltage Law): এটি কোনো বদ্ধ লুপ বা বর্তনীর মোট তড়িচ্চালক বল এবং বিভব পতনের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য হওয়ার শর্ত, যা মূলত শক্তি সংরক্ষণ (Conservation of Energy) নির্দেশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত তড়িৎ প্রবাহ চলাকালে কোষের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বা টার্মিনাল ভোল্টেজ (V) এর তড়িচ্চালক শক্তির (E) চেয়ে কম হয়
- সূত্রানুসারে, V = E - Ir, (যেখানে I = তড়িৎ প্রবাহ এবং r = অভ্যন্তরীণ রোধ। এখানে Ir হলো নষ্ট ভোল্ট বা Lost Volt)।
- কিন্তু যখন বহিস্থ বর্তনীতে কোনো তড়িৎ প্রবাহ থাকে না (Open circuit), তখন I = 0 হয়।
- ফলে, V = E - (0 × r) ⇒ V = E হয়।
- অর্থাৎ, তড়িৎ প্রবাহ না থাকলে কোষের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য এবং তড়িচ্চালক শক্তি পরস্পর সমান (E=V) হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হুইটস্টোন ব্রিজের নিস্পন্দন বা সাম্যাবস্থার শর্ত হলো P/Q = R/S
- এই সাম্যাবস্থা কেবল ব্রিজটির চারটি বাহুর রোধের মানের উপর নির্ভর করে
- ব্যাটারি ও গ্যালভানোমিটারের অবস্থান অদল-বদল করলে, ভিন্ন তড়িচ্চালক বলের ব্যাটারি ব্যবহার করলে বা গ্যালভানোমিটারের রোধ পরিবর্তন করলে সাম্যাবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তাই, কেবল বিভিন্ন বাহুর রোধগুলি পরিবর্তিত করা হলে ব্রিজের নিস্পন্দন অবস্থাটি পরিবর্তিত হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পোস্ট অফিস বক্স (Post Office Box) মূলত একটি পদার্থবিজ্ঞান সম্বন্ধীয় পরিমাপক যন্ত্র, যা কোনো তারের অজানা রোধ (Unknown Resistance) নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হুইটস্টোন ব্রিজ (Wheatstone Bridge) নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- অতীতে টেলিগ্রাফ লাইনে ত্রুটি এবং রোধ নির্ণয়ের জন্য ডাকঘরে এটি প্রচুর ব্যবহৃত হতো বলে এর নাম 'পোস্ট অফিস বক্স' রাখা হয়েছে।
- এটি কোনোভাবেই পোস্ট অফিসে বিল সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয় না
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্যাবস্থার (Balanced condition) নীতি অনুসারে আমরা জানি,
P/Q = R/S (যেখানে S হলো ৪র্থ বাহুর রোধ)

এখানে দেওয়া আছে,
১ম বাহুর রোধ, P = ৪ ওহম
২য় বাহুর রোধ, Q = ১০ ওহম
৩য় বাহুর রোধ, R = ১৬ ওহম

সাম্যাবস্থার সূত্র অনুযায়ী ৪র্থ বাহুর রোধ (S) হবে:
4 / 10 = 16 / S
বা, 4S = 160
বা, S = 40Ω

অতএব, ৪র্থ বাহুতে 40Ω রোধ স্থাপন করলে ব্রিজটি সাম্যাবস্থায় আসবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তড়িৎ প্রবাহ মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। প্রোটন ও নিউট্রন নিউক্লিয়াসে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করে, কিন্তু ধাতুর শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সামান্য বিভব পার্থক্য (Voltage) পেলেই মুক্ত হয়ে প্রবাহিত হয়।
ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত হওয়ায় এটি নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে গমন করে। তবে ইলেকট্রন আবিষ্কারের পূর্বে মানুষের ধারণা ছিল ধনাত্মক আধানের প্রবাহই তড়িৎ প্রবাহ। তাই প্রচলিত নিয়ম (Conventional current) অনুযায়ী, তড়িৎ প্রবাহের দিক ধরা হয় ইলেকট্রন প্রবাহের ঠিক বিপরীত দিকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শান্ট প্রধানত অ্যামিটার-এ ব্যবহৃত হয়। গ্যালভানোমিটারকে অ্যামিটারে রূপান্তর করতে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ থেকে যন্ত্রকে রক্ষা করতে এর সাথে সমান্তরালে শান্ট (অল্প মানের রোধ) যুক্ত করা হয়।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র ও তাদের কাজ:
- অ্যামিটার: তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ
- অডিওমিটার: শব্দের তীব্রতা পরিমাপ
- অলটিমিটার: উচ্চতা পরিমাপ
- অডিওফোন: কানে লাগিয়ে শোনার যন্ত্র
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শান্ট (Shunt) হলো একটি অল্প বা ছোট মানের রোধ, যা গ্যালভানোমিটার বা অ্যামিটারের মতো সুবেদী যন্ত্রকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বদা যন্ত্রের সাথে সমান্তরালে (Parallel) যুক্ত করা হয়।
(বি.দ্র: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটিতে 'শ্রেণিতে' বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, সঠিক তথ্য হবে 'যন্ত্রের সাথে সমান্তরালে যুক্ত ছোট মানের রোধ')।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শান্ট (Shunt) হলো একটি স্বল্প মানের রোধ যা গ্যালভানোমিটার বা অন্যান্য সুবেদী যন্ত্রের সাথে সমান্তরালে যুক্ত করা হয়। এর মূল কাজ হলো যন্ত্রের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো। মূল বিদ্যুৎ প্রবাহের বেশিরভাগ অংশ শান্টের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, ফলে যন্ত্রটি পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
(উল্লেখ্য, ডিসি শান্ট মোটর নামের একটি কনস্ট্যান্ট স্পিড বা স্থির গতির মোটর রয়েছে যা বৈদ্যুতিক পাম্প, লেদ মেশিন বা ফ্যানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে পরিমাপক যন্ত্রে শান্ট বলতে সমান্তরালে যুক্ত রোধকেই বোঝায়)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্যালভানোমিটারকে অ্যামিটারে পরিণত করতে এর সাথে সমান্তরালে একটি স্বল্প মানের রোধ বা শান্ট যুক্ত করতে হয়, যাতে মূল বিদ্যুৎ প্রবাহের বেশিরভাগ অংশ এর মধ্য দিয়ে যেতে পারে।
অন্যদিকে, গ্যালভানোমিটারকে ভোল্টমিটারে পরিণত করতে এর সাথে শ্রেণিতে একটি উচ্চ মানের রোধ যুক্ত করতে হয়।
(বি.দ্র: প্রশ্নে দেওয়া সঠিক উত্তরটি মূলত ভোল্টমিটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অ্যামিটারের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে 'স্বল্প মানের রোধ সমান্তরালে যুক্ত করতে হয়')।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• ধরি, মূল তড়িৎ প্রবাহ = I, গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে প্রবাহ = I_g, গ্যালভানোমিটারের রোধ = G এবং শান্টের রোধ = S।
• সমান্তরাল সমবায়ের সূত্রানুসারে, গ্যালভানোমিটারের প্রবাহ I_g = I × [S / (G + S)]।
• অতএব, মূল প্রবাহ I = I_g × [(G + S) / S]
• এখানে (G + S) / S রাশিটিকে শান্ট গুণক বা শান্ট ধ্রুবক (Shunt constant) বলা হয়। এটি নির্দেশ করে মূল প্রবাহ গ্যালভানোমিটারের প্রবাহের কত গুণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• জটিল তড়িৎ বর্তনীর বিভিন্ন শাখার তড়িৎ প্রবাহ এবং বিভব পার্থক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কার্শফের সূত্র (Kirchhoff's Laws) ব্যবহৃত হয়।
• এর দুটি সূত্র রয়েছে: কার্শফের কারেন্ট সূত্র (KCL) যা জাংশনে তড়িৎ প্রবাহের সম্পর্ক দেখায় এবং কার্শফের ভোল্টেজ সূত্র (KVL) যা বদ্ধ লুপে বিভব পার্থক্যের সম্পর্ক স্থাপন করে।
• অন্যদিকে ওহমের সূত্র কেবল সরল বর্তনীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ফ্যারাডের সূত্র তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের সাথে এবং লেঞ্জের সূত্র আবেশিত তড়িৎপ্রবাহের দিকের সাথে সম্পর্কিত।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• ধরি, প্রতিটি কোষের তড়িৎচালক বল = E এবং অভ্যন্তরীণ রোধ = r।
• একটি কোষের ক্ষেত্রে তড়িৎ প্রবাহ, i = E / (R + r)।
• যেহেতু বাহ্যিক রোধ (R) অভ্যন্তরীণ রোধের (r) তুলনায় অনেক বড় (R >> r), তাই i ≈ E / R।
• এখন ৩টি কোষকে সমান্তরালে (Parallel) যুক্ত করলে মোট তড়িৎচালক বল E-ই থাকবে এবং তুল্য অভ্যন্তরীণ রোধ হবে r/3।
• নতুন প্রবাহ, i' = E / (R + r/3)।
• যেহেতু R >> r, তাই R >> r/3। সুতরাং, i' ≈ E / R = i।
• অর্থাৎ, সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করলেও প্রবাহের কোনো পরিবর্তন হবে না, প্রবাহ i-ই পাওয়া যাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লেকল্যান্স কোষ (Leclanché cell) হলো এক ধরনের প্রাথমিক কোষ যা থেমে থেমে বা সবিরাম তড়িৎ প্রবাহের প্রয়োজন হয় এমন যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
• যেমন- বৈদ্যুতিক ঘণ্টা, টেলিগ্রাম এবং টেলিফোন
• তবে ট্রানজিস্টরে এই কোষের ব্যবহার নেই, কারণ এতে নিরবচ্ছিন্ন তড়িৎ প্রবাহের প্রয়োজন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লেকল্যান্স কোষ (Leclanché cell) হলো এক ধরনের প্রাথমিক কোষ যা থেমে থেমে বা সবিরাম তড়িৎ প্রবাহের প্রয়োজন হয় এমন যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
• যেমন- বৈদ্যুতিক ঘণ্টা, টেলিগ্রাম এবং টেলিফোন
• তবে ট্রানজিস্টরে এই কোষের ব্যবহার নেই, কারণ এতে নিরবচ্ছিন্ন তড়িৎ প্রবাহের প্রয়োজন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মূল ধারণা: তাপ ও যান্ত্রিক শক্তি পরস্পর সমতুল্য এবং রূপান্তরযোগ্য।
- রূপান্তর মাত্রা: আমরা জানি, 1 ক্যালরি (cal) = 4.186 জুল (J)
- হিসাব: 15 ক্যালরি তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করলে উৎপন্ন শক্তি হবে = 15 cal × 4.186 J/cal = 62.79 J
- রাউন্ডিং: 62.79 J-এর নিকটতম মান 62.80 J
- সুতরাং, উৎপন্ন যান্ত্রিক শক্তির পরিমাণ 62.80J
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একাধিক বিদ্যুৎকোষকে একত্রে যুক্ত করার পদ্ধতিকে বিদ্যুৎকোষের সমবায় (Combination of Cells) বলা হয়।
- সার্কিটে প্রয়োজন অনুযায়ী তড়িৎপ্রবাহ বা ভোল্টেজ পেতে মূলত তিন ধরনের সমবায় ব্যবহার করা হয়: শ্রেণি সমবায় (Series combination), সমান্তরাল সমবায় (Parallel combination) এবং মিশ্র সমবায় (Mixed combination)
- পদার্থবিজ্ঞানে 'দ্বিমুখী সমবায়' বলতে বিদ্যুৎকোষের কোনো স্বীকৃত সমবায় নেই।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দ্বিমুখী সমবায় বিদ্যুৎকোষের সমবায় নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
ভোল্টেজ (V) = 220 V
কারেন্ট (I) = 1 A
সময় (t) = 400 ঘণ্টা (hours)

আমরা জানি,
পাওয়ার (P) = V × I
বা, P = 220 × 1 = 220 W

আবার, ব্যয়িত বৈদ্যুতিক শক্তির পরিমাণ (Energy, E) = P × t
বা, E = 220 W × 400 h = 88000 Wh

যেহেতু 1000 Wh = 1 kWh,
অতএব, ব্যবহৃত শক্তি = 88000 / 1000 = 88 kWh
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হিটারের শক্তি (Power) নির্ণয় করতে হলে আমাদের ভোল্টেজ (Voltage) এবং বিদ্যুৎপ্রবাহ (Current) এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে।

দেওয়া আছে,
ভোল্টেজ (V) = 250 V
বিদ্যুৎপ্রবাহ (I) = 8 A

আমরা জানি,
ক্ষমতা বা শক্তি (P) = ভোল্টেজ (V) × বিদ্যুৎপ্রবাহ (I)
বা, P = 250 × 8
বা, P = 2000 W

সুতরাং, হিটারটির শক্তি হবে 2000W
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ ও তাপ প্রবাহিত হতে পারে, তাদেরকে সুপরিবাহী পদার্থ (Conductor) বলে।
- প্রশ্নে উল্লেখিত কপার (Copper), সিলভার (Silver) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum) হলো ধাতু এবং এরা প্রত্যেকেই বিদ্যুতের উত্তম সুপরিবাহী।
- অপরদিকে, কার্বন (Carbon) একটি অধাতু এবং সাধারণ অবস্থায় এটি তাপ ও বিদ্যুতের সুপরিবাহী নয় (এর রূপভেদ গ্রাফাইট ব্যতিক্রম হলেও সাধারণত কার্বনকে সুপরিবাহী ধরা হয় না)।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কার্বন সুপরিবাহী নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভৌত রাশিসমূহের সঠিক এককগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- তড়িৎ প্রবাহ (Electric Current): এর একক হলো অ্যাম্পিয়ার (Ampere), যাকে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সুতরাং, এটি সঠিক প্রকাশ।

অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক একক:
- চার্জ (Charge): এর একক হলো কুলম্ব (Coulomb), যাকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয় (W নয়, W হলো ক্ষমতার একক ওয়াট)।
- বিভব পার্থক্য (Potential Difference): এর একক হলো ভোল্ট (Volt), যাকে V দ্বারা প্রকাশ করা হয় (C নয়)।
- তড়িৎ রাসায়নিক তুলাঙ্ক (Electrochemical Equivalent): এর একক হলো kg/C বা g/C (JS-1 নয়)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
ক্ষমতা, P = 100 W
সময়, t = 5 × 30 ঘণ্টা = 150 ঘণ্টা [৫ ঘন্টা করে ৩০ দিন জ্বালালে]

আমরা জানি,
ব্যয়িত বৈদ্যুতিক শক্তি = (P × t) / 1000 kWh
= (100 × 150) / 1000
= 15000 / 1000
= 15 kWh (বা 15 ইউনিট)

সুতরাং, ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক শক্তির পরিমাণ 15 kWh

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
তড়িচ্চালক শক্তি, E = 1.5V
অভ্যন্তরীণ রোধ, r = 2Ω
বহিঃস্থ রোধ, R = 10Ω
তড়িৎ প্রবাহ, I = ?

ওহমের সূত্র অনুযায়ী কোষের তড়িৎ প্রবাহ নির্ণয়ের সূত্র হলো,
I = E / (R + r)
বা, I = 1.5 / (10 + 2) [মান বসিয়ে]
বা, I = 1.5 / 12
বা, I = 0.125 A

সুতরাং, তড়িৎ প্রবাহের মান 0.125 A

শর্টকাট টেকনিক:
সহজে মনে রাখার জন্য: প্রবাহ = মোট ভোল্টেজ ÷ মোট রোধ
এখানে মোট ভোল্টেজ 1.5V এবং মোট রোধ হলো বাইরের রোধ ও ভেতরের রোধের যোগফল (10 + 2 = 12)।
তাই, প্রবাহ = 1.5 ÷ 12 = 0.125 A
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0