জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান (157 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সূর্যের সাদা আলো বিচ্ছুরিত হলে দৃশ্যমান বর্ণালি (VIBGYOR) তৈরি হয়, যা হলো: Violet (বেগুনী), Indigo (আসমানী), Blue (নীল), Green (সবুজ), Yellow (হলুদ), Orange (কমলা), Red (লাল)।
এই বর্ণালিতে লাল, কমলা, বেগুনী রঙগুলো স্পষ্টভাবে উপস্থিত থাকে।
কালো (Black) মূলত কোনো রং নয়; এটি হলো আলোর অনুপস্থিতি
যেহেতু কালো কোনো আলোকরশ্মি নয়, তাই সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণে কালো রঙ থাকে না
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রিজমে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোতে প্রতিসরণাঙ্ক (n) বেশি এবং বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যে কম হয়। অর্থাৎ, n_blue > ... > n_red
দুটি বর্ণের কৌণিক বিচ্ছুরণ তাদের প্রতিসরণাঙ্কের পার্থক্যের (Δn) সমানুপাতিক।
Δn যত বেশি হবে, বর্ণদ্বয়ের কৌণিক পৃথকীকরণ বা বিচ্ছুরণ তত বেশি হবে।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বর্ণালিতে সবচেয়ে দূরের জুটি হলো লাল (দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, n সবচেয়ে কম) এবং নীল (ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য, n সবচেয়ে বেশি)।
তাই লাল ও নীল জুটির Δn সর্বাধিক, ফলে এদের কৌণিক বিচ্ছুরণও সর্বাধিক
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিচ্ছুরক (Dispersive) মাধ্যম: যে মাধ্যমে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের সাথে refractive index (প্রতিসরণাঙ্ক) উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়, ফলে dispersion (সাদা আলো বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হওয়া) ঘটে।
কাঁচ, পানি, গ্লিসারিন: এগুলোতে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাথে প্রতিসরণাঙ্ক স্পষ্টভাবে পরিবর্তিত হয়, তাই এগুলো বিচ্ছুরক মাধ্যম
বায়ু: বায়ুর প্রতিসরণাঙ্ক প্রায় 1.0003 এবং দৃশ্যমান আলোর পরিসরে এর পরিবর্তন অত্যন্ত ক্ষুদ্র।
যেহেতু বায়ুতে dispersion প্রায় নগণ্য, তাই ব্যবহারিকভাবে বায়ুকে অ-বিচ্ছুরক মাধ্যম ধরা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমবাহু প্রিজমের ক্ষেত্রে প্রিজম কোণ, A = 60°।
Minimum deviation বা ন্যূনতম বিচ্যুতির সূত্র: μ = sin((A + δ_min)/2) / sin(A/2)
এখানে, প্রতিসরাঙ্ক μ = √2 এবং A = 60°
মান বসিয়ে পাই: sin((60° + δ_min)/2) / sin(60°/2) = √2
⇒ sin((60° + δ_min)/2) / sin(30°) = √2
⇒ sin((60° + δ_min)/2) / 0.5 = √2
⇒ sin((60° + δ_min)/2) = √2 × (1/2) = 1/√2
যেহেতু sin(45°) = 1/√2, তাই (60° + δ_min)/2 = 45°
⇒ 60° + δ_min = 90°
δ_min = 30°
অতএব, ন্যূনতম বিচ্যুতি কোণ 30°
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মূল ধারণা: প্রিজমে আলো প্রতিসরণে বিচ্যুতি রঙভেদে ভিন্ন হয়, একে dispersion বা বিচ্ছুরণ বলে।
কারণ: দৃশ্যমান আলোতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) কমলে প্রতিসরণাঙ্ক (n) বাড়ে।
সম্পর্ক: বিচ্যুতি (δ) মূলত (n - ১) এর সমানুপাতিক। অর্থাৎ, n যত বেশি, বিচ্যুতি তত বেশি।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম (হলুদ, কমলা ও সবুজের চেয়ে)।
ফলে নীল আলোর প্রতিসরণাঙ্ক সবচেয়ে বেশি এবং এর বিচ্যুতিও সর্বাধিক
(নোট: দৃশ্যমান আলোতে বেগুনী রঙের বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি হলেও অপশনে নীল থাকায় নীলই সঠিক উত্তর।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিজমে বর্ণ বিচ্ছুরণের সময় দৃশ্যমান বর্ণালির একটি নির্দিষ্ট বর্ণকে মানদণ্ড বা গড় বর্ণ (mean color) হিসেবে ধরা হয়।
- সাধারণত সোডিয়াম বাতির আলো (হলুদ বর্ণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য ~589 nm) পরীক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি দৃশ্যমান বর্ণালির মাঝামাঝি অবস্থান করে এবং অত্যন্ত তীব্র ও স্পষ্ট হয়।
- এই কারণে হলুদ বর্ণের বিচ্যুতিকেই গড় বিচ্যুতি (mean deviation) বলা হয়।
- একই যুক্তিতে হলুদ আলোর জন্য নির্ণীত প্রতিসরাঙ্ককে গড় প্রতিসরাঙ্ক ধরা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর: হলুদ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিজমের ন্যূনতম বিচ্যুতি (minimum deviation) অবস্থায় মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্কের সূত্রটি হলো: μ = sin[(A + δm)/2] / sin(A/2)
- এখানে দেওয়া আছে, প্রিজম কোণ A = 60° এবং ন্যূনতম বিচ্যুতি δm = 30°
- মান বসিয়ে পাই, (A + δm)/2 = (60° + 30°)/2 = 45° এবং A/2 = 60°/2 = 30°
- এখন, sin 45° = 1/√2 ≈ 0.707 এবং sin 30° = 0.5
- অতএব, প্রতিসরাঙ্ক μ = 0.707 / 0.5 ≈ 1.414
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: 1.414
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিজমের ন্যূনতম বিচ্যুতি (Minimum Deviation) অবস্থায় আলোর গতিপথ প্রতিসম (symmetrical) হয়।
- এই প্রতিসমতার কারণে প্রিজমের ভেতরের দুটি পৃষ্ঠে প্রতিসরণ কোণ পরস্পর সমান হয়। অর্থাৎ, r₁ = r₂
- প্রিজম কোণ A = r₁ + r₂ হওয়ায়, ন্যূনতম বিচ্যুতির ক্ষেত্রে r₁ = r₂ = A/2 হয়।
- এই অবস্থায় আপতন ও নির্গমন কোণও সমান হয়, অর্থাৎ i₁ = i₂ = (A + δm)/2 (কিন্তু এরা A/2 নয়)।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে r₁ = r₂ হলো ন্যূনতম বিচ্যুতির মৌলিক ও সঠিক শর্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিজম হলো একটি স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যম যা দুটি হেলানো (non-parallel) সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে।
- এই পৃষ্ঠগুলো দিয়ে আলো প্রতিসৃত হয়ে বিচ্যুত বা বিচ্ছুরিত হতে পারে।
- অন্যদিকে, লেন্স-এ অন্তত একটি বক্র পৃষ্ঠ (curved surface) থাকে।
- দর্পণ (mirror) আলোকে প্রতিসরণের পরিবর্তে প্রতিফলন করে।
- বাইনোকুলার হলো একটি অপটিক্যাল যন্ত্র, এটি কোনো মৌলিক উপাদান নয়।
- সুতরাং, প্রদত্ত সংজ্ঞাটি প্রিজম-এর।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিজমের মোট বিচ্যুতির সমীকরণ: δ = i + e − A (যেখানে A = প্রিজম কোণ, যা স্থির)।
- ন্যূনতম বিচ্যুতি (Minimum Deviation) পেতে হলে δ এর মান সর্বনিম্ন হতে হয়।
- এই অবস্থায় প্রিজমের ভেতর দিয়ে আলোর পথ প্রতিসম (symmetrical) হয়।
- প্রতিসম হওয়ার কারণে ভেতরের প্রতিসরণ কোণগুলো সমান হয় (r₁ = r₂), যার ফলে আপতন কোণ ও নির্গমন কোণও সমান হয় অর্থাৎ i = e
- তাই প্রিজমের ন্যূনতম বিচ্যুতির শর্ত অনুযায়ী সঠিক উত্তর: আপতন কোণ = নির্গমন কোণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সমবাহু প্রিজম (Equilateral prism)-এর প্রিজম কোণ A = 60º
- আলো প্রথম তলে লম্বভাবে আপতিত (normal incidence) হলে, প্রবেশে কোনো দিক পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ r1 = 0।
- প্রিজমের ভেতরের সূত্রমতে: r1 + r2 = A ⇒ r2 = A = 60º।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তলে রশ্মি প্রিজমের কোণের সমান কোণে পৌঁছায়। ফলে মোট বিচ্যুতি (Deviation) কার্যত প্রিজমের কোণের সমানই হয়।
- সুতরাং, রশ্মির বিচ্যুতি = 60º
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পাতলা প্রিজম (Thin prism)-এর ক্ষেত্রে বিচ্যুতির সূত্র: δ = A(μ − 1) (যেহেতু কোণ ছোট)।
- দেওয়া আছে, প্রিজম কোণ A = 6º এবং বিচ্যুতি δ = 3º
- সূত্র অনুযায়ী: μ − 1 = δ / A = 3º / 6º = 1/2
- অতএব, μ = 1 + 1/2 = 3/2
- সুতরাং, প্রিজম পদার্থের প্রতিসরাঙ্ক 3/2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ন্যূনতম বিচ্যুতি (Minimum deviation) অবস্থায় প্রিজমের প্রতিসরাঙ্ক নির্ণয়ের সূত্র: μ = sin((A + δm)/2) / sin(A/2)
- দেওয়া আছে, প্রিজম কোণ A = 60º এবং ন্যূনতম বিচ্যুতি δm = 45º
- মানগুলো বসিয়ে পাই: (A + δm)/2 = (60º + 45º)/2 = 52.5º এবং A/2 = 30º।
- সুতরাং, μ = sin(52.5º) / sin(30º)
- μ ≈ 0.794 / 0.5 = 1.588 ≈ 1.58
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সরু প্রিজম (Thin prism)-এর ক্ষেত্রে প্রিজম কোণ (A) খুবই ছোট হয়, তাই এখানে small-angle approximation প্রযোজ্য।
- সাধারণভাবে, বিচ্যুতির সমীকরণ δ = i1 + i2 − A হলেও, সরু প্রিজমের ক্ষেত্রে Snell's law অনুযায়ী sin θ ≈ θ ধরা হয়।
- এর ফলে সমীকরণটি সরল হয়ে দাঁড়ায় δ = A(μ − 1)
- সুতরাং, সরু প্রিজমের জন্য সঠিক সমীকরণটি হলো δ = A(μ − 1)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো গেলে বিভিন্ন রঙের প্রতিসরাঙ্ক আলাদা হওয়ার কারণে তারা ভিন্ন ভিন্ন কোণে বেঁকে যায় (dispersion)।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তাই এর প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে বেশি।
- প্রতিসরাঙ্ক যত বেশি, আলো তত বেশি বাঁকে → বিচ্যুতি বেশি হয়।
- তাই বেগুনি রঙের বিচ্যুতি সর্বাধিক এবং লাল রঙের সর্বনিম্ন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্ষুদ্র কোণবিশিষ্ট প্রিজমের (Thin prism) ক্ষেত্রে বিচ্যুতি কোণের সূত্র: δ = (n - 1) × A
- দেওয়া আছে:
প্রিজমের প্রতিসারক কোণ, A = 10°
উপাদানের প্রতিসরণাঙ্ক, n = 1.57
- হিসাব:
δ = (1.57 - 1) × 10°
⇒ δ = 0.57 × 10° = 5.7°
বিচ্যুতি একটি ধনাত্মক মান (কারণ এটি আলোকরশ্মির দিক পরিবর্তনের কোণ)। তাই সঠিক উত্তর: 5.7।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্রে (Astronomical telescope) অভিলক্ষ্য (Objective) প্রথমে একটি বাস্তব ও উল্টা ক্ষুদ্র প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
- অভিনেত্র (Eyepiece) এই প্রতিবিম্বটিকে বিবর্ধক কাঁচের মতো বিবর্ধিত করে।
- ফলে দর্শকের দেখা চূড়ান্ত প্রতিবিম্বটি কাল্পনিক (Virtual), উল্টা এবং বিবর্ধিত হয়। স্বাভাবিক সমন্বয়ে এটি পর্যবেক্ষকের দিকে অর্থাৎ অভিনেত্রের সামনে অবস্থান করে।
যেহেতু চূড়ান্ত প্রতিবিম্ব কাল্পনিক হয়, তাই এর বৈশিষ্ট্য হিসেবে বাস্তব বলাটি সঠিক নয়
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে লক্ষ্যবস্তুকে আলোকিত করার জন্য সাধারণত অবতল দর্পণ (Concave mirror) ব্যবহার করা হয়।
- অবতল দর্পণ দূর থেকে আসা আলোকে সমবেত (Converge) করে লক্ষ্যবস্তুর উপর উজ্জ্বল আলো কেন্দ্রীভূত করে। এতে বস্তুটি ভালোভাবে আলোকিত হয় এবং স্পষ্টতা ও রেজোলিউশন বৃদ্ধি পায়।
- উত্তল দর্পণ আলোকে বিচ্ছুরিত (Diverge) করে, তাই আলো কেন্দ্রীভূত করতে পারে না।
- উত্তল বা অবতল লেন্স আলো জোগানোর জন্য নয়, বরং প্রতিবিম্ব গঠনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বর্ণালী-বীক্ষণ যন্ত্র (Spectrometer)-এর তিনটি প্রধান অংশ রয়েছে:
১. কলিমেটর (Collimator): সমান্তরাল আলোকরশ্মি তৈরি করে।
২. প্রিজম টেবিল (Prism Table): প্রিজম বা গ্রেটিং বসানো ও ঘোরানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
৩. দূরবীক্ষণ যন্ত্র (Telescope): বর্ণালী দেখার বা কোণ মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
এখানে “ধ্রুবক” হলো একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক মান (Constant), এটি যন্ত্রের কোনো ভৌত বা হার্ডওয়্যার অংশ নয়। তাই সঠিক উত্তর: ধ্রুবক।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের বিবর্ধন, M = 1 + D/f (চূড়ান্ত প্রতিবিম্ব নিকটবিন্দুতে) অথবা M = D/f (চূড়ান্ত প্রতিবিম্ব অসীমে)।
এখানে, D = স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব (সাধারণ চোখে প্রায় ২৫ সেমি)।
- ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia) সম্পন্ন চোখের ক্ষেত্রে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব (D) ২৫ সেমির চেয়ে কম হয়। ফলে একই ফোকাস দূরত্ব (f)-এর জন্য বিবর্ধন (M) কমে যায় এবং প্রতিবিম্ব ছোট দেখা যায়। তাই অপশন ৩ সঠিক।
- ফোকাস দূরত্ব (f) বাড়লে বিবর্ধন (M) কমে, তাই অপশন ১ ভুল।
- দূরদৃষ্টি (Hypermetropia)-এর ক্ষেত্রে D বেশি হয়, তাই প্রতিবিম্ব বড় দেখা উচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে যন্ত্রের সাহায্যে দূরবর্তী বস্তু থেকে আসা আলো সংগ্রহ করে তা স্পষ্ট ও বড় করে দেখা যায়, তাকে দূরবীক্ষণ যন্ত্র (Telescope) বলে। এটি লেন্স বা আয়নার সাহায্যে দূরের ক্ষীণ আলো সংগ্রহ করে বর্ধিত প্রতিচ্ছবি তৈরি করে।
অন্যান্য অপশনগুলো সঠিক নয় কারণ:
- পেরিস্কোপ (Periscope): বাধার আড়াল থেকে বা সাবমেরিন থেকে বাইরের দৃশ্য দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, দূরের জিনিস বড় করে দেখায় না।
- ম্যাগনিফাইং গ্লাস (Magnifying glass): নিকটবর্তী ছোট বস্তুকে বড় করে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অণুবীক্ষণ যন্ত্র (Microscope): অতি ক্ষুদ্র বস্তুকে খুব কাছ থেকে বহুগুণ বড় করে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতিসরণ দূরবীক্ষণ যন্ত্রে (Refracting Telescope) প্রতিবিম্ব গঠনের জন্য লেন্স ব্যবহার করে আলোর প্রতিসরণ ঘটানো হয়।
- ভূ-দূরবীক্ষণ যন্ত্র (Terrestrial telescope) মূলত লেন্স দিয়ে তৈরি (Objective lens, Eyepiece এবং সোজা প্রতিবিম্ব দেখার জন্য Erecting lens), তাই এটি একটি প্রতিসরণ দূরবীক্ষণ যন্ত্র
- অন্যদিকে Newton, Herschel, এবং Gregorian দূরবীক্ষণ যন্ত্রগুলোতে আলো প্রতিফলনের জন্য দর্পণ বা আয়না (mirror) ব্যবহৃত হয়। তাই এগুলো হলো প্রতিফলন (reflecting) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অপটিক্যাল টেলিস্কোপে Objective (অভিলক্ষ্য) এর ফোকাল দৈর্ঘ্য অনেক বড় এবং Eyepiece (অভিনেত্রী) এর ফোকাল দৈর্ঘ্য ছোট থাকে।
- Objective দূরবর্তী বস্তুর একটি বাস্তব, উল্টো ও ক্ষুদ্র প্রতিবিম্ব ফোকাল সমতলে গঠন করে।
- Eyepiece সেই ক্ষুদ্র প্রতিবিম্বকে বিবর্ধক কাচ (Magnifying glass) হিসেবে ব্যবহার করে বেশি কোণীয়ভাবে বড় করে দেখায়।
- টেলিস্কোপের মোট কোণীয় বিবর্ধন, M ≈ fo/fe। যেহেতু fo বড় এবং fe ছোট, তাই M ≫ 1 হয়।
- এর ফলে বস্তুর চূড়ান্ত প্রতিবিম্ব অত্যন্ত বিবর্ধিত (highly magnified) দেখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতিফলক দূরবীক্ষণযন্ত্রে (Reflecting Telescope) আলোকরশ্মি সংগ্রহ ও প্রতিবিম্ব গঠনের জন্য মূলত দর্পণ ও লেন্সের সমন্বয় ব্যবহার করা হয়।
- এতে মূল সংগ্রাহক হিসেবে অবতল দর্পণ (Concave mirror) থাকে, যা দূরবর্তী বস্তু থেকে আসা সমান্তরাল আলোকে ফোকাসে সমবেত করে বাস্তব প্রতিচ্ছবি তৈরি করে।
- এই বাস্তব প্রতিচ্ছবিকে উত্তল লেন্স (eyepiece) দিয়ে বিবর্ধিত বা বড় করে দেখা হয়।
- উত্তল দর্পণ আলোকে ছড়িয়ে দেয় বলে ফোকাসে জমায় না, তাই উত্তল দর্পণ যুক্ত অপশনগুলো ভুল।
- শুধু 'দর্পণ ও প্রতিফলক' বলাটি অসম্পূর্ণ, কারণ চোখে দেখার জন্য উত্তল লেন্স অপরিহার্য। তাই সঠিক সমন্বয়: অবতল দর্পণ ও উত্তল লেন্স
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যৌগিক অণুবীক্ষণযন্ত্রের মোট বিবর্ধন নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
মোট বিবর্ধন = অভিলক্ষ্যের বিবর্ধন (Objective) × অভিনেত্রের বিবর্ধন (Eyepiece)

এখানে দেওয়া আছে,
- অভিলক্ষ্যের বিবর্ধন = 50
- অভিনেত্রের বিবর্ধন = 5

এখন মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই,
মোট বিবর্ধন = 50 × 5
মোট বিবর্ধন = 250

অতএব, অণুবীক্ষণযন্ত্রটির মোট বিবর্ধন হবে 250
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নভো-দূরবীক্ষণের স্বাভাবিক দর্শন (Normal Adjustment) বা অসীম দূরত্বে ফোকাসিং-এর ক্ষেত্রে কৌণিক বিবর্ধন নির্ণয়ের সূত্র: M = fo / fe
- প্রদত্ত তথ্য: অভিলক্ষ্যের ফোকাস দূরত্ব, fo = 40 cm এবং অভিনেত্রের ফোকাস দূরত্ব, fe = 5 cm
- সূত্রে মান বসিয়ে পাই: M = 40 / 5
- হিসাব করলে দাঁড়ায়, M = 8
- সুতরাং, দূরবীক্ষণটির বিবর্ধন হবে 8
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নভোদূরবীক্ষণ যন্ত্রে স্পষ্ট দর্শন (distinct vision) অবস্থায় চূড়ান্ত প্রতিবিম্বটি চোখের নিকট বিন্দু বা D দূরত্বে গঠিত হয়।
- Eyepiece বা অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে লেন্সের সূত্রানুসারে: 1/v − 1/u = 1/fe, যেখানে v = −D (অবাস্তব প্রতিবিম্ব)।
- এটি সমাধান করলে পাওয়া যায়, u = −(fe × D)/(D + fe)। অর্থাৎ, eyepiece থেকে বস্তুর দূরত্বের মান |u| = (fe × D)/(D + fe)।
- Objective বা অভিলক্ষ্য দূরবর্তী বস্তুর প্রথম প্রতিবিম্ব গঠন করে এর ফোকাল সমতলে, যার দূরত্ব = fo
- নলের মোট দৈর্ঘ্য হলো অভিলক্ষ্য ও অভিনেত্রীর মধ্যবর্তী দূরত্ব। তাই, L = fo + (D × fe)/(D + fe)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্পষ্ট দর্শন ফোকাসিং (Near point adjustment)-এর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রতিবিম্বটি চোখ থেকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব D-তে গঠিত হয় (অর্থাৎ, v = -D)।
- এই অবস্থায় অভিনেত্রের (eyepiece) ফোকাস দূরত্বের সূত্রে মান বসিয়ে মোট বিবর্ধনের সমীকরণ পাওয়া যায়।
- স্পষ্ট দর্শনের ক্ষেত্রে নভোদূরবীক্ষণ যন্ত্রের বিবর্ধন স্বাভাবিক ফোকাসিং (M = fo/fe)-এর তুলনায় (1 + fe/D) গুণ বেড়ে যায়।
- সুতরাং, সঠিক বিবর্ধন সমীকরণটি হলো: M = fo/fe (1 + fe/D)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নভোদূরবীক্ষণ (Astronomical telescope) যন্ত্রের প্রথম নকশা তৈরি করেন জোহানেস কেপলার (১৬১১)
- এই দূরবীক্ষণে দুটি উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়, যা বিস্তৃত দৃশ্যক্ষেত্র প্রদান করে।
- গ্যালিলিও প্রথম দূরবীন ব্যবহার করলেও সেটি ছিল গ্যালিলীয় দূরবীন (একটি উত্তল ও একটি অবতল লেন্স), যা নভোদূরবীক্ষণ নামে পরিচিত নয়।
- নিউটনগ্রেগরী উভয়েই প্রতিফলন দূরবীক্ষণ যন্ত্র (Reflecting telescope) উদ্ভাবন করেন।
- তাই নভোদূরবীক্ষণ যন্ত্রের উদ্ভাবক হিসেবে কেপলার সঠিক উত্তর।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জটিল বা যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মোট বিবর্ধন হলো অভিলক্ষ্য ও অভিনেত্রের বিবর্ধনের গুণফল: M = mo × me
- অভিলক্ষ্য (Objective): এটি বাস্তব ও উল্টো প্রতিবিম্ব গঠন করে, তাই এর বিবর্ধন mo = -v/u (ঋণাত্মক চিহ্নটি উল্টো প্রতিবিম্ব নির্দেশ করে)।
- অভিনেত্র (Eyepiece): এটি সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মতো কাজ করে। চূড়ান্ত বিম্ব স্পষ্ট দর্শনের নিকট বিন্দুতে (D) গঠিত হলে এর বিবর্ধন হয় me = 1 + D/fe
- সুতরাং, মোট বিবর্ধন: M = -v/u (1 + D/fe)
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0