Solution
Correct Answer: Option B
ডিম্বাণুতে কুসুমের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এর প্রকারভেদ করা হয়।
- মাইক্রোলেসিথাল (Microlecithal): এসব ডিম্বাণুতে কুসুমের পরিমাণ খুবই সামান্য বা নগণ্য থাকে। কিছু আদিম মাছ এবং কর্ডাটদের ডিম্বাণু এই প্রকৃতির হয়ে থাকে।
- অ্যালিলেসিথাল (Alecithal): এতে কুসুম থাকে না (যেমন- মানুষের ডিম্বাণু)।
- মেসোলেসিথাল (Mesolecithal): মাঝারি পরিমাণ কুসুম থাকে (যেমন- ব্যাঙ)।
- পলিলেসিথাল (Polylecithal): প্রচুর পরিমাণ কুসুম থাকে (যেমন- পাখি বা সরীসৃপের ডিম)।