মানব জীবনের ধারাবাহিকতা (127 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস (Syphilis) রোগটি Treponema গণের অন্তর্ভুক্ত Treponema pallidum নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটি একটি যৌনবাহিত রোগ।

অন্যান্য গণের পরিচিতি:
Salmonella: টাইফয়েড রোগের জন্য দায়ী।
Neisseria: গনোরিয়া রোগের জন্য দায়ী।
Escherichia: সাধারণত মানুষের অন্ত্রে থাকে, তবে কিছু প্রজাতি ডায়রিয়া বা মূত্রনালীর সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস (Syphilis) একটি মারাত্মক যৌনবাহিত রোগ, যা Treponema pallidum নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার গণ (Genus) হলো Treponema

অন্যান্য গণের রোগসমূহ:
Neisseria: এই গণের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা গনোরিয়া রোগ হয়।
Plasmodium: এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু (প্রোটোজোয়া)।
Vibrio: এই গণের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা কলেরা রোগ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের ২১ নং ক্রোমোসোমের ট্রাইসোমি (Trisomy 21)-এর কারণে ডাউন সিনড্রোম (Down syndrome) দেখা দেয়। এর ফলে কোষে স্বাভাবিক দুটি ক্রোমোসোমের পরিবর্তে তিনটি ক্রোমোসোম অবস্থান করে।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সিনড্রোম:
পাটাও সিনড্রোম (Patau syndrome): ১৩ নং ক্রোমোসোমের ট্রাইসোমির কারণে ঘটে।
এডওয়ার্ড সিনড্রোম (Edwards syndrome): ১৮ নং ক্রোমোসোমের ট্রাইসোমির কারণে ঘটে।
টার্নার সিনড্রোম (Turner syndrome): মহিলাদের সেক্স ক্রোমোসোমের একটি কমে গেলে বা মনোসোমি (45, X0)-এর কারণে ঘটে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব রোগ যৌন মিলনের সময় সংক্রমণের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে যৌনবাহিত রোগ (STD) বলে। যেমন: গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি।

গনোরিয়া: Neisseria gonorrhoeae প্রজাতিভুক্ত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সৃষ্ট যৌনবাহিত রোগ।
সিফিলিস: Treponema pallidum নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সৃষ্ট যৌনবাহিত রোগ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গনোরিয়া (Gonorrhea) মানবদেহের একটি মারাত্মক যৌনবাহিত রোগ, যা Neisseria gonorrhoeae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়।

ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রোগ: সিফিলিস, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস (Syphilis) রোগের জন্য দায়ী জীবাণুর নাম হলো Treponema pallidum নামক স্পাইরোকিট ব্যাকটেরিয়া।

অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
Neisseria gonorrhoeae: এটি গনোরিয়া (Gonorrhoea) রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া।
Trichomonas vaginalis: এটি ট্রাইকোমোনিয়াসিস (Trichomoniasis) নামক সংক্রমণের জন্য দায়ী প্রোটোজোয়া।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গর্ভাবস্থায় ক্রমবর্ধমান ভ্রূণ, অ্যামনিওটিক ফ্লুইড এবং প্লাসেন্টাকে ধারণ করার জন্য মানুষের জরায়ু (Uterus) স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে প্রায় ২০ গুণ বৃদ্ধি পায়।
• গর্ভাবস্থার আগে একটি স্বাভাবিক জরায়ুর ওজন থাকে মাত্র ৫০-৬০ গ্রাম।
• গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে এর পেশি কোষগুলোর প্রসারণের ফলে জরায়ুর আয়তন বাড়ে এবং ওজন বেড়ে প্রায় ১০০০ গ্রাম বা ১ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (ART) মূলত এইডস (AIDS) বা HIV সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
• এইডস রোগীদের জন্য ব্যবহৃত একটি ঔষধ হলো এজিডোথাইমেডিন (AZT), যা এন্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (ART)-এর একটি অংশ।

এজিডোথাইমেডিন (AZT) যেভাবে কাজ করে:
• এটি HIV ভাইরাসের রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ (Reverse Transcriptase) নামক এনজাইমকে অবরুদ্ধ করে।
• রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ ভাইরাসের RNA-কে DNA-তে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।
• AZT ব্যবহারের ফলে ভাইরাসের DNA তৈরি বন্ধ হয়ে যায় এবং ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি থেমে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস (Syphilis) একটি মারাত্মক যৌনবাহিত রোগ (STD), যা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
• এই রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে যৌনাঙ্গ বা আক্রান্ত স্থানে যে গোলাকার ও ব্যথাহীন ক্ষত বা আলসার সৃষ্টি হয়, তাকে শ্যাংকার (Chancre) বলা হয়।
ক্যাঙ্কার (Canker) বলতে সাধারণত যন্ত্রণাদায়ক ক্ষতকে বোঝানো হলেও, চিকিৎসাবিজ্ঞানে সিফিলিসের ক্ষতের লক্ষণ হিসেবে এই শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়।
গনোরিয়া বা এইডস-এর প্রাথমিক লক্ষণে এ ধরনের সুনির্দিষ্ট ক্ষত দেখা যায় না।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Azoospermia হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে পুরুষের সিমেন বা বীর্যে কোনো শুক্রাণু (Sperm) থাকে না।
• এটি পুরুষ বন্ধ্যাত্বের (Infertility) অন্যতম প্রধান কারণ, যার ফলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণ সম্ভব হয় না।
• অন্যদিকে Oligozoospermia বলতে সিমেনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম সংখ্যক শুক্রাণুর উপস্থিতিকে বোঝায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সংক্রমণের স্থানে একটি ব্যথাহীন ক্ষত বা শ্যাংকার (Chancre) তৈরি হয়।
• এর পরবর্তী বা মাধ্যমিক পর্যায়ে শরীরে র‍্যাশ বের হয় এবং শরীরের লসিকা গ্রন্থিগুলো (Lymph nodes) ফুলে যায়
• এছাড়া জ্বর, গলা ব্যথা, পেশি ব্যথা এবং ক্লান্তি অনুভব হওয়াও এই রোগের পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম লক্ষণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত যৌনবাহিত রোগ, যা Treponema pallidum নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
• এই রোগের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যথাহীন ক্ষত (Chancre), ত্বকে লালচে বাদামী দাগ এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুসকুড়ি।
অনিয়মিত রজঃচক্র সিফিলিস রোগের কোনো লক্ষণ নয়; এটি সাধারণত হরমোনজনিত ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিফিলিস (Syphilis) রোগের লক্ষণগুলো মূলত কয়েকটি পর্যায়ে প্রকাশ পায়। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে (Secondary stage) ত্বকে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়।
• এই পর্যায়ে রোগীর শরীরে অমসৃণ, লাল বা কালচে বাদামী দাগ যুক্ত র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়, যা সাধারণত চুলকায় না।
• হাতের তালু এবং পায়ের তলায় এই দাগগুলো বেশি স্পষ্ট হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশে প্রথম টেস্টটিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে
• প্রথম জন্ম নেওয়া এই টেস্টটিউব বেবিরা ছিল তিন যমজ বোন, যাদের নাম রাখা হয় হীরা, মণি এবং মুক্তা
• এই যুগান্তকারী চিকিৎসায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রখ্যাত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফাতেমা বেগম
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব বেবির নাম লুইস জয় ব্রাউন (Louise Joy Brown)
• তিনি ২৫ জুলাই ১৯৭৮ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF) পদ্ধতির মাধ্যমে গর্ভধারণের পর জন্মগ্রহণকারী তিনি প্রথম মানব।
• ব্রিটেনে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে তার জন্মকে "বিশ শতকের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মেডিকেল সাফল্য" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
টেস্টটিউব বেবি বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF) পদ্ধতি তখন গ্রহণ করা হয় যখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণ সম্ভব হয় না। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ডিম্বনালী বা ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ থাকা, যার ফলে শুক্রাণু ডিম্বনালী পর্যন্ত পৌঁছাতে অসমর্থ হয়
• এই পদ্ধতির প্রাথমিক ধাপে হরমোন প্রয়োগের পর ডিম্বাণু পরিপক্ব হলে একটি মাইনর সার্জারি (Surgery) বা আলট্রাসাউন্ড গাইডেড ফলিকল অ্যাসপিরেশনের মাধ্যমে স্ত্রীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুগুলো বের করে আনা হয় এবং ল্যাবরেটরিতে নিষিক্ত করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF) বা টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতির প্রাথমিক ধাপে স্ত্রীর ডিম্বাশয় থেকে পরিণত ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়।
• হরমোন প্রয়োগের পর ডিম্বাণু পরিপক্ব হলে একটি মাইনর সার্জারি (Surgery) বা আলট্রাসাউন্ড গাইডেড ফলিকল অ্যাসপিরেশনের মাধ্যমে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুগুলো বের করে আনা হয়।
আলট্রাসনিক লিথট্রিপসি কিডনির পাথর ভাঙতে ব্যবহৃত হয় এবং ইনজেকশন সাধারণত ডিম্বাশয়কে উদ্দীপ্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সারফেকটেন্ট (Surfactant) হলো ফসফোলিপিড ও প্রোটিনের মিশ্রণ যা ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর থেকে নিঃসৃত হয়। এটি অ্যালভিওলাসের পৃষ্ঠটান কমিয়ে ফুসফুসকে চুপসে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
• মানব ভ্রূণের বয়স ২৩ সপ্তাহ হলে ফুসফুস থেকে প্রথম সারফেকটেন্ট ক্ষরণ শুরু হয়।
• স্বাধীনভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার জন্য এটি অপরিহার্য, তাই ২৪ সপ্তাহের আগে জন্ম নেওয়া অপরিণত শিশুর শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভ্রূণের তিনটি প্রাথমিক স্তর (এক্টোডার্ম, এন্ডোডার্ম ও মেসোডার্ম) থেকে বিভিন্ন অঙ্গকুঁড়ি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে অর্গানোজেনেসিস (Organogenesis) বলা হয়।
ব্লাস্টোলেশন (Blastulation): ব্লাস্টুলা গঠনের প্রক্রিয়া।
গ্যাস্ট্রুলেশন (Gastrulation): ব্লাস্টুলা থেকে গ্যাস্ট্রুলা (ত্রিস্তরী ভ্রূণ) গঠনের প্রক্রিয়া।
গ্যামেটোজেনেসিস (Gametogenesis): জননকোষ বা গ্যামেট সৃষ্টির প্রক্রিয়া।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দাঁতের প্রধান অংশ হলো ডেন্টিন, যা এনামেলের নিচে অবস্থান করে।
• ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের সময় দাঁতের এনামেল তৈরি হয় এক্টোডার্ম (Ectoderm) থেকে।
• কিন্তু দাঁতের ডেন্টিন, সিমেন্টাম এবং পাল্প তৈরি হয় ভ্রূণীয় মেসোডার্ম (Mesoderm) থেকে।
যেহেতু ডেন্টিনের উৎপত্তি চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর মেসোডার্ম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্যামোন হলো এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা জননকোষ থেকে নিঃসৃত হয় এবং নিষেক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
• শুক্রাণু থেকে নিঃসৃত গ্যামোনকে অ্যান্ড্রোগ্যামোন (Androgamone) বলা হয়।
• অন্যদিকে, ডিম্বাণু থেকে নিঃসৃত গ্যামোনকে গাইনোগ্যামোন (Gynogamone) বলা হয়।
এটি শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর পারস্পরিক আকর্ষণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যাক্রোসোম (Acrosome) মূলত পরিণত শুক্রাণুর (Sperm) মস্তকের ঠিক সামনের দিকে টুপির মতো অংশে পাওয়া যায়।
• এটি কোষের গলগি বস্তু (Golgi body) থেকে রূপান্তরিত হয়ে গঠিত হয়।
• অ্যাক্রোসোমে বিশেষ ধরনের হাইড্রোলাইটিক এনজাইম থাকে, যা নিষেকের সময় ডিম্বাণুর আবরণ ভেদ করে শুক্রাণুকে ভেতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দাঁতের এনামেল (Enamel) ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম (Ectoderm) স্তর থেকে গঠিত হয়।
• এটি মানবদেহের কঠিনতম কলা যা দাঁতের ক্রাউন বা দৃশ্যমান অংশের বাইরের আচ্ছাদন তৈরি করে।
• অ্যামেলোব্লাস্ট কোষের ক্ষরণ খনিজ লবণের (প্রধানত হাইড্রক্সিঅ্যাপাটাইট) সাহায্যে অশ্মীভূত হয়ে এনামেল গঠন করে।
• দন্ত এনামেলের প্রায় ৯৬% খনিজ উপাদানে গঠিত হওয়ার কারণেই এটি এত শক্ত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাণিদেহের যোজক কলা (Connective tissue) যেমন- রক্ত, অস্থি, তরুণাস্থি ইত্যাদি ভ্রূণীয় মেসোডার্ম (Mesoderm) স্তর থেকে উৎপন্ন হয়।
এছাড়া পেশি কলা, কঙ্কালতন্ত্র এবং রক্তসংবহন তন্ত্রও এই মেসোডার্ম স্তর থেকেই গঠিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম (Ectoderm) স্তর থেকে মানবদেহের চোখ, স্নায়ুতন্ত্র, ত্বক, চুল, নখ ইত্যাদি গঠিত হয়।
অন্যান্য তন্ত্রগুলোর উৎপত্তি:
কঙ্কালতন্ত্র ও রক্তসংবহন তন্ত্র: ভ্রূণীয় মেসোডার্ম (Mesoderm) স্তর থেকে তৈরি হয়।
শ্বসনতন্ত্র: ভ্রূণীয় এন্ডোডার্ম (Endoderm) স্তর থেকে তৈরি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভ্রূণীয় মেসোডার্ম (Mesoderm) স্তর থেকে দাঁতের ডেন্টিন (Dentin) তৈরি হয়, তাই এটি এক্টোডার্ম থেকে গঠিত হয় না।
অন্যান্য অঙ্গগুলোর উৎপত্তি:
সমগ্র স্নায়ুতন্ত্র, চোখ এবং দাঁতের এনামেল (Enamel): ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম (Ectoderm) থেকে তৈরি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্নায়ুতন্ত্র (Nervous system) সম্পূর্ণভাবে ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম (Ectoderm) বা বহিস্ত্বক থেকে গঠিত হয়।
মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডসহ স্নায়ুতন্ত্রের সকল অংশ এবং ত্বক, চুল, নখ, চোখের লেন্স ইত্যাদি এক্টোডার্ম থেকে উদ্ভূত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যকৃৎ (Liver) এবং অগ্ন্যাশয় (Pancreas) হলো পরিপাকতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা ভ্রূণীয় এন্ডোডার্ম (Endoderm) বা অন্তত্বক থেকে সৃষ্টি হয়।
এন্ডোডার্ম মূলত পরিপাকতন্ত্র ও শ্বসনতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ আবরণ এবং এর সাথে যুক্ত গ্রন্থিগুলো গঠন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভ্রূণের মেসোডার্ম বা মধ্যত্বক থেকে কঙ্কালতন্ত্র (Skeletal system) তৈরি হয়।
অন্যান্য অংশগুলোর উৎপত্তি:
শ্বসনতন্ত্র: এন্ডোডার্ম থেকে উৎপন্ন হয়।
মুখ গহ্বর ও ত্বকীয় গ্রন্থি: এক্টোডার্ম থেকে উৎপন্ন হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্নায়ুতন্ত্র (Nervous system) ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম (Ectoderm) থেকে গঠিত হয়, মেসোডার্ম থেকে নয়।
অন্যদিকে, রক্তসংবহনতন্ত্র, কঙ্কালতন্ত্র এবং প্রজননতন্ত্র—এই তিনটি তন্ত্রই মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0