মানব শারীরতত্ত্বঃ চলন ও অঙ্গচালনা (138 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উন্মুক্ত হাড়ভাঙ্গা (Open fracture)-এর ক্ষেত্রে ভাঙা হাড় ত্বক বা পেশি ভেদ করে শরীরের বাইরে বেরিয়ে আসে।
এই ধরনের হাড়ভাঙ্গায় হাড় ভাঙ্গার পাশাপাশি আশেপাশের ত্বক, টিস্যু বা পেশির ক্ষতি হয় এবং সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে একটি যৌগিক ক্ষতের সৃষ্টি করে। তাই একে যৌগিক হাড়ভাঙ্গা (Compound fracture) বলা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণ হাড়ভাঙ্গা (Simple fracture)-এর ক্ষেত্রে হাড় ভেঙে যায় কিন্তু তা ত্বক বা চামড়া ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে না।
যেহেতু এই ধরনের হাড়ভাঙ্গায় ক্ষতের স্থানটি উন্মুক্ত থাকে না এবং ভেতরেই আবদ্ধ থাকে, তাই একে বদ্ধ হাড়ভাঙ্গা (Closed fracture) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অস্থিসন্ধিকে ঘর্ষণজনিত ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড (Synovial fluid) পিচ্ছিলকারক পদার্থ বা লুব্রিকেন্ট হিসেবে কাজ করে।
এই তরলের প্রধান গঠনগত উপাদান হলো হায়ালুরোনিক এসিড (Hyaluronic acid)
রাসায়নিকভাবে হায়ালুরোনিক এসিড হলো এক ধরনের মিউকোপলিস্যাকারাইড (Mucopolysaccharide), যা অস্থিসন্ধিকে সচল রাখে এবং পুষ্টি জোগায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অস্থিসন্ধিতে দুটি অস্থিকে একে অপরের সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত রাখে লিগামেন্ট (Ligament) বা অস্থিবন্ধনী।
দুর্ঘটনা বা অতিরিক্ত চাপের কারণে লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে অস্থিসন্ধির স্বাভাবিক সংযোগ ও ভারসাম্য নষ্ট হয়।
এর ফলে অস্থি তার নির্দিষ্ট স্থান থেকে সরে যায়, যাকে অস্থির স্থানচ্যুতি (Dislocation) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চলনের সময় হাঁটু ভাঁজ করতে বা সংকুচিত করতে সাহায্য করে হ্যামস্ট্রিং (Hamstring) পেশি
বাইসেপস ফিমোরিস (Biceps femoris) হলো উরুর পেছনের দিকে অবস্থিত হ্যামস্ট্রিং পেশি গ্রুপের একটি প্রধান অংশ।
পেশিটি সংকুচিত হলে হাঁটু ভাঁজ (Flexion) হয় এবং হাঁটা বা দৌড়ানোর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তৃতীয় শ্রেণির লিভারে প্রচেষ্টা বা বল (Effort) ফালক্রাম এবং ভারের (Load) মাঝখানে অবস্থান করে।
মানবদেহে হাতের কনুই সঞ্চালন বা বাহু ভাঁজ করা এর একটি প্রধান উদাহরণ।
এক্ষেত্রে কনুইয়ের সন্ধি ফালক্রাম হিসেবে, হাতের তালুর বস্তু ভার হিসেবে এবং মাঝখানে থাকা বাইসেপস পেশির সংকোচন প্রচেষ্টা বা বল হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রথম শ্রেণির লিভারে ফালক্রাম বা আলম্ব থাকে ভার (Load) এবং প্রচেষ্টা (Effort)-এর মাঝখানে।
মানবদেহে করোটি ও অ্যাটলাসের সঞ্চালন প্রথম শ্রেণির লিভারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
এখানে অ্যাটলাস বা প্রথম গ্রীবা কশেরুকা ফালক্রাম হিসেবে কাজ করে, মাথার সম্মুখভাগের ওজন ভার এবং ঘাড়ের পেশি প্রচেষ্টা বা বল হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারের ক্ষেত্রে ভার (Load) থাকে ফ্যালক্রাম ও বলের মাঝখানে।
- মানুষ যখন পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ায়, তখন পায়ের পাতার গোড়ালি দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার হিসেবে কাজ করে।
- এখানে, মাটির সাথে আঙুলের স্পর্শবিন্দু ফ্যালক্রাম, শরীরের ওজন ভার এবং কাফ পেশি (Calf muscle) বল হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১ম শ্রেণির লিভারের ক্ষেত্রে ফ্যালক্রাম (Fulcrum) বা আলম্ব বিন্দুটি ভার (Load) এবং বল (Force)-এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- সুতরাং, এর সঠিক গঠনক্রম হলো: ভার-ফ্যালক্রাম-বল
- উদাহরণ: কাঁচি, পেরেক তোলার হাতুড়ি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানবদেহের কঙ্কাল পেশি মূলত সংকোচনশীল প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
- এর প্রধান দুটি প্রোটিন হলো অ্যাকটিন (Actin) এবং মায়োসিন (Myosin)
- মায়োসিন প্রোটিন পেশিতন্তুর পুরু ফিলামেন্ট (Thick filament) তৈরি করে, যা পেশির সংকোচন ও প্রসারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেশির আংশিক বা বিরতিহীন মৃদু সংকোচন অবস্থাকে টোনিসিটি (Tonicity) বা Muscle tone বলা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যের কারণে পেশিগুলো সম্পূর্ণ শিথিল হয় না, বরং বিশ্রামরত অবস্থায়ও কিছুটা টানটান থাকে।
- এটি মানবদেহের স্থিতিশীলতা এবং অঙ্গবিন্যাস (Posture) বজায় রাখতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চিহ্নিত পেশি বা কঙ্কাল পেশির (Skeletal muscle) কোষগুলো লম্বাকৃতির এবং শাখাবিহীন হয়।
- ভ্রূণীয় অবস্থায় অনেকগুলো কোষের মিলনের ফলে এই পেশি গঠিত হয় বলে প্রতিটি কোষে শতাধিক বা অসংখ্য নিউক্লিয়াস থাকে।
- এই নিউক্লিয়াসগুলো কোষের পরিধির দিকে বা সারকোলেম্মার ঠিক নিচে অবস্থান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাঠ্যপুস্তকের পেশিটিস্যুর তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, 'প্রচুর রক্ত সরবরাহ' (Abundant blood supply) মূলত ঐচ্ছিক পেশির বৈশিষ্ট্য। হৃৎপেশিতে রক্ত সরবরাহ 'পর্যাপ্ত' বা উন্নত হলেও একে সরাসরি 'প্রচুর' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয় না।
হৃৎপেশির সঠিক বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
• এর কোষগুলো শাখান্বিত এবং আড়াআড়ি দাগ বা ডোরাবিশিষ্ট
• এটি প্রাণীদেহের ইচ্ছাধীন নয়, তাই এটি অনৈচ্ছিক প্রকৃতির।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঐচ্ছিক পেশি (Skeletal muscle) কঙ্কাল বা অস্থির গায়ে যুক্ত থাকে এবং প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে অঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে।
অন্যান্য অঙ্গের পেশি:
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরে: হৃৎপেশি (Cardiac muscle) থাকে, যা এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি।
পৌষ্টিক নালি এবং বৃক্কের প্রাচীরে: মসৃণ পেশি (Smooth muscle) থাকে, যা সম্পূর্ণরূপে অনৈচ্ছিক
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হৃৎপেশির (Cardiac muscle) কোষগুলোতে সাধারণত কেন্দ্রে অবস্থিত একটিমাত্র নিউক্লিয়াস থাকে (কখনো দুটি থাকতে পারে)। একাধিক এবং পরিধির দিকে বা একপাশে অবস্থিত নিউক্লিয়াস মূলত ঐচ্ছিক পেশির (Skeletal muscle) বৈশিষ্ট্য।
হৃৎপেশির অন্যান্য সঠিক বৈশিষ্ট্য:
• এর পেশিতন্তুগুলো শাখান্বিত এবং ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক দ্বারা যুক্ত থাকে।
• এর কোষের দৈর্ঘ্য সাধারণত প্রায় ৮০-১০০ মাইক্রন হয়।
• এটি প্রাণীদেহের ইচ্ছাধীন নয়, তাই এর প্রকৃতি অনৈচ্ছিক
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পায়ের পেছনের দিকে বা গোড়ালির ওপরের অংশের প্রধান পেশি হলো গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস (Gastrocnemius)। এটি মানুষের পায়ের কাফ (calf) বা পায়ের ডিম গঠন করে এবং অ্যাকিলিস টেন্ডনের মাধ্যমে গোড়ালির হাড়ের সাথে যুক্ত থাকে, যা হাঁটা বা দৌড়ানোর সময় গোড়ালি তুলতে সাহায্য করে।
কোয়াড্রিসেপস ফিমোরিস: উরুর সামনের দিকের পেশি।
এক্সটেনসর ডিজিটোরাম: হাত বা পায়ের আঙুল প্রসারণকারী পেশি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মায়োলিনযুক্ত নিউরনের এক্সনে র‍্যানভিয়ার পর্ব (Nodes of Ranvier) উপস্থিত থাকে। মায়োলিন আবরণী এক্সনের গায়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে থাকে না, বরং নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর বিচ্ছিন্ন থাকে। এই আবরণীবিহীন অংশগুলোকেই র‍্যানভিয়ার পর্ব বলা হয়।
অন্যান্য তথ্যগুলো সঠিক:
• শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
হৃৎপেশি (Cardiac muscle) গঠনগতভাবে ডোরাকাটা হলেও কাজের দিক থেকে অনৈচ্ছিক
• পেশিকোষের মায়োফাইব্রিল প্রধানত অ্যাকটিনমায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পেশি প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত করা যায়, তাদের ঐচ্ছিক পেশি বলা হয়।
- মানুষের হাত, চোখ এবং জিহ্বার পেশি হলো ঐচ্ছিক পেশির উদাহরণ, কারণ এগুলো আমরা ইচ্ছেমতো নাড়াতে পারি।
- অন্যদিকে, জরায়ু (Uterus), পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশি প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। তাই জরায়ুতে অনৈচ্ছিক পেশি (Involuntary muscle) থাকে, ঐচ্ছিক পেশি নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক (Intercalated disc) হলো হৃৎপেশি বা কার্ডিয়াক পেশির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- হৃৎপেশির শাখা-প্রশাখাযুক্ত কোষগুলো যেখানে একে অপরের সাথে যুক্ত হয়, সেই সংযোগস্থলে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত চাকতির মতো অংশকেই ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক বলা হয়।
- ঐচ্ছিক (রৈখিক) পেশি বা মসৃণ (অনৈচ্ছিক) পেশিতে এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায় না।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হৃৎপেশি (Cardiac muscle) একটি বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি, কারণ এটি প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত হয় না। তাই 'হৃৎপেশি ঐচ্ছিক পেশি' তথ্যটি সঠিক নয়।
অন্যান্য সঠিক তথ্যসমূহ:
- তরুণাস্থির ম্যাট্রিক্স বা মাতৃকায় কনড্রিন (Chondrin) নামক প্রোটিন থাকে।
- যোজক কলা ভ্রূণের মেসোডার্ম (Mesoderm) স্তর থেকে উৎপন্ন হয়।
- ফাইব্রোব্লাস্ট (Fibroblast) কোষ শ্বেততন্তু উৎপাদনে সহায়তা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হৃৎপেশি বা কার্ডিয়াক (Cardiac) পেশির কোষগুলোর মধ্যে চাকতি সদৃশ যে বিশেষ গঠন দেখা যায়, তাকে ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক (Intercalated disc) বলে। এটি এই পেশির একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য।
- কার্ডিয়াক পেশি হলো এক ধরনের বিশেষ অনৈচ্ছিক পেশি, যা কেবল হৃৎপিণ্ডেই পাওয়া যায়।
- ঐচ্ছিক (রৈখিক) এবং সাধারণ অনৈচ্ছিক পেশিতে এই ধরনের কোনো ডিস্ক থাকে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতিটি পেশি কোষ বা তন্তু একটি পাতলা, স্বচ্ছ এবং স্থিতিস্থাপক আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে, যাকে সারকোলেমা (Sarcolemma) বলা হয়।
- নিউরোলেমা (Neurolemma) হলো স্নায়ুকোষ বা নিউরনের অ্যাক্সনের আবরণী।
- প্লাজমালেমা (Plasmalemma) হলো কোষের বাইরের সাধারণ আবরণ বা কোষঝিল্লি।
- পেরিটোনিয়াম (Peritoneum) হলো উদর গহ্বরের ভেতরের অঙ্গগুলোর বাইরের আবরণী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতিটি পেশি কোষ বা তন্তু একটি পাতলা, স্বচ্ছ এবং স্থিতিস্থাপক আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে, যাকে সারকোলেমা (Sarcolemma) বলা হয়।
- নিউরোলেমা (Neurolemma) হলো স্নায়ুকোষ বা নিউরনের অ্যাক্সনের আবরণী।
- পেরিটোনিয়াম (Peritoneum) হলো উদর গহ্বরের ভেতরের অঙ্গগুলোর বাইরের আবরণী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পেশি প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত করা যায়, তাদের ঐচ্ছিক পেশি বলা হয়।
- মানুষের হাত, পা, চোখ এবং জিহ্বার পেশি হলো ঐচ্ছিক পেশির উদাহরণ, কারণ এগুলো আমরা ইচ্ছেমতো নাড়াতে পারি।
- অন্যদিকে, পাকস্থলী ও জরায়ুতে অনৈচ্ছিক পেশি এবং হৃৎপিণ্ডে বিশেষ ধরনের হৃৎপেশি থাকে, যা প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হৃৎপেশি (Cardiac Muscle) হলো হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর গঠনকারী বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি।
- হৃৎপেশির কোষগুলোর সংযোগস্থলে আড়াআড়িভাবে বিশেষ গঠন থাকে, যাকে ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক (Intercalated disc) বলে।
- এই ডিস্কগুলো একটি কোষ থেকে অন্য কোষে উদ্দীপনা দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে, যা হৃৎপিণ্ডের ছন্দবদ্ধ সংকোচন ও প্রসারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেশি কোষের সাইটোপ্লাজমে অসংখ্য সূক্ষ্ম তন্তুর মতো গঠন থাকে, যাদের মায়োফাইব্রিল (Myofibril) বলা হয়।
- পেশির সংকোচন ও প্রসারণের জন্য মায়োফাইব্রিল প্রধানত দুটি প্রোটিন দ্বারা গঠিত: অ্যাকটিন (Actin) এবং মায়োসিন (Myosin)
- অ্যাকটিন তন্তুগুলো সরু এবং মায়োসিন তন্তুগুলো পুরু হয়, যা পেশির চলনে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঐচ্ছিক পেশি (Voluntary Muscle) হলো সেসব পেশি যা প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত ও প্রসারিত হয়।
- এই পেশির কোষগুলো নলাকার, শাখাবিহীন এবং এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ বা অনুপ্রস্থ রেখা থাকে।
- প্রতিটি কোষে অসংখ্য নিউক্লিয়াস থাকে যা কোষপর্দার ঠিক নিচেই অবস্থান করে।
- ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক কেবল হৃৎপেশিতে এবং মাকু আকৃতির গঠন অনৈচ্ছিক পেশিতে দেখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেশিকোষ বা পেশিতন্তুর (Muscle fiber) চারপাশ ঘিরে থাকা পাতলা ও স্থিতিস্থাপক কোষঝিল্লি বা আবরণীকে সারকোলেমা (Sarcolemma) বলা হয়।
ঐচ্ছিক পেশির ক্ষেত্রে এই সারকোলেমা খুবই স্পষ্ট থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো:
প্লাজমালেমা: সাধারণ প্রাণী কোষের বাইরের আবরণী।
মায়োফাইব্রিল: পেশিকোষের ভেতরের সূক্ষ্ম সংকোচনশীল সুতোর মতো অংশ।
মায়োসিন: অ্যাকটিন এর পাশাপাশি এটি পেশি সংকোচনে সাহায্যকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাসকুলার ডিস্ট্রফি (Muscular dystrophy) হলো একদল জিনগত রোগ, যার ফলে দেহের পেশি ধীরে ধীরে দুর্বল ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
এর ফলে হাঁটাচলার ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং একপর্যায়ে আক্রান্ত ব্যক্তি (যেমন একজন শিক্ষার্থী) সম্পূর্ণ চলৎশক্তিহীন হয়ে হুইলচেয়ারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে।
অন্যান্য অপশনগুলো:
এক্টোডার্মাল ডিসপ্লেসিয়া: ত্বক, চুল, দাঁত ও নখের বিকাশজনিত সমস্যা।
মায়োপিয়া: চোখের দৃষ্টিজনিত ত্রুটি।
হিমোফিলিয়া: রক্ততঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধা সংক্রান্ত একটি বংশগত রোগ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অবস্থান, গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে পেশি টিস্যু তিন ধরনের: ১. ঐচ্ছিক পেশি, ২. অনৈচ্ছিক পেশি এবং ৩. হৃদপেশি।
অনৈচ্ছিক পেশির বৈশিষ্ট্য:
• এর পেশি তন্তুগুলো মাকু আকৃতির (Spindle-shaped), অর্থাৎ দুই প্রান্ত সরু এবং মাঝখানটা চওড়া।
• প্রতিটি কোষে মাত্র একটি নিউক্লিয়াস থাকে (একাধিক নয়)।
• এদের কোষে কোনো ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে না (এটি কেবল হৃদপেশির অনন্য বৈশিষ্ট্য)।
• এগুলো রক্তনালি, পৌষ্টিকনালি ইত্যাদির প্রাচীরে অবস্থান করে। চোখ ও জিহ্বায় মূলত ঐচ্ছিক পেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0