মানব শারীরতত্ত্ব পরিপাক ও শোষণ (93 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোলাজিনেজ (Collagenase) অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এনজাইম নয়। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা নির্দিষ্ট প্রাণীকোষ দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং কোলাজেন প্রোটিন ভাঙতে সাহায্য করে।
- অগ্ন্যাশয় (Pancreas) নিঃসৃত প্রধান এনজাইমসমূহ:
- লাইপেজ (Lipase): লিপিড বা চর্বি পরিপাকে সহায়তা করে।
- ট্রিপসিন (Trypsin): প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।
- কার্বক্সিপেপটাইড (Carboxypeptidase): এটিও প্রোটিন পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সিক্রেটিন (Secretin) ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনাম থেকে নিঃসৃত হয়ে পরিপাক প্রক্রিয়ায় পরোক্ষভাবে সাহায্য করে।
- এটি অগ্ন্যাশয়কে উদ্দীপিত করে বাইকার্বোনেট সমৃদ্ধ পরিপাক রস নিঃসরণে সাহায্য করে, যা পাকস্থলীর অ্যাসিডকে প্রশমিত করে এনজাইমগুলোর কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
- ইনসুলিন এবং গ্লুকাগণ অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- অ্যাড্রেনালিন হলো একটি স্ট্রেস বা জরুরি অবস্থার হরমোন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জিনগত ত্রুটি বা মিউটেশন ডিএনএ-এর ক্রমে পরিবর্তন ঘটায়, যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ব্যাহত করে।
- লেপটিন (Leptin) হলো ফ্যাট সেল বা অ্যাডিপোজ টিস্যু থেকে নিঃসৃত একটি উপাদান, যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখে।
- লেপটিন উৎপাদনকারী জিনে ত্রুটি দেখা দিলে শরীরে লেপটিনের অভাব ঘটে, যার ফলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং স্থূলতা (Obesity) দেখা দেয়।
- অন্যান্য জিন (পরিপূরক, মারণ, এপিস্ট্যাটিক) জিনগত মিথস্ক্রিয়ার অংশ, যা সরাসরি স্থূলতার মূল কারণ নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার কারণে রক্তনালীতে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমা হয়। এর ফলে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয় এবং হৃৎপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। এই অবস্থার কারণে করোনারি হার্ট ডিজিজ (Coronary Heart Disease) এর মতো মারাত্মক কার্ডিওভাসকুলার রোগ দেখা দেয়। অন্যান্য সমস্যাগুলোর তুলনায় এটি স্থূলতার অন্যতম প্রধান স্বাস্থ্য ঝুঁকি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাভাবিক ওজনের (18.5-24.9 kg/m²) চেয়ে বেশি BMI সম্পন্ন অবস্থাই হলো অতিরিক্ত ওজন। নির্দিষ্টভাবে 25.0-29.9 kg/m² কে Overweight এবং 30.0-34.9 kg/m² কে স্থূলতার ১ম স্তর বলা হলেও, বৃহত্তর অর্থে এটি শরীরের অতিরিক্ত ওজনেরই একটি শ্রেণিকে নির্দেশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
BMI (Body Mass Index) এর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্থূলতার স্তরসমূহ হলো:
- প্রথম স্তর (Class I): 30.0 - 34.9 kg/m²
- দ্বিতীয় স্তর (Class II): 35.0 - 39.9 kg/m²
- তৃতীয় স্তর (Class III): 40.0 kg/m² বা এর বেশি
যেহেতু ব্যক্তির BMI 38 kg/m², যা 35.0-39.9 এর পরিসরের মধ্যে পড়ে, তাই তিনি স্থূলতার দ্বিতীয় স্তরে আছেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেহে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়ার অবস্থাকেই স্থূলতা বা Obesity বলা হয়। এটি মূলত খাদ্যের মাধ্যমে গৃহীত অতিরিক্ত ক্যালরি শক্তি হিসেবে দৈনন্দিন কাজে খরচ না হওয়ার কারণে ঘটে থাকে। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার সরাসরি এবং প্রাথমিক ফলাফল হলো স্থূলতা
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, BMI এর মান অনুযায়ী মানুষের ওজনকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা হয়।
- 18.5-24.9 Kg/m²: স্বাভাবিক ওজন
- 25.0-29.9 Kg/m²: অতিরিক্ত ওজন
- 30.0-34.9 Kg/m²: স্থূলতার প্রথম স্তর (Class I Obesity)
- 35.0-39.9 Kg/m²: স্থূলতার দ্বিতীয় স্তর (Class II Obesity)
সুতরাং, স্থূলতার প্রথম স্তর হলো 30.0-34.9 Kg/m²
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পৌষ্টিকনালির বৃহদন্ত্রের একটি প্রধান অংশ হলো কোলন। এর প্রধান কাজ হলো অপাচ্য খাদ্যবস্তু থেকে পানি এবং খনিজ লবণের পরিশোষণ করা।
- এখানে প্রচুর পরিমাণে পানি শোষিত হওয়ার ফলেই তরল বর্জ্য পদার্থ মল বা কঠিন রূপ ধারণ করে।
- অন্যদিকে, পাকস্থলী মূলত খাদ্য পরিপাকে এবং ইলিয়াম (ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ) পাচিত পুষ্টি উপাদান শোষণে মুখ্য ভূমিকা রাখে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গবলেট কোষ (Goblet cell) হলো পরিপাকতন্ত্র এবং শ্বসনতন্ত্রের আবরণী কলার এক ধরনের বিশেষায়িত কোষ। এর প্রধান কাজ হলো মিউকাস নিঃসরণ করা।
- এই মিউকাস পৌষ্টিকনালির ভেতরের পৃষ্ঠকে পিচ্ছিল রাখে, খাদ্যবস্তুর চলন সহজ করে এবং বিভিন্ন অঙ্গের প্রাচীরকে এনজাইম বা এসিডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
খনিজ লবণ, পানি এবং ভিটামিন পরিপাক হওয়ার প্রয়োজন হয় না। এগুলো আহারের পর কোনো রাসায়নিক পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি দেহে শোষিত হয়।
- অন্যদিকে, জটিল খাদ্য উপাদান যেমন আমিষ, লিপিড এবং শর্করা সরাসরি শোষিত হতে পারে না। এগুলো এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে যথাক্রমে অ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল এবং গ্লুকোজে পরিণত হওয়ার পরই শোষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাইবোসোম-এর প্রধান কাজ হলো কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণ করা।
- মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA)-এর সংকেত অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পরস্পর যুক্ত করে রাইবোসোম প্রোটিন তৈরি করে।
- অন্যান্য অঙ্গাণুর মধ্যে: মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শক্তি উৎপাদন করে, গলজিবডি কোষীয় পদার্থের প্যাকেজিং ও নিঃসরণে সাহায্য করে এবং পারঅক্সিসোম কোষের বিষাক্ত পদার্থ ভাঙতে ভূমিকা রাখে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মিউসিন হলো লালারসে উপস্থিত একটি উপাদান, যা খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে এবং সহজে গিলতে সাহায্য করে।
- টায়ালিন: শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
- পেপসিন: পাকস্থলীতে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম।
- মল্টেজ: মলটোজকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- থাইরক্সিন (Thyroxine) হরমোন থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, যা মূলত দেহের বেসাল মেটাবলিক রেট (BMR) বা বিপাক হার নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি পরিপাকতন্ত্রে খাদ্যের শোষণ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাদ্যের শোষণ থাইরক্সিন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- গ্লুকোকর্টিকয়েড মূলত কার্বোহাইড্রেট বিপাকে এবং অ্যান্ড্রোজেন ও টেস্টোস্টেরন প্রজননতন্ত্রের সাথে জড়িত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গ্যাস্ট্রিন (Gastrin) হলো পাকস্থলীর পাইলোরিক অংশের G-কোষ (G-cells) থেকে নিঃসৃত একটি পেপটাইড হরমোন।
- খাদ্য পাকস্থলীতে পৌঁছালে গ্যাস্ট্রিন নিঃসৃত হয় এবং এটি প্যারাইটাল কোষকে উদ্দীপিত করে, যার ফলে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) এর নিঃসরণ ঘটে।
- সিক্রেটিন ও সোমাটোস্টাটিন সাধারণত গ্যাস্ট্রিক নিঃসরণ হ্রাস করে, কিন্তু উদ্দীপনা জুগিয়ে নিঃসরণ বৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রণ করে গ্যাস্ট্রিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ল্যাকটেজ (Lactase) হলো একটি ডাইস্যাকারাইডেজ এনজাইম যা প্রধানত ক্ষুদ্রান্ত্রে পাওয়া যায়।
- এটি দুধে উপস্থিত ল্যাকটোজ (Lactose) নামক শর্করাকে ভেঙে গ্লুকোজ (Glucose) ও গ্যালাকটোজ (Galactose)-এ পরিণত করে।
- যেহেতু ল্যাকটোজ এক ধরনের ডাইস্যাকারাইড বা শর্করা, তাই ল্যাকটেজ এনজাইম শর্করা (Carbohydrate) জাতীয় খাদ্য পরিপাকের সাথে সরাসরি জড়িত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিতে বিভিন্ন ধরনের কোষ থাকে, যার মধ্যে প্যারাইটাল কোষ (Parietal cells) বা অক্সিনটিক কোষ (Oxyntic cells) অন্যতম।
- এই প্যারাইটাল কোষ থেকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) নিঃসৃত হয়।
- HCl পাকস্থলীর পরিবেশকে অম্লীয় করে, পেপসিনোজেনকে সক্রিয় করে এবং খাদ্যের সাথে আসা ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে।
- অন্যান্য কোষের মধ্যে চিফ কোষ (Chief cells) থেকে পেপসিনোজেন এবং জি-কোষ (G-cells) থেকে গ্যাস্ট্রিন নিঃসৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পেপসিন (Pepsin) পাকস্থলীতে উৎপন্ন একটি প্রোটিওলাইটিক এনজাইম যা নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেন (pepsinogen) হিসেবে নিঃসৃত হয়।
- পাকস্থলীর শক্তিশালী অ্যাসিডিক পরিবেশে (HCl-এর উপস্থিতিতে) পেপসিনোজেন সক্রিয় পেপসিনে পরিণত হয়।
- পেপসিনের সর্বোত্তম pH মাত্রা ১.৫ থেকে ২.০, অর্থাৎ এটি তীব্র অম্লীয় বা অ্যাসিডিক পরিবেশে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। এটি একটি aspartic protease, যার কার্যকারিতার জন্য অ্যাসিডিক পরিবেশ অপরিহার্য।
- অন্যদিকে ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন ও ইরেপসিন ক্ষুদ্রান্ত্রে ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ পরিবেশে (pH ৭-৮) কাজ করে। তাই অম্লীয় পরিবেশে সবচেয়ে কার্যকরী এনজাইম হলো পেপসিন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের গ্যাস্ট্রিক জুস বা পাচক রসে প্রায় ৯৯.৪৫% পানি এবং ০.৫৫% কঠিন পদার্থ থাকে।
- এই কঠিন পদার্থের মধ্যে অজৈব পদার্থের পরিমাণ ০.১৫% (যেমন: সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি)।
- বাকি ০.৪০% হলো জৈব পদার্থ, যার মধ্যে মিউসিন এবং বিভিন্ন পরিপাককারী এনজাইম থাকে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আর্জেন্টাফিন কোষ (Argentaffin cells) হলো পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিতে অবস্থিত এক প্রকার বিশেষ কোষ।
- এই কোষগুলো পরিপাকতন্ত্রে গ্যাস্ট্রিক ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টর এবং সেরোটোনিন ক্ষরণ করে।
- নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিক ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টর ক্ষুদ্রান্ত্রে ভিটামিন B12 শোষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শর্করা পরিপাককারী এনজাইম অ্যামাইলেজ (Amylase) এবং মলটেজ (Maltase) প্রধানত অগ্ন্যাশয় রসে পাওয়া যায়।
- অ্যামাইলেজ জটিল শর্করা বা শ্বেতসারকে ভেঙে মলটোজে পরিণত করে।
- মলটেজ সেই মলটোজকে ভেঙে সরল গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যাসিনাস (Acinus) হলো অগ্ন্যাশয়ের বহিঃক্ষরা (Exocrine) অংশের গাঠনিক ও কার্যকরী একক।
- এই কোষগুলো থেকে অগ্ন্যাশয় রস বা পাচক এনজাইম ক্ষরিত হয়, যা খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে গ্লুকাগন, ইনসুলিন এবং সোমাটোস্ট্যাটিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
- অন্যদিকে, ক্যালসিটোনিন থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland) থেকে নিঃসৃত হয়, যা রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেনিন হলো পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি এনজাইম, যা দুধের প্রোটিন (ক্যাসিন) পরিপাকে সাহায্য করে। এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় না।
অগ্ন্যাশয় রস থেকে নিঃসৃত প্রধান এনজাইমগুলো হলো ট্রিপসিন (প্রোটিন পরিপাক), লাইপেজ (ফ্যাট বা স্নেহ পরিপাক) এবং অ্যামাইলেজ (শর্করা পরিপাক)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Ptyalin হলো একটি শর্করা পরিপাককারী এনজাইম যা মানুষের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, এটি অগ্ন্যাশয়ে থাকে না।
অন্যদিকে Trypsin, Amylase এবং Maltase হলো পরিপাকতন্ত্রের অগ্ন্যাশয় বা আন্ত্রিক প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত এনজাইম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অগ্ন্যাশয় দেখতে অনেকটা মরিচ বা পাতার মতো লম্বাটে এবং এর বর্ণ গোলাপি বা ধূসর-গোলাপি।
• এটি একইসাথে অন্তঃক্ষরা (হরমোন নিঃসরণ) এবং বহিঃক্ষরা (এনজাইম নিঃসরণ) উভয় উপায়ে কাজ করে বলে অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়।
• প্রসঙ্গত জেনে রাখা ভালো, মানবদেহে নিঃসৃত হরমোনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এবং অন্যান্য গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে বলে পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড বা প্রভু গ্রন্থি বলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স (Islets of Langerhans)-এ বিভিন্ন ধরনের কোষ থাকে যা আলাদা আলাদা হরমোন নিঃসরণ করে:
আলফা কোষ (Alpha cells): গ্লুকাগন নিঃসরণ করে যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়।
বিটা কোষ (Beta cells): ইনসুলিন নিঃসরণ করে।
ডেল্টা কোষ (Delta cells): সোমাটোস্ট্যাটিন নিঃসরণ করে।
পিপি কোষ (PP cells): প্যানক্রিয়েটিক পলিপেপটাইড নিঃসরণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
অন্যদিকে পেপসিন, ট্রিপসিন এবং টায়ালিন হলো পরিপাক এনজাইম বা উৎসেচক। এর মধ্যে পেপসিন পাকস্থলী থেকে, ট্রিপসিন অগ্ন্যাশয় থেকে এবং টায়ালিন লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অগ্ন্যাশয় (Pancreas) মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি (Mixed gland)। যে গ্রন্থি বহিঃক্ষরা (Exocrine) এবং অন্তঃক্ষরা (Endocrine) উভয় গ্রন্থির মতো কাজ করে, তাকে মিশ্র গ্রন্থি বলে।

অগ্ন্যাশয় মিশ্র গ্রন্থি হওয়ার কারণ:
বহিঃক্ষরা অংশ: অগ্ন্যাশয় রস বা এনজাইম ক্ষরণ করে যা নালির মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে পৌঁছায়।
অন্তঃক্ষরা অংশ: আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে সরাসরি রক্তে হরমোন (যেমন: ইনসুলিন, গ্লুকাগন) ক্ষরণ করে।

অন্যান্য অপশনের মধ্যে যকৃত ও লালাগ্রন্থি বহিঃক্ষরা গ্রন্থি এবং থাইরয়েড একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অগ্ন্যাশয় রসে বিদ্যমান একটি অন্যতম প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম হলো ট্রিপসিন (Trypsin)। এটি নিষ্ক্রিয় ট্রিপসিনোজেন হিসেবে ক্ষরিত হয় এবং পরবর্তীতে সক্রিয় ট্রিপসিনে পরিণত হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর তথ্য:
পেপসিন (Pepsin), রেনিন (Rennin) এবং জিলেটিনেজ (Gelatinase): এগুলো পাকস্থলির গ্যাস্ট্রিক রসে (Gastric juice) বিদ্যমান এনজাইম, যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0