প্রাণীর পরিচিতি (232 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হালদা নদী এশিয়ার মধ্যে কার্প জাতীয় মাছের সর্ববৃহৎ এবং একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র।
- পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদী কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ কার্প জাতীয় মা-মাছ এখানে প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র হিসেবে হালদা নদী অন্যতম।
- এটি প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি এবং এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র
- নদীটি পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হালদা নদী বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম প্রধান ও একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুইসহ অন্যান্য কার্প জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
- এই নদীটি পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করে পরবর্তীতে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের ডিমকে ম্যাক্রোলেসিথাল (Macrolecithal) বলা হয়।
- কারণ: যেসব ডিমে ভ্রূণের পুষ্টির জন্য প্রচুর পরিমাণে কুসুম সঞ্চিত থাকে, জীববিজ্ঞানের ভাষায় তাদের ম্যাক্রোলেসিথাল বা মেগালেসিথাল ডিম বলে। রুই মাছের ডিমে কুসুমের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি এই শ্রেণিভুক্ত।
- উল্লেখ্য, পুরুষ মাছের নিঃসৃত শুক্রাণুযুক্ত সাদা তরলকে মিল্ট (Milt) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের ডিম ফোটার পর লার্ভা দশায় বিভিন্ন অঙ্গের গঠন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হতে থাকে।
- ডিম ফোটার প্রায় ১২ ঘন্টা পর লার্ভার মাথায় চোখের উপস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- এই সময়ে লার্ভার পৃষ্ঠদেশে এবং লেজে পাখনার প্রাথমিক গঠনও শুরু হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছ সাধারণত বর্ষাকালে (প্রধানত জুন-জুলাই মাসে) প্রজনন সম্পন্ন করে।
- এরা পুকুর বা বদ্ধ জলাশয়ে প্রাকৃতিক নিয়মে প্রজনন করে না।
- বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর স্রোত ও পানি বৃদ্ধি পেলে এবং পানির তাপমাত্রা ২৭°C থেকে ৩০°C এর কাছাকাছি থাকলে এরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ডিম ছাড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের ডিম ফোটার পর প্রাথমিক লার্ভা দশাকে রেণু পোনা বলা হয়।
- সদ্য ফোটা রেণু পোনার দৈর্ঘ্য সাধারণত ৫ থেকে ৭ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এই অবস্থায় এদের পেটের নিচে একটি কুসুম থলি যুক্ত থাকে, যেখান থেকে এরা প্রাথমিক পুষ্টি গ্রহণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্ত্রী রুই মাছের ডিম ছাড়ার মৌসুম সম্পূর্ণভাবে প্রকৃতির বর্ষা চক্রের উপর নির্ভরশীল।
- বৃষ্টির ফলে নদীর পানি বৃদ্ধি, পানির ঘোলাটে ভাব এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ডিম ছাড়ার জন্য মাছকে উদ্দীপ্ত করে।
- ব্যাপক পরিসরে হিসাব করলে জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সময়কাল স্ত্রী রুই মাছের ডিম পাড়ার প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচিত।
- অনুকূল পরিবেশে একটি পরিণত স্ত্রী মাছ স্রোতযুক্ত পানিতে একসাথে কয়েক লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়তে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের নিষিক্ত ডিম ফুটে যে প্রাথমিক লার্ভা বের হয়, তাকে রেণু পোনা বা স্পন (Spawn) বলা হয়।
- সদ্য প্রস্ফুটিত রেণু পোনা দেখতে প্রায় স্বচ্ছ এবং সুতার মতো চিকন হয়।
- এই প্রাথমিক অবস্থায় একটি রেণু পোনার গড় দৈর্ঘ্য থাকে ৫.৮ মিমি
- প্রথম কয়েকদিন এরা মুখ দিয়ে খাবার গ্রহণ করে না, বরং নিজেদের দেহের কুসুম থলি (Yolk sac) থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছ মূলত বর্ষাকালের মাছ এবং এ সময়েই এরা প্রাকৃতিক পরিবেশে বংশবৃদ্ধি করে।
- বর্ষার শুরুতে যখন নদীতে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে নতুন পাহাড়ি ঢল বা পানি প্রবেশ করে, তখন এদের প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
- সাধারণত জুন-জুলাই মাসে এরা সবচেয়ে বেশি প্রজনন কার্য সম্পন্ন করে।
- নদীর অগভীর এবং স্রোতযুক্ত প্লাবনভূমিতে এরা ডিম ছাড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে জাইগোট সৃষ্টির পর কোষ বিভাজন বা ক্লিভেজ (Cleavage) পর্যায় শুরু হয়।
- ডিম নিষিক্ত হওয়ার ৩০-৪৫ মিনিট পর এই প্রক্রিয়াটি আরম্ভ হয়।
- প্রথম ক্লিভেজে জাইগোটটি লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত হয়ে দুটি ব্লাস্টোমিয়ার (Blastomere) গঠন করে।
- রুই মাছের ক্লিভেজের ধরন হলো মেরোব্লাস্টিক (Meroblastic) বা আংশিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের ডিম ফোটার পর বিভিন্ন ধাপে পোনার বৃদ্ধি ঘটে।
- সদ্য ফোটা লার্ভা বা রেণু পোনার দৈর্ঘ্য অনেক কম থাকে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে বা হ্যাচারিতে ধীরে ধীরে পুষ্টি গ্রহণ করে এদের আকার বৃদ্ধি পায়।
- ২৫ দিন বয়সে একটি রুই মাছের পোনার দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩০ মিমি বা ৩ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি পৌঁছায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের গ্রাসনালি (Esophagus) এবং বায়ুথলির (Swim-bladder) মাঝে সংযোগকারী সরু নালিটিকে ডাক্টাস নিউমেটিকাস (Ductus pneumaticus) বলা হয়।
• রুই মাছের বায়ুথলির সাথে ওয়েভেরিয়ান অসিকল (Weberian ossicles), নিউম্যাটিক নালি এবং রেটি মিরাবাইল সরাসরি সম্পর্কিত।
• তবে পার্শ্বরেখা নালি (Lateral line canal) বায়ুথলির সাথে সম্পর্কিত নয়। এটি মূলত মাছের একটি সংবেদী অঙ্গ, যা পানির তরঙ্গ ও চাপ অনুভব করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের বায়ুথলি (Swim-bladder) বা পটকা মাছের প্লবতা রক্ষাকারী অঙ্গ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি দেহে শ্বসন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• এতে রেটি মিরাবাইল (Rete mirabile) নামক কৈশিক জালিকা থাকে, যা গ্যাস (অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি) শোষণ ও নিঃসরণ করে।
• প্রতিকূল পরিবেশে বা পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ুথলি গ্যাস বিনিময়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত শ্বসন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের সিউডোব্রাঙ্ক (Pseudobranch) বা ছদ্মফুলকার সাথে অপথালমিক ধমনি (Ophthalmic artery) যুক্ত থাকে।
• প্রথম ইফারেন্ট ব্রঙ্কিয়াল ধমনিটি সিউডোব্রাঙ্কে প্রবেশ করার আগে অপথালমিক ধমনি নাম ধারণ করে।
• এটি মূলত মাছের চোখে রক্ত সরবরাহ করার কাজে নিয়োজিত থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের হৃৎপিণ্ডকে শিরা হৃৎপিণ্ড (Venous heart) বলা হয়।
• এই হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত বা দূষিত রক্ত প্রবাহিত হয়।
• হৃৎপিণ্ডটি দেহ থেকে দূষিত রক্ত গ্রহণ করে সরাসরি ফুলকায় প্রেরণ করে। এর ভেতর দিয়ে কোনো অক্সিজেনযুক্ত রক্ত প্রবাহিত হয় না বলে একে শিরা হৃৎপিণ্ড নামে অভিহিত করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের হৃৎপিণ্ড দিয়ে কেবল কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়। রক্ত প্রবাহের সঠিক পথটি হলো:
• দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে আসা দূষিত রক্ত প্রথমে সাইনাস ভেনোসাস (Sinus venosus)-এর মাধ্যমে অ্যাট্রিয়াম বা অলিন্দে (Atrium) প্রবেশ করে।
• অ্যাট্রিয়াম থেকে রক্ত ভেন্ট্রিকল বা নিলয়ে (Ventricle) যায়।
• ভেন্ট্রিকল থেকে রক্ত বাল্বাস আর্টারিওসাস (Bulbus arteriosus) হয়ে অঙ্কীয় ধমনির মাধ্যমে ফুলকায় (Gills) পৌঁছায়।
• ফুলকায় রক্ত পরিশোধিত হয়ে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের দেহের সম্মুখভাগ থেকে রক্ত অ্যান্টেরিওর কার্ডিনাল শিরা (Anterior cardinal vein) এবং ইনফিরিওর জুগুলার শিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে।
অন্যান্য শিরার কাজ:
- রেনাল শিরা: বৃক্ক থেকে রক্ত সংগ্রহ করে।
- হেপাটিক পোর্টাল শিরা: পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে রক্ত যকৃতে নিয়ে যায়।
- রেনাল পোর্টাল শিরা: লেজ বা পশ্চাৎ অংশ থেকে রক্ত বৃক্কে পরিবহন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের পাকস্থলি, অন্ত্র, যকৃৎ, অগ্ন্যাশয় এবং মলাশয়ে রক্ত সংবাহিত হয় সিলিয়াকো মেসেন্টারিক ধমনির মাধ্যমে।
অন্যান্য ধমনির কাজ:
- সাবক্লাভিয়ান ধমনি: বক্ষ পাখনায় রক্ত পরিবহন করে।
- প্যারাইটাল ধমনি: দেহপ্রাচীরে রক্ত নিয়ে যায়।
- ইলিয়াক ধমনি: শ্রোণি পাখনায় রক্ত সরবরাহ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের শ্রোণি পাখনায় (Pelvic fin) রক্ত সরবরাহ করে ইলিয়াক ধমনি
অন্যান্য ধমনির কাজ:
- সিলিয়াকো-মেসেন্টারিক ধমনি: পাকস্থলি, অন্ত্র, যকৃৎ ইত্যাদি অঙ্গে রক্ত পরিবহন করে।
- প্যারাইটাল ধমনি: দেহপ্রাচীরে রক্ত সরবরাহ করে।
- কডাল ধমনি: লেজ অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের সাবক্লাভিয়ান ধমনি (Subclavian artery) বক্ষ পাখনায় (Pectoral fin) রক্ত সরবরাহ করে।
অন্যদিকে পাকস্থলি, যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয়ে রক্ত সরবরাহ করে সিলিয়াকো-মেসেন্টারিক ধমনি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছসহ অন্যান্য মাছের হৃৎপিণ্ডে ২টি প্রকোষ্ঠ (একটি অলিন্দ ও একটি নিলয়) থাকে।
অন্যান্য প্রাণীর হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠ সংখ্যা:
- মানুষের হৃৎপিণ্ডে প্রকোষ্ঠ থাকে ৪টি
- ব্যাঙের হৃৎপিণ্ডে প্রকোষ্ঠ থাকে ৩টি
- ক্যাটল ফিশের হৃৎপিণ্ড আছে ৩টি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Labeo rohita বা রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র একচক্রী (Single-circuit) প্রকৃতির।
• একচক্রী সংবহনতন্ত্রে রক্ত পরিভ্রমণের সময় হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে মাত্র একবার প্রবাহিত হয়।
• এদের হৃৎপিণ্ড কেবল CO2 যুক্ত রক্ত গ্রহণ করে এবং তা ফুলকায় পাঠায়। ফুলকা থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরাসরি দেহের বিভিন্ন অঙ্গে চলে যায়।
• ফুলকা থেকে পরিশোধিত রক্ত রুই মাছের পৃষ্ঠীয় ধমনী বা ডরসাল অ্যাওর্টায় প্রবেশ করে। সেখান থেকে উৎপন্ন শাখা ধমনিগুলো দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। যেমন:
- সাবক্ল্যাভিয়ান ধমনি: বক্ষ অঞ্চলে রক্ত সরবরাহ করে।
- রেনাল ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে।
- ইলিয়াক ধমনি: শ্রোণি অঞ্চলে রক্ত সরবরাহ করে।
- প্যারাইটাল ধমনি: দেহপ্রাচীরে রক্ত সরবরাহ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের হৃৎপিণ্ড দিয়ে কেবল কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়। রক্ত প্রবাহের সঠিক শ্বসন পথটি হলো:
• দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে আসা দূষিত রক্ত প্রথমে সাইনাস ভেনোসাসের মাধ্যমে অলিন্দে (Atrium) প্রবেশ করে।
• অলিন্দ থেকে রক্ত নিলয়ে (Ventricle) যায়।
• নিলয় থেকে রক্ত বাল্বাস অ্যাওর্টা (Bulbus aorta) হয়ে অঙ্কীয় ধমনির মাধ্যমে ফুলকায় (Gills) পৌঁছায়।
• ফুলকায় রক্ত পরিশোধিত হয়ে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাছেদের হৃৎপিণ্ডকে ভেনাস হার্ট (Venous Heart) বলা হয় কারণ এদের হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বদা কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) যুক্ত রক্ত বা দূষিত রক্ত প্রবাহিত হয়।
• মাছের হৃৎপিণ্ড দুই প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট, যেখানে একটি অলিন্দ এবং একটি নিলয় থাকে।
• এদের রক্ত সংবহনতন্ত্র হলো একচক্রী, অর্থাৎ রক্ত হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে মাত্র একবার প্রবাহিত হয়।
• ভেনাস হার্ট মূলত ফুলকার সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করার জন্য দূষিত রক্ত পাম্প করে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'ডাক্টাস ক্যুভেইরি' (Ductus Cuvieri) হলো রুই মাছের শিরাতন্ত্রের (Venous system) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মাছের দেহের সম্মুখভাগ থেকে আসা অ্যান্টেরিয়র কার্ডিনাল শিরা এবং পশ্চাৎভাগ থেকে আসা পোস্টেরিওর কার্ডিনাল শিরা একত্রে মিলিত হয়ে ডাক্টাস ক্যুভেইরি বা সাধারণ কার্ডিনাল শিরা গঠন করে।
এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত সংগ্রহ করে হৃৎপিণ্ডের উপপ্রকোষ্ঠ সাইনাস ভেনোসাস-এ উন্মুক্ত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের হৃৎপিণ্ডকে ভেনাস হার্ট (Venous Heart) বা শিরা হৃৎপিণ্ড বলা হয়।
কারণ, এদের হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বদা কেবল CO2 যুক্ত রক্ত বা দূষিত রক্ত প্রবাহিত হয়।
হৃৎপিণ্ড এই দূষিত রক্তকে পাম্প করে ফুলকায় পাঠায়, যেখানে রক্ত পরিশোধিত হয়ে অক্সিজেনযুক্ত (O2) হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের পৃষ্ঠীয় ধমনী বা ডরসাল অ্যাওর্টা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন শাখা ধমনি দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। এদের কাজ হলো:
সাবক্ল্যাভিয়ান ধমনি: মাছের বক্ষ অঞ্চলে বা বক্ষ পাখনায় রক্ত সরবরাহ করে।
রেনাল ধমনি: বৃক্কে (Kidney) রক্ত সরবরাহ করে।
ইলিয়াক ধমনি: শ্রোণি অঞ্চলে বা শ্রোণি পাখনায় রক্ত সরবরাহ করে।
প্যারাইটাল ধমনি: দেহপ্রাচীরে রক্ত সরবরাহ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্রে মূলত দুই ধরনের ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি দেখা যায়:
অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: এরা হৃদপিণ্ড থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত (CO2) রক্ত পরিশোধনের জন্য ফুলকায় বহন করে নিয়ে যায়।
ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: এরা ফুলকা থেকে অক্সিজেনযুক্ত (O2) রক্ত সংগ্রহ করে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে।
যেহেতু ধমনিটি হৃদপিণ্ড হতে ফুলকায় রক্ত নেয়, তাই সঠিক উত্তর অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাইক্লয়েড (Cycloid) আঁইশ হলো গোলাকার, পাতলা ও মসৃণ আঁইশ।
পাঠ্যপুস্তকের সাধারণ শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী রুই, কার্প, স্যামন, লাংফিশ ইত্যাদি মাছে সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ইলিশ মাছে এই ধরনের আঁইশ পাওয়া যায় না।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0