জনৈক ব্যক্তি হাদিস অস্বীকার করে এবং বলে কুরআনই যথেষ্ট, ইসলামের বিধানে কী হিসাবে গণ্য হবে?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option A
ইসলামি শরিয়তের প্রধান দুটি উৎস হলো কুরআন এবং হাদিস। যিনি সামগ্রিকভাবে হাদিসকে অস্বীকার করেন এবং কেবল কুরআনকেই যথেষ্ট মনে করেন, ইসলামি বিধানে তাকে কাফির বা অবিশ্বাসী হিসেবে গণ্য করা হয়।
এর পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:
১. কুরআনের নির্দেশ অমান্য করা: কুরআনের অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা রাসূল (সা.)-এর আনুগত্য করাকে বাধ্যতামূলক করেছেন (যেমন: সূরা আন-নিসা: ৫৯, সূরা আল-হাশর: ৭)। হাদিস অস্বীকার করার অর্থ হলো রাসূল (সা.)-এর আনুগত্যকে অস্বীকার করা, যা পরোক্ষভাবে কুরআনকেই অস্বীকার করার নামান্তর।
২. শরিয়তের অখণ্ডতা: নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতো ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলোর বিস্তারিত নিয়মাবলি কেবল কুরআনে নেই, বরং হাদিসের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়েছে। হাদিস অস্বীকার করলে ইসলামের ব্যবহারিক কাঠামোই অচল হয়ে পড়ে।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রযোজ্য নয় কারণ:
• মুশরিক: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক বা অংশীদার সাব্যস্ত করে।
• ফাসিক ও ফাজির: যারা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ঠিক রেখেও কবিরা গুনাহ বা প্রকাশ্যে পাপকাজে লিপ্ত হয়।
এর পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:
১. কুরআনের নির্দেশ অমান্য করা: কুরআনের অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা রাসূল (সা.)-এর আনুগত্য করাকে বাধ্যতামূলক করেছেন (যেমন: সূরা আন-নিসা: ৫৯, সূরা আল-হাশর: ৭)। হাদিস অস্বীকার করার অর্থ হলো রাসূল (সা.)-এর আনুগত্যকে অস্বীকার করা, যা পরোক্ষভাবে কুরআনকেই অস্বীকার করার নামান্তর।
২. শরিয়তের অখণ্ডতা: নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতো ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলোর বিস্তারিত নিয়মাবলি কেবল কুরআনে নেই, বরং হাদিসের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়েছে। হাদিস অস্বীকার করলে ইসলামের ব্যবহারিক কাঠামোই অচল হয়ে পড়ে।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রযোজ্য নয় কারণ:
• মুশরিক: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক বা অংশীদার সাব্যস্ত করে।
• ফাসিক ও ফাজির: যারা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ঠিক রেখেও কবিরা গুনাহ বা প্রকাশ্যে পাপকাজে লিপ্ত হয়।