বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৩: - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে 'বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থা (WIPO)' কর্তৃক প্রকাশিত হয়। - অন্তর্ভুক্ত দেশ : ১৩২টি। সূচক অনুযায়ী— • শীর্ষ দেশ > সুইজারল্যান্ড, • সর্বনিম্ন দেশ > অ্যাঙ্গোলা, • বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম।
তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুযায়ী, এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আবূ হয়। যেমন: গো+এষণা (ও+এ= অব্+এ) = গবেষণা।
ই/ঈ এরপরে ই/ঈ থাকলে উভয়ে মিলে ঈ হয় এবং তা ই/ঈ-র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন- অতি+ইত= অতীত, পরি+ঈক্ষা= পরীক্ষা, সতী+ইন্দ্র= সতীন্দ্র, সতী+ঈশ= সতীশ ইত্যাদি।
- সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। - সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। - সমস্ত পদের প্রথম অংশ - পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ - উত্তরপদ বা পরপদ। - সমস্ত পদকে ভেঙ্গে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে। - ক্রিয়াপদকে ‘কিসের দ্বারা’ বা ‘কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তাই করণ কারক। - যেমন- ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। প্রদত্ত বাক্যের ক্রিয়াকে যদি প্রশ্ন করা হয় 'কীসের দ্বারা ঘর ভরেছে? তাহলে উত্তর পাই ‘ফুল’ । - সুতরাং ‘ফুল’ করণ কারক এবং এর সাথে ৭মী বিভক্তি (ফুল+এ) যুক্ত হওয়ায় এটি করণে ৭মী বিভক্তি।
- যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয়, তাকে (সংস্কৃত নিয়মে) সম্প্রদান কারক বলে । - বস্তু নয়, ব্যক্তিই সম্প্রদান কারক। ক্রিয়ার সাথে কাকে (দান) দিয়ে প্রশ্নের উত্তরে যাকে পাওয়া যায় তাই সম্প্রদান কারক। - যেমন: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। প্রদত্ত উদাহরণে ভিখারিকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করার কথা বলা হয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের শর্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। - প্রদত্ত বাক্যে ভিখারি এর সাথে ৪র্থী বিভক্তি (ভিখারি+কে) যোগ হওয়ায় এটি সম্প্রদান কারকে ৪র্থী বিভক্তি।
- যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং প্রাতিপদিক বা নাম শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
তদ্ধিত প্রত্যয়ঃ নাম বা শব্দের সাথে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। কৃৎ প্রত্যয়ঃ ক্রিয়ামূল বা ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
ক্রিয়ামূল বা ধাতুঃ বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা – বাংলা ধাতুঃ যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বলা হয়। যেমন – √কাঁদ, √জান্, √নাচ্ ইত্যাদি। সংস্কৃত ধাতুঃ বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে। যেমন – কৃ,ধৃ,স্থা ইত্যাদি। বিদেশী ধাতুঃ হিন্দি ও ক্বচিৎ আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে,বিদেশী ধাতু বলে। যেমন – হের, মাগ ইত্যাদি।
- √কাঁদ + অন ; এখানে √কাঁদ স্পষ্টত বাংলা ধাতুমূল হওয়ায় এটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় হবে। - অপশনে 'বাংলা কৃৎ প্রত্যয়' না থাকলে তখন শুধু 'কৃৎ প্রত্যয়' উত্তর হবে। সূত্র- বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানমতে, বাক্যে বিশেষ্য হিসেব ব্যবহৃত সংস্কৃত ‘সর্বজনীন’ শব্দের আভিধানিক অর্থ, সর্বসাধারণের জন্য অনুষ্ঠিত, বারোয়ারি, সর্বসাধারণের সহায়তায় কৃত, সকলের জন্য মঙ্গলকর বা কল্যাণকর, সবার জন্য হিতকর, সবার মঙ্গলের জন্য কৃত, সকলের জন্য উদ্দিষ্ট। যেমন : ভালোবাসা সর্বজনীন বিষয়। ফল সর্বজনীন খাদ্য। মানবাধিকার সর্বজনীন অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।
- বাক্যে বিশেষণ হিসেব ব্যবহৃত ‘সার্বজনীন’ শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘সবার মধ্যে প্রবীণ, জ্যেষ্ঠ’। যেমন: ‘ জিম্বাবুয়ের বর্তমান রাষ্ট্রপতি রবার্ট মুগাবে ( জন্ম ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি ) সার্বজনীন নেতা।’ [ কারণ ৯৪ বছর বয়সি এ রাষ্ট্রনায়কের চেয়ে অধিক বয়স্ক নেতা বিশ্বে আর কেউ নেই।]
- সর্বজনের হিতকর- সর্বজনীন; - সকলের জন্য মঙ্গলকর- সর্বজনীন; - সকলের জন্য প্রযোজ্য- সর্বজনীন; - সকলের জন্য অনুষ্ঠিত- সর্বজনীন।
- সবার মধ্যে প্রবীণ/জ্যেষ্ঠ- সার্বজনীন।
সূত্র- বাংলা বানান: প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ, ড. মোহাম্মদ আমীন।
- As though/as if এর পূর্বের অংশ present indefinite tense এর হলে পরের অংশ past indefinite এবং প্রথম অংশ past indefinite হলে পরের অংশ past perfect tense হয়। - যেমন: He speaks as if he knew everything- সে এমন ভাবে কথা বলে যেন সব জানে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।