বাংলা সাহিত্যে ভোরের পাখি’ নামে পরিচিত-
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option A
যে কবিতায় কবির একান্ত ব্যক্তিগত কামনা -বাসনা ও আনন্দবেদনা প্রাণের অন্তঃস্থল থেকে আবেগকম্পিত সুরে অখণ্ড ভাবমূর্তিতে আত্মপ্রকাশ করে তাকে 'গীতিকবিতা বলে।
- বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা ,ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভূতি ও গীতোচ্ছাস সহযোগে কবিতা রচনা করে নতুন এক ধারা সৃষ্টি করেন বলেই তাকে 'ভোরের পাখি ' বলা হয় ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলালকে 'ভোরের পাখি 'হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ।
- সঙ্গীতশতক তার প্রথম কাব্য। 'সারদামঙ্গল' কাব্য বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ রচনা।
তার রচনাবলীঃ
স্বপ্নদর্শন (১৮৫৮),
সঙ্গীতশতক (১৮৬২)
মায়াদেবী (১৮৮২),
দেবরাণী (১৮৮২),
বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০),
প্রেমপ্রবাহিণী (১৮৭০),
নিসর্গসন্দর্শন (১৮৭০),
বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০),
সারদামঙ্গল (১৮৭৯),
নিসর্গসঙ্গীত (১৮৮১),
বাউলবিংশতি (১৮৮৭),
সাধের আসন (১৮৮৮-৮৯),
ধূমকেতু (১৮৯৯) ইত্যাদি।
- বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা ,ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভূতি ও গীতোচ্ছাস সহযোগে কবিতা রচনা করে নতুন এক ধারা সৃষ্টি করেন বলেই তাকে 'ভোরের পাখি ' বলা হয় ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলালকে 'ভোরের পাখি 'হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ।
- সঙ্গীতশতক তার প্রথম কাব্য। 'সারদামঙ্গল' কাব্য বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ রচনা।
তার রচনাবলীঃ
স্বপ্নদর্শন (১৮৫৮),
সঙ্গীতশতক (১৮৬২)
মায়াদেবী (১৮৮২),
দেবরাণী (১৮৮২),
বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০),
প্রেমপ্রবাহিণী (১৮৭০),
নিসর্গসন্দর্শন (১৮৭০),
বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০),
সারদামঙ্গল (১৮৭৯),
নিসর্গসঙ্গীত (১৮৮১),
বাউলবিংশতি (১৮৮৭),
সাধের আসন (১৮৮৮-৮৯),
ধূমকেতু (১৮৯৯) ইত্যাদি।