কোষ ও এর গঠন (134 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ সঠিক উত্তর: আত্ম প্রজননে অক্ষম
⇒ জিন হলো জীবের বংশগতির মূল ভৌত ও কার্যিক একক, যা ক্রোমোজোমে অবস্থিত।
⇒ জিনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
• জিন প্রধানত DNA দ্বারা গঠিত (কিছু ভাইরাসের ক্ষেত্রে RNA)।
• এরা ক্রোমোজোমের অংশ হিসেবে বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে।
• জিন আত্ম-প্রজননশীল বা অনুলিপন (Replication) করতে সক্ষম। অর্থাৎ, কোষ বিভাজনের সময় DNA অনুলিপনের মাধ্যমে জিন তার হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে।
⇒ সুতরাং, 'জিন আত্ম প্রজননে অক্ষম'—এই তথ্যটি জিনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ সঠিক উত্তর: জিন মিউটেশনের একক
⇒ বিজ্ঞানী বেঞ্জার (Benzer) জিনের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনার জন্য তিনটি পরিভাষা ব্যবহার করেন: সিস্ট্রন (Cistron), মিউটন (Muton) এবং রেকন (Recon)
মিউটন (Muton): এটি হলো জিনের মিউটেশনের ক্ষুদ্রতম একক। এটি DNA-এর একটি মাত্র নিউক্লিওটাইড জোড় নিয়ে গঠিত হতে পারে, যেখানে জিনগত পরিবর্তন বা মিউটেশন ঘটতে পারে।
⇒ অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: জিনের কার্যের বা প্রকাশের একক হলো সিস্ট্রন এবং জিন রিকম্বিনেশনের একক হলো রেকন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ সঠিক উত্তর: tRNA
tRNA (Transfer RNA) অণুর 3' (থ্রি প্রাইম) প্রান্তে একটি নির্দিষ্ট বেস সিকোয়েন্স থাকে, যা CCA লেজ (CCA tail) নামে পরিচিত।
⇒ এই CCA লেজটি (সাইটোসিন-সাইটোসিন-অ্যাডেনিন) প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
⇒ এই অংশেই নির্দিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিড এসে যুক্ত হয় এবং এরপর tRNA সেই অ্যামাইনো অ্যাসিডটিকে রাইবোজোমে বহন করে নিয়ে যায়।
⇒ উল্লেখ্য, tRNA-তে অ্যান্টিকোডোন (Anticodon) নামক তিনটি নিউক্লিওটাইডের একটি অনুক্রমও থাকে, যা mRNA-এর পরিপূরক কোডনের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ সঠিক উত্তর: মেথিওনিন
⇒ জেনেটিক কোড (Genetic code) হলো DNA বা RNA-তে থাকা তিনটি করে নাইট্রোজেনাস বেসের একটি নির্দিষ্ট সিকোয়েন্স, যাকে কোডন (Codon) বলা হয়।
⇒ প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য 'স্টার্ট কোডন' (Start Codon) প্রয়োজন হয়।
⇒ প্রাকৃতিকভাবে প্রায় সব জীবের ক্ষেত্রে AUG (অ্যাডেনিন-ইউরাসিল-গুয়ানিন) এই তিনটি বেস মিলে স্টার্ট কোডন গঠন করে।
⇒ রাইবোজোম যখনই mRNA-এর মধ্যে AUG কোডনটি পায়, তখনই এটি 'মেথিওনিন' (Methionine) নামক অ্যামাইনো এসিডকে নির্দেশ করে এবং প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে। তাই স্টার্ট কোডন দ্বারা নির্দেশিত প্রথম অ্যামাইনো এসিডটি হলো মেথিওনিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানব জিনোমের যে বিশাল অংশ (প্রায় ৯৮%) প্রোটিন সংশ্লেষণ বা কোনো নির্দিষ্ট বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশে অংশগ্রহণ করে না, তাকে জাঙ্ক ডিএনএ (Junk DNA) বা নন-কোডিং ডিএনএ (Non-coding DNA) বলা হয়।
- পূর্বে এদের অপ্রয়োজনীয় বা 'নিষ্ক্রিয়' মনে করা হলেও, বর্তমানে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন যে এরা জিনের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও ক্রোমোজোমের গঠন রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- জিনোমের মাত্র ২% অংশ প্রোটিন তৈরির সংকেত বা কোড বহন করে, যাকে কোডিং ডিএনএ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ল্যাক্টোজ অপেরন (Lac operon) হলো ব্যাকটেরিয়ায় ল্যাক্টোজ বিপাকের সাথে জড়িত জিনের একটি জিন-গুচ্ছ বা সেট।
- ল্যাক্টোজ অপেরনের প্রধানত ৪টি অংশ থাকে। যথা:
    ১। প্রোমোটর জিন (Promoter gene)
    ২। অপারেটর জিন (Operator gene)
    ৩। স্ট্রাকচারাল জিন (Structural gene)
    ৪। রেগুলেটর জিন (Regulator gene)

- এই ৪টি অংশ একত্রে মিলে ব্যাকটেরিয়ার কোষে ল্যাক্টোজ ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অ্যান্টিকোডন (Anticodon) হলো tRNA (ট্রান্সফার আরএনএ) অণুর একটি নির্দিষ্ট স্থানে থাকা ৩টি নিউক্লিওটাইডের অনুক্রম।
- প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ার সময় এটি mRNA-তে থাকা কোডনের (Codon) পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
- অ্যান্টিকোডন হাইড্রোজেন বন্ধনের মাধ্যমে mRNA কোডনের সাথে যুক্ত হয়।
- প্রতিটি নির্দিষ্ট কোডনের জন্য একটি স্বতন্ত্র tRNA অণু থাকে, যার নিজস্ব ম্যাচিং অ্যান্টিকোডন থাকে এবং এটি নির্দিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিড বহন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জেনেটিক কোড বা একটি কোডন মূলত ৩টি নাইট্রোজেন বেস (Nitrogenous base) নিয়ে গঠিত হয়।
- তিনটি বেসের এই নির্দিষ্ট অনুক্রমকে ট্রিপলেট কোড (Triplet code) বলা হয়।
- ডিএনএ (DNA) বা আরএনএ (RNA)-তে থাকা ৪টি বেস (A, T/U, G, C) থেকে যেকোনো ৩টি পর্যায়ক্রমিকভাবে যুক্ত হয়ে একটি নির্দিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিডের সংকেত তৈরি করে।
- ৪টি বেস ৩টি করে যুক্ত হয়ে মোট ৬৪টি (৪^৩) ভিন্ন ভিন্ন কোডন তৈরি করতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জেনেটিক কোডে AUG কোডনটি মেথিওনিন (Methionine) নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড নির্দেশ করে।
- এটি প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া শুরু করতে সাহায্য করে, তাই একে স্টার্ট কোডন (Start codon) বলা হয়।
- অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে অ্যালানিন নির্দেশ করে GCU, GCC, GCA, GCG; প্রোলিন নির্দেশ করে CCU, CCC, CCA, CCG এবং লিউসিন নির্দেশ করে UUA, UUG ইত্যাদি কোডন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া শুরু করতে যে কোডনটি ভূমিকা পালন করে, তাকে স্টার্ট কোডন (Start codon) বলা হয়।
- জেনেটিক কোডে AUG হলো প্রধান স্টার্ট কোডন।
- এটি Methionine (Met) নামক অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে এবং পলিপেপটাইড চেইন তৈরি শুরু করে।
- অপশনের বাকি তিনটি কোডন (UAA, UAG এবং UGA) হলো স্টপ কোডন, যা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া সমাপ্ত করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জেনেটিক কোডে UCC কোডনটি Serine (Ser) নামক অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে (Serine-এর অন্যান্য কোডনগুলো হলো UCU, UCA, UCG, AGU এবং AGC)।
অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে:
- AAA: লাইসিন (Lysine) নির্দেশ করে।
- CUU: লিউসিন (Leucine) নির্দেশ করে।
- UAG: এটি একটি স্টপ কোডন, যা কোনো অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় যে কোডনগুলো কোনো অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে না, তাদের স্টপ কোডন (Stop codon) বলা হয়।
- স্টপ কোডনগুলোর বিপরীতে কাজ করার জন্য কোষে কোনো অ্যামিনো অ্যাসিডবাহী tRNA থাকে না
- জেনেটিক কোডে মোট ৩টি স্টপ কোডন রয়েছে: UAA, UAG এবং UGA
- যেহেতু অপশনগুলোর মধ্যে UAA একটি স্টপ কোডন, তাই এর কোনো অ্যামিনো অ্যাসিডবাহী tRNA নেই। এটি ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া সমাপ্ত করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় যে কোডনগুলো কোনো অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে না, তাদের স্টপ কোডন (Stop codon) বা ননসেন্স কোডন বলা হয়।
- স্টপ কোডন প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া সমাপ্ত করতে সাহায্য করে।
- জেনেটিক কোডে মোট ৩টি স্টপ কোডন রয়েছে: UAA (ওকার), UAG (অ্যাম্বার) এবং UGA (ওপাল)।
- তাই অপশনগুলোর মধ্যে UAA হলো প্রকৃত স্টপ কোডন।
- অন্যদিকে, UGC সিস্টিন (Cysteine), AGU সেরিন (Serine) এবং AUG মিথিওনিন (Methionine) নামক অ্যামিনো অ্যাসিড নির্দেশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জিনের বিভিন্ন এককের মধ্যে সিস্ট্রন (Cistron) হলো জিনের কার্যকরী একক, যা একটি সম্পূর্ণ পলিপেপটাইড বা প্রোটিন সংশ্লেষণের সংকেত বহন করে।
অন্যান্য এককগুলোর মধ্যে:
- মিউটন (Muton): জিনের যে ক্ষুদ্রতম অংশে মিউটেশন বা পরিব্যক্তি ঘটে।
- রেকন (Recon): জিনের যে ক্ষুদ্রতম অংশে রিকম্বিনেশন বা ক্রসিংওভার ঘটে।
- কোডন (Codon): পরপর তিনটি নিউক্লিওটাইডের ক্রম, যা নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড নির্দেশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইউক্যারিওটিক কোষে ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে প্রথমে যে mRNA তৈরি হয় তাকে প্রি-mRNA (Pre-mRNA) বলে। এর প্রধানত দুটি অংশ থাকে:
Exons (এক্সন): এগুলো হলো কোডিং অঞ্চল বা সক্রিয় অংশ, যা প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
Introns (ইন্ট্রন): এগুলো হলো নন-কোডিং অঞ্চল, যা প্রোটিন তৈরিতে অংশগ্রহণ করে না।
Splicing: যে প্রক্রিয়ায় প্রি-mRNA থেকে অপ্রয়োজনীয় ইন্ট্রনগুলোকে কেটে বাদ দেওয়া হয় এবং এক্সনগুলোকে জুড়ে দিয়ে চূড়ান্ত mRNA তৈরি করা হয় তাকে স্প্লাইসিং বলে।
যেহেতু প্রোটিন তৈরির সংকেত কেবল এক্সন অংশে থাকে, তাই প্রি-mRNA-এর Exons অংশেই মূলত ট্রান্সলেশন সম্পন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত প্রক্রিয়াটি জীবদেহের জিন প্রকাশের মূল নীতি বা সেন্ট্রাল ডগমা (Central Dogma) নির্দেশ করে, যা দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়:
ট্রান্সক্রিপশন (Transcription): এই ধাপে DNA-এর ছাঁচ ব্যবহার করে mRNA তৈরি হয় (DNA → mRNA)।
ট্রান্সলেশন (Translation): এই ধাপে mRNA থেকে অ্যামিনো অ্যাসিডের সিকোয়েন্স বা প্রোটিন তৈরি হয় (mRNA → প্রোটিন)।
সুতরাং, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি (DNA → mRNA → প্রোটিন) হলো ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন (Translation) প্রক্রিয়ায় mRNA-এর কোডন অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড চেইন তৈরি হয়।
• ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া সবসময় একটি নির্দিষ্ট স্টার্ট কোডন (Start codon) দ্বারা শুরু হয়।
• সর্বজনীন স্টার্ট কোডন হলো AUG
• AUG কোডনটি মেথিওনিন (Methionine) নামক অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে।
তাই প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন সর্বদা মেথিওনিন অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে শুরু হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
DNA থেকে mRNA তৈরির সময় বেসগুলোর পরিপূরক (Complementary) জোড় গঠিত হয়।
• DNA-তে এডেনিন (A), থাইমিন (T), গুয়ানিন (G) এবং সাইটোসিন (C) থাকে।
• কিন্তু mRNA-তে থাইমিন (T) এর পরিবর্তে ইউরাসিল (U) থাকে।
• পরিপূরক বেস জোড়গুলো হলো: A এর সাথে U, T এর সাথে A, G এর সাথে C এবং C এর সাথে G যুক্ত হয়।
সুতরাং, DNA-এর অনুক্রম ATGC হলে, পরিপূরক নিয়ম অনুযায়ী mRNA-এর বেস অনুক্রম হবে UACG
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে প্রক্রিয়ায় RNA থেকে DNA তৈরি হয়, তাকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন (Reverse transcription) বলে।
HIV (Human Immunodeficiency Virus) হলো একটি রেট্রোভাইরাস (Retrovirus)।
• এই ভাইরাসে 'রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ' নামক এনজাইম থাকে, যা ভাইরাসের এক-সূত্রক RNA-কে টেমপ্লেট হিসেবে ব্যবহার করে পোষক কোষের ভেতরে দ্বি-সূত্রক DNA তৈরি করে।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই HIV পোষক দেহে বংশবৃদ্ধি করে এবং মানুষের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন (Translation) প্রক্রিয়ায় mRNA-এর কোডন অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড চেইন তৈরি হয়।
• ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া সবসময় একটি নির্দিষ্ট স্টার্ট কোডন (Start codon) দ্বারা শুরু হয়।
• সর্বজনীন স্টার্ট কোডন হলো AUG
• AUG কোডনটি মিথিওনিন (Methionine) নামক অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে।
তাই প্রোটিন সংশ্লেষণ বা ট্রান্সলেশন সর্বদা মিথিওনিন অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে শুরু হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ট্রান্সক্রিপশন (Transcription) হলো DNA থেকে mRNA তৈরি করার প্রক্রিয়া।
• এতে RNA polymerase নামক এনজাইম DNA-এর template strand-এ যুক্ত হয়ে complementary RNA সিকোয়েন্স গঠন করে।
রেপ্লিকেশন (Replication): DNA থেকে হুবহু নতুন DNA তৈরি করার প্রক্রিয়া।
ট্রান্সলেশন (Translation): mRNA থেকে প্রোটিন তৈরি করার প্রক্রিয়া।
মিউটেশন (Mutation): DNA-এর নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্সে স্থায়ী পরিবর্তন।
উপসংহারে, DNA থেকে mRNA রূপান্তরকে ট্রান্সক্রিপশন বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
DNA অনুলিপন বা রেপ্লিকেশন (Replication) প্রক্রিয়ায় একটি DNA অণু থেকে হুবহু আরেকটি নতুন DNA অণু তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার প্রধান ধাপগুলো হলো:
হাইড্রোজেন বন্ধনীর ভাঙন: হেলিকেজ এনজাইমের সাহায্যে DNA-এর দুটি সূত্রের মধ্যকার বন্ধন ভেঙে যায়।
রেপ্লিকেশন ফর্ক (Replication fork) তৈরি: সূত্র দুটি আলাদা হয়ে ইংরেজি 'Y' আকৃতির গঠন তৈরি করে।
সম্পূরক হেলিক্স সৃষ্টি: পুরোনো সূত্রকে ছাঁচ হিসেবে ব্যবহার করে নতুন সম্পূরক সূত্র তৈরি হয়।
অন্যদিকে, tRNA সৃষ্টি ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়ার অংশ এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণ (ট্রান্সলেশন) প্রক্রিয়ায় অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে। এটি DNA অনুলিপনের সাথে যুক্ত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তিতে বিভিন্ন এনজাইমের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction enzyme): DNA অণুর একটি নির্দিষ্ট স্থানে বা খণ্ডে কাটার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই একে 'আণবিক কাঁচি' (Molecular scissors) বলা হয়।
লাইগেজ (Ligase): কাটা DNA খণ্ডগুলোকে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে, যাকে 'আণবিক আঠা' বলা যায়।
পলিমারেজ (Polymerase): নতুন DNA বা RNA সূত্র সংশ্লেষণ করে।
ট্রান্সক্রিপটেজ (Transcriptase): RNA থেকে DNA বা DNA থেকে RNA তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
তাই সঠিক উত্তর রেস্ট্রিকশন এনজাইম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
DNA প্রতিলিপন বা রেপ্লিকেশনের সময় বিভিন্ন এনজাইম কাজ করে:
হেলিকেজ (Helicase): DNA ডাবল হেলিক্সের দুটি সূত্রের মাঝের হাইড্রোজেন বন্ধনী ভেঙে সূত্র দুটিকে আলাদা করে।
পলিমারেজ (Polymerase): নতুন DNA সূত্র তৈরি করে।
প্রাইমেজ (Primase): রেপ্লিকেশন শুরু করার জন্য RNA প্রাইমার তৈরি করে।
লাইগেজ (Ligase): ওকাজাকি খণ্ডগুলোকে জোড়া দিয়ে সম্পূর্ণ DNA সূত্র তৈরি করে।
সুতরাং, হাইড্রোজেন বন্ধনী ভাঙার কাজটি করে হেলিকেজ এনজাইম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিউক্লিক অ্যাসিডে পিউরিন ও পাইরিমিডিন—এই দুই প্রকারের নাইট্রোজেন বেস বা ক্ষারক থাকে।
- DNA-তে পিউরিন বেস দুটি হলো অ্যাডেনিন (A) ও গুয়ানিন (G) এবং পাইরিমিডিন বেস দুটি হলো সাইটোসিন (C) ও থাইমিন (T)
- অন্যদিকে, RNA-তে থাইমিন থাকে না, এর পরিবর্তে ইউরাসিল (U) নামক ক্ষারক থাকে।
- তাই থাইমিন RNA শিকলের ক্ষারক নয়, এটি কেবল DNA-তে পাওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জীবদেহে প্রোটিন সংশ্লেষণের (Protein Synthesis) একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া রয়েছে।
- RNA (বিশেষ করে mRNA) থেকে প্রোটিন তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াকে ট্রান্সলেশন (Translation) বলা হয়।
- জিনগত তথ্য DNA থেকে RNA-তে স্থানান্তরিত হওয়া বা DNA থেকে mRNA তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াকে ট্রান্সক্রিপশন (Transcription) বলা হয়।
- DNA থেকে নতুন DNA তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াকে রেপ্লিকেশন (Replication) বলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডিএনএ (DNA) এবং আরএনএ (RNA) উভয়ই নিউক্লিক অ্যাসিড, তবে এদের নাইট্রোজেনঘটিত বেস বা ক্ষারকে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
- DNA-তে চারটি নাইট্রোজেনঘটিত বেস হলো অ্যাডেনিন (A), গুয়ানিন (G), সাইটোসিন (C) এবং থাইমিন (T)
- অন্যদিকে, RNA-তে থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল (U) নামক বেসটি থাকে।
- তাই RNA-তে বিদ্যমান বেসগুলো হলো অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
RNA-তে (বিশেষ করে tRNA-তে) ৩টি নাইট্রোজেনঘটিত বেস বা ক্ষারক নিয়ে একটি অ্যান্টিকোডন (Anticodon) গঠিত হয়।
- এই তিনটি বেসের সিকোয়েন্স mRNA-এর কোডনের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় রাইবোসোমে সঠিক অ্যামাইনো অ্যাসিড যুক্ত করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
DNA প্রধানত কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে (এছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টে সামান্য পরিমাণ থাকে), তাই এটি কোষের সর্বত্র বিস্তৃত থাকে না।
- অন্যদিকে, RNA নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমসহ কোষের প্রায় সর্বত্র বিস্তৃত থাকে।
- DNA সাধারণত ডাবল হেলিক্স (দ্বি-সূত্রক), চিরস্থায়ী এবং জীবের বংশগতির প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
DNA ক্ষার (Alkali) দ্বারা খুব সহজে ভেঙে যায় না, এটি অত্যন্ত স্থিতিশীল একটি অণু। তাই প্রদত্ত অপশনটি সঠিক নয়।
• DNA-এর এই স্থিতিশীলতার মূল কারণ হলো এতে থাকা ডি-অক্সিরাইবোজ (Deoxyribose) শর্করা।
• ডি-অক্সিরাইবোজের ২ নম্বর কার্বনে একটি অক্সিজেন পরমাণু কম থাকে, যা একে RNA-এর তুলনায় রাসায়নিকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল করে তোলে।
• অন্যান্য তথ্যগুলো সঠিক, কারণ DNA-এর পূর্ণরূপ ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড, এটি ক্রোমোজোমে থাকে এবং এর নিউক্লিওটাইডে ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করা থাকে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0