অনুজীব (180 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরে ম্যালেরিয়া জীবাণুর অযৌন চক্রের (এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি) ধাপগুলো হলো: ট্রোফোজয়েট → সিগনেট রিং → অ্যামিবয়েড ট্রোফোজয়েট (A) → সাইজন্ট → মেরোজয়েট।
- এখানে A দ্বারা অ্যামিবয়েড ট্রোফোজয়েট পর্যায়কে বোঝানো হয়েছে।
- জীববিজ্ঞানের সঠিক তথ্য অনুযায়ী এই ধাপে 'হিমোজয়েন' নামক বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। তবে প্রদত্ত অপশন ও উত্তর অনুযায়ী এখানে স্পোরোজয়েট-কে নির্বাচন করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্যালেরিয়া পরজীবীর (Plasmodium) যৌন জনন স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার পাকস্থলীতে সম্পন্ন হয়।
- মশার ক্রপের (পাকস্থলী) গহ্বরে পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের ফলে গোলাকার জাইগোট উৎপন্ন হয়।
- এই জাইগোটটি পরবর্তীতে দীর্ঘ, সচল এবং অনেকটা কৃমির ন্যায় আকৃতি ধারণ করে। সচল এই জাইগোটকে উওকিনেট (Ookinete) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'হেপাটিক' (Hepatic) শব্দটি সরাসরি যকৃৎ (Liver)-এর সাথে সম্পর্কিত (যেমন হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগে যকৃৎ আক্রান্ত হয়)।
- ম্যালেরিয়া পরজীবী (Plasmodium) মানবদেহে প্রবেশের পর প্রথমে যকৃতের কোষে যে অযৌন পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে, তাকে হেপাটিক সাইজোগনি (Hepatic Schizogony) বলে।
- পরবর্তীতে লোহিত রক্তকণিকায় (RBC) যে বংশবৃদ্ধি ঘটে, তাকে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে প্রবেশের পর থেকে রোগের প্রথম লক্ষণ প্রকাশের মধ্যবর্তী সময়কে সুপ্তিকাল (Incubation period) বলে।
- বিভিন্ন প্রজাতির Plasmodium-এর সুপ্তিকাল ভিন্ন হয়ে থাকে।
- Plasmodium vivax-এর স্বাভাবিক সুপ্তিকাল হলো ১২-২০ দিন
- অন্যান্য প্রজাতির স্বাভাবিক সুপ্তিকাল: Plasmodium falciparum (৮-১৫ দিন), Plasmodium ovale (১১-১৬ দিন) এবং Plasmodium malariae (১৮-৩০ দিন)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পরজীবীর জীবনচক্রে যে পোষকের দেহে যৌন জনন সম্পন্ন হয়, তাকে মুখ্য বা নির্দিষ্ট পোষক (Definitive Host) বলা হয়।
- অন্যদিকে, যে পোষকের দেহে অযৌন জনন ঘটে, তাকে মাধ্যমিক বা সেকেন্ডারি পোষক (Intermediate Host) বলে।
- উদাহরণস্বরূপ: ম্যালেরিয়া পরজীবীর (Plasmodium) যৌন জনন ঘটে স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার দেহে, তাই মশা হলো এর মুখ্য পোষক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Plasmodium falciparum দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়াকে ম্যালিগন্যান্ট টারসিয়ান ম্যালেরিয়া (Malignant tertian malaria) বলা হয়, যা সবচেয়ে মারাত্মক।
- এই ধরনের ম্যালেরিয়ায় রোগীর দেহে লোহিত রক্তকণিকা ভাঙনের চক্র অনুযায়ী সাধারণত ৩৬-৪৮ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে।
- অন্যান্য ম্যালেরিয়ার জ্বরের সময়কাল: বিনাইন টারসিয়ান ম্যালেরিয়া (P. vivax)-এ ৪৮ ঘণ্টা পর পর এবং কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া (P. malariae)-এ ৭২ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর যৌন চক্র (Sexual cycle) বা স্পোরোগনি সম্পূর্ণ হয় স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশার দেহে।
- মশার দেহে জাইগোট থেকে ওওসিস্ট তৈরি হয়, যার ভেতরে বিভাজনের মাধ্যমে অসংখ্য মাকু আকৃতির স্পোরোজয়েট (Sporozoite) উৎপন্ন হয়।
- এই স্পোরোজয়েটগুলো মশার লালাগ্রন্থিতে জমা হয়, যা ম্যালেরিয়া পরজীবীর যৌন চক্রের সর্বশেষ ধাপ।
- মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে লালার মাধ্যমে এই স্পোরোজয়েটগুলোই মানবদেহে প্রবেশ করে, তাই এটি মানুষের জন্য সংক্রমণকারী দশা (Infective stage)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর হেপাটিক বা যকৃত শাইজোগনির দুটি প্রধান ধাপ রয়েছে: প্রি-এরিথ্রোসাইটিক শাইজোগনি এবং এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক শাইজোগনি
- প্রি-এরিথ্রোসাইটিক শাইজোগনির পর্যায়গুলো হলো: স্পোরোজয়েট (Sporozoite), ক্রিপ্টোজয়েট (Cryptozoite) এবং ক্রিপ্টোমেরোজয়েট (Cryptomerozoite)
- ট্রফোজয়েট (Trophozoite) প্রি-এরিথ্রোসাইটিক শাইজোগনির অংশ নয়; এটি মূলত মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকায় সংঘটিত এরিথ্রোসাইটিক শাইজোগনি (Erythrocytic schizogony)-এর একটি ধাপ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে প্রবেশের পর থেকে রোগের প্রথম লক্ষণ প্রকাশের মধ্যবর্তী সময়কে সুপ্তিকাল (Incubation period) বলে।
- ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (Plasmodium falciparum)-এর সুপ্তিকাল সবচেয়ে কম, যা সাধারণত ৮-১৫ দিন হয়ে থাকে।
- অন্যদিকে প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরিয়া (Plasmodium malariae)-এর সুপ্তিকাল সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ১৮-৩০ দিন

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে প্রবেশের পর থেকে রোগের প্রথম লক্ষণ প্রকাশের মধ্যবর্তী সময়কে সুপ্তিকাল (Incubation period) বলে।
- বিভিন্ন প্রজাতির Plasmodium-এর সুপ্তিকাল ভিন্ন হয়ে থাকে।
- এর মধ্যে Plasmodium falciparum-এর স্বাভাবিক সুপ্তিকাল ৮-১৫ দিন
- অন্যান্য প্রজাতির স্বাভাবিক সুপ্তিকাল: Plasmodium ovale (১১-১৬ দিন), Plasmodium vivax (১২-২০ দিন) এবং Plasmodium malariae (১৮-৩০ দিন)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা প্রধানত ম্যালেরিয়া রোগের বাহক হলেও এটি ফাইলেরিয়াসিস (Filariasis) রোগ ছড়াতেও সাহায্য করে।
- ফাইলেরিয়া কৃমি মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়। কিউলেক্স মশার পাশাপাশি কিছু অ্যানোফিলিস মশাও এই পরজীবীর বাহক হিসেবে কাজ করে।
- ডেঙ্গু রোগের বাহক হলো এডিস (Aedes) মশা এবং কালাজ্বরের বাহক হলো বেলেমাছি (Sandfly)
- অ্যানোফিলিস মশা যখন সংক্রমিত ব্যক্তির রক্ত পান করে, তখন তারা পরজীবীগুলোকে ধারণ করে এবং সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ানোর সময় তা রক্তে ছেড়ে দিয়ে রোগ সংক্রমিত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্যালেরিয়া জীবাণুর মানবদেহে জীবনচক্রের এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Erythrocytic Schizogony) ধাপে ম্যালেরিয়া জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এই ধাপে পরজীবী মানুষের রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় (RBC) প্রবেশ করে এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে।
- এ সময় রক্তের লোহিত রক্তকণিকাগুলো ভেঙে যায় এবং হিমোজয়েন (Hemozoin) নামক বিষাক্ত পদার্থ রক্তে মুক্ত হয়।
- এই বিষাক্ত পদার্থের প্রভাবেই রোগীর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে এবং রক্তশূন্যতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।
- প্রি-এরিথ্রোসাইটিক এবং এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক বা হেপাটিক সাইজোগনি যকৃতে ঘটে, যেখানে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) হলো স্পোরোজোয়া (Sporozoa) শ্রেণির অন্তর্গত একটি এককোষী অন্তঃপরজীবী।
- এই শ্রেণির পরজীবীদের চলাচলের জন্য কোনো বিশেষ অঙ্গ (যেমন- সিলিয়া, ফ্ল্যাজেলা বা ক্ষণপদ) থাকে না।
- চলন অঙ্গ না থাকায় এদের নিজস্ব কোনো চলৎশক্তি নেই
- এরা পোষক দেহের তরল বা রক্তস্রোতের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত হয়।
- অন্যদিকে, ট্রাইকোমোনা, প্রোম্যাস্টিগোট এবং একানথেমিবা-র চলন অঙ্গ থাকায় এদের চলৎশক্তি রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্যালেরিয়া জীবাণু (Plasmodium) মূলত একটি অন্তঃপরজীবী এবং আবশ্যিক পরজীবী
- এরা জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য সুনির্দিষ্ট পোষক (মানুষ ও স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা) ছাড়া বাঁচতে পারে না, তাই এটি অনাবশ্যিক পরজীবী নয়।
- এটি পোষকদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে ধ্বংস করে, তাই এটি ক্ষতিকর পরজীবী
- লোহিত রক্তকণিকা বিদীর্ণ করে যখন মেরোজোয়েটগুলো রক্তরসে মুক্ত হয়, তখন হিমোজয়েন (Hemozoin) নামক বিষাক্ত পদার্থ নিঃসৃত হয়।
- এই হিমোজয়েন রক্তে মিশে যাওয়ার কারণেই মানবদেহে কাঁপুনি দিয়ে ম্যালেরিয়া জ্বর আসে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক টিকা হলো Mosquirix (RTS,S)।
- এটি মশাবাহিত প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
- ম্যালেরিয়া (Malaria) একটি ইতালিয়ান শব্দ, যা Mal (দূষিত) এবং aria (বায়ু) হতে উৎপত্তি হয়েছে।
- ১৭৫১ সালে টর্টি (Torti) সর্বপ্রথম ম্যালেরিয়া শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ২২ জানুয়ারি, ২০২৪ বিশ্বে প্রথম ম্যালেরিয়া রোগের গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করে ক্যামেরুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার ক্রপে (পাকস্থলী) পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের ফলে ডিপ্লয়েড জাইগোট তৈরি হয়।
- জাইগোটটি পরবর্তীতে সচল উকিনেটে পরিণত হয় এবং ক্রপের প্রাচীর ভেদ করে বাইরে এসে আবরণযুক্ত উওসিস্ট (Oocyst) গঠন করে।
- এই উওসিস্ট (Oocyst) দশাতেই ম্যালেরিয়া পরজীবীর মিয়োসিস (Meiosis) কোষ বিভাজন ঘটে।
- মিয়োসিস এবং এর পরবর্তী মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে একটি উওসিস্ট থেকে অসংখ্য হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট তৈরি হয়, যাকে স্পোরোগনি বলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহে ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ বা আক্রমণকারী দশা হলো স্পোরোজয়েট (Sporozoite)
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশার লালাগ্রন্থিতে অসংখ্য স্পোরোজয়েট জমা থাকে।
- মশা যখন কোনো সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন মশার লালার সাথে এই স্পোরোজয়েটগুলো মানবদেহের রক্তে প্রবেশ করে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ ঘটায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার ক্রপ বা পাকস্থলীর প্রাচীরে উওসিস্ট (Oocyst) অবস্থান করে।
- একটি সংক্রমিত মশকীর ক্রপের প্রাচীরে সাধারণত ৫০-৫০০টি উওসিস্ট থাকতে পারে।
- দেখতে অনেকটা ছোট ছোট ফোসকার মতো এই উওসিস্টগুলোর ভেতরেই স্পোরোগনি প্রক্রিয়ায় অসংখ্য স্পোরোজয়েট উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বা Plasmodium-এর মানবদেহে সংক্রমণযোগ্য দশাকে স্পোরোজয়েট (Sporozoite) বলা হয়।
- স্পোরোজয়েটগুলো দেখতে মাকু আকৃতির (Spindle shaped) বা কাস্তে আকৃতির মতো, যা সামান্য বাঁকানো এবং অত্যন্ত চলনশীল হয়ে থাকে।
- এদের এই মাকু আকৃতি মানবদেহের রক্তস্রোত এবং যকৃত কোষে সহজে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।
- সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার লালাগ্রন্থিতে এই স্পোরোজয়েট অবস্থান করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে মশার পাকস্থলীতে পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের ফলে ডিপ্লয়েড (2n) জাইগোট তৈরি হয়।
- এই জাইগোটটি পরবর্তীতে সচল ও লম্বাটে আকার ধারণ করে, যাকে উকিনেট (Ookinete) বলা হয়।
- যেহেতু এটি দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলনে সৃষ্ট জাইগোটের রূপান্তরিত রূপ, তাই উকিনেট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি ডিপ্লয়েড দশা
- অন্যদিকে স্পোরোজয়েট, ক্রিপ্টোজয়েট এবং ট্রফোজয়েট হলো হ্যাপ্লয়েড দশা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গ্যামিটোগনি (Gametogony) হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর যৌন প্রজননের একটি পর্যায়, যেখানে গ্যামেটোসাইট থেকে পুং এবং স্ত্রী গ্যামেট (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) তৈরি হয়।
- মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকায় গ্যামেটোসাইট তৈরি হলেও এদের পরবর্তী পরিণতি মানুষের দেহে ঘটে না।
- মশা রক্তপানের সময় গ্যামেটোসাইটগুলো মশার দেহে প্রবেশ করে এবং স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার পাকস্থলী বা ক্রপে (Crop) এই গ্যামিটোগনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া জীবাণু (Plasmodium) মানবদেহে প্রবেশের পর যকৃতে এবং লোহিত রক্তকণিকায় অযৌন প্রক্রিয়ায় (Schizogony) বংশবৃদ্ধি করে।
- এই অযৌন প্রজনন চক্রে পরজীবীর নিউক্লিয়াসটি বারবার বিভাজিত হয়ে অসংখ্য নিউক্লিয়াস গঠন করে।
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর এই বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত দশাকেই সাইজন্ট (Schizont) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহে ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ বা আক্রমণকারী দশা হলো স্পোরোজয়েট (Sporozoite)
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে মশার লালার মাধ্যমে এই মাকু আকৃতির স্পোরোজয়েটগুলো মানবদেহে প্রবেশ করে।
- রক্তস্রোতের মাধ্যমে বাহিত হয়ে এগুলো সর্বপ্রথম মানুষের যকৃত কোষকে (Liver cells) আক্রমণ করে এবং হেপাটিক শাইজোগনি শুরু করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহে ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ বা আক্রমণকারী দশা হলো স্পোরোজয়েট (Sporozoite)
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন মশার লালার সাথে এই মাকু আকৃতির স্পোরোজয়েটগুলো মানবদেহের রক্তে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এক্সফ্লাজেলেশন (Exflagellation) হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর (Plasmodium) পুং গ্যামেটোসাইট থেকে পুং গ্যামেট বা মাইক্রোগ্যামেট তৈরির একটি প্রক্রিয়া।
- এটি স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার পাকস্থলী বা ক্রপে (Crop) সংঘটিত হয়।
- মশা যখন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত পান করে, তখন গ্যামেটোসাইটগুলো মশার ক্রপে পৌঁছায় এবং পুং গ্যামেটোসাইট থেকে ফ্লাজেলার মতো অংশ বের হয়ে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যামেট তৈরি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মশকীর পাকস্থলীর প্রাচীরে স্পোরোগোনি (Sporogony) প্রক্রিয়ায় ম্যালেরিয়া জীবাণুর বিভাজন ঘটে।
- এই প্রক্রিয়ায় অসংখ্য মাকু আকৃতির স্পোরোজয়েট (Sporozoite) তৈরি হয়।
- পরবর্তীতে স্পোরোজয়েটগুলো ওসিস্ট (Oocyst) বিদীর্ণ করে মশকীর দেহগহ্বরে মুক্ত হয় এবং সেখান থেকে বাহিত হয়ে মশকীর লালাগ্রন্থিতে (Salivary gland) এসে জমা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহে ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ বা আক্রমণকারী দশা হলো স্পোরোজয়েট (Sporozoite)
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন মশার লালার সাথে এই মাকু আকৃতির স্পোরোজয়েটগুলো মানবদেহের রক্তে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া জীবাণু যখন বংশবৃদ্ধি করে, তখন জীবাণুটি হিমোগ্লোবিনকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
- হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন অংশ হজম হলেও লৌহজাত অংশটি পরিপাক হয় না, যা বর্জ্য পদার্থ হিসেবে জমা হতে থাকে।
- জীবাণুটি যখন বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত সাইজন্ট (Schizont) দশায় পরিণত হয়, তখন এর কেন্দ্রে এই বর্জ্য পদার্থটি হিমোজয়েন (Hemozoin) নামক বিষাক্ত দানা হিসেবে প্রথম স্পষ্টভাবে জমা হতে দেখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া জীবাণুর যৌন দশা বা গ্যামিটোসাইট (Gametocyte) তৈরি হয়।
- এই গ্যামিটোসাইটগুলো মশার দেহে প্রবেশের অপেক্ষায় মানুষের রক্তে সাধারণত ৭ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে ও কার্যক্ষম থাকে।
- এই ৭ দিনের মধ্যে কোনো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা রক্তপান না করলে গ্যামিটোসাইটগুলো ধ্বংস হয়ে যায় বা শ্বেত রক্তকণিকা দ্বারা ভক্ষিত হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগোনি চক্রে মেরোজোয়েট (Merozoite) দশাটি দেখা যায়।
- লোহিত রক্তকণিকা বিদীর্ণ করে যখন মেরোজোয়েটগুলো রক্তরসে মুক্ত হয়, তখন হিমোজয়েন (Hemozoin) নামক বিষাক্ত পদার্থ নিঃসৃত হয়।
- এই হিমোজয়েন রক্তে মিশে যাওয়ার কারণেই মানবদেহে কাঁপুনি দিয়ে ম্যালেরিয়া জ্বর আসে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0