শৈবাল ও ছত্রাক (104 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি আদর্শ লাইকেনের (যেমন- ফোলিওজ লাইকেন) অন্তর্গঠনকে প্রধানত চারটি স্তরে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে শৈবাল স্তর (Algal layer) হলো সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত বা সরু স্তর।
লাইকেনের বিভিন্ন স্তর:
ঊর্ধ্ব কর্টেক্স (Upper cortex): ছত্রাকের হাইফা দিয়ে তৈরি সবচেয়ে ওপরের স্তর।
শৈবাল স্তর (Algal layer): ঊর্ধ্ব কর্টেক্সের ঠিক নিচেই এই স্তরটি অবস্থিত। এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত বা পাতলা একটি স্তর, যেখানে শৈবাল কোষগুলো ছত্রাকের হাইফার মাঝে ছড়ানো থাকে এবং সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়।
মেডুলা (Medulla): এটি লাইকেনের সবচেয়ে চওড়া বা প্রশস্ত স্তর, যা আলগাভাবে সজ্জিত ছত্রাক সূত্র দিয়ে গঠিত।
নিম্ন কর্টেক্স (Lower cortex): সবচেয়ে নিচের স্তর, যেখান থেকে রাইজিনের (Rhizine) মতো অঙ্গ সৃষ্টি হয়ে কোনো বস্তুর সাথে আটকে থাকতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Peltigera (বিশেষ করে Peltigera canina) নামক লাইকেন জলাতঙ্ক (Rabies) রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কুকুর কামড়ালে এই রোগ হতে পারে বলে একে 'Dog Lichen'-ও বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর বৈশিষ্ট্য:
Cladonia: এটি একটি ফ্রুটিকোজ লাইকেন, যা রেইনডিয়ারদের (Reindeer) প্রধান খাদ্য।
Clostridium: এটি একটি ব্যাকটেরিয়া, যার একটি প্রজাতি (Clostridium tetani) ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস রোগ সৃষ্টি করে।
Azotobacter: এটি মাটিতে মুক্তজীবী নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া, যা মাটির উর্বরতা বাড়ায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেনের বাহ্যিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে এদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে লেপ্রোজ লাইকেন (Leprose Lichen) হলো সবচেয়ে সরল প্রকৃতির
বিভিন্ন প্রকার লাইকেনের গঠন:
লেপ্রোজ (Leprose): এদের কোনো সুস্পষ্ট গঠন থাকে না, দেখতে পাউডার বা দানাদার আবরণের মতো হয়।
ক্রাস্টোজ (Crustose): গাছের বাকল বা পাথরের সাথে চ্যাপ্টা আবরণের মতো দৃঢ়ভাবে লেগে থাকে।
ফোলিওজ (Foliose): দেখতে অনেকটা বিষমপৃষ্ঠ বা চ্যাপ্টা পাতার মতো হয়।
ফ্রুটিকোজ (Fruticose): এগুলো দেখতে ছোট ঝোপ বা শাখা-প্রশাখাযুক্ত উদ্ভিদের মতো এবং আকর্ষণীয় ও ঝুলন্ত প্রকৃতির হয় (যেমন- Cladonia)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শৈবাল (Algae) এবং ছত্রাক (Fungi) একত্রে মিথোজীবী (Symbiotic) সম্পর্ক গড়ে তুলে লাইকেন (Lichen) গঠন করে। পুষ্টিগত দিক থেকে এই দুটি জীব একে অপরের ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নির্ভরশীল।
শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং ছত্রাককে প্রদান করে।
ছত্রাক পরিবেশ থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে শৈবালকে সরবরাহ করে এবং তাকে আশ্রয় প্রদান করে।
পুষ্টির এই অনন্য পারস্পরিক আদান-প্রদানের কারণেই এদের জোড়টি পুষ্টির ভিত্তিতে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ বা সম্পর্কযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাকের মধ্যকার সম্পর্ককে মিথোজীবিতা (Symbiosis) বলে।
• মিথোজীবিতা এমন একটি সহাবস্থান যেখানে দুটি ভিন্ন প্রজাতির জীব একসাথে বসবাস করে এবং একে অপরের মাধ্যমে উপকৃত হয়।
• লাইকেনে শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে ছত্রাককে প্রদান করে।
• অন্যদিকে, ছত্রাক চারপাশ থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে শৈবালকে সরবরাহ করে এবং তাকে আশ্রয় প্রদান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেন (Lichen) হলো শৈবাল ও ছত্রাকের একটি মিথোজীবী (Symbiotic) সম্পর্ক।
• এই ধরনের সহাবস্থানে দুটি ভিন্ন প্রজাতির জীব একে অপরের সাহায্যে বেঁচে থাকে এবং উভয়েই উপকৃত হয়।
• লাইকেনে শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে এবং ছত্রাককে প্রদান করে।
• অন্যদিকে, ছত্রাক চারপাশ থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে শৈবালকে সরবরাহ করে এবং তাকে আশ্রয় প্রদান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বায়ু দূষণের প্রতি লাইকেন (Lichen) অত্যন্ত সংবেদনশীল।
• বাতাসে সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) বা অন্যান্য ভারী ধাতুর মতো দূষক পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে লাইকেন তা শোষণ করে এবং এর ফলে মারা যায়।
• এ কারণে লাইকেনকে পরিবেশ দূষণের নির্দেশক বা বায়ো-ইন্ডিকেটর (Bio-indicator) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেসব এলাকায় বায়ু দূষণ বেশি, সেখানে সাধারণত লাইকেন জন্মাতে দেখা যায় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট আকর্ষণীয় লাইকেনকে ফ্রুটিকোজ লাইকেন (Fruticose Lichen) বলা হয়।
• এগুলো দেখতে অনেকটা ছোট ঝোপ বা ঝুলন্ত সুতোর মতো হয়।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ক্রাস্টোজ চ্যাপ্টা আবরণের মতো, ফোলিয়োজ বিষমপৃষ্ঠ পাতার মতো এবং লেপ্রোজ দানাদার বা পাউডারের মতো দেখতে হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেনের বাহ্যিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে এদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।
ফ্রুটিকোজ লাইকেন (Fruticose Lichen): এগুলো দেখতে ছোট ঝোপ বা শাখা-প্রশাখাযুক্ত উদ্ভিদের মতো হয় এবং আকর্ষণীয় ও ঝুলন্ত প্রকৃতির হয়। Cladonia হলো ফ্রুটিকোজ লাইকেনের একটি আদর্শ উদাহরণ।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
- ক্রাস্টোজ (Crustose): গাছের বাকল বা পাথরের সাথে চ্যাপ্টা আবরণের মতো লেগে থাকে।
- ফোলিওজ (Foliose): দেখতে অনেকটা বিষমপৃষ্ঠ পাতার মতো হয়।
- লেপ্রোজ (Leprose): পাউডার বা দানাদার আবরণের মতো হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাহাড়ের ঢালে বা তুন্দ্রা অঞ্চলে জন্মানো লাইকেনের (বিশেষ করে Cladonia rangiferina) ঘন আস্তরণকে রেইনডিয়ার মস (Reindeer moss) বলা হয়।
- নামে 'মস' হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো মস নয়, এটি এক প্রকার ফ্রুটিকোজ লাইকেন
- শীতপ্রধান অঞ্চলে বল্গা হরিণ বা রেইনডিয়ারের প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর নামকরণ 'রেইনডিয়ার মস' করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেন থেকে প্রাকৃতিকভাবে উসনিক অ্যাসিড (Usnic acid) পাওয়া যায়। এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ওষুধ ও মলম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

- অ্যাসিটিক অ্যাসিড: এটি ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং ভিনেগারের মূল উপাদান।
- পামিটিক অ্যাসিড: এটি পাম তেল এবং বিভিন্ন প্রাণীজ ও উদ্ভিজ্জ চর্বিতে পাওয়া যায়।
- অ্যাসপারটিক অ্যাসিড: এটি এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড যা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারে থাকে।

অতএব, উসনিক অ্যাসিড লাইকেন থেকেই উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেনের বাহ্যিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে এদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।
ফ্রুটিকোজ লাইকেন (Fruticose Lichen): এগুলো দেখতে ছোট ঝোপ বা শাখা-প্রশাখাযুক্ত উদ্ভিদের মতো হয়। Cladonia হলো ফ্রুটিকোজ লাইকেনের একটি আদর্শ উদাহরণ।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
- Lecanora হলো ক্রাস্টোজ (Crustose) লাইকেন, যা গাছের বাকল বা পাথরের সাথে চ্যাপ্টা আবরণের মতো লেগে থাকে।
- Physica এবং Parmelia হলো ফোলিওজ (Foliose) লাইকেন, যা দেখতে অনেকটা বিষমপৃষ্ঠ পাতার মতো হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইকেন (Lichen) হলো শৈবাল ও ছত্রাকের একটি মিথোজীবী (Symbiotic) সম্পর্ক।
- এই ধরনের সহাবস্থানে দুটি ভিন্ন প্রজাতির জীব একে অপরের সাহায্যে বেঁচে থাকে এবং উভয়েই উপকৃত হয়।
- লাইকেনে শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে এবং ছত্রাককে প্রদান করে।
- অন্যদিকে, ছত্রাক চারপাশ থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে শৈবালকে সরবরাহ করে এবং তাকে আশ্রয় প্রদান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাশরুম হলো এক প্রকার ছত্রাক।
- পেপটাইডোগ্লাইকান হলো ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান, যা মাশরুম বা ছত্রাকে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকে।
- ছত্রাকের কোষপ্রাচীর মূলত কাইটিন দ্বারা গঠিত।
- অন্যদিকে, মাশরুমে প্রথম শ্রেণির আমিষ, স্টেরল জাতীয় চর্বি (যেমন- আর্গোস্টেরল) এবং পলিস্যাকারাইড জাতীয় শর্করা (যেমন- গ্লাইকোজেন) বিদ্যমান থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus যেহেতু একটি ছত্রাক, তাই এর পুষ্টি পদ্ধতি সাধারণ উদ্ভিদ থেকে আলাদা। উদ্ভিদের সঞ্চিত খাদ্য স্টার্চ হলেও ছত্রাকের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন।
• ছত্রাকের কোষে প্রধান সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে তৈলবিন্দু (Oil drops) এবং গ্লাইকোজেন (Glycogen) জমা থাকে।
• তাই Agaricus-এর কোষে তৈল সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে পাওয়া যায়।
• এদের কোষে কোনো স্টার্চ থাকে না এবং সেলুলোজ সাধারণত উদ্ভিদের কোষপ্রাচীরের উপাদান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus-এর দেহ প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত: মাটির নিচে থাকা পুষ্টি অঙ্গ (মাইসেলিয়াম) এবং মাটির উপরে থাকা বায়বীয় অংশ।
• এই বায়বীয় অংশ বা ফ্রুটবডিকে (জনন অঙ্গ) সামগ্রিকভাবে ব্যাসিডিওকার্প (Basidiocarp) বলা হয়।
• ব্যাসিডিওকার্প মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: স্টাইপ (বোঁটা) এবং পাইলিয়াস (ছাতা)।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, পাইলিয়াসল্যামিলা হলো ব্যাসিডিওকার্পেরই অংশ এবং মাইসেলিয়াম হলো মাটির নিচে থাকা সুতোর মতো গঠন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus হলো Basidiomycota শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত একটি ছত্রাক, যা যৌন জননের মাধ্যমে ব্যাসিডিওস্পোর (Basidiospore) নামক রেণু তৈরি করে।
• এই রেণুগুলো ব্যাসিডিয়াম (Basidium) নামক বিশেষ গঠনের ওপর উৎপন্ন হয়।
• যৌন জননের সময় প্রতিটি ব্যাসিডিয়ামের ভেতরে মায়োসিস কোষ বিভাজন ঘটে, যার ফলে প্রতিটি ব্যাসিডিয়ামের শীর্ষে সাধারণত ৪টি করে ব্যাসিডিওস্পোর উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus বা মাশরুমের বায়বীয় অংশ বা ফ্রুটবডির উপরের দিকের ছাতার মতো প্রসারিত অংশটিকে পাইলিয়াস (Pileus) বলা হয়।
• স্টাইপ (Stipe): পাইলিয়াসকে ধরে রাখা দণ্ড বা বোঁটার মতো অংশ।
• মাইসেলিয়াম (Mycelium): ছত্রাকের দেহ গঠনকারী সুতার মতো অংশ (হাইফা)-এর জট পাকানো অবস্থা, যা সাধারণত মাটির নিচে থাকে।
• রাইজোমর্ফ (Rhizomorph): অনেকগুলো মাইসেলিয়াম একত্রে পেঁচিয়ে দড়ির মতো যে গঠন তৈরি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus বা মাশরুমের ছাতার মতো অংশের (পাইলিয়াস) নিচের দিকে পাতলা পর্দার মতো অনেকগুলো অংশ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, যাদের গিল (Gill) বা ল্যামিলা বলা হয়।
• এই গিল-এর গায়েই ব্যাসিডিয়াম (Basidium) নামক বিশেষ গঠন উৎপন্ন হয়, যা পরবর্তীতে যৌন জননের মাধ্যমে ব্যাসিডিওস্পোর (Basidiospore) তৈরি করে।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, স্টাইপ (Stipe) হলো মাশরুমের বোঁটা, অ্যানুলাস (Annulus) হলো স্টাইপের ওপরের আংটির মতো বলয় এবং পাইলিয়াস (Pileus) হলো উপরের ছাতার মতো অংশ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus sp. (মাশরুম) হলো Basidiomycota শ্রেণির একটি ছত্রাক, যা যৌন জননের মাধ্যমে ব্যাসিডিওস্পোর (Basidiospore) নামক রেণু তৈরি করে। এই রেণুগুলো ব্যাসিডিয়াম নামক বিশেষ গঠনের ওপর উৎপন্ন হয়।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, Pteris sp. (ফার্ন) স্পোরাঞ্জিয়ামের ভেতরে স্পোর তৈরি করে, Penicillium sp. কনিডিয়া তৈরি করে এবং Riccia sp. হলো এক প্রকার ব্রায়োফাইট বা মসবর্গীয় উদ্ভিদ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus হলো Basidiomycota শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত একটি ছত্রাক।
• এই শ্রেণির ছত্রাকের তৈরি ফ্রুটবডি বা জনন অঙ্গকে ব্যাসিডিওকার্প (Basidiocarp) বলা হয়।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, অ্যাসকোকার্প হলো Ascomycota শ্রেণির ছত্রাকের ফ্রুটবডি এবং কনিডিয়োফোর হলো এক বিশেষ ধরনের হাইফা যার মাথায় কনিডিয়া (অযৌন রেণু) উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus এর ফ্রুটবডি বা জনন দেহের দণ্ডের মতো অংশকে স্টাইপ (Stipe) বলা হয়।
• স্টাইপের ঠিক উপরের দিকে একটি আংটি বা বলয়ের মতো আবরণ থাকে, একে অ্যানুলাস (Annulus) বলে। তাই এটি ফ্রুটবডির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ইন্ডুসিয়াম এবং স্টোমিয়াম হলো ফার্ন (যেমন- Pteris) এর রেণোস্থলীর অংশ এবং রাইজোমর্ফ হলো মাটির নিচে থাকা মাইসেলিয়ামের দড়ির মতো গঠন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus বা মাশরুমের দেহকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা যায়: মাটির নিচে থাকা অঙ্গজ দেহ এবং মাটির ওপরে থাকা জনন দেহ।
• মাটির ওপরে দৃশ্যমান ছাতার মতো ছায়াযুক্ত জনন দেহটিকে ফ্রুটবডি (Fruit body) বলা হয়।
• অন্যদিকে, মাটির নিচে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা সুতাকার অংশটি হলো মাইসেলিয়াম, যা এর পুষ্টি সংগ্রহ করে। রাইজোমর্ফ হলো মাইসেলিয়ামের একত্রিত দড়ির মতো গঠন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ছত্রাকের দেহ অসংখ্য সরু, সুতার মতো শাখা-প্রশাখা নিয়ে গঠিত, এদের একত্রে মাইসেলিয়াম (Mycelium) বলে।
• মাইসেলিয়ামের প্রতিটি সুতার মতো শাখাকে হাইফা (Hypha) বলা হয়।
• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, স্টাইপ হলো মাশরুমের দণ্ডের মতো অংশ, ফ্রুটবডি হলো মাশরুমের বায়বীয় বা জনন অংশ এবং গিল হলো টুপির (Pileus) নিচের দিকে অবস্থিত ফলকের মতো অংশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Agaricus বা মাশরুমের অনেক প্রজাতি পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হলেও কিছু প্রজাতি অত্যন্ত বিষাক্ত হয়ে থাকে।
Agaricus xanthodermus হলো একটি বিষাক্ত মাশরুম। এটি খেলে পেটে ব্যথা, বমি ও তীব্র হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এর একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি কাটলে বা আঘাত করলে হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
• অন্যদিকে A. campestris (মাঠের মাশরুম), A. brunnescens (বাণিজ্যিক বা বাটন মাশরুম) এবং A. bitorquis হলো সম্পূর্ণ ভোজ্য বা খাওয়ার যোগ্য মাশরুম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাইক্লোস্পোরিন (Cyclosporine): এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমিউনোসাপ্রেস্যান্ট (immunosuppressant) ওষুধ। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের (যেমন- কিডনি বা হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট) পর শরীর যেন নতুন অঙ্গকে প্রত্যাখ্যান না করে, সে জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
• ওষুধটি মূলত Tolypocladium inflatum নামক ছত্রাক থেকে তৈরি করা হয়।

অন্যান্য ছত্রাকের ব্যবহার:
Penicillium: এটি থেকে জীবনরক্ষাকারী পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়।
Agaricus: এটি মাশরুম, যা পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Gibberella: এটি থেকে জিবেরেলিন নামক উদ্ভিদের বৃদ্ধিকারক হরমোন নিষ্কাশন করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Phytophthora infestans নামক ছত্রাকের আক্রমণে আলুর বিলম্বিত ধ্বসা বা লেট ব্লাইট (Late Blight) রোগ হয়ে থাকে। এটি আলু ও টমেটোর সবচেয়ে মারাত্মক রোগ, যার কারণে প্রতিবছর ব্যাপক ক্ষতি হয়।
• প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও দমনের জন্য প্রতিরোধক হিসেবে ১% বোঁর্দো মিশ্রণ (Bordeaux mixture) ব্যবহার করা হয়।
• বোঁর্দো মিশ্রণ হলো তুঁতে (Copper sulphate), চুন (Calcium hydroxide) এবং পানির সমন্বয়ে তৈরি একটি অত্যন্ত কার্যকরী ছত্রাকনাশক (Fungicide)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গোল আলুর বিলম্বিত ধ্বসা বা লেট ব্লাইট (Late Blight) রোগের জন্য দায়ী প্যাথোজেন হলো Phytophthora infestans নামক ছত্রাক।

অন্যান্য প্যাথোজেনের পরিচিতি:
TrichophytonMicrosporium: এগুলো মানুষের ত্বকে দাদ (Ringworm) বা অন্যান্য চর্মরোগ সৃষ্টিকারী ছত্রাক।
Xanthomonas: এটি একটি ব্যাকটেরিয়া, যা উদ্ভিদের বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে (যেমন- ধানের লিফ ব্লাইট)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ছত্রাকের জনন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধরণ রয়েছে।
জুস্পোর সৃষ্টি: ফ্লাজেলাযুক্ত চলনশীল রেণুকে জুস্পোর (Zoospore) বলে। নিম্নশ্রেণির জলজ ছত্রাকে জুস্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটে।
প্লাজমোগ্যামি: এটি ছত্রাকের যৌন জননের প্রথম ধাপ, যেখানে দুটি কোষের সাইটোপ্লাজম মিলিত হয়।
কনিডিয়া সৃষ্টি: এটি Penicillium-এর মতো ছত্রাকের অযৌন জনন প্রক্রিয়া।
কোরকোদগম: এটি ইস্ট (Yeast)-এর একটি সাধারণ অযৌন বা অঙ্গজ বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Rhizopus ছত্রাক তরল বা অধিক শর্করাযুক্ত মাধ্যমে অইডিয়া (Oidia) সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্ন করে।
• শর্করার আধিক্যে এদের মাইসেলিয়াম ছোট ছোট খণ্ডে বিভক্ত হয়ে পাতলা প্রাচীরযুক্ত অইডিয়াম (Oidium) গঠন করে।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
Penicillium এবং Aspergillus: এরা সাধারণত কনিডিয়া (Conidia) সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন জনন ঘটায়।
Saprolegnia: এরা চলরেণু বা জুস্পোর (Zoospores) সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্ন করে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0