উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব (156 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
C₄ উদ্ভিদগুলোর (যেমন: ভুট্টা, আখ) সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য সোডিয়াম (Sodium) একটি অত্যাবশ্যকীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।
• এটি C₄ উদ্ভিদের মেসোফিল কোষে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) সংবন্ধনে এবং ফসফোইনোলপাইরুভেট (PEP) এর পুনরুৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• সাধারণ C₃ উদ্ভিদের জন্য সোডিয়াম অত্যাবশ্যকীয় না হলেও, C₄ উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিপাকের জন্য এটি অবশ্যই প্রয়োজন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লিগিউম বা শিম জাতীয় উদ্ভিদ তাদের শিকড়ের নডিউলে থাকা রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen fixation) করে।
• এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঠিকভাবে কাজ করার জন্য এবং নাইট্রোজেন ফিক্সিং এনজাইমের কার্যকারিতা বজায় রাখতে কোবাল্ট (Cobalt) একটি অত্যাবশ্যকীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট
• কোবাল্ট ছাড়া এই উদ্ভিদে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন প্রক্রিয়া চরমভাবে ব্যাহত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদ মাটি থেকে বিভিন্ন খনিজ আয়ন বিভিন্ন গতিতে শোষণ করে।
পটাশিয়াম (K+) এবং নাইট্রেট (NO3-) আয়ন উদ্ভিদ কর্তৃক সবচেয়ে দ্রুত গতিতে শোষিত হয়।
• অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে জেনে রাখা ভালো, ক্যালসিয়াম (Ca2+) এবং সালফেট (SO42-) আয়ন সবচেয়ে মন্থর বা ধীর গতিতে শোষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সালোকসংশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ক্লোরোফিল বা পাতার সবুজ অংশ।
• এটি মূলত একটি পরফাইরিনজাত পদার্থ যার কেন্দ্রীয় পরমাণু হলো ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
• যেহেতু এটি একটি ধাতব জটিল রঞ্জক এবং ম্যাগনেসিয়াম এর মূল গাঠনিক উপাদান, তাই এই মৌলটির উপস্থিতি ছাড়া পাতায় ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদ মাটি থেকে খনিজ লবণ আয়ন হিসেবে শোষণ করে। ধনাত্মক চার্জযুক্ত আয়নকে ক্যাটায়ন এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত আয়নকে অ্যানায়ন বলে।
ক্লোরিন (Cl) একটি অধাতু যা ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ক্লোরাইড আয়ন (Cl-) বা অ্যানায়ন হিসেবে শোষিত হয়।
• অন্যদিকে, ক্যালসিয়াম (Ca2+), ম্যাগনেসিয়াম (Mg2+) এবং সোডিয়াম (Na+) ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাটায়ন হিসেবে শোষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদ মাটি থেকে খনিজ লবণগুলো সাধারণত আয়ন হিসেবে শোষণ করে। ধনাত্মক আধানযুক্ত আয়নকে ক্যাটায়ন এবং ঋণাত্মক আধানযুক্ত আয়নকে অ্যানায়ন বলে।
• উদ্ভিদ পটাশিয়াম (K) উপাদানটিকে ক্যাটায়ন বা K+ হিসেবে শোষণ করে।
• অন্যদিকে, নাইট্রোজেন (N) প্রধানত নাইট্রেট (NO3-), ক্লোরিন (Cl) ক্লোরাইড (Cl-) এবং বোরন (B) বোরেট (BO33-) অ্যানায়ন হিসেবে শোষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদ মাটি থেকে বিভিন্ন খনিজ লবণ আয়ন হিসেবে শোষণ করে, তবে সব আয়নের শোষণ হার সমান নয়।
Ca++ (ক্যালসিয়াম) এবং SO4-- (সালফেট) আয়নের শোষণ হার সবচেয়ে মন্থর বা ধীর।
✔ অন্যদিকে, K+ (পটাশিয়াম) এবং NO3- (নাইট্রেট) আয়নের শোষণ হার সবচেয়ে দ্রুত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে পুষ্টি উপাদানগুলো অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তাদের মাইক্রোমৌল বা গৌণ পুষ্টি উপাদান বলা হয়।
✔ উদ্ভিদের মাইক্রোমৌলগুলো হলো: দস্তা (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl) ইত্যাদি।
✔ অপশনের কার্বন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন হলো ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য পুষ্টি উপাদান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানের মধ্যে যে উপাদানগুলো অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তাদের মাইক্রোমৌল বা গৌণ পুষ্টি উপাদান বলা হয়।
✔ উদ্ভিদের মাইক্রোমৌলগুলো হলো: দস্তা (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl) ইত্যাদি।
✔ অন্যদিকে অপশনে থাকা নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম হলো ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য পুষ্টি উপাদান, যা উদ্ভিদের বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ভিদের বহিঃত্বক বা এপিডার্মিসের বাইরের দিকে কিউটিন নামক একটি মোমজাতীয় বা স্নেহজাতীয় পদার্থের স্তর থাকে, যাকে কিউটিকল বলা হয়।
✔ এটি পানি অভেদ্য হওয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে প্রস্বেদনের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যাওয়া রোধ করে।
✔ এর ফলে উদ্ভিদ অতিরিক্ত পানি হারানোর হাত থেকে রক্ষা পায় এবং শুষ্কতা থেকে সুরক্ষিত থাকে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ার একটি পর্যায়ে ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড থেকে ২-ফসফোগ্লিসারিক এসিড তৈরি হয়। এই রূপান্তরটি মূলত অণুর ভেতরে ফসফেট গ্রুপের স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে ঘটে।
✔ যে এনজাইম কোনো অণুর ভেতর ফাংশনাল গ্রুপকে এক কার্বন থেকে অন্য কার্বনে স্থানান্তর করে, তাকে মিউটেজ (Mutase) বলে।
✔ তাই ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিডকে ২-ফসফোগ্লিসারিক এসিডে পরিণত করতে ফসফোগ্লিসারোমিউটেজ এনজাইমটি সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শ্বসন প্রক্রিয়া প্রধানত দুই প্রকার: সবাত শ্বসন (অক্সিজেনের উপস্থিতিতে) এবং অবাত শ্বসন (অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে)।
- সবাত শ্বসন (Aerobic respiration) সম্পন্ন হওয়ার জন্য মুক্ত অক্সিজেনের (O₂) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক
- এই প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে প্রচুর CO₂, পানি (H₂O) এবং শক্তি উৎপন্ন করে, যা উচ্চশ্রেণির জীবে ঘটে।
- তাই 'এ প্রক্রিয়ায় O₂ এর প্রয়োজন হয় না' তথ্যটি সবাত শ্বসনের বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি অবাত শ্বসনের বৈশিষ্ট্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র বা 'পাওয়ার হাউস', যা ইউক্যারিওটিক কোষে পাওয়া যায়।
- সবাত শ্বসনের প্রধান ধাপগুলো (ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম) মাইটোকন্ড্রিয়ায় অক্সিডেটিভ ফসফরাইলেশনের মাধ্যমে প্রচুর ATP তৈরি করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া ছাড়া সবাত শ্বসন সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। তাই যেসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না, সেখানে সবাত শ্বসন ঘটে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সবাত শ্বসনের দ্বিতীয় ধাপ হলো অ্যাসিটাইল কো-এ (Acetyl Co-A) সৃষ্টি
- গ্লাইকোলাইসিস পর্যায়ে উৎপন্ন ২ অণু পাইরুভিক এসিড (৩-কার্বন বিশিষ্ট) মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে এবং জারিত হয়।
- এই ধাপে প্রতি অণু পাইরুভিক এসিড থেকে ১ অণু অ্যাসিটাইল কো-এ (২-কার্বন বিশিষ্ট), ১ অণু কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) এবং ১ অণু NADH + H⁺ উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অবাত শ্বসন (Anaerobic respiration) প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে গ্লুকোজ অসম্পূর্ণরূপে জারিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কোষে ইথাইল অ্যালকোহল বা প্রাণিকোষে ল্যাকটিক এসিড এবং মাত্র ২টি ATP উৎপন্ন হয়।
- অবাত শ্বসনে পানি (H₂O) উৎপন্ন হয় না; পানি কেবল অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সবাত শ্বসনেই উৎপন্ন হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শ্বসন একটি নিরবচ্ছিন্ন জীবজ প্রক্রিয়া যা জীবের কোষে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চলতে থাকে।
- এই প্রক্রিয়ায় খাদ্যবস্তু জারিত হয়ে শক্তি (ATP) নির্গত হয় এবং উপজাত হিসেবে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিত্যক্ত হয়।
- শ্বসনের বিক্রিয়াগুলো মূলত সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়াতে সংঘটিত হয়।
- সালোকসংশ্লেষণ ঘটে ক্লোরোপ্লাস্টে, তাই 'সমস্ত বিক্রিয়া ক্লোরোপ্লাস্টের অভ্যন্তরে হয়' তথ্যটি শ্বসনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• শ্বসন (Respiration) একটি জারণ প্রক্রিয়া (Oxidation process)
• এই প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষস্থ জটিল জৈব যৌগ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বা অনুপস্থিতিতে জারিত হয়ে সরল যৌগে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে। তাই 'শ্বসন এক ধরনের বিজারণ প্রক্রিয়া' তথ্যটি সঠিক নয়
• অন্যান্য তথ্যগুলো সঠিক: পাতা বা কান্ডের পত্ররন্ধ্র প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ, একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের মজ্জা বেশ বড় হয় এবং বীজের অঙ্কুরোদগমের শুরুতে পানি শোষণের জন্য ইমবাইবিশন (Imbibition) অপরিহার্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শ্বসনে নির্গত CO₂ এর আয়তন এবং গৃহীত O₂ এর আয়তনের অনুপাতকে শ্বসনিক কোশেন্ট বা R.Q বলে।
• চর্বি বা লিপিড জাতীয় পদার্থের অণুতে অক্সিজেনের পরিমাণ কার্বনের তুলনায় অনেক কম থাকে।
• তাই এদের সম্পূর্ণ জারণের জন্য অধিক পরিমাণ O₂ প্রয়োজন হয়।
• এর ফলে চর্বি জাতীয় পদার্থের R.Q এর মান ১ এর চেয়ে কম হয়। সাধারণত চর্বির R.Q এর মান ০.৭
• (উল্লেখ্য, শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের R.Q এর মান )।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লাইকোলাইসিস বা EMP পাথওয়ে প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম হলো ইনোলেজ (Enolase)
• গ্লাইকোলাইসিসের ৯ম ধাপে ইনোলেজ এনজাইমের প্রভাবে ২-ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড এক অণু পানি হারিয়ে ফসফোইনোল পাইরুভিক অ্যাসিডে পরিণত হয়।
• অন্যদিকে, ফিউমারেজ ক্রেবস চক্রের সাথে জড়িত এবং জাইমেজ অ্যালকোহলীয় গাঁজনে ভূমিকা রাখে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• গ্লাইকোলাইসিস (EMP পাথওয়ে) প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পাইরুভিক অ্যাসিড সরাসরি ক্রেবস চক্রে (TCA চক্র) প্রবেশ করতে পারে না।
• এটি প্রথমে জারিত হয়ে ২-কার্বন বিশিষ্ট অ্যাসিটাইল Co-A (Acetyl-CoA) তৈরি করে, যা পরবর্তীতে ক্রেবস চক্রে প্রবেশ করে।
• তাই অ্যাসিটাইল Co-A-কে গ্লাইকোলাইসিস ও ক্রেবস চক্রের সংযোগকারী উপাদান (Connecting link) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ জারিত হয়ে বিভিন্ন ধাপে শক্তি উৎপন্ন করে।
• এই প্রক্রিয়ার প্রথম দিকের ধাপে গ্লুকোজকে সক্রিয় করতে ২ অণু ATP খরচ হয়।
• সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় সরাসরি ৪ অণু ATP এবং ২ অণু NADH উৎপন্ন হয়।
• প্রথম ধাপে খরচ হওয়া ২ অণু ATP বাদ দিলে নিট ২ অণু ATP অবশিষ্ট থাকে।
• পরবর্তীতে ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনে জারিত হয়ে ২ অণু NADH থেকে ৬ অণু ATP পাওয়া যায়, ফলে মোট (২+৬) = ৮ অণু ATP তৈরি হয়।
• যেহেতু প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কত অণু খরচ হয়, তাই সঠিক উত্তর
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• কোনো যৌগের সাথে হাইড্রোজেন (H) বা ইলেকট্রন (e⁻) যুক্ত হওয়াকে বিজারণ এবং ত্যাগ করাকে জারণ বলা হয়।
• শ্বসনের প্রাথমিক ধাপগুলোতে উৎপন্ন বিজারিত কো-এনজাইমসমূহ (যেমন- NADH₂, FADH₂) ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্রে (Electron Transport System) প্রবেশ করে।
• এই ধাপে বিজারিত উপাদানগুলো জারিত হয়ে ইলেকট্রন ও প্রোটন ত্যাগ করে, যা থেকে শেষ পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ ATP শক্তি উৎপন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• কোষে শক্তি উৎপন্নের হিসাব অনুযায়ী:
• ১ অণু NADH₂ সম্পূর্ণ জারিত হলে ৩ অণু ATP পাওয়া যায়।
• ১ অণু FADH₂ জারিত হলে ২ অণু ATP পাওয়া যায়।
• ১ অণু GTP সমতুল্য হলো ১ অণু ATP
• সুতরাং, (৬ × ৩) + (২ × ২) + (২ × ১) = ১৮ + ৪ + ২ = ২৪ অণু ATP
• উল্লেখ্য, ক্রেবস চক্রে ২ অণু অ্যাসিটাইল কো-এ সম্পূর্ণ জারিত হয়ে এই ২৪ অণু ATP উৎপন্ন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পাইরুভিক অ্যাসিড সরাসরি ক্রেবস চক্রে প্রবেশ করতে পারে না।
• এটি প্রথমে জারিত হয়ে ২-কার্বন বিশিষ্ট অ্যাসিটাইল Co-A (Acetyl-CoA) তৈরি করে, যা পরবর্তীতে ক্রেবস চক্রে প্রবেশ করে।
• তাই অ্যাসিটাইল Co-A-কে গ্লাইকোলাইসিস ও ক্রেবস চক্রের সংযোগকারী উপাদান (Connecting link) বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• শ্বসনের প্রথম ও সাধারণ ধাপ হলো গ্লাইকোলাইসিস, যা কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে।
• এই ধাপে ৬-কার্বন বিশিষ্ট ১ অণু গ্লুকোজ ভেঙে ৩-কার্বন বিশিষ্ট ২ অণু পাইরুভিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়।
• তাই পাইরুভিক অ্যাসিড হলো একটি ৩-কার্বন বিশিষ্ট যৌগ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রেবস চক্রকে ট্রাইকার্বোক্সিলিক অ্যাসিড চক্র বা TCA চক্র বলা হয়।
• এই চক্রের প্রথম উৎপন্ন পদার্থ হলো সাইট্রিক অ্যাসিড, যা তিনটি কার্বক্সিল (COOH) গ্রুপ যুক্ত একটি ট্রাইকার্বোক্সিলিক অ্যাসিড।
• বিজ্ঞানী স্যার হ্যান্স ক্রেবস এই চক্রটি আবিষ্কার করেন বলে তার নামানুসারে একে ক্রেবস চক্র বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রেবস চক্রে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন জৈব অ্যাসিডের কার্বন সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
- অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড (Oxaloacetic acid) হলো একটি ৪ কার্বনবিশিষ্ট (4-carbon) যৌগ।
- ক্রেবস চক্রের শুরুতে এই ৪ কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড ২ কার্বনবিশিষ্ট অ্যাসিটাইল Co-A এর সাথে যুক্ত হয়ে ৬ কার্বনবিশিষ্ট সাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে।
- এছাড়া পাইরুভিক অ্যাসিড ৩ কার্বন এবং আলফা-কিটোগ্লুটারিক অ্যাসিড ৫ কার্বনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) হলো কোষীয় শ্বসনের প্রথম পর্যায়, যেখানে এক অণু গ্লুকোজ ভেঙে দুই অণু পাইরুভিক অ্যাসিড তৈরি হয়।
• সম্পূর্ণ গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়াটি ১০টি ধারাবাহিক ধাপে সম্পন্ন হয়।
• এর প্রতিটি ধাপ একটি নির্দিষ্ট এনজাইম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
• তাই পুরো গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে মোট ১০টি এনজাইম (যেমন- হেক্সোকাইনেজ, অ্যালডোলেজ, এনোলেজ ইত্যাদি) কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ক্রেবস চক্রের প্রথম ধাপে দুই কার্বনবিশিষ্ট অ্যাসিটাইল Co-A এবং চার কার্বনবিশিষ্ট অক্সালোঅ্যাসিটিক অ্যাসিড (বা অক্সালো অ্যাসিড) পরস্পর যুক্ত হয়ে ছয় কার্বনবিশিষ্ট সাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে।
- এই গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়ায় সাইট্রেট সিনথেজ (Citrate synthase) এনজাইম প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
- উল্লেখ্য, একোনিটেজ এনজাইম ব্যবহৃত হয় সাইট্রিক অ্যাসিড থেকে আইসোসাইট্রিক অ্যাসিড তৈরিতে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোষীয় শ্বসনের বিভিন্ন ধাপে উৎপন্ন বিজারিত কোএনজাইমগুলো ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনে জারিত হয়ে শক্তি (ATP) উৎপন্ন করে।
• গ্লাইকোলাইসিস ও ক্রেবস চক্রে সৃষ্ট প্রতিটি NADH+H+ (বা NADH) ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনে জারিত হয়ে ৩ অণু ATP তৈরি করে।
• অন্যদিকে, প্রতিটি FADH2 জারিত হয়ে ২ অণু ATP তৈরি করে।
• সুতরাং, প্রথাগত হিসাব অনুযায়ী ১ অণু NADH+H+ থেকে ৩টি ATP পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0