কোষ রসায়ন (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্যাঙ্গানিজ (Mn) হলো একটি অ্যাক্টিভেটর (Activator) বা মেটাল আয়ন কো-ফ্যাক্টর যা এনজাইমের কর্মক্ষমতা বা বিক্রিয়ার হার বাড়িয়ে দেয়।
কো-ফ্যাক্টরের ভূমিকা:
- এনজাইমের প্রোটিন অংশের সাথে যুক্ত থাকা নন-প্রোটিন ধাতব আয়নকে অনেক সময় কো-ফ্যাক্টর বা অ্যাক্টিভেটর বলে।
- Mn²⁺, Mg²⁺, K⁺ ইত্যাদি অ্যাক্টিভেটর হিসেবে কাজ করে এনজাইমের কার্যকারিতা ত্বরান্বিত করে।
- অন্যদিকে Ag, Cu, Zn ইত্যাদি ভারী ধাতু অনেক ক্ষেত্রে এনজাইমের কাজে বাধা প্রদান করে (Inhibitor)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লাইগেজ (Ligase) এনজাইম:
যেসব এনজাইম ATP এর শক্তির সহায়তায় দুটি ভিন্ন অণু বা সাবস্ট্রেটকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে নতুন যৌগ গঠন করে, তাদের লাইগেজ এনজাইম বলা হয়।
যেমন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে DNA Ligase খণ্ডিত ডিএনএ অণুগুলোকে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য পানির উপস্থিতি অপরিহার্য। তাই 'এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য পানির প্রয়োজন নেই' উক্তিটি ভুল।
এনজাইমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এনজাইমগুলো প্রধানত প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
- এরা তাপ প্রবণ বা তাপ সংবেদনশীল; নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এদের কার্যকারিতা সর্বোচ্চ হয়।
- এনজাইমের কাজ একটি নির্দিষ্ট pH মাত্রায় নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কোষের ভেতরে বিক্রিয়া ঘটানোর জন্য পরিমিত পানির প্রয়োজন হয় এবং পানির অভাবেই বীজ সুপ্তাবস্থায় থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এনজাইম অত্যন্ত তাপ সংবেদনশীল (Heat sensitive)। তাই 'এরা তাপ সংবেদনশীল নয়' উক্তিটি এনজাইমের বৈশিষ্ট্য নয়।
এনজাইমের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য:
- এরা মূলত প্রোটিন দ্বারা গঠিত এবং কলয়েড প্রকৃতির।
- এদের কার্যকারিতা নির্দিষ্ট pH দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- সাধারণত ৩৫°-৪০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এনজাইম সবচেয়ে ভালো কাজ করে (অপ্টিকাম তাপমাত্রা)। অতি উচ্চ তাপমাত্রায় এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উৎসেচক বা এনজাইম (Enzyme) মূলত প্রোটিন (Protein) দ্বারা গঠিত।
এনজাইমের বৈশিষ্ট্য:
- সকল এনজাইমই প্রোটিন, কিন্তু সকল প্রোটিন এনজাইম নয়।
- এরা জীবদেহে জৈব অনুঘটক (Biological catalyst) হিসেবে কাজ করে এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে।
- এনজাইমগুলো সাধারণত কলয়েড প্রকৃতির হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এনজাইম মূলত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ, তাই অতিরিক্ত তাপমাত্রায় এদের আণবিক গঠন নষ্ট (Denaturation) হয়ে যায়।
- এনজাইমের কাজের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বা অপটিমাম তাপমাত্রা হলো সাধারণত ৩৫°C থেকে ৪০°C
- তাপমাত্রা ৫০°C এর উপরে গেলে এনজাইম তার গঠন হারায় এবং সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো যৌগের সাথে হাইড্রোজেন (H) বা ইলেকট্রন (e⁻) যুক্ত হওয়াকে বিজারণ বলা হয়।
- কো-এনজাইম NAD (Nicotinamide adenine dinucleotide) বিজারিত হয়ে NADH (বা NADH+H⁺) গঠন করে।
- অপশনের NAD হলো জারিত অবস্থা, যা বিজারিত হলে NADH এ পরিণত হয়। তাই এখানে NADH হলো একটি বিজারিত নিউক্লিওটাইড।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এনজাইমের কার্যকারিতা প্রধানত তাপমাত্রা (Temperature), pH, সাবস্ট্রেটের ঘনত্ব এবং সময় (Time) এর উপর নির্ভরশীল।
- চাপ (Pressure) সাধারণত এনজাইমের স্বাভাবিক কার্যকারিতার ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না। তাই এটি এনজাইমের কাজের নিয়ামক হিসেবে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা নির্ণয় বা শনাক্তকরণে ইউরিকেজ (Uricase) এনজাইম ব্যবহার করা হয়।
রক্তরসের উপাদান সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- রক্তরসের দুইটি প্রধান উপাদান হলো পানি এবং কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থ আবার জৈব এবং অজৈব উভয় ধরনের হতে পারে।
- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, তামা, লৌহ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অজৈব পদার্থ।
- ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, বিলিরুবিন, হরমোন ইত্যাদি রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের চোখের ছানি অপসারণে ট্রিপসিন (Trypsin) নামক এনজাইম ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত চোখের লেন্সের চারপাশের প্রোটিন আবরণকে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে।
চোখ সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য:
- চোখের অশ্রুতে লাইসোজাইম (lysozyme) নামে একটি এনজাইম থাকে যা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল হিসেবে কাজ করে এবং জীবাণু দ্বারা আক্রমণ ও সংক্রমণ রোধ করে।
- অশ্রু চোখের পৃষ্ঠের প্রলেপের উপরে শুষ্কতা রোধ করে, পাশাপাশি এটি বাহ্যিক জ্বালা থেকে রক্ষা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফার্মেন্টেশন বা গাজন প্রক্রিয়া প্রধানত জাইমেজ (Zymase) এনজাইমের প্রভাবে ঘটে থাকে।
• জাইমেজ নামক এনজাইম ইস্ট (Yeast) কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
• এটি গ্লুকোজ বা শর্করা জাতীয় পদার্থকে অবাত শ্বসনের মাধ্যমে ভেঙে ইথাইল অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জার্মান রসায়নবিদ Emil Fisher 1890 সালে এনজাইমের ক্রিয়াকৌশল ব্যাখ্যার জন্য বিখ্যাত তালা-চাবি মতবাদ (Lock and Key Theory) প্রদান করেন।
• এই মতবাদে এনজাইমের অ্যাকটিভ সাইটকে 'তালা' এবং সাবস্ট্রেটকে 'চাবি'-এর সাথে তুলনা করা হয়েছে।
• এনজাইম ও প্রোটিনের গঠন নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার জন্য তিনি ১৯০২ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এনজাইমের কার্যপদ্ধতি ব্যাখ্যার জন্য জার্মান রসায়নবিদ Emil Fisher সর্বপ্রথম তালা-চাবি মতবাদ (Lock and Key Model) প্রদান করেন।
• এই মতবাদ অনুযায়ী, একটি নির্দিষ্ট চাবি যেমন একটি নির্দিষ্ট তালাকে খুলতে পারে, তেমনি একটি নির্দিষ্ট এনজাইম কেবল একটি নির্দিষ্ট সাবস্ট্রেটের সাথেই যুক্ত হয়ে বিক্রিয়া সম্পন্ন করে।
• অন্যদিকে, বিজ্ঞানী D. Koshland এনজাইমের কার্যপদ্ধতি নিয়ে 'ইনডিউসড ফিট মডেল (Induced fit model)' প্রস্তাব করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গঠনগত দিক থেকে এনজাইম প্রধানত দুই প্রকার: সরল ও সংযুক্ত।
সরল এনজাইম: যা শুধুমাত্র প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
সংযুক্ত এনজাইম (Conjugated Enzyme): যা একটি প্রোটিন অংশ এবং একটি নন-প্রোটিন অংশ নিয়ে গঠিত হয়।
• সংযুক্ত এনজাইমের প্রোটিন অংশকে অ্যাপোএনজাইম (Apoenzyme) এবং নন-প্রোটিন অংশকে কো-ফ্যাক্টর (Cofactor) বা প্রোস্থেটিক গ্রুপ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গবাদি পশুর প্রধান খাদ্য ঘাস বা লতাপাতার মূল উপাদান হলো সেলুলোজ (Cellulose)
• গবাদি পশুর পাকস্থলীতে বসবাসকারী বিভিন্ন অণুজীব সেলুলেজ (Cellulase) নামক এনজাইম নিঃসরণ করে।
• এই এনজাইম ঘাসের সেলুলোজকে ভেঙে পরিপাক বা হজমে সাহায্য করে। (বিঃদ্রঃ প্রশ্নে এনজাইম হিসেবে 'সেলুলোজ' দেওয়া হলেও সঠিক এনজাইমটি হলো 'সেলুলেজ')।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ADP (Adenosine Diphosphate) এবং ATP (Adenosine Triphosphate) উভয়ই কোষের শক্তি সঞ্চয় এবং স্থানান্তরের সাথে সরাসরি যুক্ত।
- ATP কোষে শক্তির প্রধান মুদ্রা (energy currency) হিসেবে কাজ করে। শক্তির প্রয়োজন হলে ATP ভেঙে ADP-তে পরিণত হয় এবং শক্তি নির্গত করে। আবার, শক্তি সঞ্চয়ের সময় ADP-এর সাথে ফসফেট যুক্ত হয়ে ATP তৈরি করে।
- অন্যদিকে, DNA ও RNA জেনেটিক তথ্য বহন করে এবং FAD ইলেকট্রন বাহক হিসেবে কাজ করে। তাই কাজের দিক থেকে ADP ও ATP সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লিনোলিনিক অ্যাসিড (Linolenic acid) বা লিনোনিক অ্যাসিড হলো একটি অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড (Omega-3), যা মানবদেহ নিজে তৈরি করতে পারে না, খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়।
- এটি প্রধানত মুরগীর ডিম ও মাছে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
- পামিটিক অ্যাসিড এবং অলিক অ্যাসিড হলো ফ্যাটি অ্যাসিড এবং লেসিথিন হলো এক প্রকার ফসফোলিপিড।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লিপিড প্রধানত তিন প্রকার: সরল, যৌগিক এবং উদ্ভূত লিপিড।
- তেল, চর্বি এবং মোম হলো সরল লিপিড (Simple lipid)।
- সরল বা যৌগিক লিপিডের আর্দ্রবিশ্লেষণের ফলে যে লিপিড উৎপন্ন হয়, তাকে উদ্ভূত লিপিড (Derived lipid) বলে।
- রাবার, স্টেরয়েড, টারপিনস ইত্যাদি হলো উদ্ভূত লিপিডের উদাহরণ। তাই রাবার সরল লিপিড নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কার্বোহাইড্রেটের গঠনে সাধারণত অ্যালডিহাইড (-CHO) বা কিটোন (>C=O) গ্রুপ থাকে।
- ফ্রুক্টোজ হলো একটি কিটোহেক্সোজ শর্করা, অর্থাৎ এতে কিটো (>C=O) গ্রুপ বিদ্যমান থাকে।
- অন্যদিকে, গ্লুকোজ, রাইবোজ এবং ইরিথ্রোজ হলো অ্যালডোজ শর্করা, অর্থাৎ এদের গঠনে অ্যালডিহাইড (-CHO) গ্রুপ থাকে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে এনজাইম লিপিড বা স্নেহ জাতীয় পদার্থকে পরিপাক করে তাকে লাইপেজ (Lipase) বলে।
- এটি লিপিডকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।
- অন্যদিকে, ইনভারটেজ এবং সুক্রেজ হলো শর্করা পরিপাককারী এনজাইম।
- সেলুলোজ কোনো এনজাইম নয়, এটি একটি জটিল শর্করা (পলিস্যাকারাইড)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- LDL (Low-Density Lipoprotein) হলো রক্তে পরিবাহিত এক ধরনের কোলেস্টেরল।
- রাসায়নিকভাবে কোলেস্টেরল হলো এক প্রকার স্টেরয়েড (Steroid) বা উদ্ভূত লিপিড (অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল)।
- তাই LDL-কে স্টেরয়েড জাতীয় জীব রাসায়নিক উপাদান হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
- এটি মানবদেহের প্রায় প্রত্যেক কোষ ও টিস্যুতে থাকে এবং অতিরিক্ত মাত্রায় রক্তে প্রবাহিত হলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোলেস্টেরল লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়।
- রক্তে থাকা নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লিপোপ্রোটিন বা LDL-কে 'খারাপ কোলেস্টেরল' বলা হয়।
- এটি রক্তনালীর প্রাচীরে জমা হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, যা মানুষের করোনারি থ্রম্বোসিস বা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
- অন্যদিকে HDL-কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণ তাপমাত্রায় যে সকল ট্রাইগ্লিসারাইড তরল অবস্থায় থাকে তাদের তেল বলে। তেলে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।
- অলিক অ্যাসিড এবং লিনোলিক অ্যাসিড হলো অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড, যা তেলের প্রধান উপাদান।
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড (যেমন: পামিটিক অ্যাসিড, স্টিয়ারিক অ্যাসিড) সাধারণত চর্বি (Fat) তৈরি করে যা তৈল জাতীয় নয়। (বি.দ্র: অপশনে 'পামিটোলিক অ্যাসিড' দেওয়া থাকলেও, এটি মূলত 'পামিটিক অ্যাসিড' হবে যা কঠিন চর্বি জাতীয় লিপিড গঠন করে)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উদ্ভিদে সুগন্ধি সৃষ্টির জন্য মূলত টারপিনস (Terpenes) বা টারপিনয়েড নামক যৌগ দায়ী।
- এটি একধরনের লিপিড বা উদ্বায়ী তেল (Essential oil), যা বিভিন্ন উদ্ভিদের ফুল, পাতা ও ফলের বিশেষ গন্ধ প্রদান করে।
- এই সুগন্ধি বৈশিষ্ট্যের কারণে টারপিনস সুগন্ধি প্রসাধনী বা পারফিউম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য এস্টার (Ester) দায়ী হলেও, উদ্ভিদের সাধারণ সুগন্ধি টারপিনসের কারণে হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লিপিড প্রধানত তিন প্রকার: সরল, যৌগিক এবং উদ্ভূত লিপিড।
- সরল বা যৌগিক লিপিডের আর্দ্রবিশ্লেষণের ফলে যে লিপিড উৎপন্ন হয়, তাকে উদ্ভূত লিপিড (Derived lipid) বলে।
- রাবার, স্টেরয়েড, টারপিনস ইত্যাদি হলো উদ্ভূত লিপিডের উদাহরণ।
- অন্যদিকে তেল, চর্বি এবং মোম হলো সরল লিপিড
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানুষের রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ০.১৫-১.২০%
- মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার (mg/dL) এককে রক্তে মোট কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ১০০ থেকে ২০০ mg/dL এর মধ্যে ধরা হয়।
- খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ১০০ mg/dL এর নিচে এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) ৫০ mg/dL বা তার বেশি থাকা স্বাস্থ্যকর।
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা এর চেয়ে বেশি হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- তুলসী, পুদিনা ও পাইন উদ্ভিদ থেকে টারপিনস (Terpenes) নামক লিপিড পাওয়া যায়।
- টারপিনস মূলত কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগ, যা উদ্ভিদের উদ্বায়ী তেল (Essential oil) হিসেবে থাকে।
- এই লিপিডগুলোই এই উদ্ভিদগুলোর স্বতন্ত্র সুগন্ধ বা অ্যারোমা সৃষ্টির জন্য দায়ী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উদ্ভিদে সুগন্ধি সৃষ্টির জন্য মূলত টারপিনয়েড (Terpenoid) নামক যৌগ দায়ী।
- এটি একধরনের লিপিড বা উদ্বায়ী তেল (Essential oil), যা বিভিন্ন উদ্ভিদের ফুল, পাতা ও ফলের বিশেষ গন্ধ প্রদান করে।
- ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য এস্টার (Ester) দায়ী হলেও, উদ্ভিদের সাধারণ সুগন্ধি টারপিনয়েডের কারণে হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লেসিথিন (Lecithin), সেফালিন এবং প্লাজমালোজেন হলো ফসফোলিপিড (Phospholipid) জাতীয় যৌগিক লিপিডের উদাহরণ।
- লিপিডের সাথে ফসফেট গ্রুপ যুক্ত হয়ে ফসফোলিপিড গঠিত হয়।
- এই লিপিডগুলো কোষপর্দা (Cell membrane) গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোলেস্টেরল হলো একধরনের প্রাণিজ স্টেরল যা মূলত লিপিড বা চর্বিজাতীয় পদার্থ।
- স্টেরল হলো কঠিন বা অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল, যার কাঠামোতে একটি হাইড্রোক্সিল গ্রুপ থাকে।
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0