Solution
Correct Answer: Option B
সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের (সংস্কৃত শব্দ) প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি থাকে। সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত। এর ফলে এই ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়।
সাধু ভাষার প্রধান কিছু বৈশিষ্ট্য:
• সাধু ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের আধিক্য দেখা যায়। যেমন: গৃহ, ভবন, গগন, বাটী, তৃণ, ঘৃত, মৃগয়া, বৎস, হস্ত, পদ, বৃক্ষ, মৃত্তিকা ইত্যাদি।
• সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়াপদ এবং সর্বনাম পদের পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: আসিতেছে, করিয়াছিলাম, তাহারা, যাহার ইত্যাদি)।
• অনুসর্গগুলির পূর্ণ রূপ দেখা যায় এবং কিছু তৎসম অনুসর্গ ব্যবহৃত হয় (যেমন: হইতে, চাহিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি)।
• সংস্কৃত ভাষার অনুসরণে গঠিত হওয়ায় এর ধ্বনিঝংকার অপেক্ষাকৃত বেশি এবং সমাসবদ্ধ ও সন্ধিবদ্ধ পদের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
• এটি মানুষের মুখের ভাষা নয়, তাই সাধারণ মানুষের কাছে এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বোধ্য।