- প্লাস্টিক ও ধাতুর মধ্যে তুলনা করলে, প্লাস্টিকের ইয়ং মডুলাস বা স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক ধাতুর তুলনায় অনেক কম হয়। - মডুলাস হলো এমন একটি পরিমাপ, যা নির্দেশ করে কোনো পদার্থ কতটা অনমনীয় বা শক্ত (stiff)। ধাতব পদার্থ সাধারণত প্লাস্টিকের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত এবং অনমনীয় হয়। - ইলাস্টিসিটি বা স্থিতিস্থাপকতার দিক থেকেও প্লাস্টিক ধাতুর চেয়ে দুর্বল। ধাতুকে বল প্রয়োগ করে বিকৃত করার পর বল অপসারণ করলে তা আগের অবস্থায় ফিরে আসার প্রবণতা প্লাস্টিকের চেয়ে বেশি। - উদাহরণস্বরূপ, ইস্পাতের (Steel) ইয়ং মডুলাস প্রায় ২০০ GPa (গিগাপ্যাসকেল), যেখানে সাধারণ প্লাস্টিকের (যেমন পলিথিন) মডুলাস মাত্র ১-৩ GPa এর কাছাকাছি। - অর্থাৎ, একই পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে ধাতব পদার্থের তুলনায় প্লাস্টিক অনেক বেশি প্রসারিত বা বিকৃত হয়ে যায়।
- নাইক্রোম হলো নিকেল (Ni), ক্রোমিয়াম (Cr) এবং আয়রন বা লোহা (Fe)-এর একটি সংকট ধাতু। - সাধারণত নাইক্রোমে ৬০% নিকেল, ১৫% ক্রোমিয়াম এবং কিছু পরিমাণ (প্রায় ২৫%) আয়রন থাকে। - এর রোধাঙ্ক খুব বেশি এবং গলনাঙ্কও অত্যধিক হয়ে থাকে। - এই উচ্চ গলনাঙ্কের কারণে উচ্চ তাপমাত্রায়ও এটি গলে যায় না বা জারিত হয় না। - বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, টোস্টার এবং হিটারের মতো যন্ত্রে উত্তাপক তার বা হিটিং এলিমেন্ট (Heating Element) হিসেবে নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয়। - মূলত নিকেল (Nickel) এবং ক্রোমিয়াম (Chromium)-এর নামের আদ্যক্ষরগুলো নিয়েই এর নামকরণ করা হয়েছে নাইক্রোম (Nichrome)।
- তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে সাধারণ ধাতুর পরমাণুগুলির কম্পন কমে আসে। - পরমাণুর কম্পন কমে যাওয়ায় ইলেকট্রন প্রবাহের পথে বাধা বা রোধ হ্রাস পায়। - ফলে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায় এবং রেজিস্টিভিটি বা রোধকত্ব কমতে থাকে। - তাপমাত্রা যখন পরম শূন্যের (Absolute Zero) কাছাকাছি পৌঁছায়, তখন কোনো কোনো ধাতুর রোধ বা রেজিস্টিভিটি প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে আসে। - এই বিশেষ অবস্থাকে সুপার কন্ডাক্টিভিটি বা অতিপরিবাহিতা বলা হয়। - তাই সাধারণ ধাতব পদার্থের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা হ্রাসের সাথে সাথে রেজিস্টিভিটি শূন্যের দিকে ধাবিত হয়।
- জার্মান সিলভার মূলত তামা (Copper/Cu), দস্তা (Zinc/Zn) ও নিকেল (Nickel/Ni)-এর একটি সংকট ধাতু বা মিশ্র ধাতু। - এই সংকর ধাতুতে সাধারণত ৫০% তামা, ৩০% নিকেল এবং ২০% দস্তা বিদ্যমান থাকে, তবে এই অনুপাতের সামান্য তারতম্য হতে পারে। - এর উজ্জ্বল রূপালী রঙের কারণে একে ‘সিলভার’ বলা হলেও এতে রূপা বা Silver (Ag)-এর কোনো উপস্থিতি নেই। - জার্মান সিলভার সাধারণত বাসনপত্র, ফুলদানিসহ বিভিন্ন শৌখিন সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। - এটি শক্ত, ক্ষয়রোধী এবং পালিশ করলে দীর্ঘস্থায়ী চকচকে ভাব বজায় রাখে।
- ম্যাঙ্গানিন (Manganin) হলো তামা, ম্যাঙ্গানিজ এবং নিকেলের একটি সংকর ধাতু। - এর সাধারণ উপাদানের গঠন হলো ৮৪% তামা (Cu), ১২% ম্যাঙ্গানিজ (Mn) এবং ৪% নিকেল (Ni)। - এই সংকর ধাতুটির রোধাঙ্ক বা রেজিস্টিভিটি (Resistivity) তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে খুব কম পরিবর্তিত হয়, অর্থাৎ এর রোধের উষ্ণতা গুণাঙ্ক খুবই কম। - এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রমাণ রোধ বা স্ট্যান্ডার্ড রেজিস্ট্যান্স কয়েল (Standard resistance coils) তৈরিতে ম্যাঙ্গানিন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - এছাড়াও হুইস্টন ব্রিজ, পটেনশিওমিটার এবং অন্যান্য সূক্ষ্ম বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্রে এর ব্যবহার দেখা যায়। - প্রদত্ত ব্যাখ্যায় নাইক্রোম সম্পর্কে তথ্য দেওয়া ছিল, যা ভুল। সঠিক উত্তরটি ম্যাঙ্গানিনের উপাদানের অনুপাত নির্দেশ করে।
- ধাতু বা মেটালস (Metals) হলো এমন এক ধরনের পদার্থ যা তাপ এবং বিদ্যুৎ উভয়েরই সুপরিবাহী। - এর কারণ হলো ধাতুর কেলাস কাঠামোতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, যা সহজেই চলাচল করতে পারে। - এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলোই বিদ্যুৎ এবং তাপকে পদার্থের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত পরিবহন করে নিয়ে যায়। - উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, তামা (Copper), অ্যালুমিনিয়াম, রুপা ইত্যাদি হলো তাপ ও বিদ্যুতের উত্তম পরিবাহী। - অন্যদিকে, পলিমার, পলিথিন এবং সিরামিক্স সাধারণত অন্তরক (Insulator) হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ এরা তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না।
- ট্র্যান্সফরমার গ্রেড স্টিল বা ইলেকট্রিক্যাল স্টিলে সাধারণত সিলিকনের পরিমাণ ৩% থেকে ৪.৫% পর্যন্ত হয়ে থাকে। - বিশুদ্ধ লোহায় সিলিকন যোগ করা হলে এর চৌম্বকীয় প্রবেশ্যতা (Magnetic Permeability) বৃদ্ধি পায় এবং হিসটেরেসিস লস (Hysteresis Loss) কমে যায়। - এই সংকর ধাতুটির বৈদ্যুতিক রোধ (Electrical Resistivity) সাধারণ কার্বন স্টিলের তুলনায় বেশি হয়, যা এডি কারেন্ট লস (Eddy Current Loss) কমাতে সাহায্য করে। - তবে সিলিকনের পরিমাণ খুব বেশি (৫% এর উপরে) হলে স্টিলটি অত্যন্ত ভঙ্গুর এবং শক্ত হয়ে যায়, যা প্রক্রিয়াজাত করা কঠিন হয়ে পড়ে। - তাই ট্র্যান্সফরমারের কোর (Core) তৈরির জন্য অপশন অনুযায়ী ৪.৫% সিলিকন যুক্ত স্টিল সবচেয়ে উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়।
- LED-এর পূর্ণরূপ হলো Light Emitting Diode। - এটি একটি বিশেষ ধরনের অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস। - এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি আলো নির্গত করে, যা ইলেক্ট্রোলুমিনেসেন্স কার্যপ্রণালীতে কাজ করে। - সাধারণ লাইট বাল্বের তুলনায় LED অনেক কম শক্তি খরচ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। - ১৯৬২ সালে নিক হলোনিয়াক জুনিয়র (Nick Holonyak Jr.) প্রথম লাল রঙের দৃশ্যমান LED আবিষ্কার করেন।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- কোনো পলিমারকে তরল অবস্থা থেকে খুব দ্রুত ঠান্ডা করা হলে (High-cooling rate) পলিমারের অণুগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় না। - এই দ্রুত শীতলীকরণের ফলে অণুগুলো বিশৃঙ্খল অবস্থায় জমে যায়, যা পলিমারের অ্যামরফাস (Amorphous) বা অনিয়মিত অংশের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। - অ্যামরফাস অংশ বাড়ার ফলে পলিমারের ক্রিস্টালাইনিটি বা স্ফটিকতা হ্রাস পায়। - বিপরীতভাবে, যদি ধীরগতিতে শীতল করা হয় (Low-cooling rate), তবে পলিমার চেইনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে ক্রিস্টালাইন গঠন তৈরি করার সুযোগ পায়, যা ক্রিস্টালাইনিটি বৃদ্ধি করে।
- সোলার সেল হতে ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) উৎপাদিত হয় এবং LED (Light Emitting Diode) বাতিগুলোও সরাসরি ডাইরেক্ট কারেন্টে চলে, তাই এদের সরাসরি সংযোগ করা সম্ভব। - সোলার সেল থেকে উৎপাদিত ভোল্টেজ সাধারণত কম থাকে (যেমন ১২ ভোল্ট), যা LED বাতি চালানোর জন্য উপযুক্ত। - অন্য বাতিগুলো যেমন ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্প বা ইনক্যান্ডেসেন্ট ল্যাম্প সরাসরি ডিসি সোর্স থেকে চালানোর জন্য উপযুক্ত নয়, এদের জন্য ইনভার্টার বা বিশেষ ড্রাইভারের প্রয়োজন হয়। - LED বাতিগুলো অন্যান্য বাতির তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে, ফলে সোলার প্যানেলের সীমিত শক্তিতেও এগুলো দীর্ঘ সময় আলো দিতে পারে। - তাই সোলার প্যানেল বা সোলার সিস্টেমের সাথে ব্যবহারের জন্য LED বাতি সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সাশ্রয়ী।
- ডায়নামো গ্রেড স্টিল বা সিলিকন স্টিলে সিলিকনের পরিমাণ সাধারণত ৩% থেকে ৪.৫% বা ক্ষেত্রবিশেষে ৫% পর্যন্ত হয়ে থাকে। - এই সংকর ধাতুতে সিলিকন মেশানোর প্রধান কারণ হলো এর চৌম্বকীয় প্রবেশ্যতা (Magnetic Permeability) বৃদ্ধি করা এবং হিসটেরেসিস লস (Hysteresis Loss) কমানো। - বিশুদ্ধ লোহায় সিলিকন যোগ করলে এর বৈদ্যুতিক রোধ (Electrical Resistivity) বেড়ে যায়, যা যন্ত্রপাতির এডি কারেন্ট লস (Eddy Current Loss) উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে। - সিলিকনের পরিমাণ ৫% এর বেশি হলে স্টিল অত্যন্ত শক্ত ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, যা দিয়ে যন্ত্রাংশ তৈরি করা কঠিন হয়ে যায়। - তাই ডায়নামো এবং ট্রান্সফরমারের কোর তৈরির জন্য সাধারণত ৩% থেকে ৪.৫% সিলিকন যুক্ত স্টিল ব্যবহার করা হলেও অপশনগুলোর মধ্যে ৫% সবচেয়ে নিকটবর্তী সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ইউরেকা (Eureka) হলো তামা বা কপার (Cu) এবং নিকেল (Ni)-এর একটি সংকর ধাতু। - এতে সাধারণত ৬০% তামা (Copper) এবং ৪০% নিকেল (Nickel) থাকে। - এই সংকর ধাতুটিকে কনস্টানটান (Constantan) নামেও ডাকা হয়। - এর রোধের তাপমাত্রা গুণাঙ্ক (temperature coefficient of resistance) অত্যন্ত কম, যার ফলে তাপমাত্রার পরিবর্তনে এর রোধ খুব একটা পরিবর্তিত হয় না। - এই বিশেষ ধর্মের কারণে সঠিক মানের রোধক (Resistor), রিওস্ট্যাট (Rheostat) এবং থার্মোকাপল (Thermocouple) তৈরিতে ইউরেকা তার ব্যবহার করা হয়। - এটি দেখতে সাধারণত রূপালি-ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে।
- অধিকাংশ সাধারণ ধাতুর ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার কিউবিক হওয়ার কারণ হল এটি সবচেয়ে স্থায়ী এবং কম শক্তির অবস্থা। কিউবিক ক্রিস্টাল স্ট্রাকচারে পরমাণুগুলি সর্বাধিক ঘনভাবে সজ্জিত থাকে, যা ধাতুর বন্ধনের জন্য অনুকূল। - এই স্ট্রাকচারে তিনটি প্রধান ধরন রয়েছে ঃ -- সরল কিউবিক (SC), -- বডি সেন্টার্ড কিউবিক (BCC), এবং -- ফেস সেন্টার্ড কিউবিক (FCC)। যেমন লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা, রূপা ইত্যাদি ধাতুর ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার কিউবিক। এই গঠন ধাতুগুলিকে তাদের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ভৌত ধর্ম যেমন তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা, নমনীয়তা এবং প্রসারণশীলতা প্রদান করে।
- রিইনফোর্সড কংক্রিটে (RCC) কংক্রিট চাপ বা কম্প্রেশন (Compression) সহ্য করতে পারলেও টান বা টেনশন (Tension) সহ্য করার ক্ষমতা খুবই কম থাকে। - কংক্রিটের এই দুর্বলতা দূর করার জন্য এর মাঝে স্টিল বা ইস্পাতের রড ব্যবহার করা হয়। - স্টিল রড কংক্রিটের টেনসাইল শক্তি (Tensile Strength) বা টান সহ্য করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। - রড ব্যবহারের ফলে স্থাপনাটি ভারসাম্যপূর্ণ হয় এবং এটি নমনীয়তা (Ductility) প্রদান করে, যা ভূমিকম্প বা অতিরিক্ত লোডের সময় কাঠামোকে হঠাৎ ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করে। - যদিও স্টিল কিছুটা কমপ্রেসিভ শক্তিও যোগ করে, কিন্তু এর প্রধান ও অপরিহার্য কাজ হলো কংক্রিটের টেনসাইল শক্তি বৃদ্ধি করা।
- প্লাস্টিকের ডিগ্রেডেশন বা ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত পরিবেশগত বিভিন্ন উপাদানের প্রভাবে ত্বরান্বিত হয়। - আল্ট্রা-ভায়োলেট (UV) রেডিয়েশন প্লাস্টিকের পলিমার চেইন বা রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে দিয়ে একে ভঙ্গুর ও দুর্বল করে তোলে, যা 'ফোটোডিগ্রেডেশন' নামে পরিচিত। - উচ্চ তাপমাত্রা (Temperature) প্লাস্টিকের অণুগুলোর গতিশক্তি বাড়িয়ে দেয়, ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায় এবং প্লাস্টিক দ্রুত ভেঙে যায় বা গলে যায় (থার্মাল ডিগ্রেডেশন)। - ময়েশ্চার বা আর্দ্রতা (Moisture) বিশেষ করে হাইড্রোলাইটিক ডিগ্রেডেশনের মাধ্যমে প্লাস্টিকের গঠন দুর্বল করতে সাহায্য করে, যেখানে পানির অণু পলিমার চেইনের সাথে বিক্রিয়া করে। - সুতরাং, প্রখর সূর্যালোক (UV), তাপ এবং আর্দ্রতার সম্মিলিত প্রভাবে প্লাস্টিক খুব দ্রুত নষ্ট বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
গ্যালভানাইজড স্টিল উপরের সবগুলো কাজেই ব্যবহৃত হয়। এর কারণগুলো হল: ১. স্টে তার (Stray wire) হিসেবে: - গ্যালভানাইজড স্টিল তার খুব শক্তিশালী এবং জংপ্রতিরোধী - বিভিন্ন স্ট্রাকচার যেমন টাওয়ার, পোল ইত্যাদি সাপোর্ট করার জন্য স্টে তার হিসেবে ব্যবহৃত হয় ২. আর্থ তার (Earth wire) হিসেবে: - বিদ্যুৎ সিস্টেমে আর্থিং এর জন্য এটি ব্যবহার করা হয় - জংপ্রতিরোধী হওয়ায় মাটির নীচে দীর্ঘদিন টিকে থাকে - ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী হওয়ায় আর্থিং এর জন্য উপযুক্ত ৩. স্ট্রাকচারাল কম্পোনেন্ট হিসেবে: - বিল্ডিং, ব্রিজ, টাওয়ার ইত্যাদির নির্মাণে ব্যবহৃত হয় - জংপ্রতিরোধী হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী হয় - শক্তিশালী এবং টেকসই গ্যালভানাইজড স্টিল তৈরি করা হয় সাধারণ স্টিলকে গরম জিঙ্ক বাথে ডুবিয়ে। এতে স্টিলের উপরে জিঙ্কের একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি হয় যা: - জং প্রতিরোধ করে - স্টিলের স্থায়িত্ব বাড়ায় - বাহ্যিক আবহাওয়া প্রতিরোধী করে - স্টিলের শক্তি বজায় রাখে এই কারণেই গ্যালভানাইজড স্টিল বিভিন্ন কাজে, বিশেষ করে যেখানে দীর্ঘস্থায়িত্ব এবং জং প্রতিরোধ প্রয়োজন, সেখানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যালনিকো হলো সবচেয়ে শক্তিশালী স্থায়ী চুম্বক তৈরির সংকর ধাতু। - এটি মূলত লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, নিকেল এবং কোবাল্টের সংমিশ্রণে তৈরি একটি সংকর ধাতু। - অ্যালনিকো চুম্বক অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রাতেও তার চৌম্বকত্ব বজায় রাখতে সক্ষম এবং ক্ষয়ের বিরুদ্ধে বেশ প্রতিরোধী। - সাধারণ চুম্বকের তুলনায় এর চৌম্বক শক্তি অনেক বেশি, তাই এটি বৈদ্যুতিক মোটর, মাইক্রোফোন, লাউডস্পিকার এবং সেন্সরে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - অন্যদিকে, পারম্যালয় ও মু-মেটাল হলো নরম চৌম্বক পদার্থ (Soft magnetic material) যা মূলত ট্রান্সফরমার বা চৌম্বকীয় শিল্ডিং-এ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু শক্তিশালী স্থায়ী চুম্বক হিসেবে নয়।
- যেসব পদার্থের চুম্বকত্ব খুব ক্ষীণ অর্থাৎ চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয় তাকে ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ বা তিরশ্চৌম্বক পদার্থ বলে। - এদের আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতা ১ অপেক্ষা সামান্য কম। - বিসমাথ, অ্যান্টিমনি, তামা, রুপা, কাচ, পানি, পারদ, দস্তা, সোনা, হীরা, সীসা, হাইড্রোজেন, কাঠ, মার্বেল ও প্লাস্টিক ইত্যাদি ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থের উদাহরণ। - প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ: যেসব পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা আকর্ষণ অনুভব করে তাকে প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ বলে। যেমন- প্লাটিনাম, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্লোরিন গ্যাস, অক্সিজেন গ্যাস ইত্যাদি। - ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ: যেসব পদার্থ চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকৃষ্ট হয় এবং যাদের সহজেই শক্তিশালী চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদেরকে ফেরোম্যাগনেটিক বা অয়শ্চৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ও এদের বিভিন্ন সংকর ধাতু।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- চৌম্বক শলাকা বা ম্যাগনেটিক নিডল হলো আসলে একটি ছোট আকারের স্থায়ী চুম্বক। - এটি সাধারণত ইস্পাতের তৈরি ছোট দণ্ড চুম্বক যা তার ভারকেন্দ্রের ওপর মুক্তভাবে ঘুরতে পারে। - পৃথিবীর যেকোনো স্থানে একে মুক্তভাবে ঝুলিয়ে রাখলে এটি সব সময় উত্তর-দক্ষিণ দিক নির্দেশ করে স্থির থাকে। - যেহেতু এর চৌম্বকত্ব দীর্ঘকাল বজায় থাকে এবং সহজে নষ্ট হয় না, তাই এটিকে স্থায়ী চুম্বক বা পারমানেন্ট ম্যাগনেট বলা হয়। - দিক নির্ণয়ের কাজে বা কম্পাস তৈরিতে এই চৌম্বক শলাকা প্রধানত ব্যবহার করা হয়।
- চৌম্বক বলরেখাগুলো সব সময় উত্তর (North) মেরু থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ (South) মেরুতে প্রবেশ করে। - তাই অপশনে দেওয়া 'দক্ষিণ মেরু ত্যাগ করে এবং উত্তর মেরুতে প্রবেশ করে' তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল। - বলরেখাগুলো সর্বদা কাল্পনিক, নিরবচ্ছিন্ন এবং বদ্ধ বক্ররেখা হয়। - এই রেখাগুলো মেরু অঞ্চলে অত্যন্ত ঘন বা কাছাকাছি থাকে, যা সেখানে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রবলতা নির্দেশ করে। - দুটি চৌম্বক বলরেখা কখনও একে অপরকে ছেদ করে না, কারণ ছেদ করলে ছেদবিন্দুতে দুটি ভিন্ন দিক নির্দেশিত হতো, যা অসম্ভব।
- আলোকমাপক তীব্রতা বা Luminous Intensity-র একক হলো ক্যান্ডেলা (Candela), যা পূর্বে 'ক্যান্ডেল' (candle) নামে পরিচিত ছিল। - এটি ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অফ ইউনিটস (SI)-এর সাতটি মৌলিক এককের মধ্যে একটি। - একটি নির্দিষ্ট দিকে আলোক উৎস থেকে নির্গত আলোর তীব্রতা বা উজ্জ্বলতা পরিমাপ করতে এই একক ব্যবহৃত হয়। - তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (wavelength) একক হলো মিটার বা অ্যাংস্ট্রস্ট্রম। - আলোক ফ্লাক্সের (luminous flux) একক হলো লুমেন (Lumen)। - এবং তরঙ্গ কম্পাঙ্কের (frequency) একক হলো হার্জ (Hertz)।
- পদার্থবিজ্ঞানে কেলাসের বা স্ফটিকের গঠন থেকে পরমাণুর স্থানচ্যুতিকে লাইন ডিফেক্ট (Line defect) বা ডিজলোকেশন (Dislocation) বলা হয়। - এটি মূলত এক ধরণের একমাত্রিক ত্রুটি যা কেলাসিত পদার্থের যান্ত্রিক বৈশিষ্ট্য বিশেষ করে নমনীয়তা পরিবর্তন করে। - পয়েন্ট ডিফেক্ট (Point defect) হলো পদার্থের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু বা পরমাণুর অবস্থানে ঘটা ত্রুটি, যেমন কোনো পরমাণু হারিয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত পরমাণু যুক্ত হওয়া। - অন্যদিকে, ফ্রেংকেল ডিফেক্ট (Frenkel defect) হলো এক প্রকারের পয়েন্ট ডিফেক্ট যেখানে একটি আয়ন বা পরমাণু তার নিজস্ব স্থান থেকে সরে গিয়ে অন্তর্বর্তী কোনো স্থানে (Interstitial site) অবস্থান নেয়। - প্ল্যানার ডিফেক্ট (Planar defect) হলো দ্বিমাত্রিক ত্রুটি যা কেলাসের কোনো তলে বা পৃষ্ঠে ঘটে, যেমন গ্রেইন বাউন্ডারি।
- চৌম্বক বলরেখাগুলো চুম্বকের বাইরে উত্তর (North) মেরু থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ (South) মেরুতে প্রবেশ করে। - কিন্তু চুম্বকের ভেতরে এই রেখাগুলো দক্ষিণ মেরু থেকে উত্তর মেরুর দিকে গমন করে, যার ফলে একটি বদ্ধ বক্ররেখা (Closed Loop) তৈরি হয়। - তাই সঠিক উত্তর হলো, চুম্বকের মধ্য দিয়ে (ভেতরে) বলরেখা দক্ষিণ হতে উত্তর মেরুতে যায়। - দুটি চৌম্বক বলরেখা কখনোই পরস্পরকে ছেদ করে না, কারণ ছেদবিন্দুতে তখন চৌম্বক ক্ষেত্রের দুটি ভিন্ন দিক নির্দেশিত হতো যা অসম্ভব। - মেরু অঞ্চলে বলরেখাগুলো খুব ঘন বা কাছাকাছি থাকে, যা নির্দেশ করে যে সেখানে চৌম্বক শক্তি সবচেয়ে প্রবল।
- ফ্যারাডের তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে, কোনো কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি (Emf) সময়ের সাথে এর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারের সমানুপাতিক। - এই সম্পর্কটিকে গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা হয় $e \propto -\frac{d\phi}{dt}$ দ্বারা, যেখানে '$e$' হলো এমএফ এবং '$\frac{d\phi}{dt}$' হলো ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হার। - এখানে ঋণাত্মক চিহ্নটি লেনজের সূত্র (Lenz's Law) নির্দেশ করে, যা এই ঘটনার দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - অর্থাৎ, যত দ্রুত চৌম্বক ফ্লাক্স পরিবর্তিত হবে, বর্তনীতে তত বেশি শক্তিশালী বৈদ্যুতিক চাপ বা এমএফ তৈরি হবে। - তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের এই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করেই ট্রান্সফরমার, জেনারেটর এবং বৈদ্যুতিক মোটর কাজ করে।
- চুম্বকের মেরু সম্পর্কে "অনেক ক্ষেত্রে অসম মেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে" - এই বক্তব্যটি প্রযোজ্য নয় কারণ এটি চুম্বকীয় মেরুর মৌলিক নিয়মের সম্পূর্ণ বিপরীত। চুম্বকের মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী, বিপরীত বা অসম মেরু (উত্তর-দক্ষিণ) সর্বদাই একে অপরকে আকর্ষণ করে, কখনোই বিকর্ষণ করে না। অন্যদিকে, - সমমেরু (উত্তর-উত্তর বা দক্ষিণ-দক্ষিণ) সর্বদা একে অপরকে বিকর্ষণ করে। একটি চুম্বকের দুই মেরুর শক্তি সমান থাকে এবং কোনোভাবেই এই মেরুদ্বয়কে পৃথক করা যায় না - একটি চুম্বককে ভাঙলে প্রতিটি টুকরোই নতুন চুম্বক হিসেবে আবির্ভূত হয় যার দুটি মেরু থাকে। এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলি চুম্বকত্বের অপরিহার্য নিয়ম।
- যখন পরিবাহী স্থির থাকে এবং চৌম্বকক্ষেত্র গতিশীল হয়, তখন ফ্লেমিং-এর ডান হস্ত নিয়ম (Fleming's Right-Hand Rule) সাধারণত জেনারেটরের ক্ষেত্রে আবিষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। - তবে, তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের মূল কারণ ব্যাখ্যা করতে ফ্যারাডের সূত্র ব্যবহৃত হয়, যা বলে যে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের ফলে তড়িৎচালক শক্তি আবিষ্ট হয়। - অন্যদিকে, লেঞ্জের সূত্র নির্দেশ করে যে, আবিষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ এমন একটি দিকে প্রবাহিত হবে যা তার সৃষ্টির কারণকে (অর্থাৎ চৌম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তন বা গতিকে) বাধা দেয়। - সুতরাং, আপেক্ষিক গতির ফলে সৃষ্ট তড়িৎ প্রবাহের দিক বা প্রকৃতি সুনির্দিষ্টভাবে বুঝতে লেঞ্জের সূত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - ফ্লেমিং-এর বাম হস্ত নিয়ম মোটর বা যেখানে পরিবাহী গতিশীল এবং চৌম্বকক্ষেত্র স্থির থাকে, সেখানে প্রযোজ্য।
- যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে বা দুর্বলভাবে আকর্ষিত হয় তাদেরকে প্যারাচৌম্বক বা প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ বলে। - শক্তিশালী চুম্বকের মেরুর কাছাকাছি আনলে এই পদার্থগুলোর আকর্ষণ খুব সামান্য অনুভূত হয়। - এসব পদার্থকে চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করলে এরা চুম্বক বলরেখার সমান্তরালে অবস্থান নেয়। - প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থের উদাহরণ হলো— অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, প্লাটিনাম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্রমিয়াম, তরল অক্সিজেন ইত্যাদি। - চুম্বকত্বের ধর্মের ওপর ভিত্তি করে পদার্থকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: ডায়াম্যাগনেটিক (বিকর্ষিত হয়), প্যারাম্যাগনেটিক (দুর্বলভাবে আকর্ষিত হয়) এবং ফেরোম্যাগনেটিক (প্রবলভাবে আকর্ষিত হয়)।
- কোনো কারেন্টবাহী তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে, তার আশপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। - এই চৌম্বক বলরেখার অভিমুখ ম্যাক্সওয়েলের কর্ক-স্ক্রু নিয়ম বা দক্ষিণহস্ত বৃদ্ধাঙ্গুলি নিয়ম (Right-Hand Thumb Rule) দ্বারা নির্ণয় করা হয়। - এই নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো পরিবাহী তারকে ডান হাত দিয়ে এমনভাবে ধরা হয় যে বৃদ্ধাঙ্গুলি তড়িৎ প্রবাহের দিক নির্দেশ করে, তবে বাকি আঙুলগুলো চৌম্বক বলরেখার অভিমুখ নির্দেশ করবে। - ফ্লেমিং-এর বামহস্ত নিয়ম মূলত চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপিত তড়িৎবাহী তারের ওপর ক্রিয়াশীল যান্ত্রিক বলের দিক বা মোটরের ঘূর্ণনের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। - ফ্লেমিং-এর ডানহস্ত নিয়ম আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহের দিক বা ডায়নামোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - লেঞ্জের সূত্র তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের ফলে সৃষ্ট আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহের দিক নির্ণয় করে, যা মূলত শক্তির নিত্যতা সূত্রের একটি রূপ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হলে তার ওপর একটি বল প্রযুক্ত হয়, এই বলের মান F = BIL sinθ সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। - এখানে 'B' হলো চৌম্বকক্ষেত্রের ফ্লাক্স ডেনসিটি বা চৌম্বক প্রাবল্য। অর্থাৎ চৌম্বকক্ষেত্রটি কতটা শক্তিশালী তার ওপর বলের মান নির্ভর করে। - 'I' হলো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহের পরিমাণ। প্রবাহিত কারেন্ট যত বেশি হবে, প্রযুক্ত বলও তত বেশি হবে। - 'L' হলো চৌম্বকক্ষেত্রের ভেতরে থাকা পরিবাহীর কার্যকরী দৈর্ঘ্য। পরিবাহীর দৈর্ঘ্য বাড়লে প্রযুক্ত বলের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। - সুতরাং, সমীকরণ অনুযায়ী পরিবাহীর ওপর প্রয়োগকৃত বলের পরিমাণ পরিবাহীর দৈর্ঘ্য (L), প্রবাহিত কারেন্ট (I) এবং চৌম্বকক্ষেত্রের ফ্লাক্স ডেনসিটির (B) ওপর সরাসরি নির্ভর করে।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।