ইলেকট্রিক্যাল মেজারমেন্ট অ্যান্ড মেজারিং ইনস্ট্রুমেন্টস (104 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুভিং আয়রন মিটারে ফ্রিকোয়েন্সি এরর কমানোর জন্য Shunt Capacitance ব্যবহার করা হয়।
- এই ধরনের মিটারে কয়েল ইন্ডাকটেন্স (L) এবং কয়েল রেজিস্ট্যান্স (R) থাকার কারণে ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইমপিডেন্স বাড়ে।
- ইমপিডেন্স বাড়ার ফলে কারেন্টের মান কমে যায় এবং মিটার সঠিক রিডিং দিতে পারে না।
- এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি ক্যাপাসিটর (C) মিটার কয়েলের সিরিজ রেজিস্টরের বা মাল্টিপ্লায়ারের সাথে প্যারালালে বা শান্টে (Shunt) যুক্ত করা হয়।
- এই ক্যাপাসিটরটি এমনভাবে নির্বাচন করা হয় যাতে এর ইমপিডেন্স ইন্ডাকটিভ রিঅ্যাকট্যান্সের পরিবর্তনের বিপরীত হয়, ফলে মোট ইমপিডেন্স ফ্রিকোয়েন্সির উপর নির্ভরশীল থাকে না।
- একে ফ্রিকোয়েন্সি কম্পেনসেশন (Frequency Compensation) বলা হয় এবং এর ফলে মিটারটি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সিতেও সঠিক রিডিং দিতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মেগার মূলত একটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক আবেশ যন্ত্র যা ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই যন্ত্রটি সাধারণত পার্মানেন্ট ম্যাগনেট মুভিং কয়েল (PMMC) ধরণের হয়ে থাকে।
- মেগারে দুটি কয়েল থাকে: একটি কারেন্ট কয়েল এবং অন্যটি প্রেসার বা ভোল্টেজ কয়েল
- যখন কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়, তখন কয়েলটি একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে থাকার কারণে ঘুরে যায়, যা মুভিং কয়েল বা PMMC যন্ত্রের মূল নীতি।
- এই যন্ত্রে খুব উচ্চ মানের রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ ডিসি জেনারেটর বা ব্যাটারি সোর্স থাকে।
- মুভিং আয়রন, ইলেকট্রোস্ট্যাটিক বা হট-ওয়্যার যন্ত্রগুলো সাধারণত এসি বা ভোল্টেজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মেগারের মতো উচ্চ রেজিস্ট্যান্স মাপতে মুভিং কয়েল প্রযুক্তিই সবচেয়ে কার্যকর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Bridge method বা ব্রিজ পদ্ধতি ব্যবহার করে সবচাইতে সূক্ষ্ম ও নির্ভুলভাবে রোধ (Resistance) পরিমাপ করা যায়।
- এই পদ্ধতিতে মূলত Wheatstone bridge নীতি ব্যবহার করা হয়, যা একটি নাল (Null) বা ভারসাম্য অবস্থার উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- নাল পদ্ধতিতে গ্যালভানোমিটারের প্রবাহ শূন্য হয়, তাই পরিমাপের ত্রুটি ন্যূনতম হয় এবং ফলাফল অত্যন্ত নির্ভুল হয়।
- ভোল্টমিটার-অ্যামিটার পদ্ধতিতে মিটারের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রোধের কারণে পরিমাপে ত্রুটি বা Loading effect দেখা দেয়, তাই এটি ব্রিজ পদ্ধতির মতো সঠিক মান দেয় না।
- মাল্টিমিটার (Multimeter) দিয়ে দ্রুত ও সহজে রোধ মাপা গেলেও এটি ব্রিজ পদ্ধতির মতো উচ্চ নির্ভুলতা (High precision) প্রদান করতে পারে না।
- Megger সাধারণত অত্যন্ত উচ্চ মানের রোধ (High Resistance), যেমন ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মুভিং আয়রন মিটারে ডিফ্লেক্টিং টর্ক কারেন্টের বর্গের সমানুপাতিক (Square of the current through the coil) হওয়ার কারণগুলো:

- মুভিং আয়রন মিটারে, কয়েলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট একটি চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে
- এই চুম্বকীয় ক্ষেত্র লোহার অংশকে আকর্ষণ করে, যা মিটারের সূচকের সাথে সংযুক্ত থাকে
- চুম্বকীয় ক্ষেত্রের শক্তি কারেন্টের সমানুপাতিক (B ∝ I)
- চুম্বকীয় বল (F) চুম্বকীয় ক্ষেত্রের বর্গের সমানুপাতিক (F ∝ B²)
- যেহেতু B ∝ I, তাই F ∝ I²
- ডিফ্লেক্টিং টর্ক এই বলের সমানুপাতিক, তাই টর্ক ∝ I²

এই কারণে মুভিং আয়রন মিটার AC এবং DC উভয় ধরনের কারেন্ট পরিমাপে ব্যবহার করা যায়, কারণ কারেন্টের দিক পরিবর্তন হলেও টর্ক একই দিকে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফ্লাক্স পরিমাপের জন্য Hall effect ভিত্তিক ডিভাইস ব্যবহার করা হয় কারণ:
- Hall effect হল একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ঘটনা যেখানে চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে রাখা একটি পরিবাহী বা অর্ধপরিবাহীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকলে, তার দুই প্রান্তে একটি বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়
- এই বিভব পার্থক্য (Hall voltage) চুম্বকীয় ক্ষেত্রের তীব্রতার সমানুপাতিক, যা চুম্বকীয় ফ্লাক্স ঘনত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত
- Hall effect সেন্সর ব্যবহার করে চুম্বকীয় ক্ষেত্রের তীব্রতা এবং দিক নির্ণয় করা যায়, যা ফ্লাক্স পরিমাপের জন্য অত্যন্ত উপযোগী
- এই সেন্সরগুলি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং নির্ভুল পরিমাপ প্রদান করে

অন্যান্য অপশন গুলি (Voltaic effect, Piezo-electric effect, Photo-voltaic effect) চুম্বকীয় ফ্লাক্স পরিমাপের জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ইনস্ট্রুমেন্ট ভোল্টমিটার হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা স্থির-তড়িৎ ক্ষেত্রের (Electrostatic field) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- যেহেতু এই যন্ত্রগুলো চৌম্বক ক্ষেত্রের (Magnetic field) পরিবর্তে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের ওপর নির্ভর করে চলে, তাই এতে কোনো চৌম্বকীয় উপাদান বা সার্কিট থাকে না।
- চৌম্বকীয় উপাদানের অনুপস্থিতির কারণে, এই যন্ত্রগুলিতে এডি কারেন্ট এবং হিস্টেরেসিস লস (Eddy current and hysteresis losses) সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত থাকে।
- এই বৈশিষ্ট্যটি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির পরিমাপ এবং হাই ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ইনস্ট্রুমেন্টকে বিশেষ উপযোগী করে তোলে।
- অন্যদিকে, PMMC, মুভিং আয়রন এবং ইলেক্ট্রোডায়নামোমিটার ইনস্ট্রুমেন্টগুলো চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে কাজ করে, তাই সেগুলোতে হিস্টেরেসিস এবং এডি কারেন্ট লস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেজিস্ট্যান্সের পরম পরিমাপ (absolute measurement) Lorenz method দ্বারা করা হয় কারণ:
- Lorenz method হল একটি প্রাথমিক মান (primary standard) পদ্ধতি যা রেজিস্ট্যান্সের পরম মান নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়
- এই পদ্ধতিতে রেজিস্ট্যান্সকে সরাসরি মৌলিক ভৌত রাশি (যেমন দৈর্ঘ্য, ভর, সময়) এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়
- Lorenz method-এ একটি ঘূর্ণায়মান তামার ডিস্ক ব্যবহার করা হয় যা একটি চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরে, যার ফলে ইন্ডাকশন কারেন্ট উৎপন্ন হয়
- এই পদ্ধতিতে রেজিস্ট্যান্সের মান অন্য কোনো রেজিস্ট্যান্সের উপর নির্ভর করে না, বরং সরাসরি SI একক থেকে নির্ণয় করা হয়

অন্যান্য পদ্ধতিগুলি (Ohm's law method, Bridge method, Rayleigh method) রেজিস্ট্যান্সের তুলনামূলক পরিমাপ করে, কিন্তু পরম মান নির্ণয় করতে পারে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- তড়িৎ বা কারেন্টের রাসায়নিক প্রবাহের মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে DC Ampere-Hour Meter কাজ করে।
- এই যন্ত্রটিতে একটি ইলেক্ট্রোলাইটিক কোষ বা Electrolytic cell ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট তরল পদার্থ বা দ্রবণ থাকে।
- যখন এই দ্রবণের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তখন তড়িত বিশ্লেষণ বা Electrolysis প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রবাহিত কারেন্টের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ইলেকট্রোডের ভরের পরিবর্তন বা পারদের উচ্চতা পরিমাপ করা হয়।
- এই পরিমাপের মাধ্যমেই নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু বিদ্যুৎ শক্তি বা Ampere-Hour খরচ হয়েছে তা নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
- ডিসি অ্যামিটার এবং ডিসি এনার্জি মিটারে সাধারণত চৌম্বকীয় বল বা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক নীতি ব্যবহার করা হয়, রাসায়নিক প্রভাব নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পটেনশিওমিটার ওয়েস্টন স্ট্যান্ডার্ড সেলের EMF পরিমাপের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যন্ত্র কারণ:

- পটেনশিওমিটার একটি নো-লোড মেজারমেন্ট পদ্ধতি, যা সেল থেকে কোন কারেন্ট আহরণ করে না
- ওয়েস্টন স্ট্যান্ডার্ড সেল একটি রেফারেন্স সেল যা খুব সঠিক ভোল্টেজ (1.0183V) প্রদান করে
- এই সেল থেকে কারেন্ট নেওয়া হলে এর EMF পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং সেলের ক্ষতি হতে পারে
- পটেনশিওমিটার ব্যালান্সিং পয়েন্টে কোন কারেন্ট প্রবাহিত হয় না, তাই সেলের EMF অপরিবর্তিত থাকে
- অন্যান্য মিটার (মুভিং-আয়রন, মুভিং-কয়েল, ডিজিটাল ভোল্টমিটার) সেল থেকে কারেন্ট নেয়, যা সেলের EMF পরিবর্তন করে
- পটেনশিওমিটার অত্যন্ত সঠিক পরিমাপ প্রদান করে, যা স্ট্যান্ডার্ড সেলের মতো রেফারেন্স উৎসের জন্য অপরিহার্য

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উইন ব্রিজ (Wien bridge) মূলত ক্যাপাসিট্যান্স (Capacitance) এবং ফ্রিকোয়েন্সি (Frequency) বা কম্পাঙ্ক পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত অডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জের কম্পাঙ্ক পরিমাপের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
- উইন ব্রিজ ১০০ হার্জ (100 Hz) থেকে ১০০ কিলোহার্জ (100 kHz) পাল্লার মধ্যে অর্থাৎ মিডিয়াম বা অডিও ফ্রিকোয়েন্সি পরিমাপে অত্যন্ত নির্ভুল ফলাফল দেয়।
- তবে এর ডিজাইন ও উপাদান পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি হাই ফ্রিকোয়েন্সিতেও কাজ করতে পারে, যদিও এর প্রধান ব্যবহার অডিও ফ্রিকোয়েন্সিতেই সীমাবদ্ধ।
- প্রদত্ত উত্তরে 'High Frequency' বলা হলেও, উইন ব্রিজের প্রধান এবং সঠিক ব্যবহারিক ক্ষেত্র হলো অডিও বা লো থেকে মিডিয়াম ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ।
- এটি একটি এসি (AC) ব্রিজ সার্কিট যা হারমোনিক ডিটোরশন পরিমাপ এবং অসিলেটর তৈরিতেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডিরেক্ট কারেন্ট (DC) পরিমাপের জন্য D.C. potentiometer এবং standard resistance একসাথে ব্যবহার করা হয় কারণ:

- DC potentiometer নিজে শুধুমাত্র ভোল্টেজ পরিমাপ করতে পারে, সরাসরি কারেন্ট পরিমাপ করতে পারে না
- কারেন্ট পরিমাপের জন্য, কারেন্টকে প্রথমে একটি জানা মানের standard resistance-এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়
- Ohm's law অনুসারে, এই resistance-এর দুই প্রান্তে উৎপন্ন ভোল্টেজ ড্রপ (V = IR) DC potentiometer দ্বারা পরিমাপ করা হয়
- জানা resistance (R) এবং পরিমাপকৃত ভোল্টেজ (V) থেকে কারেন্ট (I) নির্ণয় করা হয়: I = V/R

এই পদ্ধতি অত্যন্ত নির্ভুল কারেন্ট পরিমাপের সুযোগ দেয়, কারণ potentiometer হল একটি নির্ভুল ভোল্টেজ পরিমাপক যন্ত্র যা কোনো কারেন্ট গ্রহণ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্পট ব্যালিস্টিক গ্যালভানোমিটার সবচেয়ে সংবেদনশীল হওয়ার কারণগুলো:

- এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিমাণের চার্জ বা ক্ষণস্থায়ী কারেন্ট পালস পরিমাপ করতে সক্ষম
- এতে একটি হালকা আয়না ব্যবহার করা হয় যা আলোর প্রতিফলন ঘটায়, যা লিভারের মতো কাজ করে বিচ্যুতিকে বড় করে দেখায়
- আলোর স্পট ব্যবহার করে বিচ্যুতি পরিমাপ করা হয় বলে এর নাম স্পট ব্যালিস্টিক গ্যালভানোমিটার
- এর কয়েল খুব হালকা এবং সুষম ভাবে ঝুলানো থাকে, যা খুব কম বাধা প্রদান করে
- এটি ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স পরিবর্তন, ক্যাপাসিটর চার্জ/ডিসচার্জ এবং অন্যান্য ক্ষণস্থায়ী ইলেকট্রিক্যাল ফেনোমেনা পরিমাপে ব্যবহৃত হয়
- এর সংবেদনশীলতা 10-9 থেকে 10-12 অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত হতে পারে, যা অন্যান্য গ্যালভানোমিটারের তুলনায় অনেক বেশি

এই উচ্চ সংবেদনশীলতার কারণে, স্পট ব্যালিস্টিক গ্যালভানোমিটার বিশেষ করে গবেষণাগারে অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইনস্ট্রুমেন্ট বা পরিমাপক যন্ত্রগুলোকে তাদের ব্যবহার বা প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে মূলত দুইটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা- পোর্টেবল এবং সুইচবোর্ড।
- পোর্টেবল ইনস্ট্রুমেন্ট (Portable): এই ধরনের যন্ত্রগুলো সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায় এবং বিভিন্ন জায়গায় পরিমাপের কাজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত পরীক্ষাগার, ফিল্ড ওয়ার্ক বা জরুরি মেরামতের কাজে পোর্টেবল ইনস্ট্রুমেন্ট বেশি ব্যবহৃত হয়।
- সুইচবোর্ড ইনস্ট্রুমেন্ট (Switchboard): এই ধরনের যন্ত্রগুলো একটি প্যানেল বা বোর্ডে স্থায়ীভাবে বসানো থাকে।
- এগুলো সাধারণত পাওয়ার প্ল্যান্ট, সাবস্টেশন বা কন্ট্রোল রুমে মেশিনের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য স্থায়ীভাবে লাগানো থাকে।
- যেহেতু প্রশ্নে অ্যাপ্লিকেশনের ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই Switchboard এবং Portable উভয়ই সঠিক উত্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তরের ব্যাখ্যা:
- মাল্টিরেঞ্জ ইন্সট্রুমেন্ট বা যন্ত্রে বিভিন্ন পরিমাপের রেঞ্জ নির্বাচনের জন্য একাধিক সান্ট (Shunt) বা সিরিজ রেজিস্ট্যান্স ব্যবহার করা হয়।
- অ্যামিটারের ক্ষেত্রে রেঞ্জ পরিবর্তন করতে প্যারালালে বিভিন্ন মানের সান্ট রেজিস্টর যুক্ত করা হয়।
- ভোল্টমিটারের ক্ষেত্রে রেঞ্জ বাড়ানোর জন্য মুভিং কয়েলের সাথে সিরিজ রেজিস্ট্যান্স বা মাল্টিপ্লায়ার যুক্ত করা হয়।
- একটি সিলেক্টর সুইচের মাধ্যমে এই রেজিস্ট্যান্সগুলোর মান পরিবর্তন করে একই মিটারে ভিন্ন ভিন্ন রেঞ্জ পরিমাপ করা সম্ভব হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পোর্টেবল বা বহনযোগ্য যন্ত্রে কন্ট্রোলিং টর্ক সাধারণত স্প্রিং (Spring) দ্বারা প্রদান করা হয়।
- গ্র্যাভিটি কন্ট্রোল মেকানিজম বা অভিকর্ষজ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে যন্ত্রটিকে সবসময় খাড়া বা উল্লম্বভাবে (Vertical position) রাখতে হয়, যা বহনযোগ্য যন্ত্রে সম্ভব নাও হতে পারে।
- অন্যদিকে, স্প্রিং কন্ট্রোল পদ্ধতিতে ইন্সট্রুমেন্টটি যে কোনো অবস্থানে রেখেই সঠিকভাবে পাঠ নেওয়া সম্ভব।
- স্প্রিংগুলো ফসফর-ব্রোঞ্জ নামক সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি হয়, যা চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
- এই পদ্ধতিতে স্প্রিং দুটি কাজ করে: প্রথমত, প্রয়োজনীয় কন্ট্রোলিং টর্ক প্রদান করে এবং দ্বিতীয়ত, মুভিং কয়েলে বিদ্যুৎ চলাচলের পথ তৈরি করে।
- স্প্রিং থেকে প্রাপ্ত কন্ট্রোলিং টর্ক বিক্ষেপণ কোণের সমানুপাতিক হয় (Tc ∝ θ), যার ফলে যন্ত্রের স্কেল সমবিভক্ত (Uniform) থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্প্রিং কন্ট্রোল ডিভাইসে ব্যবহৃত স্প্রিং উপাদানের নিম্নলিখিত সব বৈশিষ্ট্যই থাকা আবশ্যক:
  • নন-ম্যাগনেটিক হওয়া উচিত:

    • স্প্রিং যদি চুম্বকীয় হয়, তবে এটি বাহ্যিক চুম্বকীয় ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হবে
    • এটি মিটারের পাঠ্যে ত্রুটি সৃষ্টি করবে, বিশেষত যেসব যন্ত্রে চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করা হয়
    • নন-ম্যাগনেটিক স্প্রিং নিশ্চিত করে যে পরিমাপ শুধুমাত্র পরিমাপযোগ্য রাশির উপর নির্ভর করে
  • নিম্ন তাপমাত্রা সহগ থাকা উচিত:

    • তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে স্প্রিংয়ের স্থিতিস্থাপকতা পরিবর্তিত হলে মিটারের পাঠ্য প্রভাবিত হয়
    • নিম্ন তাপমাত্রা সহগ নিশ্চিত করে যে বিভিন্ন তাপমাত্রায় মিটার সঠিক পাঠ্য দেখাবে
    • এটি মিটারের তাপমাত্রা ত্রুটি কমায়
  • নিম্ন নির্দিষ্ট রেজিস্ট্যান্স থাকা উচিত:

    • নিম্ন নির্দিষ্ট রেজিস্ট্যান্স নিশ্চিত করে যে স্প্রিং দ্বারা শক্তির অপচয় কম হবে
    • এটি মিটারের সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং আরও সঠিক পাঠ্য নিশ্চিত করে
    • এটি স্প্রিংয়ের দীর্ঘায়ু বাড়ায় এবং ক্লান্তি প্রতিরোধ করে
  • উপরোক্ত সব বৈশিষ্ট্য একত্রে স্প্রিং কন্ট্রোল ডিভাইসের সঠিক, নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - ভোল্টমিটার তৈরির জন্য একটি গ্যালভানোমিটার বা মিটার কয়েলের সাথে একটি উচ্চ মানের রোধ যুক্ত করতে হয়।
    - এই উচ্চ মানের রোধটিকে বলা হয় মাল্টিপ্লায়ার (Multiplier)
    - ভোল্টমিটারের মেকানিজমে এই মাল্টিপ্লায়ার এবং মিটার কয়েল বা মুভিং কয়েল একে অপরের সাথে সিরিজ (Series) সংযোগে থাকে।
    - এই সিরিজ সংযোগের কারণে যন্ত্রটির সামগ্রিক রোধ বৃদ্ধি পায়, যা ভোল্টেজ পরিমাপের সময় সার্কিট থেকে খুব কম কারেন্ট গ্রহণ করে এবং সঠিক ভোল্টেজ পাঠ দেয়।
    - অন্যদিকে, অ্যাম্পিয়ার মিটারে বা অ্যামিটারে রোধকে কয়েলের সাথে প্যারালাল বা সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত করা হয়, যাকে শান্ট (Shunt) বলে।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - সিঙ্গেল ফেজ পাওয়ার ফ্যাক্টর মিটারে দুটি প্রেশার কয়েল ব্যবহার করা হয়, যাদের গঠন একই আকারের এবং একই সংখ্যক প্যাঁচ বা টার্ন বিশিষ্ট হয়ে থাকে।
    - পাওয়ার ফ্যাক্টর মিটারে একটি কারেন্ট কয়েল (ফিক্সড কয়েল) এবং দুটি প্রেশার কয়েল (মুভিং কয়েল) থাকে।
    - এই দুটি প্রেশার কয়েলের উপর প্রযুক্ত ভোল্টেজ একই হয়, তাই সঠিক রিডিং পাওয়ার জন্য এদের চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্য এবং গঠন অভিন্ন হওয়া জরুরি।
    - দুটি কয়েলের মধ্যে একটি কয়েল রোধ বা রেজিস্ট্যান্সের (R) সাথে এবং অন্যটি আবেশক বা ইনডাকট্যান্সের (L) সাথে সিরিজে সংযুক্ত থাকে, যাতে তাদের মধ্যে ৯০ ডিগ্রি ফেজ পার্থক্য তৈরি হয়।
    - যদি কয়েল দুটির আকার বা প্যাঁচের সংখ্যা ভিন্ন হতো, তবে তাদের নিজেদের ওজন এবং টর্ক ভিন্ন হতো, যা মিটারের কাঁটাকে সঠিক পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্দেশ করতে বাধা দিত।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - পাওয়ার সিস্টেমে পরিমাপের জন্য ইন্ডাকশন টাইপ (Induction type) ইন্সট্রুমেন্ট বা যন্ত্রগুলি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
    - এই যন্ত্রগুলি শুধুমাত্র AC সার্কিটে (Alternating Current) কাজ করে।
    - বাসাবাড়ি বা শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ শক্তি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত এনার্জি মিটার বা ওয়াট-আওয়ার মিটার হলো ইন্ডাকশন টাইপ যন্ত্রের সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
    - ডিসি সার্কিটে পরিমাপের জন্য সাধারণত মুভিং কয়েল (Moving coil) টাইপ যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
    - অন্যদিকে, খুব উচ্চ ভোল্টেজ বা হাই ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য ইলেকট্রোস্ট্যাটিক (Electrostatic) ভোল্টমিটার ব্যবহার করা হয়।

    এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

    Install App
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    মেগার (Megger) বা ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্টারের অপারেটিং ভোল্টেজ প্রায় 100V হওয়ার কারণ ও বিবরণ:

    - মেগার একটি পোর্টেবল যন্ত্র যা ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমের ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়
    - উচ্চ ভোল্টেজ (100V বা তার বেশি) প্রয়োজন হয় ইনসুলেশনের মধ্য দিয়ে লিকেজ কারেন্ট পরিমাপ করতে
    - সাধারণ মেগারের অপারেটিং ভোল্টেজ রেঞ্জ 100V থেকে 5000V পর্যন্ত হতে পারে
    - নিম্ন ভোল্টেজে (6V, 12V বা 40V) ইনসুলেশনের দুর্বলতা সঠিকভাবে শনাক্ত করা যায় না
    - 100V হল সাধারণ বেসিক মেগারের ন্যূনতম অপারেটিং ভোল্টেজ
    - বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বিভিন্ন ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়:
         - 100V-500V: ইলেকট্রনিক সার্কিট, নিম্ন ভোল্টেজ কন্ট্রোল সার্কিট
         - 500V-1000V: সাধারণ ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, মোটর
         - 1000V-5000V: হাই ভোল্টেজ সিস্টেম, পাওয়ার ট্রান্সমিশন লাইন

    মেগারের এই উচ্চ অপারেটিং ভোল্টেজ নিশ্চিত করে যে ইনসুলেশনের সামান্য দুর্বলতাও শনাক্ত করা যায়, যা নিম্ন ভোল্টেজে সম্ভব নয়।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    প্রদত্ত বর্তমান ব্যাখ্যাটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়, কারণ সেখানে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ইনস্ট্রুমেন্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। নিচে এই প্রশ্নের সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
    - এডি কারেন্ট ড্যাম্পিং (Eddy current damping) পদ্ধতিতে একটি পরিবাহী ডিস্ককে একটি স্থায়ী চুম্বকের চৌম্বক ক্ষেত্রে ঘোরানো হয়।
    - এই পদ্ধতির জন্য ইনস্ট্রুমেন্টের ডিস্কটি অবশ্যই পরিবাহী (Conducting) এবং অচৌম্বকীয় (Non-magnetic) উপাদানের তৈরি হতে হবে।
    - ডিস্কটি পরিবাহী না হলে এতে এডি কারেন্ট উৎপন্ন হবে না, ফলে প্রয়োজনীয় ড্যাম্পিং টর্ক তৈরি হবে না।
    - আবার ডিস্কটি যদি চৌম্বকীয় পদার্থের তৈরি হয়, তবে এটি স্থায়ী চুম্বকের প্রতি আকর্ষিত বা বিকর্ষিত হয়ে ইনস্ট্রুমেন্টের পাঠে ত্রুটি সৃষ্টি করবে।
    - সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum) বা তামা (Copper) এই ধরণের ডিস্ক তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কারণ এগুলো ভালো পরিবাহী কিন্তু অচৌম্বকীয়।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - ডায়নামোমিটার টাইপ ৩-ফেজ পাওয়ার ফ্যাক্টর মিটারে দুটি মুভিং কয়েল থাকে, যাদের তল একে অপরের সাথে ১২০° কোণে অবস্থান করে।
    - এই মিটারে দুটি কয়েল ব্যবহার করা হয় যা ৩-ফেজ সাপ্লাইয়ের দুটি ভিন্ন ফেজের সাথে সংযুক্ত থাকে।
    - সিঙ্গেল ফেজ মিটারের ক্ষেত্রে কয়েল দুটি ৯০° কোণে থাকে, কিন্তু ৩-ফেজ সিস্টেমের ফেজ ডিসপ্লেসমেন্ট ১২০° হওয়ায় এর মুভিং কয়েলগুলোকেও ১২০° কোণে স্থাপন করা হয় যাতে সঠিক রিডিং পাওয়া যায়।
    - এই কয়েল দুটি একটি স্পিন্ডলের ওপর বসানো থাকে এবং একটি ফিক্সড কারেন্ট কয়েলের চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে মুভ করে কোসাইন অ্যাঙ্গেল বা পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্দেশ করে।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - উচ্চ মানের ইনডাক্ট্যান্স (High Q Inductance) পরিমাপের জন্য হে'স ব্রিজ (Hay's bridge) ব্যবহৃত হয়।
    - এই ব্রিজটি মূলত ১০ এর বেশি কিউ (Q > 10) ফ্যাক্টর বিশিষ্ট ইনডাক্টরের পরিমাপে সবচেয়ে সঠিক ফলাফল দেয়।
    - ম্যাক্সওয়েল ব্রিজ (Maxwell's bridge) সাধারণত মাঝারি মানের ইনডাক্ট্যান্স (Q মান ১ থেকে ১০ এর মধ্যে) পরিমাপের জন্য উপযুক্ত।
    - অ্যান্ডারসন ব্রিজ (Anderson's bridge) কম মানের ইনডাক্ট্যান্স (Q < 1) সঠিকভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
    - হে'স ব্রিজ আসলে ম্যাক্সওয়েল ব্রিজেরই একটি পরিবর্তিত রূপ, যেখানে রেজিস্ট্যান্স এবং ক্যাপাসিট্যান্স সমান্তরালে না থেকে সিরিজ বা শ্রেণীতে যুক্ত থাকে।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি বা এসআই পদ্ধতিতে (SI Units) মোট ৭টি মৌলিক একক বা Base units রয়েছে।
    - তড়িৎ প্রবাহ বা Electric Current হলো এই সাতটি মৌলিক রাশির মধ্যে অন্যতম একটি।
    - অ্যাম্পিয়ার (Ampere) হলো এই তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক।
    - তাই অ্যাম্পিয়ারকে একটি মৌলিক একক বা Base unit হিসেবে গণ্য করা হয়।
    - এসআই পদ্ধতির বাকি ৬টি মৌলিক একক হলো: মিটার (দৈর্ঘ্য), কিলোগ্রাম (ভর), সেকেন্ড (সময়), কেলভিন (তাপমাত্রা), মোল (পদার্থের পরিমাণ) এবং ক্যান্ডেলা (দীপন তীব্রতা)।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    অ্যামিটারের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স খুব কম (Very small) হওয়া প্রয়োজন নিম্নলিখিত কারণে:

    - অ্যামিটার সার্কিটের সাথে সিরিজে সংযুক্ত থাকে এবং সার্কিটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সম্পূর্ণ কারেন্ট পরিমাপ করে
    - যদি অ্যামিটারের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স বেশি হয়, তবে এটি সার্কিটে উল্লেখযোগ্য ভোল্টেজ ড্রপ সৃষ্টি করবে
    - উচ্চ অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স সার্কিটের মোট রেজিস্ট্যান্স বাড়িয়ে দেবে, যা কারেন্টের মান কমিয়ে দেবে
    - এটি "লোডিং এফেক্ট" নামে পরিচিত, যেখানে পরিমাপ যন্ত্র সার্কিটের আচরণ পরিবর্তন করে
    - আদর্শ অ্যামিটারের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স শূন্য হওয়া উচিত, যাতে এটি সার্কিটের কারেন্টকে প্রভাবিত না করে
    - বাস্তবে, অ্যামিটারের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স কয়েক মিলিওহম থেকে কয়েক ওহম পর্যন্ত হতে পারে
    - অ্যামিটারের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স কম রাখার জন্য শান্ট রেজিস্টর ব্যবহার করা হয়

    এই কারণে, একটি ভাল অ্যামিটারের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স যতটা সম্ভব কম হওয়া উচিত, যাতে এটি সার্কিটের কারেন্টকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত না করে।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - রোধ বা রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের জন্য সবচাইতে সঠিক ও নিরাপদ যন্ত্র হলো ওহমমিটার (Ohmmeter) এবং রেজিস্ট্যান্স ব্রিজ (Resistance Bridge)
    - ওহমমিটার সরাসরি রোধ পরিমাপ করতে পারে, যেখানে হুইটস্টোন ব্রিজ (Wheatstone bridge) নীতি ব্যবহারের মাধ্যমে রেজিস্ট্যান্স ব্রিজ অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নির্ভুলভাবে রোধের মান নির্ণয় করে।
    - ওয়াট-মিটার (Watt-meter) দিয়ে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা পাওয়ার মাপা হয়, তাই এটি দিয়ে রোধ মাপা সম্ভব নয়।
    - ভোল্টমিটার (Voltmeter) দিয়ে ভোল্টেজ এবং অ্যামিটার (Ammeter) দিয়ে কারেন্ট মাপা হয়; যদিও ওহমের সূত্র ($V=IR$) ব্যবহার করে রোধ বের করা সম্ভব, কিন্তু সরাসরি পরিমাপের জন্য এগুলো ব্যবহার করা হয় না।
    - রোধ পরিমাপের ক্ষেত্রে মাল্টিমিটার ব্যবহার করেও সহজে মান নির্ণয় করা যায়, যা ওহমমিটারেরই একটি আধুনিক রূপ।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার সাধারণত এসি (AC) সার্কিটে ব্যবহৃত হয় যেখানে খুব উচ্চ ভোল্টেজ বা কারেন্ট পরিমাপ করা প্রয়োজন।
    - সাধারণ Induction instrument (যেমন অ্যামিটার বা ভোল্টমিটার) সরাসরি উচ্চ ভোল্টেজ বা কারেন্টের লাইনে যুক্ত করলে সেটি পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
    - তাই সেফটি এবং সঠিক পরিমাপের জন্য সিটি (Current Transformer) বা পিটি (Potential Transformer) ব্যবহার করে কারেন্ট বা ভোল্টেজ কমিয়ে 'Induction instrument'-এর উপযোগী করা হয়।
    - ডিসি (DC) যন্ত্র যেমন Moving coil instrument-এর ক্ষেত্রে রেঞ্জ বাড়াতে শান্ট (Shunt) বা মাল্টিপ্লায়ার ব্যবহার করা হয়, ট্রান্সফরমার নয়।
    - Electrostatic instrument সাধারণত নিজেই উচ্চ ভোল্টেজ পরিমাপে সক্ষম, তাই সেখানে ট্রান্সফরমার অপরিহার্য নয়।
    - সুতরাং, Induction instrument-এর রেঞ্জ বৃদ্ধি করতেই মূলত ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয়।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    ডাইনামোমিটার ওয়াটমিটার উভয় DC এবং AC পাওয়ার পরিমাপের জন্য ব্যবহার করা যায় কারণ:

    - ডাইনামোমিটার ওয়াটমিটারের গঠন এমন যে এটি বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তনের সাথে সাথে ফ্লাক্সের দিকও পরিবর্তন করে, ফলে টর্কের দিক অপরিবর্তিত থাকে
    - এর মধ্যে দুটি কয়েল থাকে - একটি স্থির কয়েল (current coil) এবং একটি চলনশীল কয়েল (potential coil)
    - উভয় কয়েলে উৎপন্ন চুম্বকীয় ক্ষেত্র সরাসরি তাদের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের সমানুপাতিক
    - AC সার্কিটে, কারেন্ট এবং ভোল্টেজ উভয়ই একই সময়ে দিক পরিবর্তন করে, ফলে টর্কের দিক অপরিবর্তিত থাকে এবং মিটার সঠিক পাওয়ার রিডিং দেখায়
    - DC সার্কিটে, কারেন্ট এবং ভোল্টেজ উভয়ই স্থির থাকে, তাই মিটার সঠিকভাবে কাজ করে

    এই বৈশিষ্ট্যের কারণে ডাইনামোমিটার ওয়াটমিটার উভয় ধরনের সার্কিটে পাওয়ার পরিমাপের জন্য একটি বহুমুখী যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    - একটি অহমমিটার (Ohmmeter) মূলত একটি পার্মানেন্ট ম্যাগনেট মুভিং কয়েল (PMMC) ধরণের যন্ত্র।
    - এই যন্ত্রটি একটি স্থায়ী চুম্বক এবং একটি চলমান কয়েল বা কুন্ডলীর সমন্বয়ে গঠিত।
    - যখন পরিমাপের জন্য যন্ত্রের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে কয়েলটি ঘুরে যায় এবং কাটার বিক্ষেপ ঘটে, যা মুভিং কয়েল যন্ত্রের কার্যনীতি।
    - অহমমিটারের স্কেলটি সাধারণত বিপরীতমুখী হয়, অর্থাৎ এর বামদিকে থাকে অসীম (Infinity) রোধ এবং ডানদিকে থাকে শূন্য (Zero) রোধ।
    - PMMC বা মুভিং কয়েল প্রযুক্তিতে লিনিয়ার স্কেল এবং উচ্চ সংবেদনশীলতা পাওয়া যায়, যা রোধ বা রেজিস্ট্যান্স সঠিকভাবে পরিমাপের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
    - ‘মুভিং আয়রন’ বা অন্যান্য যন্ত্রগুলো সাধারণত এসি (AC) প্রবাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডিসি (DC) সোর্সনির্ভর রোধ পরিমাপের জন্য মুভিং কয়েল প্রযুক্তিই আদর্শ।

    এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

    Install App
    i
    ব্যাখ্যা (Explanation):
    পটেনশিওমিটারের স্লাইড ওয়্যার যতটা সম্ভব লম্বা (As long as possible) হওয়া উচিত হওয়ার কারণগুলো:

    - লম্বা স্লাইড ওয়্যারে প্রতি একক দৈর্ঘ্যে ভোল্টেজ ড্রপ কম হয়, যা বেশি সূক্ষ্ম পরিমাপ সম্ভব করে
    - উদাহরণস্বরূপ, 1 মিটার লম্বা তারে 2V ড্রপ হলে প্রতি মিলিমিটারে ড্রপ হবে 2mV, কিন্তু 10 মিটার তারে একই ভোল্টেজ ড্রপ হলে প্রতি মিলিমিটারে ড্রপ হবে মাত্র 0.2mV
    - লম্বা স্লাইড ওয়্যারে ন্যূনতম পরিমাপযোগ্য দূরত্ব (যেমন 1mm) বেশি সূক্ষ্ম ভোল্টেজ পরিবর্তন প্রতিনিধিত্ব করে
    - এটি রেজোলিউশন বাড়ায় এবং পরিমাপের নির্ভুলতা উন্নত করে
    - লম্বা স্লাইড ওয়্যারে স্কেল বিভাজন বেশি স্পষ্ট করা যায়, যা পাঠ্য নেওয়ার ত্রুটি কমায়
    - পটেনশিওমিটারের নির্ভুলতা স্লাইড ওয়্যারের দৈর্ঘ্যের সাথে সমানুপাতিক
    সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0