ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স (182 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) গ্যাসের বাণিজ্যিক নাম হলো ফ্রেয়ন
- ফ্রেয়ন গ্রুপের রেফ্রিজারেন্টগুলো সাধারণত ব্যবহার করা খুবই নিরাপদ কারণ এগুলো দাহ্য নয় এবং বিষাক্ত নয়
- বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার এবং অ্যারোসল স্প্রে-তে শীতলকারক হিসেবে ফ্রেয়ন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- যদিও এটি সরাসরি মানুষের জন্য বিষাক্ত নয়, কিন্তু বায়ুমণ্ডলে গিয়ে এটি ওজোন স্তরের ব্যাপক ক্ষতি করে এবং গ্রিনহাউস ইফেক্ট বা বৈশ্বিক উষ্ণায়নে ভূমিকা রাখে।
- পরিবেশের ক্ষতির কারণে বর্তমানে ফ্রেয়নের (CFC) ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব বিকল্প যেমন R-134a বা হাইড্রোফ্লোরো কার্বন ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- VRF হলো Variable Refrigerant Flow-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি অত্যাধুনিক এবং শক্তিশালী এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম যা প্রয়োজন অনুযায়ী রেফ্রিজারেন্টের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে
- এই সিস্টেমে একটি মাত্র আউটডোর ইউনিটের সাথে একাধিক ইনডোর ইউনিট সংযুক্ত করে পরিচালনা করা যায়।
- VRV (Variable Refrigerant Volume) হলো VRF-এরই একটি ভিন্ন নাম, যা ডাইকিন ইন্ডাস্ট্রিজ প্রথম উদ্ভাবন করেছিল এবং ট্রেডমার্ক করে নিয়েছিল।
- এই প্রযুক্তি প্রতিটি আলাদা ঘরে ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যার ফলে শক্তির অপচয় কমে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
- সাধারণত বড় বাণিজ্যিক ভবন, অফিস বা বহুতল ভবনে যেখানে জোন বা এলাকা ভিত্তিক কুলিং প্রয়োজন, সেখানে এই সিস্টেম বেশি ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাথরুম সব সময় একটি আদ্র বা ভেজা ক্ষেত্র, যেখানে জল এবং বাষ্প প্রচুর পরিমাণে থাকে।
- ভেজা হাতে বা ভেজা পরিবেশে সুইচে হাত দিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বা ইলেকট্রিক শক লাগার মারাত্মক ঝুঁকি থাকে।
- ইলেকট্রিক শক বা শর্ট সার্কিট এড়ানোর জন্য নিরাপত্তার খাতিরে গিজারের সুইচ বাথরুমের বাইরে স্থাপন করা উচিত।
- বাথরুমের বাইরে সুইচ থাকলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সহজ হয়।
- বর্তমানে আধুনিক অনেক বাথরুমে ওয়াটারপ্রুফ সকেট ব্যবহার করা হলেও, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জন্য শুকনো স্থানে বা বাইরে সুইচ রাখাই শ্রেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- HVAC এর সম্পূর্ণ রূপ হল Heating, Ventilation and Air Conditioning
- এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা ঘরের ভেতরের ও গাড়ির ভেতরের বাতাসের গুণমান এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে।
- Heating বা 'তাপ উৎপাদন' অংশটি ঘর গরম রাখতে সাহায্য করে, যা সাধারণত শীতপ্রধান দেশে বা শীতকালে ব্যবহৃত হয়।
- Ventilation বা 'বায়ু চলাচল' প্রক্রিয়াটি বাইরের বাতাস ভেতরে প্রবেশ করিয়ে এবং ভেতরের দূষিত বাতাস বের করে দিয়ে বাতাসের বিশুদ্ধতা বজায় রাখে।
- Air Conditioning বা এয়ার কন্ডিশনিং অংশটি গরম বাতাস সরিয়ে এবং বাতাসের আর্দ্রতা কমিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
- বর্তমানে আধুনিক ভবন, অফিস এবং যানবাহনগুলোতে আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে HVAC সিস্টেম অপরিহার্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সিলিং ফ্যান চালানোর জন্য পারমানেন্ট ক্যাপাসিটর মোটর (Permanent Capacitor Motor) বা ক্যাপাসিটর রান মোটর (Capacitor Run Motor) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এই ধরণের মোটরে একটি স্টাটিং ওয়াইন্ডিং (Starting Winding) এবং একটি রানিং ওয়াইন্ডিং (Running Winding) থাকে।
- এই দুটি কয়েলের মাঝে একটি ক্যাপাসিটর (Capacitor) সিরিজে যুক্ত করা থাকে, যা ফেজ শিফট তৈরি করে চৌম্বক ক্ষেত্র ঘোরাতে সাহায্য করে।
- ক্যাপাসিটর ব্যবহারের ফলে মোটরে প্রারম্ভিক টর্ক বা ঘূর্ণন শক্তি তৈরি হয়, যা ফ্যানকে স্থির অবস্থা থেকে ঘোরাতে শুরু করে।
- সিলিং ফ্যানের মোটরটি চালু হওয়ার পরেও ক্যাপাসিটরটি সার্কিটে যুক্ত থাকে এবং এটি ক্রমাগত ঘূর্ণন শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইলেকট্রিক হিটারের কানেক্টিং লিডে পোর্সেলিন ম্যাটেরিয়াল ইনসুলেটিং উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ:

- পোর্সেলিন একটি সিরামিক পদার্থ যা উচ্চ তাপমাত্রায় স্থায়ী এবং তাপ প্রতিরোধী
- এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, যা এটিকে একটি উৎকৃষ্ট ইনসুলেটর বানায়
- পোর্সেলিন কঠিন এবং টেকসই, যা হিটারের কানেক্টিং পয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ইনসুলেশন প্রদান করে
- এটি আগুন প্রতিরোধী এবং জ্বলনশীল নয়, যা হিটারের নিরাপত্তা বাড়ায়
- পোর্সেলিন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া এবং আর্দ্রতা প্রতিরোধী, যা এটিকে দীর্ঘকালীন ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত করে

অন্যান্য অপশন গুলির মধ্যে, রাবার উচ্চ তাপমাত্রায় গলে যায়, বেকেলাইট উচ্চ তাপমাত্রায় বিকৃত হতে পারে, এবং অ্যাসবেস্টস স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণে বর্তমানে ব্যবহার করা হয় না। পোর্সেলিন এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্ত এবং হিটারের কানেক্টিং লিডের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ইনসুলেটিং উপাদান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রেফ্রিজারেশন সাইকেলে কমপ্রেসরের কাজ হলো রেফ্রিজারেন্টকে নিম্ন চাপ (Low pressure) থেকে উচ্চ চাপে (High pressure) উন্নীত করা।
- কমপ্রেসরের ইনলেটে বা প্রবেশের মুখে যে চাপ থাকে, তাকে Suction pressure বা Back pressure বলা হয়।
- কমপ্রেসরের আউটলেটে বা নির্গমন পথে যে উচ্চ চাপ তৈরি হয়, তাকে Discharge pressure বা Head pressure বলা হয়।
- এই ডিসচার্জ প্রেশারের কারণেই রেফ্রিজারেন্ট কন্ডেন্সারে গিয়ে ঘনীভূত হতে পারে এবং তাপ বর্জন করতে পারে।
- অর্থাৎ, সহজ কথায় কমপ্রেসর থেকে গ্যাস হিসেবে বের হওয়ার সময় যে চাপ থাকে তাই ডিসচার্জ প্রেশার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আইসক্রিম সাধারণত -12°C থেকে -18°C তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয় কারণ এই তাপমাত্রায় আইসক্রিম সম্পূর্ণরূপে জমাট বাঁধে
- এই তাপমাত্রায় আইসক্রিমের টেক্সচার ও স্বাদ সঠিকভাবে বজায় থাকে
- উচ্চতর তাপমাত্রায় (যেমন 0°C থেকে 5°C বা 0°C থেকে -5°C) আইসক্রিম গলে যাবে এবং তার গুণমান নষ্ট হবে
- অতিরিক্ত কম তাপমাত্রায় (-20°C থেকে -25°C) আইসক্রিম অত্যধিক কঠিন হয়ে যেতে পারে

বাণিজ্যিক আইসক্রিম সংরক্ষণের জন্য -18°C তাপমাত্রা আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই তাপমাত্রায় আইসক্রিমের মধ্যে বরফ কণার আকার ছোট থাকে, যা আইসক্রিমকে মসৃণ ও ক্রিমি টেক্সচার দেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- টেবিল ফ্যানটি মসৃণভাবে চলার সময় ধোঁয়া বের হওয়ার মূল কারণ হলো ‘শর্ট-সার্কিটেড ওয়াইন্ডিং’ (short-circuited winding)
- যখন মোটরের ভিতরের কয়েল বা ওয়াইন্ডিংয়ের ইনসুলেশন (insulation) ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন তারগুলো একে অপরের সংস্পর্শে চলে আসে।
- এই সংস্পর্শের ফলে কয়েলের মধ্যে তীব্র তাপ উৎপন্ন হয়, যা ইনসুলেশন পুড়িয়ে ফেলে এবং ধোঁয়া সৃষ্টি করে।
- যদিও ওভারলোড বা বিয়ারিং জনিত সমস্যার কারণে মোটর গরম হতে পারে, কিন্তু সরাসরি ধোঁয়া বের হওয়া সাধারণত ওয়াইন্ডিং জ্বলে যাওয়া বা শর্ট সার্কিটেরই ইঙ্গিত দেয়।
- ফ্যানের ওয়াইন্ডিংয়ে শর্ট সার্কিট হলে ফ্যানের গতি কমে যায় বা ফ্যান পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তরটি হলো Toaster
এর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
- বিদ্যুৎ প্রবাহের তাপীয় ফল বা 'Heating effect of electric current'-এর ওপর ভিত্তি করে টোস্টার (Toaster) কাজ করে।
- যখন উচ্চ রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হয় এবং এই নীতিকে কাজে লাগিয়েই টোস্টারে পাউরুটি গরম বা টোস্ট করা হয়।
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, গিজার, রুম হিটার এবং ইলেকট্রিক কেটলি ইত্যাদিও একই নীতিতে কাজ করে।
- অন্যদিকে, ওয়াশিং মেশিন, ফুড মিক্সার এবং টেবিল ফ্যান বিদ্যুৎ প্রবাহের চৌম্বকীয় ফল বা 'Magnetic effect of electric current'-এর ওপর ভিত্তি করে চলে, যেখানে বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- VRV হল Variable Refrigerant Volume-এর সংক্ষিপ্ত রূপ
- এটি একটি উন্নত এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম যা রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে
- VRV সিস্টেম একটি আউটডোর ইউনিট থেকে একাধিক ইনডোর ইউনিট পরিচালনা করতে পারে
- এই সিস্টেম তাপমাত্রার চাহিদা অনুযায়ী রেফ্রিজারেন্টের প্রবাহ পরিবর্তন করে শক্তি সাশ্রয় করে

VRV সিস্টেম বিশেষত বড় বাণিজ্যিক ভবন এবং বহুতল আবাসিক ভবনে ব্যবহৃত হয়, যেখানে বিভিন্ন কক্ষে ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। এটি ডাইকিন ইন্ডাস্ট্রিজ দ্বারা প্রথম উদ্ভাবিত হয়েছিল এবং এখন বিভিন্ন নির্মাতা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ক্যানোপি গ্লাস (Canopy Glass) মূলত স্বচ্ছ আচ্ছাদন বা ছাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা ভেতর থেকে বাইরের দৃশ্য এবং বাইরে থেকে ভেতরের বস্তু পরিষ্কারভাবে দেখতে সাহায্য করে।
- বিভিন্ন শোরুম বা দোকানের ডিসপ্লেতে সংরক্ষিত বস্তু যাতে বাইরে থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, সেজন্য উচ্চ স্বচ্ছতাসম্পন্ন এই গ্লাস ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাধারণত এক ধরণের ল্যামিনেটেড বা টাফেনড গ্লাস, যা সুরক্ষার পাশাপাশি আলোক পরিবহনে বাধা দেয় না, ফলে দৃষ্টিগোচরতা (visibility) বজায় থাকে।
- সাধারণ গ্লাস বা অ্যানিলড গ্লাস (Annealed glass) স্বচ্ছ হলেও ভেঙে গেলে ধারালো টুকরো তৈরি হয়, তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে আধুনিক ডিসপ্লে বা ক্যানোপিতে প্রক্রিয়াজাত স্বচ্ছ গ্লাস বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ল্যামিনেটেড গ্লাস (Laminated glass) এবং টেম্পার্ড গ্লাস (Tempered glass) মূলত নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন গাড়ির উইন্ডশিল্ড বা দরজায়), যেখানে আঘাত লাগলে কাঁচ টুকরো টুকরো হয়ে বা ফেটে গিয়ে বড় দুর্ঘটনা এড়ায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মাইক্রোওয়েভ ওভেনে কোনো মাধ্যম ছাড়াই তাপ সঞ্চালিত হয়, যাকে বিকিরণ বা Radiation বলা হয়।
- তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভ ওভেন খাবারের ভেতরে থাকা পানির অণুগুলোকে কম্পিত করে তাপ উৎপন্ন করে।
- এই প্রক্রিয়ায় তাপ পরিবহনের জন্য কোনো কঠিন বা তরল মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না, যা Conduction বা Convection থেকে ভিন্ন।
- মাইক্রোওয়েভ মূলত এক ধরনের তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১ মিলিমিটার থেকে ১ মিটারের মধ্যে হয়ে থাকে।
- তাপ সঞ্চালন মূলত তিন প্রকার: পরিবহন (Conduction), পরিচলন (Convection), এবং বিকিরণ (Radiation)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এয়ার কন্ডিশনিং বলতে শুধুমাত্র বায়ুকে শীতল করা বোঝায় না, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া।
- এই প্রক্রিয়ায় বায়ুর তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা (Humidity) উভয়ই নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এয়ার কন্ডিশনার গরম আবহাওয়ায় বায়ুকে ঠান্ডা বা শীতল (Cooling) করে।
- আবার শীতপ্রধান দেশে বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় এটি বায়ুকে উষ্ণ (Heating) করতে ব্যবহৃত হয়।
- এর পাশাপাশি এটি বাতাস থেকে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প অপসারণ করে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ (Dehumidifying) করে পরিবেশকে আরামদায়ক রাখে।
- সুতরাং, কুলিং, হিটিং এবং ডিহিউমিডিফাইং—এই তিনটি কাজই এয়ার কন্ডিশনিং এর অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মিক্সার বা মিক্সার গ্রাইন্ডার সাধারণত ইউনিভার্সাল মোটর (Universal motor) ব্যবহার করে চলে, যা উচ্চ গতিতে ঘোরার জন্য পরিচিত।
- ঘরোয়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের অপারেটিং স্পিড সাধারণত ৩০০০ থেকে ১২০০০ আরপিএম (rpm) বা তারও বেশি হয়ে থাকে।
- এই উচ্চ গতি খাদ্যদ্রব্য দ্রুত এবং মসৃণভাবে পেস্ট বা গুঁড়ো করার জন্য অপরিহার্য, বিশেষ করে মশলা বা কঠিন উপাদানগুলির ক্ষেত্রে।
- মিক্সারে সাধারণত একটি কন্ট্রোল নব বা রেগুলেটর থাকে, যার সাহায্যে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী গতি কম বা বেশি (Low, Medium, High) করতে পারেন।
- বাজারের সাধারণ মডেলগুলোতে লো স্পিড সাধারণত ৩০০০ আরপিএম-এর আশেপাশে থাকে এবং হাই স্পিড ১৮০০০ থেকে ২০০০০ আরপিএম পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এক্সপানশন ডিভাইস মূলত একটি রেফ্রিজারেশন সিস্টেমের চাপ কমানোর যন্ত্র হিসেবে কাজ করে।
- এটি উচ্চ চাপের তরল হিমায়ককে (Refrigerant) নিম্ন চাপে রূপান্তরিত করে ইভাপোরেটরে প্রবেশ করায়
- এর প্রধান কাজ হলো ইভাপোরেটরের চাহিদা অনুযায়ী হিমায়কের প্রবাহ (Flow) নিয়ন্ত্রণ করা
- এই যন্ত্রটি কন্ডেন্সার এবং ইভাপোরেটরের মাঝখানে অবস্থিত থাকে, যা রেফ্রিজারেশন সাইকেলে কুলিং ইফেক্ট তৈরি করতে সাহায্য করে।
- ক্যাপিলারি টিউব এবং থার্মোস্ট্যাটিক এক্সপানশন ভালভ হলো বহুল ব্যবহৃত কিছু এক্সপানশন ডিভাইসের উদাহরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- R-134a এর রাসায়নিক নাম হলো 1,1,1,2- টেট্রাফ্লোরো ইথেন এবং সংকেত হলো C2H2F4
- এটি একটি হাইড্রোফ্লোরোকার্বন (HFC) শ্রেণীর রেফ্রিজারেন্ট।
- এর ওজোন স্তর লঘুকরণ বা ক্ষয় করার ক্ষমতা শূন্য (Zero Ozone Depletion Potential), তাই এটি পরিবেশবান্ধব হিসেবে পরিচিত।
- বর্তমানে বাসা-বাড়ির রেফ্রিজারেটর, গাড়ির এয়ার কন্ডিশনার এবং শিল্পক্ষেত্রে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে CCl3F হলো R-11, CCl2F2 হলো R-12 এবং CHClF2 হলো R-22, যার সবগুলোই ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে FCU-এর পূর্ণরূপ হলো Fan Coil Unit
- এটি একটি সরল যন্ত্র যা একটি ফ্যান এবং একটি কয়েল (হিট এক্সচেঞ্জার) নিয়ে গঠিত।
- এই ইউনিটটি ঘরের ভেতরের বাতাস টেনে নিয়ে গরম বা ঠান্ডা করে পুনরায় ঘরে প্রবাহিত করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
- সাধারণত বড় দালান বা অফিস স্পেসে সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমের অংশ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- এটি আলাদাভাবে ডাক্ট সিস্টেমের সাথে যুক্ত থাকতে পারে অথবা ডাক্ট ছাড়াই সরাসরি ঘরে স্থাপন করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জলীয়বাষ্প সম্পৃক্ত অবস্থায় বাতাসের তাপমাত্রার পরিমাপ হলো ভেজা বাল্ব তাপমাত্রা (Wet bulb temperature) কারণ:

- ভেজা বাল্ব তাপমাত্রা হল একটি থার্মোমিটারের পাঠ যার সেন্সিং এলিমেন্ট একটি ভেজা কাপড় বা উইক দিয়ে আবৃত থাকে
- যখন বাতাস জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় (100% আপেক্ষিক আর্দ্রতা), তখন বাষ্পীভবন হয় না এবং ভেজা বাল্ব তাপমাত্রা শুষ্ক বাল্ব তাপমাত্রার সমান হয়
- সম্পৃক্ত অবস্থায়, বাতাসে আর অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতা থাকে না, ফলে ভেজা কাপড় থেকে বাষ্পীভবন বন্ধ হয়ে যায়
- ভেজা বাল্ব তাপমাত্রা বাতাসের আর্দ্রতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় এবং এটি সাইক্রোমেট্রিক চার্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার

শুষ্ক বাল্ব তাপমাত্রা শুধু বাতাসের তাপমাত্রা মাপে, ডিউ পয়েন্ট তাপমাত্রা হল যে তাপমাত্রায় বাতাস ঠান্ডা হলে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হতে শুরু করে, এবং স্যাচুরেটেড তাপমাত্রা হল যে তাপমাত্রায় বাতাস সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- CFC এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (Chlorofluorocarbon)।
- এটি একটি খুব শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
- এই গ্যাসটি মূলত কার্বন, ক্লোরিন এবং ফ্লোরিন পরমাণু দ্বারা গঠিত একটি জৈব যৌগ।
- রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং অ্যারোসল স্প্রে তৈরিতে হিমায়ক বা কুল্যান্ট হিসেবে CFC ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে, যার ফলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি পৃথিবীতে প্রবেশ করে।
- পরিবেশের এই ক্ষতি রোধ করতে মন্ট্রিল প্রোটোকল (Montreal Protocol) চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এর ব্যবহার নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ বাতাসে জলীয়বাষ্প ধারণের সর্বোচ্চ ক্ষমতাকে সম্পৃক্ত বাতাস বা সম্পৃক্ত অবস্থা বলে।
- যখন বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সেই তাপমাত্রায় ধারণ ক্ষমতার সমান হয়, তখন তাকে সম্পৃক্ত বাতাস বলা হয়।
- সাধারণত আপেক্ষিক আর্দ্রতাকে শতকরা হিসাবে প্রকাশ করা হয়, যা নির্দেশ করে বাতাস কতটা সম্পৃক্ত।
- যদি আপেক্ষিক আর্দ্রতা ১০০% হয়, তবে সেই বাতাসকে পূর্ণ সম্পৃক্ত বাতাস বলা হয়।
- অর্থাৎ, বাতাসের জলীয়বাষ্প ও তার ধারণ ক্ষমতার অনুপাতকে যখন শতকরায় প্রকাশ করা হয়, তখন সেটি মূলত আপেক্ষিক আর্দ্রতা নির্দেশ করে, তবে ১০০% হলে তা সম্পৃক্ত বাতাস হিসেবে গণ্য হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে সকল রেফ্রিজারেন্ট সরাসরি অবস্থার পরিবর্তনের মাধ্যমে (বাষ্প থেকে তরল এবং তরল থেকে বাষ্প হয়ে) রেফ্রিজারেশন চক্রে তাপ স্থানান্তরের কাজ করে, তাদেরকে প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্ট বা প্রাথমিক হিমায়ক বলে।
- উদাহরণস্বরূপ, অ্যামোনিয়া (R-717), কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড, ফ্রিয়ন গ্রুপ (যেমন R-12, R-22) হলো প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্ট।
- প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্টগুলো সাধারণত বাষ্প সংকোচন (Vapour Compression) সিস্টেমে বাষ্পায়নের মাধ্যমে সুপ্ত তাপ (Latent Heat) গ্রহণ করে শীতলীকরণ প্রভাব তৈরি করে।
- অপরদিকে, সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্ট হলো সেই সব তরল পদার্থ যা প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্ট দ্বারা প্রথমে ঠান্ডা হয় এবং পরবর্তীতে এই ঠান্ডা তরলটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রবাহিত হয়ে শীতলীকরণ ঘটায় (যেমন- পানি বা ব্রাইন)।
- সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্ট তার অবস্থার পরিবর্তন করে না, বরং শুধুমাত্র সংবেদনশীল তাপ (Sensible Heat) বহন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বড় বড় রেফ্রিজারেশন প্লান্ট বা পাওয়ার প্লান্টে কন্ডেন্সার থেকে আসা গরম পানিকে ঠান্ডা করার জন্য যে বিশাল যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তাকে কুলিং টাওয়ার বলে।
- রেফ্রিজারেশন সাইকেলে ইভাপোরেটর তাপ শোষণ করে, কিন্তু কন্ডেন্সারের কাজ হলো সিস্টেম থেকে সংগৃহীত সেই তাপ বর্জন করা বা ছড়িয়ে দেওয়া।
- বড় প্লান্টে এই তাপ বর্জনের জন্য পানি ব্যবহার করা হয়, ফলে পানি গরম হয়ে যায়; সেই গরম পানিকে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ও শীতল করার জন্যই কুলিং টাওয়ারের প্রয়োজন হয়।
- এয়ারকুলার সাধারণত ছোট পরিসরে বাতাস ঠান্ডা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি কন্ডেন্সারের পানি ঠান্ডা করার যন্ত্র নয়।
- ইভাপোরেটর হলো রেফ্রিজারেশন সিস্টেমের সেই অংশ যেখানে হিমায়ক (Refrigerant) তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হয়ে পরিবেশ থেকে তাপ শোষণ করে, এটি পানি ঠান্ডা করার যন্ত্র নয় বরং নিজেই ঠান্ডা হওয়ার উৎস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- R-22 এর রাসায়নিক সংকেত হল CHClF₂ (ক্লোরোডাইফ্লুরোমিথেন)
- এটি একটি হাইড্রোক্লোরোফ্লুরোকার্বন (HCFC) শ্রেণীর রেফ্রিজারেন্ট
- এর গঠনে একটি কার্বন পরমাণু, একটি হাইড্রোজেন পরমাণু, একটি ক্লোরিন পরমাণু এবং দুটি ফ্লোরিন পরমাণু রয়েছে
- অন্যান্য বিকল্পগুলো ভিন্ন রেফ্রিজারেন্টের সংকেত: C₂H₂F₄ (R-134a), CCl₂F₂ (R-12), CCl₃F (R-11)

R-22 দীর্ঘকাল ধরে এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে ওজোন স্তর ক্ষতিকারক প্রভাবের কারণে মন্ট্রিল প্রোটোকল অনুসারে এর ব্যবহার ধীরে ধীরে বন্ধ করা হচ্ছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপের জন্য হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) ব্যবহার করা হয়।
- হাইগ্রোমিটারের একটি বিশেষ ধরণ হলো সাইক্রোমিটার (Psychrometer)
- সাইক্রোমিটার মূলত দুটি থার্মোমিটার দিয়ে গঠিত, যার একটি শুষ্ক বাল্ব (dry-bulb) এবং অন্যটি ভেজা বাল্ব (wet-bulb)।
- স্লিং সাইক্রোমিটার (Sling Psychrometer) হলো সাইক্রোমিটারের সবচেয়ে সহজ ও বহুল ব্যবহৃত রূপ।
- এতে থার্মোমিটার দুটি একটি ফ্রেমে আটকানো থাকে, যা একটি হাতল বা চেইনের সাথে যুক্ত থাকে যাতে এটি বাতাসে ঘোরানো যায়।
- বাতাসে দ্রুত ঘোরানোর ফলে ভেজা বাল্ব থেকে বাষ্পীভবন হয় এবং তাপমাত্রার পার্থক্য তৈরি হয়, যা থেকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা নির্ণয় করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে যে হিমায়ক সরাসরি শীতলীকরণের কাজ না করে বরং অন্য কোনো মাধ্যম থেকে তাপ শোষণ করে তাকে সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্ট বলে।
- প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্ট (যেমন অ্যামোনিয়া বা ফ্রেয়ন) প্রথমে সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্টকে ঠান্ডা করে।
- এরপর ওই ঠান্ডা সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্ট নির্দিষ্ট স্থান বা বস্তুকে শীতল রাখতে ব্যবহার করা হয়।
- ব্রাইন ওয়াটার (লবণ-পানির মিশ্রণ), সাধারণ পানি এবং বাতাস এই প্রক্রিয়ায় মাধ্যম হিসেবে কাজ করে বলে এরা সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্ট।
- বড় আকারের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা আইস প্ল্যান্টে এই পদ্ধতিটি নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী হওয়ায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে AHU-এর পূর্ণরূপ হলো Air Handling Unit
- এটি মূলত একটি বড় ধাতব বাক্স যা বাতাস নিয়ন্ত্রণ এবং সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই ইউনিটটি বাইরের বাতাস বা রুমের বাতাস টেনে নিয়ে ফিল্টার করে এবং ঠান্ডা বা গরম করে ডাক্টের মাধ্যমে দালানের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয়।
- এর প্রধান অংশগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্লোয়ার বা ফ্যান, হিটিং বা কুলিং কয়েল, ফিল্টার রেক বা চেম্বার, সাউন্ড অ্যাটিনিউয়েটর এবং ড্যাম্পার।
- সাধারণত বড় আকারের সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে (HVAC) ভবনের ছাদ বা বেসমেন্টে এই ইউনিটটি বসানো থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণ ফলের ক্ষেত্রে প্রিকুলিং রুমের তাপমাত্রা ১৫° সে.–২৪° সে. এর মধ্যে রাখা হয়।
- তবে সবজি বা ফলের প্রকারভেদ অনুযায়ী এই তাপমাত্রার ভিন্নতা হতে পারে এবং এর আর্দ্রতা সাধারণত ৯০-৯৫% রাখা হয়।
- যেকোনো ফল বা সবজিকে সংরক্ষণাগারে পাঠানোর পূর্বে তার স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে কমিয়ে আনার জন্য যে বিশেষ পদ্ধতি করা তাকে প্রিকুলিং বলে।
- এর মাধ্যমে সবজি বা ফল থেকে মাঠের তাপ (Field Heat) দূর করে সংরক্ষণাগারে পাঠানোর উপযোগী করে তোলা হয়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলে ফলের শ্বসন হার (Respiration rate)ইথিলিন উৎপাদন কমে যায়, যা পচন রোধে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- থার্মোডাইনামিক এবং তাপ শোষণ প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে রেফ্রিজারেন্টকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- এই দুটি ভাগ হলো প্রাইমারি (Primary) রেফ্রিজারেন্ট এবং সেকেন্ডারি (Secondary) রেফ্রিজারেন্ট
- প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্ট: এগুলো সরাসরি রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় এবং ফেস চেঞ্জ (যেমন বাষ্পীভবন ও ঘনীভবন) এর মাধ্যমে তাপ শোষণ ও বর্জন করে। যেমন: অ্যামোনিয়া, ফ্রেয়ন (R-12, R-22) ইত্যাদি।
- সেকেন্ডারি রেফ্রিজারেন্ট: এগুলো প্রথমে প্রাইমারি রেফ্রিজারেন্ট দ্বারা ঠাণ্ডা হয় এবং পরে সেই ঠাণ্ডা তরল হিসেবে নির্দিষ্ট স্থানে শীতলীকরণ কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন: ব্রাইন (Brine), ঠাণ্ডা পানি ইত্যাদি।
- রাসায়নিক উপাদানের ওপর ভিত্তি করে রেফ্রিজারেন্টকে হ্যালোকার্বন, অ্যাজিওট্রপ, জিওট্রপ, ইনঅর্গানিক এবং হাইড্রোকার্বন- এই পাঁচটি প্রধান গ্রুপে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- তবে কার্যপ্রণালীর ভিত্তিতে প্রধান শ্রেণিবিভাগটি দুই প্রকারই হয়ে থাকে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণ থার্মোমিটার দিয়ে বাতাসের যে স্বাভাবিক তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়, তাকেই শুষ্ক বাল্ব তাপমাত্রা (Dry Bulb Temperature) বলে।
- এই তাপমাত্রাই মূলত আমরা আবহাওয়ার খবরে বা দৈনন্দিন জীবনে বাতাসের তাপমাত্রা বা বায়ুমণ্ডলীয় তাপ হিসেবে জেনে থাকি।
- এটি পরিমাপ করার সময় থার্মোমিটারের বাল্বটি শুষ্ক বা শুকনা থাকে এবং বাতাসের আর্দ্রতা দ্বারা এটি সরাসরি প্রভাবিত হয় না।
- অন্যদিকে, ভেজা বাল্ব তাপমাত্রা (Wet Bulb Temperature) পরিমাপের সময় থার্মোমিটারের বাল্বটি ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে জড়ানো থাকে।
- বাতাস যখন জলীয়বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত থাকে না, তখন ভেজা বাল্ব তাপমাত্রা সবসময় শুষ্ক বাল্ব তাপমাত্রার চেয়ে কম হয়
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0