Voltage regulation এর সমীকরণ হলো: VR ≈ I(Rcosφ ± Xsinφ) / V Maximum voltage regulation পেতে হলে power factor angle (φ) এর সাপেক্ষে এই সমীকরণের ডিফারেন্সিয়েশন (differentiation) শূন্য হতে হবে। d(Rcosφ + Xsinφ)/dφ = 0 ⇒ -Rsinφ + Xcosφ = 0 ⇒ Rsinφ = Xcosφ ⇒ tanφ = X/R অর্থাৎ, maximum voltage regulation এর শর্ত হলো tanφ = X/R।
Alternating current (AC) যখন কোনো কন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তা কন্ডাক্টরের পুরো ক্রস-সেকশন জুড়ে সমানভাবে প্রবাহিত না হয়ে এর পৃষ্ঠের (surface) দিকে বেশি ঘনীভূত হয়। এই ফিনোমিননকে skin effect বলা হয়। এর ফলে কন্ডাক্টরের কেন্দ্রে current density সবচেয়ে কম থাকে এবং পৃষ্ঠে current density সর্বোচ্চ হয়।
- Transmission line-এর charging current মূলত line-এর capacitance এর কারণে হয়। - একটি transmission line তার দৈর্ঘ্যের সাথে অনুপাতিকভাবে capacitance ধারণ করে, অর্থাৎ line যত দীর্ঘ হবে capacitance তত বেশি হবে। - তবে, charging current নির্ভর করে line-এর capacitance এবং line voltage এর উপর। - তবে, সাধারণত যখন line-এর দৈর্ঘ্য বাড়ে, তখন line voltage drop বা voltage regulation এর কারণে line voltage কমে যায়। - এই voltage drop-এর কারণে line voltage কমে গেলে charging currentও কমে যায়। - এছাড়া, দীর্ঘ লাইন হলে line capacitance বৃদ্ধির পাশাপাশি line impedance ও বৃদ্ধি পায়, যা charging current-এর প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। - ফলস্বরূপ, দীর্ঘ transmission line-এ charging current সাধারণত কমে যায়।
সুতরাং, দৈর্ঘ্য বাড়ানো হলে charging current কমে যাওয়ার কারণ হলো line voltage drop এবং line impedance বৃদ্ধি, যা charging current কে হ্রাস করে।
একটি transmission line-এ মূলত চারটি distributed parameter বা constant থাকে: • Resistance (R) • Inductance (L) • Capacitance (C) • Conductance (G) যেহেতু অপশন ১ এবং ২-এ resistance, inductance এবং capacitance এর কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে both 1 and 2।
Zero voltage regulation সাধারণত leading power factor-এর ক্ষেত্রে ঘটে। Leading power factor-এর জন্য voltage regulation এর সমীকরণ হলো: VR ≈ I(Rcosφ - Xsinφ) / V Zero voltage regulation এর জন্য, Rcosφ - Xsinφ = 0 হতে হবে। ⇒ Rcosφ = Xsinφ ⇒ sinφ / cosφ = R / X ⇒ tanφ = R/X
Transmission line-এর inductance-এর সমীকরণ হলো L = 2 × 10⁻⁷ ln(D/r) H/m (যেখানে r হলো কন্ডাক্টরের ব্যাসার্ধ)। • যদি কন্ডাক্টরের diameter বা ব্যাস বৃদ্ধি পায়, তবে ব্যাসার্ধ (r) বৃদ্ধি পাবে। • সমীকরণ অনুযায়ী r বৃদ্ধি পেলে ln(D/r) এর মান কমে যায়। • ফলস্বরূপ, inductance-এর মান কমে যায় (decreased)।
Surge Impedance Loading (SIL) এর সূত্র হলো: SIL = V² / Zs - সূত্র থেকে দেখা যায়, SIL সরাসরি ভোল্টেজের বর্গের সমানুপাতিক। তাই voltage level বাড়ালে SIL বৃদ্ধি পাবে। - অন্যদিকে, লাইনের প্যারামিটার পরিবর্তন করে Surge impedance (Zs) কমানো হলে SIL বৃদ্ধি পায়, যা সিরিজ বা প্যারালাল কম্পোনেন্ট যুক্ত করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
ট্রান্সমিশন লাইনে Transposition করা হয় মূলত তিনটি ফেজের ইনডাকট্যান্স এবং ক্যাপাসিট্যান্স সমান করার জন্য। এর ফলে line voltage drop balance হয়। - একাধিক কন্ডাক্টর খুব কাছাকাছি থাকলে একটির কারেন্ট অন্যটির কারেন্ট ডিস্ট্রিবিউশনকে প্রভাবিত করে, যাকে proximity effect বলে। - লাইনে ট্রান্সপজিশন করার ফলে কন্ডাক্টরগুলোর মধ্যকার আপেক্ষিক দূরত্ব পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়, যা কন্ডাক্টরগুলোর মধ্যে অসমতা দূর করে এবং proximity effect এর প্রভাব কমাতেও সাহায্য করে। এছাড়া এটি টেলিকমিউনিকেশন লাইনের সাথে ম্যাগনেটিক ইন্টারফারেন্স কমাতেও অত্যন্ত কার্যকর।
Transmission line এর Capacitance এর সূত্র হলো: C = 2πε / ln(D/r) যেখানে, D = কন্ডাক্টরগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব (spacing) এবং r = কন্ডাক্টরের ব্যাসার্ধ। - সূত্র থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, Capacitance (C) এবং কন্ডাক্টরগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব (D) এর মধ্যকার সম্পর্ক হলো ব্যস্তানুপাতিক (লগারিদমিক স্কেলে)। - তাই ফেজ কন্ডাক্টরগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব বা spacing বাড়ানো হলে line capacitance কমে যায়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
Alternating current (AC) যখন কোনো কন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তা কন্ডাক্টরের পুরো ক্রস-সেকশন জুড়ে সমানভাবে প্রবাহিত না হয়ে পৃষ্ঠের দিকে বেশি ঘনীভূত হয়, যাকে skin effect বলে। - Skin effect ছাড়াও কারেন্টের এই non-uniformity বা অসম বণ্টনের আরেকটি মূল কারণ হলো proximity effect। - যখন দুটি কারেন্ট পরিবাহী কন্ডাক্টর খুব কাছাকাছি অবস্থান করে, তখন একটির ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স অন্যটির কারেন্ট ডিস্ট্রিবিউশনকে প্রভাবিত করে। এর ফলে কারেন্ট কন্ডাক্টরের একটি নির্দিষ্ট অংশে বেশি ঘনীভূত হয়।
Zero voltage regulation বলতে বোঝায় যে একটি ট্রান্সফরমারের আউটপুট ভোল্টেজ ইনপুট ভোল্টেজের সমান থাকে, অর্থাৎ লোড পরিবর্তনের পরও আউটপুট ভোল্টেজে কোনো পরিবর্তন হয় না। এটি তখনই সম্ভব যখন পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্দিষ্ট একটি মানের হয়।
- যখন লোডের পাওয়ার ফ্যাক্টর unity (1.0) হয়, তখন ট্রান্সফরমারে voltage drop এবং voltage rise উভয়েরই প্রভাব সুষম হয়। - এই পরিস্থিতিতে, ট্রান্সফরমারের রিঅ্যাক্টিভ এবং রেজিস্টিভ ইম্পিডেন্সের কারণে voltage drop এবং rise একে অপরকে ক্যানসেল করে দেয়, ফলে আউটপুট ভোল্টেজ ইনপুট ভোল্টেজের সমান থাকে। - অন্যদিকে, lagging বা leading power factor লোডে voltage drop এবং voltage rise একে অপরকে পুরোপুরি ক্যানসেল করতে পারে না, তাই zero voltage regulation সম্ভব হয় না।
সুতরাং, zero voltage regulation সম্ভব হয় শুধুমাত্র unity power factor লোডের জন্য।
Skin effect মূলত ফ্রিকোয়েন্সির (Frequency) ওপর নির্ভর করে। ফ্রিকোয়েন্সি যত বেশি হয়, Skin effect তত বেশি পরিলক্ষিত হয়। - Power lines সাধারণত খুব কম ফ্রিকোয়েন্সিতে (যেমন 50 Hz বা 60 Hz) কাজ করে। - অন্যদিকে, Communication lines অনেক উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সিতে (High Frequency) সিগন্যাল আদান-প্রদান করে। - যেহেতু Communication lines এর ফ্রিকোয়েন্সি Power lines এর তুলনায় অনেক বেশি, তাই communication lines-এ Skin effect অনেক বেশি হয়।
Proximity effect হলো একটি পরিবাহীর (conductor) কারেন্ট প্রবাহের ওপর তার পার্শ্ববর্তী পরিবাহীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের প্রভাব। এটি বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে:
- Frequency: ফ্রিকোয়েন্সি যত বেশি হয়, proximity effect তত বৃদ্ধি পায়। - Distance between the conductors: পরিবাহীগুলোর মধ্যকার দূরত্ব যত কম হয়, proximity effect তত বেশি পরিলক্ষিত হয়। - Relative permeability: পরিবাহীর উপাদানের relative permeability বেশি হলে এই প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
যেহেতু উল্লেখিত সবগুলো বিষয়ের ওপরই proximity effect নির্ভরশীল, তাই সঠিক উত্তর all of the above।
Load flow analysis-এর ক্ষেত্রে সাধারণত Nominal ∏ (Pi) মডেলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
- Nominal ∏ মডেলে শান্ট ক্যাপাসিট্যান্সকে লাইনের দুই প্রান্তে (buses) ভাগ করে দেওয়া হয়, যার ফলে bus admittance matrix (Ybus) তৈরি করা অত্যন্ত সহজ হয়। - Nominal T মডেলে লাইনের মাঝে একটি অতিরিক্ত নোড (node) বা বাসের প্রয়োজন হয়, যা ম্যাট্রিক্সের আকার বাড়িয়ে দেয় এবং ক্যালকুলেশনকে জটিল করে তোলে। - Nominal ∏ মডেল ব্যবহার করলে কম্পিউটেশনাল সময় ও মেমরি বাঁচে।
এজন্য গাণিতিক ও ব্যবহারিক সুবিধা বিবেচনায় Nominal ∏ মডেল সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
Synchronous phase modifier হলো মূলত একটি synchronous motor যা কোনো মেকানিক্যাল লোড ছাড়া চালানো হয়। এটি পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
- যখন এটি over-excited অবস্থায় থাকে, তখন এটি লিডিং কারেন্ট (leading current) গ্রহণ করে এবং সিস্টেমে রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার (reactive power) সরবরাহ করে। - এই অবস্থায় এটি একটি shunt capacitor এর মতো আচরণ করে। - অন্যদিকে, under-excited অবস্থায় এটি shunt reactor এর মতো কাজ করে, যা রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার শোষণ করে।
যেহেতু প্রশ্নে over excitation এর কথা বলা হয়েছে, তাই এটি shunt capacitor হিসেবে কাজ করবে।
- প্রথমে sparsity এর মানে বুঝতে হবে। Sparsity বলতে বোঝায় কতটা নেটওয়ার্ক sparse বা খালি, অর্থাৎ মোট সম্ভব transmission lines এর মধ্যে কত অংশ ফাঁকা বা নাই। - একটি ৫ বাসের (5 bus) নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ transmission lines এর সংখ্যা হবে ৫ বাসের মধ্যে সংযোগের সম্ভাব্য জোড়ার সংখ্যা। - বাসের মধ্যে transmission line সর্বোচ্চ সংখ্যা = n(n-1)/2, যেখানে n = 5 - তাই, সর্বোচ্চ transmission lines = 5 × 4 / 2 = 10 - Sparsity = (Number of missing transmission lines) / (Maximum possible transmission lines) - এখানে sparsity = 0.4, অর্থাৎ 40% লাইন নেই, 60% লাইন আছে - Number of existing transmission lines = (1 - sparsity) × Maximum lines = 0.6 × 10 = 6
সিস্টেমের পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং (leading) হওয়ার অর্থ হলো সেখানে ক্যাপাসিটিভ রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ারের আধিক্য রয়েছে (যেমন- Ferranti effect এর কারণে)। পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং থেকে ল্যাগিং (lagging) করতে হলে এই অতিরিক্ত ক্যাপাসিটিভ প্রভাব প্রশমিত করতে হবে।
- Shunt reactor একটি ইন্ডাকটিভ ডিভাইস যা সিস্টেম থেকে অতিরিক্ত রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার (reactive power) শোষণ করে। - এটি সিস্টেমে যুক্ত করলে লিডিং কারেন্ট প্রশমিত হয় এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং এর দিকে পরিবর্তিত হয়। - Shunt বা series capacitor পাওয়ার ফ্যাক্টরকে আরও লিডিং করে তুলবে, যা এক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত।
তাই লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং করতে shunt reactor ব্যবহার করা হয়।
Stranded conductor-এর ক্ষেত্রে মোট ব্যাস বা total diameter বের করার সূত্রটি হলো: D = (2n - 1)d যেখানে, - n = লেয়ার (layer) বা স্তরের সংখ্যা - d = প্রতিটি strand-এর ব্যাস
প্রশ্নে দেওয়া আছে, লেয়ার সংখ্যা (n) = 3 সুতরাং, মোট ব্যাস (D) = (2 × 3 - 1)d = (6 - 1)d = 5d।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
Synchronous phase modifier হলো মূলত একটি synchronous motor যা কোনো মেকানিক্যাল লোড ছাড়া চালানো হয়। এটি ট্রান্সমিশন লাইনে পাওয়ার ফ্যাক্টর এবং ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
- যখন এটি under-excited অবস্থায় থাকে, তখন এটি সিস্টেম থেকে ল্যাগিং কারেন্ট (lagging current) গ্রহণ করে এবং রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার (reactive power) শোষণ করে। - এই অবস্থায় এটি একটি shunt reactor-এর মতো আচরণ করে। - অন্যদিকে, over-excited অবস্থায় এটি shunt capacitor-এর মতো কাজ করে।
যেহেতু প্রশ্নে under-excited অবস্থার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি shunt reactor হিসেবে কাজ করবে।
ট্রান্সমিশন লাইনের স্ট্যাবিলিটি বা পাওয়ার ট্রান্সফার ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর জন্য লাইনের সিরিজ রিঅ্যাক্ট্যান্স কমানো এবং ভোল্টেজ প্রোফাইল উন্নত করা প্রয়োজন।
- Series capacitor: এটি লাইনের সিরিজ রিঅ্যাক্ট্যান্স (X) কমিয়ে দেয়। ফলে পাওয়ার ট্রান্সফার ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পায় এবং স্ট্যাবিলিটি বাড়ে। - Shunt capacitor: এটি সিস্টেমে রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার সরবরাহ করে ভোল্টেজ প্রোফাইল উন্নত করে, যা স্ট্যাবিলিটি বাড়াতে সাহায্য করে।
যেহেতু উভয় পদ্ধতিই স্ট্যাবিলিটি বাড়ায়, তাই সঠিক উত্তর হবে both 1 and 2।
Skin depth হলো কন্ডাক্টরের পৃষ্ঠ থেকে সেই গভীরতা পর্যন্ত দূরত্ব, যেখানে কারেন্ট প্রবাহিত হয়।
- Skin depth বেশি হওয়ার অর্থ হলো কারেন্ট কন্ডাক্টরের ভিতরের অংশে আরও গভীরভাবে এবং সুষমভাবে প্রবাহিত হতে পারছে। - অন্যদিকে Skin effect হলো কারেন্টের কন্ডাক্টরের কেবল বাইরের পৃষ্ঠ (surface) দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার প্রবণতা। - সুতরাং, কারেন্ট যত বেশি গভীরতা (skin depth) জুড়ে প্রবাহিত হবে, কন্ডাক্টরের বাইরের পৃষ্ঠে কারেন্ট ঘনীভূত হওয়ার প্রবণতা (skin effect) তত less বা কম হবে।
সহজ কথায়, Skin depth এবং Skin effect একে অপরের ব্যস্তানুপাতিক।
Ferranti effect হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে মাঝারি বা দীর্ঘ ট্রান্সমিশন লাইনে নো-লোড (no-load) বা হালকা লোডে রিসিভিং এন্ডের ভোল্টেজ সেন্ডিং এন্ডের ভোল্টেজের চেয়ে বেশি হয়ে যায়।
- এটি মূলত লাইনের ক্যাপাসিট্যান্সের (line capacitance) কারণে তৈরি হওয়া অতিরিক্ত লিডিং রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ারের ফলে ঘটে। - এই প্রভাব কমানোর জন্য বা অতিরিক্ত ক্যাপাসিটিভ প্রভাব প্রশমিত করতে সিস্টেমে Shunt reactor ব্যবহার করা হয়। - Shunt reactor একটি ইন্ডাকটিভ ডিভাইস যা লাইন থেকে অতিরিক্ত রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার শোষণ করে ভোল্টেজকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।
ACSR (Aluminum Conductor Steel Reinforced) কন্ডাক্টরের স্ট্র্যান্ড (strand) সংখ্যা বের করার সূত্র হলো: N = 3n² - 3n + 1, যেখানে 'n' হলো লেয়ার (layer) বা স্তরের সংখ্যা।
- এখানে, লেয়ার সংখ্যা, n = 3 - সূত্র অনুযায়ী, N = 3(3)² - 3(3) + 1 - N = 27 - 9 + 1 = 19
সুতরাং, একটি ৩-লেয়ার কন্ডাক্টরের মোট স্ট্র্যান্ড সংখ্যা হবে 19।
পাওয়ার সিস্টেমে Reactive power বা ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের (compensation) জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
- Shunt capacitor: এটি মূলত লোড এন্ডে বা লাইনে সমান্তরালে সংযুক্ত থাকে এবং রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার সরবরাহ করে ভোল্টেজ ড্রপ কমায়। - Series capacitor: এটি ট্রান্সমিশন লাইনের সিরিজে যুক্ত করা হয়, যা লাইনের ইন্ডাকটিভ রিঅ্যাক্ট্যান্স কমিয়ে ভোল্টেজ রেগুলেশন উন্নত করে। - Generation excitation control: জেনারেটরের এক্সাইটেশন (Excitation) নিয়ন্ত্রণ করে রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার উৎপাদন বা শোষণ করা যায়, যা সিস্টেমের ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
যেহেতু উল্লেখিত সবগুলো পদ্ধতিই ভোল্টেজ বা রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার কম্পেনসেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর all of the above।
Skin effect হলো এসি (AC) কারেন্ট প্রবাহের সময় পরিবাহীর (conductor) কেন্দ্রে কারেন্ট প্রবাহিত না হয়ে পৃষ্ঠের (surface) দিকে বেশি প্রবাহিত হওয়ার প্রবণতা। এটি মূলত নিচের বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করে:
- Frequency: ফ্রিকোয়েন্সি যত বেশি হয়, পরিবাহীতে স্কিন ইফেক্ট তত বৃদ্ধি পায়। - Conductivity: পরিবাহীর উপাদানের পরিবাহিতা (conductivity) বেশি হলে স্কিন ইফেক্ট বেশি হয়। - Relative permeability: পরিবাহীর উপাদানের relative permeability বেশি হলে স্কিন ইফেক্ট বৃদ্ধি পায়।
যেহেতু উল্লেখিত সবগুলো বিষয়ের ওপরই skin effect নির্ভরশীল, তাই সঠিক উত্তর all of the above।
ট্রান্সমিশন লাইনের ম্যাক্সিমাম পাওয়ার ট্রান্সফার সক্ষমতা (Maximum power transfer capability) মূলত লাইনের রিঅ্যাক্ট্যান্সের (reactance, X) ব্যস্তানুপাতিক। এর সূত্র হলো: P_max = (Vs × Vr) / X
- পাওয়ার ট্রান্সফার সক্ষমতা বাড়াতে হলে ট্রান্সমিশন লাইনের Reactance (X) কমাতে হবে। - যখন দুটি ট্রান্সমিশন লাইন Parallel বা সমান্তরালে যুক্ত করা হয়, তখন লাইনের সমতুল্য রিঅ্যাক্ট্যান্স অর্ধেক (X/2) হয়ে যায়। - রিঅ্যাক্ট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ফলে লাইনের Maximum power transfer capability প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।
অন্যান্য পদ্ধতিগুলো সক্ষমতা সামান্য বাড়ালেও, Parallel transmission lines ব্যবহার করা সবচেয়ে কার্যকর এবং উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি। তাই সঠিক উত্তর Parallel transmission lines।
ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার ট্রান্সমিশনের মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো:
- Line losses সর্বনিম্ন রাখা: ট্রান্সমিশন সিস্টেমকে অবশ্যই অত্যন্ত দক্ষ (efficient) হতে হবে, যাতে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় পাওয়ার লস (I²R loss) সবচেয়ে কম হয়। এটি সিস্টেমকে অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী করে। - Voltage regulation শূন্য বা সর্বনিম্ন রাখা: সেন্ডিং এন্ড (sending end) এবং রিসিভিং এন্ডের (receiving end) ভোল্টেজের পার্থক্য যেন খুব কম হয় তা নিশ্চিত করা। ভোল্টেজ রেগুলেশন সর্বনিম্ন হলে গ্রাহক প্রান্তে ভোল্টেজের গুণগত মান সঠিকভাবে বজায় থাকে।
যেহেতু এই দুটি লক্ষ্যই ট্রান্সমিশন সিস্টেমের আদর্শ এবং প্রধান উদ্দেশ্য, তাই both 1 and 2 সঠিক উত্তর।
ট্রান্সমিশন লাইনের Maximum power transfer-এর সমীকরণটি হলো, P = (|V_s| × |V_r|) / X × sin(δ) যেখানে, V_s = Sending end voltage, V_r = Receiving end voltage এবং X = Series reactance. এই সমীকরণ থেকে দেখা যায় যে, পাওয়ার ট্রান্সফার ক্যাপাবিলিটি (P) বাড়াতে হলে: - Voltage level (V) বাড়াতে হবে: ভোল্টেজ প্রোফাইল উন্নত হলে পাওয়ার ট্রান্সফার বাড়ে। - Reactance (X) কমাতে হবে: লাইনের সিরিজ রিঅ্যাক্ট্যান্স কমালে (Series capacitor ব্যবহার করে) পাওয়ার ট্রান্সফার বৃদ্ধি পায়। যেহেতু দুটি পদ্ধতিতেই ম্যাক্সিমাম পাওয়ার ট্রান্সফার করা সম্ভব, তাই সঠিক উত্তর হবে either 1 or 2।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
প্রশ্নে বলা হয়েছে ৫০ কিলোমিটার transmission line এর charging reactance ১৫০০ Ω। এরপর ১০০ কিলোমিটার লাইন হলে charging reactance কত হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
- Charging reactance একটি transmission line এর দৈর্ঘ্যের সাথে বিপরীত সম্পর্ক রাখে না, বরং এটি দৈর্ঘ্যের সাথে সরাসরি пропোপশনাল। অর্থাৎ, লাইন যত লম্বা হবে, তত বেশি charging reactance হবে। কারণ charging reactance হলো লাইন দ্বারা সঞ্চিত ক্ষমতার প্রতিরোধ যা লাইন দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে।
- যদি ৫০ কিলোমিটার লাইন এর charging reactance ১৫০০ Ω হয়, তাহলে ১০০ কিলোমিটার লাইন এর charging reactance হবে ১৫০০ × ২ = ৩০০০ Ω হওয়া উচিত।
কিন্তু প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে ৭৫০ Ω দেওয়া হয়েছে, যা ১৫০০ Ω এর অর্ধেক। এর মানে হতে পারে প্রশ্নে charging reactance এর বিপরীত অর্থে charging susceptance বা অন্য কোনো পরিমাপ বোঝানো হয়েছে, যেখানে দৈর্ঘ্য বাড়লে মান কমে।
যাই হোক, সাধারণত, charging reactance (Xc) দৈর্ঘ্যের সাথে সরাসরি বৃদ্ধি পায়, তাই ৫০কিমির ১৫০০ Ω হলে ১০০কিমির জন্য তা ৩০০০ Ω হওয়া উচিত।
অতএব, সঠিক উত্তর হল ৩০০০ Ω।
সারসংক্ষেপে: - Charging reactance (Xc) ∝ দৈর্ঘ্য (l) - ৫০ কিমি এর জন্য Xc = ১৫০০ Ω - ১০০ কিমি এর জন্য Xc = ১৫০০ × ২ = ৩০০০ Ω
এখন যদি প্রশ্নে charging reactance না বলে charging susceptance বোঝানো হয়ে থাকে, তাহলে Susceptance (B) ∝ ১/দৈর্ঘ্য, তাই ১০০ কিমি এর জন্য হবে ১৫০০/২ = ৭৫০ Ω।
তাই প্রশ্নে যদি charging reactance এর পরিবর্তে charging susceptance বোঝানো হয়, তাহলে ৭৫০ Ω সঠিক হবে। অন্যথায় ৩7০০০ Ω সঠিক উত্তর।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।